Logo
শিরোনাম

ডেঙ্গুতে রেকর্ড ৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে একই সময় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি   হয়েছেন যা চলতি বছরের একদিনে সর্বোচ্চ এর আগে গত ১৩ অক্টোবর একদিনে আটজনের মৃত্যু হয়েছে নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬১ জনে আর নতুন আক্রান্তসহ বর্তমানে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৬৭৬ জন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সই করা ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়

এতে বলা হয়, বুধবার ( নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৮৮২ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৪৯৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ৩৮৪ জন। নতুন আক্রান্তসহ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৬৭৬ জনে 

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০ হাজার ৯৮৩ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ২৭ হাজার ৬৪৬ জন এবং ঢাকার বাইরে রয়েছেন ১৩ হাজার ৩৩৭ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩৭ হাজার ১৪৬ জন

২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা যায়নি। তবে, ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। এর মধ্যে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




পরিকল্পিত ঢাকার জন্য ড্যাপ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : ঢাকার সমস্যা কমিয়ে পরিকল্পিত শহর গড়ার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা । শহরের বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে নাগরিক সুবিধাদি ও পরিষেবার বিপরীতে জনসংখ্যা নির্ধারণ করে শহরের সার্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কোন এলাকার উন্নয়নে কতটুকু অনুমোদন দেওয়া হবে, তা নির্ভর করবে ওই এলাকার সুবিধা প্রাপ্তির ওপর।

নতুন ড্যাপ অনুযায়ী, ঢাকায় ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট এলাকার নাগরিক সুবিধা ও সড়কের প্রশস্ততা অনুযায়ী। যেসব এলাকায় প্রশস্ত রাস্তা ও নাগরিক সুবিধা যেমন- পার্ক, উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাসহ অন্য সুবিধা বেশি থাকবে সেসব এলাকায় বেশি উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা যাবে। সেক্ষেত্রে ভবনের উচ্চতা নিয়ে বাধা থাকবে না। অন্যদিকে, যেসব এলাকায় বা প্লটের সামনে প্রশস্ত রাস্তা নেই সেসব এলাকার ভবন নির্মাণে বিভিন্ন ধরনের শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে নতুন ড্যাপে। প্লটের সামনে প্রশস্ত রাস্তা কম হলে সেসব ভবন নির্মাণে মানতে হবে ড্যাপের নতুন নিয়ম। এর মানে পাঁচ কাঠার একটি জমির সামনে যদি প্রশস্ত রাস্তা না থাকে তাহলে সেখানে চারতলা ভবন নির্মাণের অনুমতি পাওয়া যাবে। আগে একই পরিমাণ জমিতে আটতলা ভবন নির্মাণের অনুমতি পাওয়া যেত।

সার্বিক বিষয় নিয়ে ডিটেল এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) প্রকল্প পরিচালক ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম বলেন, শহরে নাগরিক সুবিধাগুলো বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ড্যাপকে সাজানো হয়েছে। কোন এলাকায় কতটুকু সুবিধা আছে, সেসব বিবেচনা করে সেই এলাকায় উন্নয়নের অনুমোদন দেওয়া হবে। এলাকাভিত্তিক জনঘনত্ব নির্ধারণ করে জনঘনত্ব পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। যদিও জনঘনত্বের পরিকল্পনা তিন বছর পরপর হালনাগাদের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগে পাঁচ কাঠার একটি জমিতে আগে ৮ ও ১০ তলার নকশা পাওয়া যেত এখন পাওয়া যাবে পাঁচতলার। প্লট বা জমির সামনের রাস্তা যত প্রশস্ত হবে সেখানে ফ্লোর স্পেস বেশি হলে ভবনের উচ্চতাও বাড়ানো যাবে। রাস্তার প্রশস্ততা কম হলে ভবনের ফ্লোর কমিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে ড্যাপে।

 যারা স্বল্প বেতনে বেসরকারি চাকরি করেন তাদের বেতনের ৬০ শতাংশ টাকা বাড়িভাড়া পরিশোধে চলে যায়। এমন সব মানুষের স্বপ্ন থাকে একটা ফ্ল্যাট কিনবেন সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে। নতুন ড্যাপের কারণে দাম বেড়ে গেলে সাধারণ এসব মানুষের পক্ষে আর ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব হবে না।

ভবনের উচ্চতা নির্ধারণের কারণে একটি ছোট জায়গায় চারতলার প্ল্যান অনুমোদন পেলে সেই জমির মালিক কিন্তু ডেভেলপার কোম্পানিকে ফিফটি ফিফটি রেশিওতে আর দেবেন না। নিজে যখন পারবেন তখন চেষ্টা করবেন। ফলে ফ্ল্যাট নির্মাণের সংখ্যাও কমে আসবে। এখনো ঢাকায় সিংহভাগ জায়গায় দুই থেকে তিনতলা করে বাড়ি আছে। সেসব জায়গায় আর ফ্লোর বাড়বে না। ফলে আবাসনের চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি থেকে যাবে। এ কারণে ফ্ল্যাটের দাম বাড়বে। এছাড়া ভবন নির্মাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত যারা শ্রম দেন তাদের কাজের পরিধিও কমে যাবে।

ড্যাপ পরিচালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ড্যাপে এফএআর বা ভূমির সাপেক্ষে ভবনের মোট মেঝের ক্ষেত্রফলের অনুপাত বৈশ্বিক শহরগুলোর তুলনায় বেশি দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য শহরে প্লটকেন্দ্রিক উন্নয়ন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।



আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




শি জিনপিং-জো বাইডেন ঐকমত্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংএর মধ্যে এক মুখোমুখি বৈঠক সোমবার (১৪ নভেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে দুই নেতাই ইউক্রেন যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

জি-টুয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনের জন্য বালিতে আগত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি’র মধ্যে এই বৈঠক তিন ঘণ্টা ধরে চলে। সাক্ষাতের শুরুতে দুই নেতা সাংবাদিকদের সামনে হাসিমুখে করমর্দন করেন। এ বৈঠকের ফলে দুই পরাশক্তির মধ্যে সম্প্রতি শীতল হয়ে পড়া সম্পর্ক অন্তত কিছুটা উষ্ণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে বাইডেন এ বৈঠকের সময় চীনা প্রেসিডেন্টকে বলেন, দু দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলবে, কিন্তু তা সংঘাতে পরিণত হতে দেয়া উচিত নয়। প্রেসিডেন্ট শি এ বৈঠকে জো বাইডেনের সঙ্গে একমত হন যে, ইউক্রেনের যুদ্ধে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার কখনোই হওয়া উচিত নয়।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোন নতুন ঠাণ্ডা যুদ্ধ শুরু হবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তিনি ও শি জিনপিং পরস্পরকে বোঝেন এবং বেজিং বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা পাল্টে দিতে চায় না।

বৈঠকের সময় তিনি চীনের শিনজিয়াং ও তিব্বত অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের প্রতি আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাইওয়ানের ব্যাপারে চীন যে ‘জবরদস্তিমূলক এবং আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ’ নিচ্ছে তারও বিরোধিতা করেন মি. বাইডেন। চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, তারদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক যেন যথাযথভাবে রক্ষিত হয় তা সারা বিশ্ব প্রত্যাশা করে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রেসিডেন্ট শি সতর্ক করে দিয়েছেন যে তাইওয়ানের অবস্থান চীনের স্বার্থের কেন্দ্রস্থলে- যে দ্বীপটিকে চীন তার নিজের অংশ বলে মনে করে।

 এ বৈঠকে আদৌ কতটা অগ্রগতি হবে : প্রেসিডেন্ট বাইডেন ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হবার পর এটিই দুই নেতার প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। তবে এর আগে তারা পাঁচবার ফোন ও ভিডিও কলে কথা বলেছেন এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেন যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখনও তাদের মধ্যে একাধিকবার সাক্ষাৎ হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসে তাদের মধ্যে শেষবার যখন কথা হয় তখন তারা ইউক্রেন, কোভিড এবং তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে কথা বলেছিলেন।

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি আগস্ট মাসে তাইওয়ান সফর করার পর চীন অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয় এবং প্রেসিডেন্ট শি সেসময় ওয়াশিংটনের সমালোচনা করেছিলেন। এর পর চীন জলবায়ু এবং কোভিড মহামারী সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা বন্ধ করে দেয়।

সোমবারের বৈঠকের পর এগুলোর কয়েকটি আবার শুরু করতে পারলে তাকে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবেই দেখা হবে – সংবাদমাধ্যমকে এমন কথা বলেছেন একজন মার্কিন কর্মকর্তা।

দুই নেতার আলোচনায় বাণিজ্য, উত্তর কোরিয়ার উস্কানিমূলক আচরণ, তাইওয়ান নিয়ে উত্তেজনা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার চালানো অভিযানের মত প্রসঙ্গগুলো ছিল ।

সংবাদ মাধ্যমের খববে বলা হয়, চীনা নেতাকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন , যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কোন সংঘাত বেধে যাওয়া ঠেকানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরো বলেন, দু দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথগুলো খোলা রাখার ব্যাপারে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ – যার ফলে দু দেশ জরুরি বৈশ্বিক ইস্যু – যেমন জলবায়ু পরিবর্তন বা নিরাপত্তাহীনতা – এগুলোর ব্যাপারে একসাথে কাজ করতে পারে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এক সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে তা সারা বিশ্বই প্রত্যাশা করে।

শি জিনপিং যা বললেন বাইডেনকে : চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সাথে একসঙ্গে কাজ করতে চান। গোটা বিশ্ব প্রত্যাশা করে যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এই সম্পর্ককে যথাযথভাবে রক্ষা করবে । আমাদের এ বৈঠক বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বিশ্বশান্তির জন্য আমাদেরকে সবদেশের সাথে মিলে কাজ করতে হবে।

আমাদের এ বৈঠকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর খোলাখুলি মতামত বিনিময় করা প্রয়োজন- বলেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট শি বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন এমন একটি অবস্থায় আছে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এখানে দু-দেশের নেতা হিসেবে তাদের সঠিক গতিপথ নির্ধারণ করতে হবে।

আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আগামী দিনে সামনে এগিয়ে নেয়া এবং উন্নত করার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা পেতে হবে। এ বৈঠকের ফলে চীন-মার্কিন সম্পর্ক কতটা স্বাভাবিক হতে পারে?

সম্প্রতি বাণিজ্য, তাইওয়ান প্রশ্ন, ইউক্রেন যুদ্ধ, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ইত্যাদি একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

বিবিসির বিশ্লেষক স্টিফেন ম্যাকডনেল বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয় সরকারই উপলব্ধি করছে যে দুদেশের মধ্যেকার উত্তেজনা অত্যন্ত গভীর এবং কোন যাদুমন্ত্রবলে এর সমাধান হয়ে যাবে এটা কোন পক্ষই মনে করছে না।

তবে এই দুই দেশের মধ্যে আকস্মিকভাবে বড় কোন সংঘাত বেধে যাওয়া ঠেকানো যায় এমন কিছু পদক্ষেপের ব্যাপারে দু'নেতা একমত হতে পারলে সেটাই হবে এক বড় অগ্রগতি, বলছেন স্টিফেন ম্যাকডনেল।

তিনি বলছেন, এক দেশ আরেক দেশের কোন আচরণকে ভুল বোঝার ফলে একটা যুদ্ধ বেধে যাক – এটা কোন পক্ষই চাইছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে এরকম কিছু ঠেকানোর ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই নেয়া হয়েছে– যার মধ্যে ‘স্পষ্ট যোগাযোগের চ্যানেল’ এবং ‘কিছু লাল রেখা অতিক্রম না করার নীতিথাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, তৃতীয় কোন দেশে বড় সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার এ ধরনের বৈঠক যদিও কিছুটা 'মিডিয়াতে দেখানোর জন্যই' আয়োজন করা হয়, তবে এগুলো সম্পূর্ণ অর্থহীন নয়।

হংকং-এর চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পিয়ের ল্যান্ড্রি বলেন, এসব বৈঠকেও কখনো কখনো রাজনৈতিক অচলাবস্থা কেটে গেছে এমন নজির আছে।


সূত্র: বিবিসি বাংলা


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




দেশ নিরাপদ থাকলে, দেশের মানুষ নিরাপদে থাকবে --- শামীম ওসমান

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ


নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আগামী তিন-চার মাস বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য চেষ্টা করা হবে। যদি দেশ নিরাপদ থাকে তবে আমরা নিরাপদ থাকব ভাল থাকব। আমি আশা করি স্ব স্ব স্থানে থেকে সবাই এক সাথে মাঠে নামবেন জাতির পিতার কণ্যাকে এবং এ দেশটাকে বাঁচানোর জন্য। তিনি সাংবাদিকদের সর্তক করে বলেন, শকুনরা তিনটি জায়গা টার্গেট করেছে, এর মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আওয়ামীলীগের সম্পদ নয়, জাতির পিতার কণ্যা আগামী দিনের ভবিষৎ।

রবিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যরা আনুষ্ঠানিক দায়িত্বভার গ্রহণ অনুষ্ঠানে  শামীম ওসমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে বক্তব্য, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আনোয়ার হোসেন, নির্বাচিত চেয়ারম্যান চন্দ্রন শীল ও সদস্যরা।

নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা। নির্বাচিতরাও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন, বিএনপি বাংলাদেশের বাজেট ৬০ হাজার কোটি টাকা রেখে গেছে আর এখন আমার নেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বাজেট দিয়েছে ৬০ লাখ কোটি টাকা। এখানেই পরিবর্তন। তাই কালকে নেত্রী বলেছেন, উন্নয়ন যদি চোখে না পরে, তাহলে চোখের ডাক্তার দেখান। উন্নয়ন যা হওয়ার হয়েছে, শেখ হাসিনা থাকলে আরও হবে। এখন শেখ হাসিনাকে হারালে চলবে না। শেখ হাসিনাকে হারালে দেশ পথ হারাবে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ১৩, ১৪ ও ১৫ সালে ৩ হাজার ৫৫২টি গাড়ি পুড়িয়েছে, ২৯টি রেল গাড়ি পুড়িয়েছে। ৯টি লঞ্চ পুড়িয়েছে। ৫৮২টি স্কুল পুড়িয়েছে, ৬টা ভূমি অফিস পুড়িয়েছে। ৭০টি বিভিন্ন সরকারি অফিস পুড়িয়েছে, ৩ হাজার ৩৬ জন সাধারণ মানুষের শরীরে আগুন দিয়েছে, তাঁর মধ্যে ৫শ’ জনের বেশি মানুষ আগুনে পুড়ে মারা গেছে। ২৬ হন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একই দিনে ৫শ’ জায়গায় বোমা হামলা করেছে। কে করেছে এ গুলো? উনাদের নেতা তারেক রহমান। যিনি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী, উনি অর্থপাচার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরা চালান মামলার আসামী।

সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আনোয়ার হোসেন জেলা পরিষদের অর্থ অপচয়ের কথা উল্লেখ্য করে বলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার আগে জেলা পরিষদে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা কোন উন্নয়ন করেনি। অথচ পরিষদের অর্থ ঠিকই খরচ হয়েছে। তিনি তাঁর অসমাপ্ত একটি কাজ সমাপ্ত করার জন্য দায়িত্ব নেয়া চেয়ারম্যানের কাছে দাবী রাখেন। আনোয়ার হোসেন জেলা পরিষদের সেবা জেলার সর্বত্র অব্যবহত রাখার জন্য নির্বাচিত পরিষদের কাছে আহ্বান জানান।


আরও খবর



কথাসাহিত্যিক ইজাজ আহমেদ মিলনের লেখা

ভাওয়াল বীরের জন্মদিনে ‘জীবনালেখ্য’

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শ্রমিক নেতা ও গাজীপুর-টঙ্গী-২ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৭২তম জন্মদিনে তার যাপিত জীবন নিয়ে কথা সাহিত্যিক ইজাজ আহাম্মদ মিলনের লেখা ‘জীবনলেখ্য’ বইটি প্রকাশ হয়েছে।

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে বইটির মোরক উন্মোচন করেন।

৯ নভেম্বর ১৯৫০ সালে জন্ম নেওয়া আহসান উল্লাহ মাস্টার ২০০৪ সালের ৭ মে মাত্র ৫৪ বছর বয়সে ঘাতকের বুলেটে নিভে যায় তার জীবন প্রদ্বীপ। 

শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ‘ভাওয়াল বীর’ খ্যাত আহসান উল্লাহ মাস্টার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থেকে মানুষের ভালোবাসাকে পুঁজি করে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে দুবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালেই ঘাতকরা তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে।

জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে ’৬৬-এর ৬ দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর নির্বাচনে ভূমিকা রাখা, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণসহ বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি আন্দোলনেই সরাসরি অংশ নিয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর আশীর্বাদ পাওয়া আহসান উল্লাহ মাস্টার শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় আজীবন আন্দোলন করেছেন। তাদের পক্ষে কথা বলেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন ’৯০-এর দশকের গোড়ার দিকেই। তুমুল জনপ্রিয় এক নেতৃত্বে পরিণত হন তিনি।

রাজনীতির মাঠে আহসান উল্লাহ মাস্টারের আলোয় আলোকিত হয়েছিল গাজীপুর। কিন্তু কেমন ছিল আপদমস্তক এ রাজনীতিকের জীবন? গ্রাম থেকে উঠে এসে কীভাবে জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছিলেন? তার জন্ম, শৈশব, কৈশোর, যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে আসা- এমন নানা অজানা অধ্যায় নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক ইজাজ আহমেদ মিলন লিখেছেন ‘আহসান উল্লাহ মাস্টার : জীবনালেখ্য’। এই বইটি তরুণ প্রজন্মের কাছে আহসান উল্লাহ মাস্টারের আদর্শকে তুলে ধরতে সহায়ক হবে মনে করেন লেখক ও সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর



নওগাঁয় নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রি করায় ব্যবসায়ীর জরিমানা

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীর ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। একই সময় আরো ২ টি প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা। সর্বমোট ৩ টি প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে উপরোক্ত জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। 

সত্যতা নিশ্চিত করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁ কার্যালয় এর

সহকারী পরিচালক মোঃ শামীম হোসেন জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে,  জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়ের অর্পিত ক্ষমতাবলে, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় বুধবার ২৩ নভেম্বর নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ শামীম হোসেন এবং নওগাঁ জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামানিক নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার মিষ্টি পট্টি ও সুপারি পট্টি এলাকায়  যৌথ অভিযান পরিচালনা করাকালে

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি সংরক্ষণের অপরাধে মুক্তা মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ৫ হাজার টাকা এবং মেয়াদহীন ও নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রয়ের অপরাধে সম্পর্ক স্টোর কে ১০ হাজার টাকা এবং সিরাজ স্টোর কে  ৫ হাজার টাকা "ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী" জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এসময় বিপুল পরিমাণ মেয়াদহীন শিশু খাদ্য ধ্বংস করা হয় বলেও জানিয়েছেন অভিযানিক কর্মকর্তা। অভিযানে নওগাঁ পুলিশ লাইনের একটি চৌকষ টিম সহযোগীতা করেন। 

জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর

বাড়তি চালের দাম

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22