Logo
শিরোনাম

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ৩০ কি.মি. যানজট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। 


উত্তরের পথে আজ শুক্রবার সকালে যানবাহনের ধীরগতি থাকলেও দুপুরের পর গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ার প্রায় ৩০ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। 




এদিন দুপুরের পর ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। গণপরিবহণ ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মোটর সাইকেল, এমনকি গাড়ির ছাদেও চড়ে হলেও স্বজনদের কাছে ফিরছে মানুষ। 



এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে টাঙ্গাইল নগর জলফৈ বাইপাস পর্যন্ত কালিহাতী অংশের প্রায় ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। সাধারণ যাত্রীদের মতে, কিছু যানবাহন বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করায় এই যানজট আরও ভয়াবহ হয়েছে। 



ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল ৮ টার সময় রওনা হয়ে ৭ ঘন্টারও বেশি সময় পর কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা-ভূঞাপুর লিংক রোডে পৌছেছেন লালমনিরহাটের আমেনা আক্তার। বাড়ি পৌঁছাতে কতক্ষণ লাগবে সেই অনিশ্চয়তা ফুটে উঠেছে তার চোখে-মুখে। 


তার অভিযোগ, রাস্তায় পানিসহ সব ধরণের খাবারের দাম কয়েকগুন বেশি রাখা হচ্ছে।


এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মীর সাজেদুর রহমান বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকে হটাৎ করে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।


 দুপুরের পর এই চাপ আরও বেড়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চাপ আরও বাড়তে পরে।  গুরুত্বপূর্ণ  বিভিন্ন পয়েন্টে এবং মোড়ে মোড়ে হাইওয়ে পুলিশ এবং জেলা পুলিশ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



নোয়াখালীতে তিন শিক্ষককে অব্যাহতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image
নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালীর চাটখিলে চলমান উচ্চমাধ্যমিক, আলিম ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিন শিক্ষককে চলতি বছরের পরবর্তী পরীক্ষাসমূহের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। 

আব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন, উপজেলার কড়িহাটি ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হাবিব উল্লাহ মেসবাহ, মল্লিকাদিঘীর পাড় ফাযিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক জহির উদ্দীন এবং খোয়াজের ভিটি ফাযিল মাদরাসার প্রভাষক তকদীর হোসেন।

রোববার (৭ জুলাই) উপজেলার চাটখিল কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীদের বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এই ঘটনা ঘটে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোরবার বেলা সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান কেন্দ্রের সুপারভাইজিং অফিসার ও চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন। এসময় তিনি কেন্দ্রের ১ নম্বর এবং ৩ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি দেখতে পেয়ে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আনেন। পরবর্তীতে চাটখিল কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বশির উল্লাহ ওই তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।  তিনি বলেন, সকালে আমি কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যাই। পরীক্ষা হলে গিয়ে দেখি পরীক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে কথা বলছে এবং তারা একজন আরেক জনের থেকে দেখে লিখছে। এরপর বিষয়টি কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো.বশির উল্যার জানালে তিনি তিন শিক্ষককে অব্যাহতি প্রদান করেন।


আরও খবর



নওগাঁয় আবাদপুকুর হাটের ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর বৃহত্তম ধান ও পশুর হাট হচ্ছে রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর হাট। চলতি সনে এই হাটটির খাস আদায়ের ইজারা প্রদানে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। চলতি বাংলা সনের বৈশাখ মাসে অবৈধ ভাবে গোপনে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের নতুন ইজারা প্রদান করা হলেও বিষয়টি জানেন না হাটের খাস আদায় কমিটির কোন সদস্যরা। যদি প্রকাশ্যে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের ইজারা প্রদান করা হতো তা হলে সরকার আরো দ্বিগুন পরিমাণ রাজস্ব পেতো বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সূত্রে জানা সর্বশেষ গত ১৪২৯সনে (২০২২খ্রি:) প্রকাশ্যে খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটটি ভ্যাট-ট্রাক্স ছাড়া ৮০ লাখ টাকায় ইজারা প্রদান করা হয়েছিলো। এরপর ২০২৩খ্রি: হাটটি খাস আদায়ের আওতায় আনতে একটি মহলের নির্দেশনা মোতাবেক ঐ বছর আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের স্কুল মাঠে পশুর হাট বসতে দিবে না মর্মে একটি মামলা দায়ের করলে পরবর্তিতে হাটটি মামলার যাতাকলে খাস আদায়ের আওতায় চলে যায়। অপরদিকে খাস আদায়ে বাৎসরিক ইজারা প্রদানের কোন নিয়ম না থাকলেও উপজেলা প্রশাসন তা করে আসছে। আর খাস আদায়ের নামে প্রশাসনের সহযোগিতায় গত দু' বছর যাবত নামে হাটের টাকা হরিলুট করছে কতিপয় একটি সিন্ডিকেট।  

সরকারী নিয়মানুসারে উপজেলা পরিষদ নিয়ন্ত্রনাধীন হাট-বাজারের ক্ষেত্রে খাস আদায়ের জন্য ৯ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে যে কমিটির মাধ্যমে খাস আদায় হবে। কমিটিতে সভাপতি পদে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদস্য পদে চেয়ারম্যান (উপজেলা পরিষদ কর্তৃক মনোনীত পরিষদের একজন সদস্য), সংশ্লিষ্ট হাটের নিকটবর্তি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ইউপি মহিলা সদস্য, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) থাকবেন। যদি সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি শূন্য থাকে তাহলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমিটির সদস্য এমন একজন কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব মনোনীত করতে পারবেন। 

সরকারের এমন নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হাট কমিটির সভাপতি অবৈধ ভাবে গোপনে খোলা ডাকের নামে দীর্ঘদিনের একটি সিন্ডিকেটকে খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করেছেন। অথচ কমিটির অধিকাংশ সদস্যরা হাটের খাস আদায় ইজারার বিষয়টি জানেন না। অপরদিকে হাটের সাপ্তাহিক খাস আদায়ের কাজটি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব হলেও ঝামেলার কারণে ভূমি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানালে খোলা ডাকের মাধ্যমে গত দু' বছর যাবত বাৎসরিক হিসেবে ইজারা প্রদানের মাধ্যমে খাস আদায় করে আসছে উপজেলা প্রশাসন। এতে করে প্রতি হাটেই খাজনা আদায়ের নামে ক্রেতা-বিক্রেতাদের গলা কাটা হচ্ছে। প্রতিটি পণ্যের বিশেষ করে গরু, ছাগল ও ভেড়ার খাজনা সরকারী নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুনেরও বেশি হারে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। এমন অনিয়মকে শুদ্ধ করতে মাঝে মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়সারানো ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও পরিচালনা করা হয়। 

চলতি বাংলা ১৪৩১সনের (২০২৪খ্রি:) জন্য গত বৈশাখ মাসে আবাদপুকুর হাটটি জেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে খাস আদায় কমিটির সদস্যদের উপস্থিতি ছাড়াই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিটির সভাপতি উম্মে তাবাসসুম অবৈধ ভাবে গোপনে নামমাত্র খোলা ডাকের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করেছেন। দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গংদের কাছে প্রতি সপ্তাহে ভ্যাট-ট্যাক্স সহ ৩ লাখ (৫২ সপ্তাহ) টাকার বিনিময়ে হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। যে সিন্ডিকেটটি কৌশল করে বছরের পর বছর রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্র-ছাঁয়ায় আবাদপুকুর হাটের ইজারা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিটি পণ্যের নির্ধারিত হারের চেয়ে দ্বিগুন টাকা খাজনা হিসেবে আদায় করে আসছে।

আবাদুপুকর হাটের খাজনা আদায়কারী টিমের প্রধান হেলু মেম্বার মোবাইল ফোনে জানান, তারা নিয়মানুসারে হাটের খাস আদায়ের ইজারার দায়িত্ব পেয়ে খাজনা আদায় করছেন। আমি একটু ব্যস্ত আছি আপনি পরে ফোন দিয়েন বলে হেলু মেম্বার সাংবাদিক এর মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে দেন। 

কালীগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ কৌশিক আহমেদ মোবাইল ফোনে জানান, খাস আদায় একটি ঝামেলা পূর্ণ কাজ তাই গত বছরও উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাটের খাস আদায় খোলা ডাকের মাধ্যমে ইজারা প্রদান করেছিলেন। চলতি বছর হাটের খাস আদায় বিষয়ে একটি নোটিশ পেয়েছিলাম। আর চলতি বছর খাস আদায়ের ইজারার খোলা ডাকের দিন আমাকে বলা হয়নি বিধায় বিষয়টি আমার জানা নেই। 

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান মোবাইল ফোনে জানান, চলতি বছর আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নেই। আমি কমিটির একজন সদস্য হলেও কিভাবে হাটটির খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে কিছুই জানানো হয়নি। তবে যেভাবেই হাটের খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হোক না কেন খোলা ডাকের দিন কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতেই ইজারা প্রদানের ব্যবস্থা করা উচিত ছিলো। তাহলে কমিটির সদস্যদের মাঝে এই বিষয়ে আর কোন সন্দেহ থাকতো না। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কাহার মোবাইল ফোনে জানান, তিনি খাস আদায় কমিটির সদস্য হলেও হাটের ইজারার বিষয়ে কোন কিছুই জানেন না। অবৈধ ভাবে গোপনে হাটের ইজারা প্রদান করার কারণে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা সহ আমরা স্থানীয়রা।  

কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব চাঁন মোবাইল ফোনে জানান, আমার ইউনিয়নের মধ্যে থাকা বৃহত্তম আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কবে কিভাবে কখন খোলা ডাকের মাধ্যমে হাটের খাস আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বারবার জানতে চাইলেও আমাকে বিষয়গুলো জানানো হয়নি। অনেক পরে বিষয়টি জানতে চাইলে ইউএনও জানান, যে জেলা প্রশাসক স্যার ও স্থানীয় এমপির নির্দেশনা মোতাবেক সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গংদের কাছে হাটের খাস আদায়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। শুধু তাই নয় আমি ঐ হাটের প্রতি সপ্তাহের ইজারা মূল্য ৪লাখ দিতে চাইলেও হাটের খাস আদায়ের দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়নি। উপজেলা প্রশাসন দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট হেলু মেম্বার গং এর সঙ্গে আঁতাত করে হাটের টাকা হরিলুট করছে। হাটের খাস আদায়ের ক্ষেত্রে কোন নিয়মই মানা হয়নি এবং মানা হচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাটের খাস আদায় কমিটির সভাপতি উম্মে তাবাসসুম মোবাইল ফোনে বলেন, ১৪৩০ সনের (২০২৩খ্রি:) চেয়ে প্রায় দ্বিগুন টাকায় ১৪৩১সনের (২০২৪খ্রি:) জন্য খোলা ডাকের মাধ্যমে আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে। যারা হাটের ইজারা মূল্য সবচেয়ে বেশি দিয়েছেন তাদেরকেই খাস আদায়ের ইজারার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক স্যারও জানেন। এক কথায় সকল নিয়ম মেনেই আবাদপুকুর হাটের খাস আদায়ের ইজারা প্রদান করা হয়েছে।


আরও খবর



উরুগুয়েকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গী কলম্বিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

মার্সেলো বিয়েলসার অধীনে এবারের কোপা আমেরিকায় দাপুটে ফুটবল খেলেছে উরুগুয়ে। গ্রুপপর্ব থেকেই দুর্দান্ত পারফর্ম করে সেমিফাইনালে জায়গা করেন নেয় দলটি। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানো ফেদে ভালভার্দেরা ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছিল কলম্বিয়ার বিপক্ষে। জেমস রদ্রিগেজদের বিপক্ষে এই ম্যাচটিতে মুহূর্মুহু ছড়িয়েছে উত্তাপ, দুই দলই ফাউল করায় বারবার কার্ড দেখাতে হয়েছে রেফারিকে। দুই দলের ম্যাচটিতে আজ প্রথমে গোলের দেখা পেয়েছে কলম্বিয়া, তবে বিরতিতে যাওয়ার আগেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনোজকে। কিন্তু প্রতিপক্ষ দশজনের দলে পরিণত হলেও আর গোল শোধ করতে পারেনি বিয়েলসার শিষ্যরা। ফলে ১-০ গোলের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে কলম্বিয়ার।

ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে নেমে আজ শুরু থেকেই সমানে সমান লড়াই করেছে দুই দল। ম্যাচে ৬ মিনিটে প্রথম আক্রমণে যায় কলম্বিয়া। তবে জন অ্যারিসের নেয়া শট ঠিকানা খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। এরপর মিনিট দশেক পর আরও একটিই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন জেফারসন লার্মা।

