Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

ডিআইজি জামিলের অবৈধ সম্পত্তি অনুসন্ধানে দুদকে আবেদন আইনজীবীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জামিল হাসানের অবৈধ সম্পত্তি অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। 


বুধবার (৩ জুলাই) দুদক চেয়ারম্যান বরাবর আইনজীবী মো. জিয়া উদ্দিন এ আবেদন করেন। 



গত ২২ জুন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘ডিআইজি জামিল হাসান যেন আরেক ভূস্বামী’ শীর্ষক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিআইজি জামিল হাসান ২০২১ সালে র‌্যাব-৮ এর বরিশালে কমান্ডিং অফিসার হিসেবে চাকরি করার সময় তিনি গোপালগঞ্জের সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের জমি কিনতে তদারকি করেছেন। 



এই অবস্থায় ডিআইজি জামিল হাসানের বিষয়ে বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পত্তি অনুসন্ধানের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে তার অবৈধ সম্পত্তির বিষয়ে অনুসন্ধান করা আবশ্যক। চিঠিতে বলা হয়, যথাযথ অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।



প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিআইজি জামিল হাসান রিসোর্ট করার জন্য উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের একটি মাঠই কিনে ফেলেছেন। সেখানে তিনি একটি রিসোর্ট বানানোর কার্যক্রম শুরু করেছেন। 



অন্তত ৪০ একর অর্থাৎ ১২০ বিঘার মতো জমি কিনেছেন গত তিন-চার বছরে। আগে এগুলো ছিল ধানি জমি।


বর্তমানে ওই জমির একটা অংশ ভরাট করা হয়েছে। বাকি জমি ভরাটের কাজ চলছে। ভরাট করা জমিতে একটি টিনশেড বানানো হয়েছে। সেখানে মুরগি পালন করেন ওই জমির দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মী। এর পাশেই আছে অন্তত ৩৬ বিঘা জমির উপর গরুর খামার। এর সঙ্গে আছে গরুর হাট, যে হাট থেকে ইজারা নেন তারাই। 



তার এসব জমি বরিশালের উজিরপুর উপজেলায়। এর বাইরে ঢাকায় তার আছে দু’টি ফ্ল্যাট, এর একটিতে তার পরিবার বসবাস করে। অন্যটি প্রস্তুত হচ্ছে। গত চার-পাঁচ বছরের মধ্যে তিনি এই সম্পদ করেছেন।



বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে ২০তম ব্যাচে এএসপি হিসেবে জামিল হাসান যোগদান করেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চাকরি করেছেন তিনি। ছিলেন ক্ষমতার সর্বোচ্চ মহলের আশপাশে। 



চার বছরেরও বেশি সময় তিনি ফরিদপুরের এসপি হিসেবে দাপটের সঙ্গে চাকরি করেছেন। ২০২১ সালে তিনি র‌্যাব-৮ এর (বরিশাল) কমান্ডিং অফিসার হিসেবে চাকরি করার সময় গোপালগঞ্জে সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের জমি কেনাতে তদারকি করেছেন।



 সে সময়ের পুলিশ প্রধানের বিশ্বস্ত হওয়ার কারণে তার প্রভাব ছিল অনেক বেশি। অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি চরম দুর্ব্যবহার করেছেন।



আরও খবর



নওগাঁয় পথচারী বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলো মোটরসাইকেল চালক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টারঃ

নওগাঁয় পথচারী মা ও শিশু সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে শ্যালো মেশিন চালিত স্টিয়ারিং ভুটভুটির চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই শিমুল হোসেন (৩২) নামের এক মোটরসাইকেল চালকের মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৬ টারদিকে নওগাঁ টু রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর থানাধীন চৌমাশিয়া বাজার (চেংকুড়ি মোড়) নামক স্থানে। নিহত শিমুল হোসেন নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার মধ্য দূর্গাপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে নিহত সিমুল হোসেন আরো দু'জন কে সাথে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে  হোটেলে ব্যবহারের জন্য কড়াই কিনতে নওগাঁ থেকে (চৌমাশিয়া) নওহাটা মোড় বাজারে আসছিলেন। চৌমাশিয়া (চেংকুড়ি) মোড় নামক স্থানে পৌছালে এসময় এক নারী তার শিশু সন্তান কে নিয়ে সড়ক পারাপার হচ্ছিল। মা ও শিশু সন্তান কে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও পথচারী মা ও শিশুকে আঘাত লেগে মোটরসাইকেল সড়কের উপর পড়ে এবং চালক শিমুল হোসেন সিটকে সড়কের উপর পড়লে নওহাটা থেকে হাট-চকগৌরীগামী দ্রুতগতীর একটি স্টিয়ারিং ভুটভুটি চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিমুল হোসেন এর। স্থানিয়রা জানান, পথচারী মা ও মেয়ে শিশুকে জখম অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এছাড়া মোটরসাইকেলের অপর দু'জন আরোহী আহত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে নওহাটা মোড় ফাঁড়ি পুলিশ দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা সহ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর



ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডে রিপোর্ট:



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


আজ শনিবার (২২ জুন) ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে। খবর এএনআইয়ের।



অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে দুই নেতা উভয় দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা, রাজ্যের মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ও কীর্তি বর্ধন সিং উপস্থিত ছিলেন।




বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গতকাল শুক্রবার বিকেলে দ্বিপাক্ষিক সফরে নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন। ১৫ দিনের কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতে গেলেন তিনি। গত ৯ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।



শেখ হাসিনা ও মোদির মধ্যে আজ ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক হবে এবং এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা হবে। এ ছাড়া দুই নেতা উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের উপস্থিত থাকবেন।



এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হায়দরাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদি আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। 


সন্ধ্যায় তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



শিশুদের প্রযুক্তির জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।


শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের মেধা বিকাশে নতুন শিক্ষা কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছরের করার পরিকল্পনা করছে সরকার। দারিদ্র্য মুক্তির মূল শক্তি হবে শিক্ষা। স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হবে আজকের শিশুরাই।


তিনি বলেন, প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন নতুন প্রজন্মই দেশকে এগিয়ে নেবে সমৃদ্ধির দিকে। সেজন্য শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা নয়, সার্বজনীন মানসম্পন্ন শিক্ষা চায় সরকার।



সরকারপ্রধান বলেন, গত ১৫ বছরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী শিক্ষকের সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন করেছে এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


এর আগে, প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, খেলাধুলা, সংগীত, বিদ্যালয় পরিচালনা, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীকে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।


পদক প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজ সংস্কৃতির উন্নয়ন, আত্ম-উন্নয়ন, আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি উন্মোচন করা।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




হল ত্যাগের নির্দেশ মানতে নারাজ বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মোঃ ছিপু মোল্লা , বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতাঃ

'আমার হলে আমি থাকব, আপনি নিষেধ করার কে?' -স্লোগানে মুখরিত গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বশেমুরবিপ্রবি)। ছয় ঘন্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার না করলে আবারো উপাচার্য ভবন ঘেরাও করা হবে বলে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। 

বুধবার(১৭জুলাই) বিকেলে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ওই দিন সকাল ১১ঘটিকায় রিজেন্ট বোর্ডের সভা হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর দুপুর ১২টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আবাসিক হলের ছেলে শিক্ষার্থীদের বিকেল পাঁচ ঘটিকার মধ্যে হলের ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের পরদিন সকাল ১০ঘটিকা নাগাদ হল ত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোব দেখা যায়। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এরপর বিকেল ৩ঘটিকায় মিছিল বের করে। 'আমার হলে আমি থাকব, তুমি বলার কে?' 'শিক্ষা সন্ত্রাস একসাথে চলেনা' স্লোগান নিয়ে উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বলেন, অবিলম্বে এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত উপাচার্যকে সময় দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে যদি বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। তারা বলেন, আমরা কোটা সংস্কার না করে বাড়ি যাবনা।

হলের ত্যাগের বিষয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া লোক প্রশাসন বিভাগ ২০১৭-১৮শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুবর্ণা জয় বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার। এই হল আমার। আমার হলে আমি থাকব। ইউজিসি আমাকে নিষেধ করার কে? রিজেন্ট বোর্ড আমাকে নিষেধ করার কে? 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, উপাচার্য হয়তো ভয় পায়। তিনি আমাদেরকে নিরাপত্তা দিতে পারবেন না সেজন্য হয়তো হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি বলেন, উপাচার্যের যদি নিরাপত্তার অভাব হয় তাহলে আমরা ওনাকে নিরাপত্তা দিব। হল আমাদের, আমাদের হলে আমরা থাকব। 

আন্দোলন স্থলে উপস্থিত হয়ে উপাচার্য বলেন, হল ত্যাগের নির্দেশনা আমার না। এটি ইউজিসি থেকে নেওয়া হয়েছে। আমরা শুধুমাত্র প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষার্থীরা যদি হলে থাকতে চায় তাহলে আমরা তাদেরকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিব। আমরা পুলিশ প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। তিনি বলেন, রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল শাহবাগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:



সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখাসহ চার দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। 



আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে তারা। চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা।



দাবিগুলো হলো— ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখা। পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠনপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরির সমস্ত গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া (সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যতীত)। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্যপদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



২০১৮ সালের অক্টোবরে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে কোটা ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করে দেয় সরকার। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ছাত্ররা কোটা ব্যবস্থা চায় না। তারা আন্দোলন করেছে।



 ফলে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে আর আলোচনা করার বা হা-হুতাশ করার কিছু নেই। তবে ২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করেন। 



সে রিটের শুনানি নিয়ে কেন ওই ৩০ শতাংশ কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। ওই রুলের বিষয়ে শুনানি শেষে গেল ৫ জুন হাইকোর্ট রায় দেন সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ।


এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি হলে হলে ঘুরে নীলক্ষেতে আসে। পরে নিউমার্কেট এলাকা হয়ে সায়েন্সল্যাব। 



এরপর বাটা সিগনাল হয়ে শাহবাগ যায় মিছিলটি। কোটা বাতিলের দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।


গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে জারি করা রুল ‘যথাযথ’ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। 



তবে হাইকোর্টের এ রায় প্রত্যাখ্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে সে দিন বিকেলে আন্দোলন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরের দিনও একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। 



এরপর গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আজহার ছুটি শেষ হওয়ার পরের দিন থেকে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর