Logo
শিরোনাম

ঢাকায় কনসার্টের পরেরদিন মাকে হারালেন মোনালি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক :

ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী মোনালি ঠাকুরের মা মারা গেছেন। ১৮ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয়েছে মোনালির মা মিনতি ঠাকুরের।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোনালি ঠাকুরের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার বড় বোন মেহুলি ঠাকুর। শুক্রবার (১৭ মে) মেহুলি ফেসবুকে লেখেন, ‘শিকল ছিঁড়ে গেছে...অবশেষে কষ্টের অবসান...। বেলা ২টা বেজে ১০ মিনিটে মা স্থির হয়ে গেছে।’

ইনস্টাগ্রামে মায়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে মোনালি ঠাকুর লিখেছেন, ‘কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে লড়াই করব মা, এই একাকিত্ব এই যন্ত্রণা বড্ড অসহায় লাগছে। কিন্তু এবার সময় এসে গেছে, তাকে লাইফ সাপোর্ট থেকে বের করে নেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাকে এবং তৈরি হতে হবে।


আমার মাকে শান্তি দাও ঈশ্বর এবং আমাকে সাহায্য করো। এখন মাকে ছাড়া আমার জীবনটাই বা কীভাবে কল্পনা করব। আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না।’

এদিকে মায়ের মৃত্যুর একদিন আগে ঢাকায় কনসার্ট করে গেছেন মোনালি। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কলকাতা থেকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এক গানের অনুষ্ঠান অংশ নেন এই শিল্পী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে গান শোনানোর কথা ছিল তার। আগেই চুক্তি সেরেছিলেন গায়িকা। তাই আর না করতে পারেননি। কথা রেখে ঢাকায় এসে মঞ্চে পারফর্ম করে গেছেন।

তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ঢাকার একটি কনসার্টে মোনালি ঠাকুর গান গাইছেন তার মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার খবর পাওয়ার পরেও। আর সেখানেই তিনি তার মাকে উদ্দেশ্য করে গেয়েছেন।

বিষন্ন মনে মোনালির কণ্ঠে শোনা যায় রবীন্দ্রসংগীত। যেখানে মাকে উদ্দেশ্য করে এই সংগীতশিল্পী গাইলেন ‘তুমি রবে নীরবে’। গাইতে গাইতে গলা বুজে আসে গায়িকার। কেঁপে যায় গলা। তবুও গান থামান না তিনি।


আরও খবর



৫৪২ আসনের চূড়ান্ত ফল: বিজেপি ২৪০, কংগ্রেস ৯৯

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে একটি বাদে বাকিগুলোর চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। 


ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ৫৪২টি আসনের মধ্যে ২৪০টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। 


অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) সাতটি ও শিবসেনা (এসএইচএস) সাতটি আসনে জয় পেয়েছে।



পাঁচটি আসন পেয়েছে লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস)। চারটি করে আসনে জয় পেয়েছে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট)- সিপিআই (এম), ওয়াইএসআরসিপি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)।



আম আদমি পার্টি, ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) তিনটি করে আসন পেয়েছে।


কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট–লেনিনিস্ট) (লিবারেশন)–সিপিআই (এমএল) (এল), জনতা দল-জেডি (এস), জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স (জেকেএন), রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরএলডি), জনসেনা পার্টি (জেএনপি) ও ভিসিকে দুটি করে আসনে জয় পেয়েছে।



এ ছাড়া বেশ কয়েকটি দল একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সাতজন।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর তথ্যমতে, ঘোষিত ফল অনুযায়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স–এনডিএ জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৬টি। অপর দিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের মোট আসনসংখ্যা হয়েছে ২০১টি। 


যে আসনটির ফল এখনো ঘোষণা হয়নি, সেটিতে এগিয়ে আছে শারদ পাওয়ারের এনসিপিএসপি। এই দলটিও ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে রয়েছে। আসনটি তারা পেলে বিরোধী এই জোটের আসন সংখ্যা হবে ২০২টি।  


 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে ৩০৩ আসনে জয় পেয়েছিল। সেবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ ৩৫২ আসনে জয় পায়। এবার বিজেপি সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পায়নি। সে ক্ষেত্রে এনডিএ জোট শরিকদের ওপর নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে।


গত নির্বাচনে কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৫২টি আসন। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ জোট পেয়েছিল ৯৪ আসন।


লোকসভার মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৭২ আসন। সে ক্ষেত্রে বিজেপি তার জোটসঙ্গীদের নিয়ে সরকার গঠন করতে পারবে। তবে জোটসঙ্গীদের মধ্যে বেশি আসন পাওয়া দলগুলো বিরোধী শিবিরে গেলে চিত্র ভিন্ন হতে পারে।


বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকদের প্রধান অন্ধ্রপ্রদেশে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম পার্টি ১৬টি এবং বিহারে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল-ইউনাইটেড (জেডি–ইউ) ১২টি আসনে জয় পেয়েছে। এই দুই দল ছাড়া আরও একাধিক এনডিএ শরিকের ওপর নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে। 


এদের মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্রের শিবসেনার সিন্ধে গোষ্ঠী, বিহারে লোক জনশক্তি পার্টি এবং উত্তর প্রদেশের রাষ্ট্রীয় লোক দল।


আরও খবর



কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বাজার নিয়ন্ত্রণে জোর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি খুব কঠোরভাবে মনিটরিং করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী আজকে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বলেছেন, বাজার মনিটরিং যেন জোরালোভাবে হয় এবং ভালোভাবে নজর দিতে বলেছেন। বাজারে পণ্য সাপ্লাই যেন ঠিক থাকে।

কিছু কিছু পণ্যের সরবরাহ ঠিক আছে, সংকট না থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিম মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা দেখেছেন। সেজন্য কঠোরভাবে যেন বাজার মনিটরিং শুরু করা হয়। প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্টভাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।

ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে, তার একটা প্রভাব বাজারে এরইমধ্যে পড়েছে। সেক্ষেত্রে ডলারের দাম বাড়িয়ে বাজার মনিটরিংয়ে নজর দেওয়ার বিষয়টি কতটা যুক্তিসংগত- এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, এই প্রশ্নটা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে করুন। আমি আপনাদের কমিউনিকেট করছি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাটা। প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন, সে বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে একটু কাজ করতে দেন। তারপর ওনাকে এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করুন। তাহলে হয়ত কিছু জানতে পারবেন।


আরও খবর



দেবের সঙ্গে বিয়ে ও সন্তান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন রুক্মিণী

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে বিনোদন ডেস্ক:


টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ-এর হাত ধরে ‘বুমেরাং’ হয়ে সামনে আসছেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। সিনেমাটিতে রোবট হয়ে ধরা দেবেন ‘নিশা’ রুক্মিণী। 


সিনেমা মুক্তির আগে ‘বুমেরাং’-এর নিয়ে বিভিন্ন কথা বলছেন রুক্মিণী মৈত্র। একইসঙ্গে কথা বলেছেন নিজের বিয়ে নিয়েও। 



এদিকে কিছুদিন আগেই গুগল সার্চ করে দেব অনুরাগীরা চমকে যান। তাঁরা দেখেন, সেখানে লেখা দেব নাকি বিবাহিত! ২০২১-এর ৬ মে নাকি তিনি রুক্মিণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এমনকি সেখানে লেখা ছিল, তাঁদের নাকি একটি সন্তানও রয়েছে। এবার বিয়ে নিয়ে নিজেই মুখ খুলেছেন রুক্মিণী।



বিয়ের খবরে অবাক রুক্মিণী সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে বলেন, ‘ওহ গড! এটা যে কোথা থেকে আসছে! গুগলেও পৌঁছে গেল। শুধু তাই নয়। সেখানে একটা বাচ্চার কথাও রয়েছে। যার কথা বলা হয়েছে, সেই আমাইরা আমার ভাইঝি। যেহেতু আমাইরার সঙ্গে আমার এত ছবি রয়েছে। ওরা ওকে আমার বাচ্চা বানিয়ে দিয়েছে।’


তবে বাস্তবে অনুষ্ঠান করে রুক্মিণী বিয়েটা কবে করবেন? এ বিষয়েও মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। রুক্মিণীর কথায়, ‘মিডিয়া যেদিন অনুমান করা বন্ধ করবে, আমি সেদিন বিয়েটা করে নেব। আমার মাও কিন্তু বিয়ের কথা জিজ্ঞাসা করেন না। তাহলে আপনারা কেন জিজ্ঞাসা করছো! 