এদিকে কলম্বিয়ার বিপক্ষে আজ উরুগুয়ে প্রথম আক্রমণে যায় ম্যাচের ১৭ মিনিটে। তবে ডারউইন নুনিয়েজের নেয়া শট চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। এরপর ২৩ মিনিটে আরও একটি সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন লিভারপুলের এই তারকা ফুটবলার। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নেমে আজ লক্ষ্যভেদ করার আরও বেশ কয়েকটি সুযোগই পেয়েছিলেন তিনি, তবে দলকে এগিয়ে দিতে পারেননি।

এদিকে ম্যাচের ২৬ মিনিটে প্রথম লাল কার্ড দেখেন উরুগুয়ের নিকোলাস দে লা ক্রুজ। এর মিনিট পাচেক পর কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনোজকেও হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করা সময়ে আরও একবার কার্ড দেখায় লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। তবে এর আগেই লিডে দেখা পায় কলম্বিয়া। ম্যাচের ৩৯ মিনিটের সময় ৬ গজ বক্সের বা দিক থেকে লার্মার করা হেডে জালের ঠিকানা খুঁজে পায় বল।

এদিকে প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়া কলম্বিয়া দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছে দশজনের দল নিয়ে। তবে খর্বশক্তির প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও আর গোল করতে পারেননি সুয়ারেজরা। এক গোলের লিড পাওয়া কলম্বিয়া দশজনের দল নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণেই মনোযোগী থেকেছে বেশি। ফলে বারবার আক্রমণে গিয়েও জালের দেখা পায়নি উরুগুয়ে।

এদিকে উরুগুয়ের একের পর আক্রমণের মাঝেই পালটা আক্রমণে উরুগুয়ের রক্ষণে ভয় ধরিয়েছে কলম্বিয়া। তবে বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর গলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া। এদিকে সুয়ারেজরা শেষ পর্যন্ত গোল করতে না পারায় ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।


আরও খবর



জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যেই জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের প্রবেশে শর্ত দিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৩ জুলাই) শর্ত দিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই শর্ত অনুযায়ী পরিচয়পত্র অথবা কলেজের ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, অদ্য ১৩ জুলাই তারিখ হতে কলেজের আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলেজ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) অথবা কলেজ ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না।

শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সকল শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা পরিচয়পত্র ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতো। এতে অন্যকোনো কলেজের শিক্ষার্থী বা বহিরাগতরাও সহজেই কলেজে প্রবেশ করতে পারতো। এদিকে দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। সেই প্রভাব এখনও জয়পুরহাটে পড়েনি। কোনো শিক্ষার্থী এখনও কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে ক্যাম্পাস বা সড়কে নামেননি। তবে যেকোনো সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামতে পারে এমন আশঙ্কায় রয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের।

জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্রবেশ করবে বাধা নেই। কোটা সংস্কার অন্দোলন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এখন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি সেই আন্দোলন করে তাহলে এখানে কোনো বহিরাগত যেন এসে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে এই কারনে শর্ত মেনে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর



ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন দিনের অর্ধবেলা কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন চলছে।

বুধবার কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে শিক্ষকরা তাদের নিয়মিত কার্যক্রম থেকে বিরতি নেন। এদিন কোনো ক্লাস হয়নি। তবে পরীক্ষা থাকলে তা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন অর্ধবেলা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, তিন দিনব্যাপী চলমান এ কর্মসূচিতে পরীক্ষা আওতামুক্ত থাকবে। তবে ক্লাস নেওয়া হবে না। কোনো শিক্ষক তাদের অফিসে যাবেন না, স্বাভাবিক কার্যক্রম থেকে বিরতি নেবেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, দ্বিতীয় দিনও আমরা আমাদের অর্থবেলা কর্মবিরতি জারি রেখেছি এবং ক্লাসগুলো নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষা যদিও এসব থেকে মুক্ত। এছাড়া পূর্বঘোষিত কর্মসূচির ভিত্তিতে আমরা আজও অবস্থান কর্মসূচি পালন করব। এতে কোনো ব্যতয় ঘটবে না। দাবি অনাদায়ে ৩০ তারিখ আমরা পূর্ণবেলা ও ১ তারিখ থেকে যতদিন পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততদিন সম্পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন শিক্ষকরা। এতে পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত হবে।


আরও খবর