Logo
শিরোনাম

ধামরাইয়ের বিখ্যাত মিষ্টি ক্ষীরমোহন

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):


ঢাকার ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া বাজারের ইসমাইল সুইটস এর ক্ষীরমোহন অনন্য এক মিষ্টান্নের নাম। অনেকেই ভীষণ ভোজনপ্রিয় মানুষ। খাবারের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে। আর যদি সেটা হয় মন জুড়ানো মিষ্টি গন্ধ, তাহলে তো কথাই নেই। এই সুস্বাদু মুখরোচক খাবারটি হচ্ছে কাওয়ালীপাড়ার ‘ক্ষীরমোহন’। দুধ, চিনি, ঘি, দুধের ছানা, ময়দা, তেজপাতা, ছোট এলাচ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি ঘন রসযুক্ত মিষ্টান্ন।

ধামরাই উপজেলার গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক উপায়ে বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাস, লতা-পাতাসহ নানা গো-খাদ্য বাড়িতে পালা গাভিকে খেতে দেয়া হয়। তাই এই এলাকার গরুর দুধ খাঁটি দুধের গুনাগুণ সমৃদ্ধ। সেই দুধ থেকে তৈরি হয় এই ক্ষীরমোহন।

প্রসঙ্গত,ক্ষীর ও মোহনের সংমিশ্রণে তৈরি হয় ক্ষীরমোহন। দুধ ক্ষীরে পরিণত হলে ও মিষ্টির ভেতরে ক্ষীর ঢুকে গেলে তৈরি হয় অমৃত স্বাদের ক্ষীরমোহন।

ইসমাইল সুইটস এর কর্মচারী মোঃ বাদশা মিয়া বলেন, খাঁটি ছানা থেকে তৈরি মিষ্টি প্রথমে গরম চিনির রসে জ্বাল দেয়া হয়। মিষ্টি হয়ে এলে তা থেকে রস ঝরিয়ে নিয়ে দুধে জ্বাল দেয়া হয়। দুধ ক্ষীরে পরিণত হলে ও মিষ্টির ভিতরে ক্ষীর ঢুকে গেলে তৈরি হয় লোভনীয় ‘ক্ষীরমোহন’। সাধারণত ১ মণ দুধ জ্বাল দিয়ে ১৭ থেকে ১৮ কেজি ক্ষীর তৈরি করা হয়। এতে যুক্ত হয় ২৫০ গ্রাম ঘী। এর সাথে ৮ কেজির মত মিষ্টি ক্ষীরে জ্বাল দিয়ে ২৪/ ২৫ কেজি ক্ষীরমোহন বানানো হয়। এর স্বাদ নিতে আসেন ছোট-বড় সকলেই। প্রতিটি ক্ষীরমোহন ৫০ টাকা এবং ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয় ।

ক্ষীরমোহন খেতে আসা ভোজনপ্রিয় মানুষ মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, ক্ষীরমোহনের স্বাদ ও গন্ধ থেকেই জিভে পানি আনার মতো। এই খাবার খেতে খুবই সুস্বাদু আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি নিয়ে গেলেও এই রসমালাইকে গুরুত্ব দেয়।


আরও খবর



ধামরাই মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে তিন শতাদিক কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার) :

ঢাকার ধামরাইয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে তিন শতাদিক কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ধামরাই সিটি সেন্টারে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার কমিশন ধামরাই উপজেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান। 

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় সংসদ সদস্য ঢাকা ২০ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমেদ। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক আইয়ুব,  ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদ খালেদ মাসুদ খান লাল্টু, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোরছালিন সরদার, অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ধামরাই উপজেলা মানবাধিকার কমিশন সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সহ উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সকল সদস্য গণ।


আরও খবর



ধামরাইয়ে এক ভবনেই ২২টি মৌচাক

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন, স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া বাস টার্মিনালের পাশে বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ে বসেছে প্রায় প্রায় ১০ বছর যাবৎ প্রায় দুই ডজন মৌচাক। এ থেকে প্রতি বছর দেড়-দুই মণ খাঁটি মধু আহরণ করে বিক্রির মাধ্যমে ভালো টাকা আয় হচ্ছে তার। ওই মৌচাকগুলো দেখতে স্থানীয়রা ভিড় করছেন।

উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের বাবুল হোসেনের বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ের চারদিকে বসেছে মৌমাছির মেলা। গত ১০ বছর যাবৎ মৌমাছিরা ওই বিল্ডিংয়ে মৌচাক তৈরি করে মধু আহরণ করে। প্রায় পুরো বছর ধরেই ওই বাড়িতে কম-বেশি মৌমাছি থাকে।

জানা গেছে, সারাদিন আশপাশে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত থাকে । সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চারদিকে ম-ম গন্ধ ছড়িয়ে উড়ছে মৌমাছির দল।

বাড়ির মালিক মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, ২০১০ সাল থেকে আমাদের বাড়ির এই বিল্ডিংয়ে ২৫-৩০টি মৌচাক বসে। এবারও ২২ টি মৌচাক তৈরি হয়েছে। এসব মৌমাছি আমাদের কোনো ক্ষতি করে না।

তিনি আরও জানান, সারা বছরই মৌচাক থাকে। কিন্তু শীত এলে ঝাঁকে-ঝাঁকে মৌমাছি এসে তার বাড়িতে মৌচাক তৈরি করে। মাস দুয়েক পর আবার চলে যায়। গত বছর ২৫টি মৌচাক ছিল। এবার ২২টি মৌচাক বসেছে।

প্রতিবেশী স্থানীয় রহমান বলেন, আমার জানামতে, ৮-১০ বছর যাবত সাড়া বছর জুরে ওই বাড়িতে মৌচাক বসে। খবর শুনে এলাকার এবং দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন দেখতে আসেন ওই মৌচাক । মৌচাক কাটার দিন খাঁটি মধু নেয়ার জন্য মানুষ লাইন ধরে অপেক্ষা করেন।

মৌয়াল সিরাজ বলেন, আট -দশ বছর ধরেই ওই বাড়ির বিল্ডিংয়ে মৌমাছির চাকগুলো কেটে আমি মধু নামাই। অন্যান্য বছর ২৫-৩০টি চাক বসলেও এবার বসেছে ২২টি। তাই অন্যবারের তুলনায় এবার মধু কম হবে। আগেরবার প্রতি কাটায় ২৮-৩০ কেজি মধু তুললেও এবার পাওয়া যাচ্ছে ২০-২২ কেজি। বাড়ির মালিককে অর্ধেক দিয়ে বাকিটুকু আমি নিয়ে যাই।

এ ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হাসান বলেন, সম্ভবত ওই বাড়িতে রানী মৌমাছির জন্ম বা উৎপত্তি হয়েছিল, তাই প্রতি বছরই দীর্ঘ সময় ধরে মৌমাছিরা ওই বাড়িতে নিরবে বাসা বেধে থাকে । তিনি আরও বলেন, এই এলাকায় জমিতে অধিক সরিষার আবাদ হওয়ায় ফুলের পরিমাণও বেশি। মধুর একমাত্র উৎস ফুল, তাই মৌমাছিরা এখানেই আসে।


আরও খবর



স্ট্রোকের বিশ্বমানের চিকিৎসা হচ্ছে দেশেই

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :স্ট্রোক একটি ঘাতক ব্যাধি। প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ এ রোগের আক্রান্ত হন। এর মধ্যে মারা যান অর্ধ কোটি মানুষ আর অর্ধ কোটি পঙ্গুত্ব বরণ করেন। বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণ এটি। মারা যাওয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ আমাদের মত দেশে ঘটে। দিন দিন স্ট্রোক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে ২০৫০ সালের মধ্যে এ হার প্রায় ৮০ গুন বেড়ে যাবে। বাংলাদেশেও এ হার কিন্তু কম নয়। গবেষণায় দেখা গেছে দেশে প্রতি ১ হাজার জনে প্রায় ১২ জন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। ঘাতক এ ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

স্ট্রোক নিয়ে জাতীয় স্ট্রোক কনফারেন্সের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশন (বিএসএসএনআই)। কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক কাজী দীন মোহাম্মদ, অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ, অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, অধ্যাপক মো. বদরুল আলম ও অধ্যাপক আবু নাসার রিজভী।

উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, স্ট্রোকের চিকিৎসা যত দ্রুত করা সম্ভব তত ফলাফল ভালো হয়। স্ট্রোকের চিকিৎসায় দেরি করলে উন্নতি হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়। তাই দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। জাতীয় পর্যায়ের একজন নেতা স্ট্রোকের তিন ঘণ্টার মধ্যে বিএসএমএমইউ-তে আসলে তাকে স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হয়। সাত দিন পরই তিনি হেঁটে বাড়ি চলে যান।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক কাজী মহিবুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে স্ট্রোক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্ট্রোকের আধুনিক সব চিকিৎসা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স (নিনস) হাসপাতালে হচ্ছে। সরকারি ভাবে অনেক কম খরচেই স্ট্রোকের সব আধুনিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব স্ট্রোক ও নিউরোইন্টারভেনশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন খান বলেন, বাংলাদেশে সরকারিভাবে একমাত্র নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়মিতভাবে আইভি থ্রোম্বলাইসিস করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় এ হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগ স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ঢাকার বাইরের মেডিকেল কলেজগুলোকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফিরোজ আহম্মেদ কোরাইশি, স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা আইভি থ্রোম্বলাইসিস জেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান।

নিউরোসায়েন্সস হাসপাতালের যুগ্ম- পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম মন্ডল বলেন, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল স্ট্রোক চিকিৎসায় দিকপালের কাজ করছে। স্ট্রোকের অত্যাধুনিক চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে এটি।


আরও খবর



নওগাঁ শহর যানজট নিরসন ও রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ শহর যানজট নিরসন ও রাস্তাঘাট সংস্কারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নওগাঁ জেলা সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ। 

মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত দাবি তুলে ধরেন সংগঠটি। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজী জিয়াউর রহমান বাবলু বলেন, নওগাঁ শহরের প্রধান সড়ক সহ পৌর এলাকায় যানজট ইদানিংকালে অসহনীয় প্রকট আকার ধারণ করেছে। যার শিকার হতে হচ্ছে শহরবাসীকে। নওগাঁ শহরের ভিতরে ব্যাটারি চালিত রিকশা ভ্যান যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো নামানোর ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরে যানজট লেগে থাকে। এর ফলে সাধারণ পথচারী যেমন ঝামেলা পোহাতে বাধ্য হচ্ছে, তেমনি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যও।

লিখিত বক্তব্য তিনি আরও বলেন, শহরের আরও একটি সমস্যা রাস্তাঘাট। শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যবসা প্রধান এলাকার ভিতরে পুরাতন সোনালী ব্যাংক রোড, সুপারি পট্টি, কাপড় পট্টি, তুলাপট্টি, ইসলামপুর রোড, চুড়ি পট্টি, কাঁজা বাজার, মুরগি বাজার এবং মাছ বাজার সহ বেশকিছু রাস্তা একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাটের এমন অবস্থা খুবই কষ্টদায়ক। বছরের পর বছর একই অবস্থা যেন নওগাঁ বাসীর নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতা ও বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় শহরবাসী হতবাক। বছরের পর বছর একই অবস্থা যেন নওগাঁ বাসি নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। 

কাজী জিয়াউর রহমান বাবলু বলেন, ব্যবসায়ী হিসেবে আমাদেরকে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কখনো কখনো পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে যা কাম্য নয়। মাঝে মধ্যেই আমাদেরকে ভ্যাট, আয়করসহ বিভিন্ন ধরনের (ভোক্তা অধিকার, নিরাপদ খাদ্য) জরিমানা সমস্যায় পড়তে হয়। অথচ সমস্যা গুলো যৌথ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য। 

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।



আরও খবর



আফগানিস্তানে তুষারপাতে মৃত্যু বেড়ে ১২৪

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

গত ১৫ দিনে আফগানিস্তানে ভয়াবহ শীতকালীন তুষারপাত ও তীব্র ঠান্ডায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক'শ ২৪ জনে।

টানা ১৫ দিনের তীব্র ঠান্ডায় আরো প্রায় ৭০ হাজার গাবাদিপশু মারা গেছে। চলমান পরিস্থিতিতেও সরকারি নির্দেশে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ আব্বাস আখুন্দ। তিনি বলেন, ভারি তুষারপাতের কারণে আফগানিস্তানের অনেক এলাকা সম্পূর্ণরূপে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দুর্গতদের উদ্ধারে ওইসব অঞ্চলে সামরিক হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও বেশিরভাগ পাহাড়ি এলাকায় হেলিকপ্টার অবতরণ করতে পারছে না। আগামী ১০ দিনে আবহাওয়ার উন্নতি অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়বে বলে আশা করছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।


আরও খবর