Logo
শিরোনাম

দেশে করোনা বাড়ছে

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

দেশে করোনার প্রকোপ আবারো বাড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় বেসরকারি পর্যায়ে করোনা পরীক্ষার খরচ কমানোর সুপারিশসহ পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। 

 শনিবার রাতের সভাটি ছিল কারিগরি কমিটির ৫৯তম সভায় অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন। কয়েক দিন ধরে কোভিড–১৯ সংক্রমণ বাড়তির দিকে। এ নিয়ে আলোচনার পর পাঁচ দফা সুপারিশ করেন কারিগরি কমিটির সদস্যরা। এর মধ্যে আছে, সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া বা সেনিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করা। এর পাশাপাশি প্রথম, দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজের করোনার টিকা যারা গ্রহণ করেননি, তাদের টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করারও সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া বদ্ধস্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভাগুলো যথাসম্ভব ভার্চ্যুয়ালি করার সুপারিশ করে কমিটি। অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভাগুলোতে মাস্ক পরার সুপারিশও করা হয়। আর বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড–১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় কমিটি।

কোভিড-১৯–সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা আরও বলেন, ‘আমরা এই সুপারিশগুলো সরকারের কাছে পৌঁছে দেব। 


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




দিনমজুর সেজে ক্লুলেস

৮ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি খালেকে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

দিনমজুর সেজে ক্লুলেস ৮ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি আব্দুল খালেক (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার  বিকেলে রূপগঞ্জের ইসলামবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার নিজের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে খালেক। এসময় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আ. খালেক রূপগঞ্জ থানার ইসলামবাগ এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তার বেপারীর ছেলে।

জেলা পুলিশের উপ—পুলিশ পরিদর্শক (ইনচার্জ, আইসিটি এন্ড মিডিয়া) হাফিজুর রহমান জানান, আসামি আ. খালেকের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও ধর্ষণ এবং মাদকের একাধিক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে। ঘটনাস্থলের পাশেই তার শশুর বাড়ি। শশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে সে এ শিশু ধর্ষণের মত জঘণ্য অপরাধ করেছে।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত বছর ডিসেম্বর মাসে দ্বিতীয় শ্রেণীর বাৎসরিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ভুক্তভোগী ওই শিশু বেড়াতে এসেছিল মামার বাড়িতে । সন্ধ্যায় মামির অনুরোধে পাশের দোকান থেকে শুকনা মরিচ কিনতে সমবয়সী মামাত বোনের সাথে গিয়েছিল সে । ওই সময় সেখানে দেখা হয় এক অপরিচিত মধ্যবয়সী আব্দুল খালেকের সাথে। সে জিগ্যেস করে জনৈক ব্যাক্তির বাড়ি চিনে কিনা। সাথে থাকা মামাত বোন চিনে বলে জানালে তাদের দু’জনকে বলে বাড়িটি দেখিয়ে দিতে। তারা খালেককে সাথে নিয়ে ওই বাড়ির সামনে যায়। সেখানে গিয়ে ওই ব্যাক্তি নতুন কৌশলে মামাত বোনকে বলে তুমি আগে দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখো পূর্ব পাশের ফ্লাটের দরজা খোলা আছে কিনা। সরল সহজ শিশুটি চলে যায় দ্বিতীয় তলায়। এ সুযোগে সে ভুক্তভোগী শিশুর মুখ চেপে জোর করে পাশের বাড়ির বসত ঘরের পিছনে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ভয়ভীতি দেখিয়ে ফেলে চলে যায়। এসময় শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে পড়ে থাকে সেখানে। অপরদিকে মামাত বোন এসে কার বোনকে এবং অপরিচিত সেই ব্যক্তিকে দেখতে না পেয়ে দৌঁড়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনদের জানায়। এরপর খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে পাওয়া যায় অনেকটা জ্ঞানহীন অবস্থায়। দ্রুত নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সিসিইউতে। তিন মাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউ, আইসিইউ এবং কেবিনে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কেটেছে সময়। চার ব্যাগ রক্ত লেগেছিল রক্ত শুণ্যতা কাটাতে।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় থানায় মামলা হয় অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে। কিন্তু অনেক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়েও ঘটনার রহস্য এবং আসামি সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। শেষে মামলা চলে আসে নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশের কাছে। ডিবির চৌকস অফিসার এসআই মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান তদন্তভার গ্রহণ করে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সনাক্ত করেন মূল আসামিকে। ছদ্দবেশে দিন মজুরের বেশে কৌশল অবলম্বন করে ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে আসামি  আব্দুল খালেককে তার নিজ গ্রামের বাড়ি রূপগঞ্জের ইসলামবাগ এলাকার একটি মাঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে উঠালে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধরায় জবানবন্দি দিয়েছে খালেক। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আরও খবর



শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে’।

তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা এটা হয়তো জানে না বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও পিছু হটতে জানেন না, ভয় পান না। যদি শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকেন, বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকবে না। তিনি (শেখ হাসিনা) হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা হেরে যাবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হেরে যাবে।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর লালবাগের নবাবগঞ্জ পার্কে লালবাগ থানা ও ২৩, ২৪, ২৫ ও ২৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘রাজপথ এখন থেকে বিএনপির দখলে থাকবে’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্দোলন করতে চাইলে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে আন্দোলন করুন। আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। রাজপথ কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। আপনারা ফাঁকা মাঠে আন্দোলন করবেন, আর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বসে বসে আঙুল চুষবে, তা তো হবে না।

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করতে নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন, তাদেরকে শেখ হাসিনা ছাড় দেবেন না। স্লোগান দিয়ে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, শক্তি প্রদর্শন করে নেতা হতে পারবেন না। যে যার এলাকায় জনপ্রিয়, তিনিই সেখানে নেতা হবেন।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম, স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাত ব্যক্তির(৫০) মৃত্যু হয়েছে।১৯ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ইন্তেকাল হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১থেকে দেড় বছর যাবত এই অজ্ঞাত(৫০)ব্যক্তি শক্তিয়ারখলা বাজারে থাকতো।বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মোহাম্মদ ছবাব মিয়া জানান,১৭ সেপ্টেম্বর রাতে পরিষদের সামন থেকে অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় গ্রামপুলিশের মাধ্যমে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করেন।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তানভীর আহমদ জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর(সোমবার)সকালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরমৃত্যু হয়। সেইসাথে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অজ্ঞাত  ব্যক্তির লাশ হস্তান্তর বিষয়ে সত্যতা জানিয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানার এস আই আলিম উদ্দীন  জানান,অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



ফুলবাড়িতে, জন্মগত শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন

মজিদ পাগলার শেষ আশ্রয় বোনের সংসার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত,ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রামঃ

বাস্তব এক ইতিহাস ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন, সেই রক্তের বন্ধন যায়কি কোনদিন খণ্ডন।অচল বৃদ্ধবড় ভাইয়ের প্রতি বিধবা দুইছোট বোনের যে মায়া মমতা ভালোবাসা দেখতে যদি চাও,তাহলে পশ্চিম অনন্তপুর বাকুয়ার ভিটা গ্রামে চলে যাও। জন্মগতভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন আব্দুল মজিদ পাগলার(৬৫)শেষ আশ্রয় স্থল তার ছোট দুই বিধবা বোনের ছোট্ট সংসার। সেই সংসারেও উপার্জনক্ষম নেই কেউ।বৃদ্ধ তিন ভাই বোন মিলে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর মৌজার বাকুয়ার ভিটা গ্রামের মৃত: মোহাম্মদ আলীর ছেলে, আব্দুল মজিদ পাগলা (৬৫) এলাকার সকলের কাছে মজিদ পাগলা নামে পরিচিত।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, আব্দুল মজিদ পাগলা জন্মগত ভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন ছিলেন।ছোট বেলা থেকেই ভালোভাবে হাঁটাচলা করতে পারতেন না। শারীরিক নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা ক্ষীণ থাকায় লক্ষ্যেস্থির করে একদিকে হাঁটতে চাইলে অন্যদিকে চলে যেত।লাঠিতে ভর করে কোনরকমে এলাকাতেই চলাফেরা করত। তখন এলাকার লোকজনের নিকট সাহায্য সহযোগিতা ও ভিক্ষাবৃত্তি করে কোন মতেই জীবিকা নির্বাহ করতেন।এখন বয়োঃবার্ধক্যের ভারে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে শরীরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছে সবমিলে দুর্বিষহবস্থায় বিছানায় শুইয়ে বসে কাটাতে হচ্ছে দিন রজনী। জীবনের অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে কষ্ট করে জীবন যাপন করতেন শেষ বয়সে এসেও ভালো নেই সহদর তিন ভাইবোন। পৈত্রিক ভিটায় মাত্র আট শতাংশ জমিতে তিন সহদরের মাথা গোঁজার ঠাঁই হলেও উপার্জনক্ষম কেউ নেই। ছোট দুই বোনের  ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়েছে মেয়েরা শ্বশুরালয়ে আর ছেলেরা পৃথক পৃথক ভাবে নিজেদের ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত,কেউ তাদের খোঁজ খবর রাখে না। বয়োবৃদ্ধ তিন ভাইবোন একসাথে অতিকষ্টে দিন যাপন করে বসবাস করছেন। 

০৯(সেপ্টেম্বর)শুক্রবার দুপুরে মজিদ পাগলার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মাত্র চারটি টিন দিয়ে তৈরি ছোট একটি ছাপরা ঘর পুরোনো চাটাই দিয়ে তৈরি জীর্ণশীর্ণ বেড়ায় বেষ্টিত ঘরে প্রচণ্ড রোধের তাপে ছাপরার টিন গুলো আগুনের মতো গরম হয়ে ঘরের ভিতরে পর্যন্ত গরম ভাপ ছুটেছে সেই গরমে মজিদ পাগলা ছোট একটা কাঠের চৌকিতে বসে আছে এদিকে শরীর ঘেমে পানি পরছে নিচে।ঘরের ভিতরে আসবাবপত্র বলতে কাঠের চৌকিটি আর ঘরের এক খুটি থেকে আর এক খুঁটিতে রশি টাঙ্গানো তাতেদুই তিনটি ছিরাফাটা ময়লা পরিধানের কাপড় চোপড় আর কিছু নেই। এমতাবস্থায় ঘরের ভিতরে ঢুকতেই অপরিচিত লোক দেখে চমকে উঠলেন তিনি পরে স্থানীয় কয়েক জনকে সঙ্গে দেখতে পেয়ে খুশিতে মলিন ভাবে একটা হাসি দিয়ে ফেললেন।

কেমন আছেন জানতে চাইলে,দুচোখে জল ছলছল হয়ে এলো কিছুক্ষণ পর মজিদ পাগলা অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন কি আর ভালরে ভাই আগোত তাও লাঠিঢোকা দিয়া চলাফেরা করিয়া এলাকার সগার সাথে দেখা কইরব্যার পাইচোং কথাবার্তা কবার পাইচোং এলা আর শরীলোত বল পাংনা ভাই। এক বছর থাকি ঘরোত পরি আচোং ক্যাং করি ভাল থাকোং।ঘরোত সুতি থাইক প্যার আর ভাল লাগে না।সউগ সময় সুতি থাইকতে, থাইকতে অসুখ মনে হয় মোক আরো বেশি করি ঠাশি ধইর ব্যার নাইকচে। তোমাক গুলাক অনুরোধ করি কংরে ভাই যদি মোক কাইও একটা হুইলচেয়ার দান করিল হয় তাহলে মরার আগোত বাইরার আলো বাতাস দেখি শান্তি পানুহয়। একনা দেখরে ভাই কারোটে এখান হুইলচেয়ার নিয়া দিবার পান নাকি। হুইলচেয়ারোত বসি একনা বাইরে গেনুং হয়।

মজিদ পাগলার বিধবা দুই ছোট বোন জামিলা বেওয়া (৫৪) ও ছালেহা বেওয়া (৫২) বলেন, আমার তিন ভাইবোন মিলে পৈত্রিক ভিটে মাটি আট শতাংশ ছাড়া আর কিছুই নাই।এমনিতেই আমাদের দুই বোনের অভাব অনটনে দিন কাটাতে হয় তারপর বড়ভাই অচল অবস্থায় কোথায় ফেলে দেই সব কিছু ত্যাগ করা রায় রক্তের সম্পর্ক তো আর ত্যাগ করা যায় না একেই মায়ের ওদোরে তিন ভাই বোনে ছিলাম। আল্লাহ যতদিন বাঁচে রাখবে ততদিন একসাথে থাকব আমাদের বাবা বেঁচে নাই বাবার মতো বড়ভাই কে শত দুঃখ কষ্টের মাঝেও ফেলে দিবো না।আমাদের দুইবোনের ও বয়স হয়েছে তারপরও অসুস্থ পাগলা ভাইটাকে কষ্ট করে ঘর বাহির করি ঘরে থাকতে থাকতে ভাইটা বাহির হবার জন্য কেঁদে ওঠে ভাইয়ের এতকষ্ঠ আমরা সইতে পারি না কেউ যদি দয়া করে আমাদের অচল পাগলা ভাইটাকে একটা হুইলচেয়ার দান করতো তাহলে ঘর বাহির করতে কষ্ট একটু কম হতো। হুইলচেয়ার থাকলে পাগলা প্রতিবন্ধী ভাইটা সহ-আমাদের দুই বোনের এই বয়সে একটু হলেও কষ্টটা লাঘব হতো।

স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন পরিচালক মোঃ আব্দুল জব্বার (৩৭)পল্লি চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম (৪১) খলিলুর রহমান (৫৪) রফিকুল ইসলাম (৪০) সহ-আরো অনেকে জানালেন মজিদ পাগলা জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী হত্তয়ায় কর্মক্ষমতা অক্ষম ছিলেন ভিক্ষাবৃত্তি করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করতেন। যৌবনের একটি সময়ে বিয়েও করেন তিনি।

শারীরিক অক্ষমতার কারণে‌ সেই সংসার জীবনও বেশিদিন টিকে থাকেনি বিয়ের কিছু দিন পর স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান, তারপরে দ্বিতীয় বিয়ের কথা আর কোনদিন ভাবেননি তিনি। এখন বয়োঃবৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরে বাসা বেঁধেছে নানান রোগ চলাফেরা করতে পারে না দিনরাত ঘরের ভিতরে সুইয়ে বসে থাকতে হয়।মজিদ পাগলার আপনজন বলতে বিধবা দুইটি ছোটবোন ছাড়া আর কেউ নেই।বোনদের সংসারের অবস্থা অসচ্ছল তারপরেও রক্তের টানে অচল পাগলা বড়ভাই কে নিজেদের কাছে রেখে দেখা শুনা করছেন। তাদের ও বয়স হয়েছে একসাথে তিন ভাইবোন মিলে দুঃখ কষ্ট সহ্য করে সাথে অতিকষ্টে দিনযাপন করছেন।স্থানীয় অনেক শুভা কাঙ্ক্ষীরাও একই কথা বলেন যে,সমাজের অনেক হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিবর্গ আছেন কেউ যদি এই অচল মজিদ পাগলাকে একটা হুইলচেয়ার দান করতো তাহলে বৃদ্ধ তিনভাই বোনের কষ্টটা একটু লাঘব হতো। 


আরও খবর



কু‌মিল্লা চা‌ন্দিনায় গ্রামীণ অবকাঠামোর প্রকল্পের কাজ

লটারীর মাধ্যমে চেয়ারম্যান মেম্বারদের বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক , কু‌মিল্লা  :

গ্রামীণ অবকাঠা‌মো সংস্কার কা‌বিখা, কা‌বিটা ও গ্রামীণ অবকাঠা‌মো রক্ষণা‌বেক্ষণ টিআর কর্মসূচীর আওতায় প্রকল্প গ্রহণ প্রকল্প বাস্তবায়ন ক‌মি‌টি গঠন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষ‌য়ে এক মত‌বি‌নিময় অনু‌ষ্ঠিত হয়ে‌ছে। এ‌তে প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা ৭ চা‌ন্দিনার সংসদ সদস‌্য বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত।           

                                          মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জেলার চা‌ন্দিনা উপ‌জেলার অ‌ডিট‌রিয়া‌মে দূ‌র্যোগ ব‌্যবস্থাপনা অ‌ধিদপ্ত‌রের আ‌য়োজ‌নে উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার তাপস চন্দ্র শীল এর সভাপ‌তি‌ত্বে অনু‌ষ্ঠিত মত‌বি‌নিময় সভায় বক্তব‌্য রা‌খেন চা‌ন্দিনা উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান বীরমু‌ক্তিযোদ্ধা তপন বকসী , পৌরসভার মেয়র শওকত আলী ভূইয়া, ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম‌্যান সা‌ফিয়া আক্তার,প্রকল্প কর্মকর্তা দেবেস চন্দ্র দাস।  মত‌বি‌নিময় সভায় চ‌া‌ন্দিনা উপ‌জেলার ১৩‌টি ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান, মেম্বার ও পৌরসভার কাউ‌ন্সিলাররা অংশ নেন। প‌রে কোন রকম তদবির ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই   গ্রামীন অবকাঠামোর প্রকল্পের কাজ সরাসরি লটারীর মাধ্যমে চেয়ারম্যান মেম্বার ,কাউ‌ন্সিলদের বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।  এসময় তিনি ব‌লেন জনগ‌ণের টাকায় যেন উন্নয়ন কর্মকান্ড গু‌লো টেকসই উন্নয়ন কর্মকান্ড প‌রিচালনার আহবান জানান।


আরও খবর