যেদিন মনে হবে, আমি বিয়ের জন্য তৈরি, সেদিন বিয়েটা করে নেব। আমি বিয়েতে বিশ্বাসী, আর বিয়ে লুকিয়ে রাখতেও চাই না। এখন এত ব্যস্ততা রয়েছে, তাই বিয়ের প্ল্যান করা সম্ভব নয়। 


তবে আমার মনে হয় প্রতিশ্রুতি জরুরি। আজকাল দেখি বহু বিয়েই টিকে আছে, তবে সেই সম্পর্কে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তাই আমাদের প্রতিশ্রুতিটাই আগে থাকুক। বাকিটা ক্রমশ প্রকাশ্য।’


রুক্মিণীর কথায়, অভিনেত্রী হওয়াটাই তাঁর জীবনের সব থেকে বড় বুমেরাং। ভেবেছিলাম কোনো দিনই অভিনেত্রী হবো না, তবে সেটাই ঘটেছে।


এদিকে সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে আরও একবার ঘাটাল থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন দেব। ভোটের আগে জোর কদমে প্রচার চালিয়েছেন অভিনেতা। তবে দেবের কোনো প্রচারেই রুক্মিণীকে দেখা যায়নি। এ প্রসঙ্গে রুক্মিণী বলেন, ‘এটা এক্কেবারেই ওর আলাদা কর্মক্ষেত্র। ওর একার জার্নি। ওই বিষয়টা ও একাই খুব পরিণত হাতে সামলাচ্ছে। 


প্রচারে ওর সঙ্গে না থাকলেও আমি ওর পাশে সবসময় আছি।’



আরও খবর



ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখার প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। 


একইসঙ্গে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে দিয়েছেন আদালত।


মঙ্গলবার (২১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।


তদন্ত কমিটিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের একজন প্রতিনিধি ও বুয়েটের একজন আইটি এক্সপার্টকে রাখতে বলা হয়েছে। 


একইসঙ্গে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিলই থাকবে বলে আদেশে বলা হয়েছে। 


পাশাপাশি প্রথম শ্রেণিতে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


আদালত বলেছেন, ১৬৯ শিশুর ভর্তি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এক্ষেত্রে অভিভাবকরাও দায় এড়াতে পারেন না।


আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, আইনজীবী শামীম সরদার।


 ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। ।


গত ১৯ মে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিশুর ভর্তি কেন বাতিল হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা ছিল।


 বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।


গত ১৪ জানুয়ারি ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ জন ছাত্রীর ভর্তি বাতিল চেয়ে দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক একটি রিট দায়ের করেন। 


তাদের অভিযোগ হলো, নির্দিষ্ট বয়সের বাইরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে স্কুলেটিতে। এরপর ২৩ জানুয়ারি রুল জারিসহ ভর্তি বাতিলের আদেশ দেন আদালত। পরে মাউশির নির্দেশনায় ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়।


এরপর ভর্তি বাতিলের বৈধতা নিয়ে ১৩৬ জন অভিভাবক আরেকটি রিট দায়ের করেন। এ নিয়ে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল জারি করেন। আলাদা রুলের একসঙ্গে শুনানি শেষে রায়ের জন্য নতুন এই দিন ধার্য করা হয়।



আরও খবর



দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


২০২৪-২৫ অর্থবছরে জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে এনইসি।


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসির সভায় এই উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।



সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার জানান, ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


তিনি আরও জানান, সভায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়ন ১১ হাজার ৬৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়ন ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। 


সুতরাং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের বরাদ্দসহ এডিপির সর্বমোট আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ।


২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা ১৩২১টি। সত্যজিৎ কর্মকার জানান, বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, বিদ্যুৎ খাত, শ্রম-শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ সংক্রান্ত প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর