Logo
শিরোনাম

চতুর্থ ধাপে ৬০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ৬০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। 


আজ বুধবার (৫ জুন) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।



নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল রাতেই দুর্গম এলাকার ১৯৭টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠিয়েছে কমিশন। 


এ ছাড়া আজ ভোরে বাকি কেন্দ্রগুলোতে এসব সরঞ্জাম পাঠানো হয়। আগের ধাপগুলোর মতো এ ধাপে কম ভোট পড়তে পারে এবং সহিংসতা, ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও রয়েছে।



ইসির তথ্যমতে, চতুর্থ ধাপের ভোটের মধ্য দিয়েই ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে। তবে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত হওয়া ২০টি উপজেলায় আগামী ৯ জুন ভোটগ্রহণ করা হবে। ফলে ওইদিনই উপজেলা নির্বাচন চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত হবে।


চতুর্থ ধাপে ৬০ উপজেলায় একজন চেয়ারম্যান, তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৫১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০৫ জনসহ মোট ৭২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


 ৫৮টি পৌরসভা ও ৮৭৪টি ইউনিয়নের দুই কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৫ জন ভোটার রয়েছেন।


নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে সাত হাজার ৮২৫টি। নির্বাচনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোট বিজিবি মোতায়েন থাকছে ১৬৬ প্লাটুন। ভোটকেন্দ্রে ১৯ হাজার ৪৭৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন।


 মোবাইল টিমে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে ছয় হাজার তিনজন, স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশ সদস্য থাকবেন দুই হাজার ৬৭৩ জন। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে র‌্যাবের ১৫৪টি টিম থাকবে।


 ভোটকেন্দ্র এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোট আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে ৬৬ হাজার ৫৭৯ জন। নির্বাচনে স্বাভাবিক এলাকার ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, চৌকিদার, দফাদারসহ মোট ১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।


 আর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ থেকে ১৯ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ এলাকার (পার্বত্য ও দুর্গম এলাকা) সাধারণ কেন্দ্রে ১৯ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ থেকে ২১ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।


তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের তিন দিন আগে পর্যন্ত আচরণবিধি এবং আইনশৃঙ্গলা রক্ষায় প্রতি উপজেলার জন্য একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট এবং ভোটগ্রহণের তিন দিন আগে থেকে ভোটগ্রহণের পরের দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতি তিনটি ইউনিয়নে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।



আরও খবর



চলতি বছর হজে মারা গেছেন ১৩০১ হাজী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস  ডিজিটাল ডেস্ক:

চলতি বছর হজে গিয়ে তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে এক হাজার ৩০১ জন হজযাত্রীর। মারা যাওয়া এসব মানুষের বেশিরভাগই ছিলেন অননুমোদিত হজযাত্রী।


সোমবার (২৪ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের হজের সময় কমপক্ষে ১৩০১ জন মারা গেছেন বলে সৌদি আরব জানিয়েছে। মৃতদের বেশিরভাগই ছিলেন অননুমোদিত হজযাত্রী যারা তীব্র গরমে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটেছিলেন।


মূলত তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যেই এবারের হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এসময় মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে তাপমাত্রা কখনো কখনো ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছিল।


সরকারি সৌদি বার্তাসংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যারা মারা গেছে তাদের তিন-চতুর্থাংশেরও সেখানে থাকার আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছিল না এবং তারা পর্যাপ্ত আশ্রয় ও উপকরণ ছাড়াই সরাসরি সূর্যের তাপের মধ্যে হেঁটেছেন।


এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন বয়স্ক বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থ ব্যক্তি ছিলেন বলেও বার্তাসংস্থাটি জানিয়েছে।


সৌদি আরবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহাদ আল-জালাজেল বলেছেন, তীব্র তাপপ্রবাহের বিপদ এবং তাপ সম্পর্কিত চাপ হজযাত্রীরা কীভাবে প্রশমিত করতে পারেন সে সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।


তিনি বলেন, হজের সময় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোগুলোতে প্রায় ৫ লাখ হজযাত্রীর চিকিৎসা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী রয়েছেন যাদের হজ করার পারমিট ছিল না। এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়াদের কেউ কেউ এখনো তাপ ক্লান্তির জন্য হাসপাতালে রয়েছেন।



ফাহাদ আল-জালাজেল বলেন, ‘আল্লাহ ক্ষমা করুন এবং মৃতদের প্রতি রহম করুন। তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই।’


বিবিসি বলছে, সৌদি আরব হজকে নিরাপদ করতে আরও পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য সমালোচিত হয়েছে, বিশেষ করে অনিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য যাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবু এবং অফিসিয়াল হজ পরিবহনের মতো সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ নেই।


সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুসারে, হজের সময় মক্কায় তাপমাত্রা ৫১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়েছিল। 



এর মধ্যেই বিশ্বজুড়ে বহু দেশ তাদের নাগরিকদের মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে আপডেট দিয়েছে, তবে সৌদি আরব রোববারের আগপর্যন্ত মৃত্যুর বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি বা মৃত্যুর সংখ্যা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংখ্যা প্রদান করেনি।


বার্তাসংস্থা এএফপি একজন আরব কূটনীতিকের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এবারের হজে ৬৫৮ জন মিসরীয় মারা গেছেন। ইন্দোনেশিয়া বলেছে, তাদেরও ২০০ জনেরও বেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং ভারতও তাদের ৯৮ জন হাজির মৃত্যুর কথা জানিয়েছে।


এছাড়া পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, জর্ডান, ইরান, সেনেগাল, সুদান এবং ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলও তাদের হাজিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি কমার ইঙ্গিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকাল মিলিয়ে মোট ২০ দিনের ছুটি চলছে। গত ১৩ জুন শুরু হওয়া এই ছুটি আগামী ২ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই ছুটি এক সপ্তাহ কমানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

শিক্ষা প্রশাসন সূত্র বলছে, ঈদের ছুটি শেষে অফিস খুলবে বুধবার (১৯ জুন)। প্রথম কর্মদিবস বা দ্বিতীয় কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (২০ জুন) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ছুটি সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনার কারণ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, নতুন কারিকুলামে চলতি বছরের বেশ গ্যাপ রয়েছে। শীত ও অতিগরমের কারণে এবার ১৫ দিনের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সেই ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মের ছুটি কাটছাঁট করা হতে পারে। পাঠদানের কর্মদিবস বছরব্যাপী কমেছে। এছাড়া ঈদের পর শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল রাখার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। তাই গ্রীষ্মের ছুটির এক সপ্তাহ কমতে পারে।

জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর সৈয়দ জাফর আলী বলেন, গ্রীষ্মের ছুটি কমানোর বিষয়ে একটি প্রস্তাব রয়েছে। এখন কী করবে, সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

তার বক্তব্য, বাংলাদেশে আবহাওয়ার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় জুন-জুলাই মাসে অতি গরম থাকে। এই সময় ছুটি দেওয়া না দেওয়া সমান কথা। আমার প্রস্তাব হলো গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করে তা শীতের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা।

২০২৩ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করা হয়। সে বছরে ছুটি বাতিলের যুক্তি ছিল, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আগে নির্বাচনী ডামাডোল শুরু হবে। সেই কারণে ছুটি বাতিল করা হয়।

গত বছর শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২০ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ছিল। বাতিল করা গ্রীষ্মকালীন ছুটি পরে শীতকালীন ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।


আরও খবর



আড়াই’শ শিশু শিক্ষার্থী পেলো একটি করে সিদ্ধ ডিম

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

 চাঁদপুর প্রতিনিধি::

বিদ্যালেয়ে আড়াই"শ শিশু শিক্ষার্থী পেলো একটি করে সিদ্ধ ডিম। শিশুদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে এই আযোজন করেছে উপজেলা  সম্পদ কার্যালয়। ১০ জুলাই (বুধবার) প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর এলকার টোরাগড় স্বর্ণকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের ডিম এই খাওয়ানো হয়।

এ উপলক্ষে এদিন বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহিন মিয়া বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণির মোট ২৫০ জন শিশু শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে সিদ্ধ ডিম তুলে দেন।

 বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্’র সভাপ্রধানে ও প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামালের সঞ্চালনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহিন মিয়া বলেন, প্রাণিসম্পদ দিবস উপলক্ষে ২৫০ শিক্ষার্থীকে ডিম খাওয়ানো হয়েছে। ডিমে সুলভ মূল্যে উচ্চমাত্রার প্রোটিন পাওয়া যায়।  শিশুর মেধা বিকাশে সুপার ফুড হিসেবে কাজ করে ডিম। ডিমের পুষ্টিগুণ শিশু শুধু মেধাই বিকাশ করে না চোখেরও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। তাই, প্রতিনিয়ত শিশুকে ডিম খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দেন তিনি।

 অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সদর ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী, উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য মো. আবুল হাসেম ভুইয়া, সিনিয়র শিক্ষক রওশন আরা খানম, রুপালী রানী ঘোষ, জাহানারা বেগম, ফাতেমা আক্তার, ফাহমিদা আক্তার, সহকারী শিক্ষকসহ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ফিরতি পথে যাত্রীঢল ও বাড়তি ভাড়া আদায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

পাটুরিয়া ও আরিচা ফেরি এবং লঞ্চ ঘাট এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে কর্মস্থলে ঢাকায় ফেরা মানুষের ঢল নামে। লঞ্চ ও ফেরিতে গাদাগাদি করে পদ্মা-যমুনা নদী পাড়ি দিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে আসছেন তারা। অনেকেরই ঈদের ছুটি শেষ। আগামীকাল থেকে অফিস করতে হবে। অনেক গার্মেন্ট আগামীকাল খোলার কারণে যাত্রীরা আগেভাগেই বাড়ি থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করছেন।

শুক্রবার পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কর্মজীবী মানুষ রাজধানীর কর্মস্থলে ফিরতে লঞ্চ ও ফেরিতে গাদাগাদি করে উঠেছেন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার এসব মানুষ নদী পাড়ি দিয়ে পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে আসছেন। অতিরিক্ত যাত্রী চাপের কারণে এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ বাস মালিক ও শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন তারা।

স্বাভাবিক সময়ে সেলফি, নীলাচল, হিমাচল, যাত্রীসেবা বাসের ভাড়া পাটুরিয়া থেকে নবীনগর পর্যন্ত ১২০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। পাটুরিয়া থেকে গাবতলীর ভাড়া স্বাভাবিক সময়ে নেওয়া হয় ১৮০ টাকা। এখন যাত্রীদের কাছে থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩০০ টাকা করে। কেউ অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে প্রতিবাদ করলে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে বাস শ্রমিকদের হাতে।

শিবালয় বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আপেল মুন্সী জানান, ১০০ টাকার বেশি জিপি নেওয়ার নিয়ম নেই। অতিরিক্ত জিপির নামে চাঁদা নেওয়া হলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবেন। আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম খালেদ নেওয়াজ জানান, গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে ঢল নেমেছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে ১৫টি ও আরিচা-কাজীরহাট-নৌ-রুটে ৫টি ফেরি দিয়ে যাত্রী, প্রাইভেট কার ও জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে।

শিবালয় থানার ওসি আবদুর রউফ সরকার জানান, কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেননি। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত অন্তত ১২

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


ইউক্রেনে রাশিয়ার পৃথক হামলায় চার শিশুসহ কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে। 



স্থানীয় সময়  শনিবার (২৯ জুন) দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে রাশিয়া। খবর আলজাজিরার।



ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি শনিবার সতর্ক করে বলেন, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের কাছে ভিলনিয়ানস্ক গ্রামে হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।



জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের অস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন,  ‘জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছে। চলমান যুদ্ধে মিত্রদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে যেকোনো বিলম্বের অর্থ হলো মানুষের প্রাণহানি।’


ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইগর ক্লিমেংকো বলেন, জাপোরিঝিয়া শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে ভিলনিয়ানস্কে চার শিশুসহ ১৮ জন আহত হয়েছেন।



জাপোরিঝিয়ার গভর্নর ইভান ফেদোরভ বলেন, দিনের বেলায় মানুষের বিশ্রাম করার স্থানে হামলাটি করা হয়। তারা কোনো সামরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।


ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানান, গতকাল শনিবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ হামলায় চারজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে উদ্ধারকারীরা দল মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিনিপ্রোতে একটি ৯তলা আবাসিক ভবনে হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে মৃত এবং ১২ জন আহত অবস্থায় পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।



ইউক্রেনের এক হাজার কিলোমিটার জুড়ে দেশটির সেনাদের সঙ্গে তীব্র সম্মুখ যুদ্ধ হয় রুশ বাহিনীর। পাশাপাশি রাশিয়া ইউক্রেনের প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করার জন্য বিমান হামলা জোরদার করেছে। প্রায়শ ইউক্রেনের জ্বালানি প্রকল্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে।


ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলছে, শত্রুদের আক্রমণ পুরো ফ্রন্ট লাইন জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। পূর্ব দোনেৎস্কের আঞ্চলিক গভর্নর ভাদিম ফিলাশকিন বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ার সেনাবাহিনী জনবহুল এলাকাকে লক্ষ্য করে ১৩ বারের বেশি গোলাবর্ষণ করেছে।



জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেনের মিত্রদের মনে করিয়ে দিতে চাই, দিনিপ্রোতে রাশিয়ার বিমান হামলা প্রতিহত করার জন্য আমাদের আরও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত পরিমাণ উচ্চমানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ প্রয়োগই পারে রাশিয়ার সন্ত্রাস বন্ধ করতে।’



ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর পিছু হটার সুযোগ নিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনী চারদিক থেকে হামলা চালানো শুরু করেছে। ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে লড়াই তীব্র হয়েছে।


অন্যদিকে রাশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছে। অঞ্চলটির গভর্নর অ্যালেক্সি স্মিরনভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তবর্তী গ্রাম গোরোদিশে নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে।



আরও খবর