Logo
শিরোনাম

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ১৭ বছর পর শিরোপা ভারতের ঘরে

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক:


মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের তৃতীয় ফাইনালে উঠে ভারত। আগের দুই ফাইনালে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল রোহিত শর্মার দলকে।



 তবে তৃতীয়বার আর খালি হাতে ফিরতে হলো না ভারতকে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো রোহিত-কোহলিরা। 



শনিবার (২৯ জুন) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ভারত।



মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। তবে বিরাট কোহলি ও অক্ষর প্যাটেলের ব্যাটে লড়াইয়ে ফের ভারত। ফিফটি তুলে নেন কোহলি।


কোহলি ও অক্ষরের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। কোহলি ৫৯ বলে ৭৬ ও অক্ষর ৩১ বলে ৪৭ রান করেন। প্রোটিয়াদের পক্ষে কেশভ মহারাজ ও এনরিখ নরকিয়া নেন ২টি উইকেট।  


১৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন রেজা হেনড্রিকস ও এইডেন মার্করাম।


এরপর স্টাবসকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন ডি কক। ৫৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৭০ রানে ২১ বলে ২১ রান করে আউট হন স্টাবস।


এরপর ক্রিজে আসা হেনরিখ ক্লাসেনকে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন ডি কক। তবে দলীয় ১০৬ রানে ৩১ বলে ৩৯ রান করে আউট হন ডি কক। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসা ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন ক্লাসেন। 


ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার। মারমুখী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন ক্লাসেন। তবে দলীয় ১৫১ রানে ২৭ বলে ৫২ রান করে ফিরে যান তিনি।


ক্লাসেনের বিদায়ের পর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি মার্কো জানসেন। ৪ বলে মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। জানসেনকে আউট করে ভারতকে জয়ের স্বপ্ন দেখান পেসার জসপ্রীত বুমরাহ।  


শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান প্রয়োজন হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম বলেই সপাটে ব্যাট হাঁকান মিলার। বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ এক ক্যাচে মিলারকে সাজঘরে ফেরান সূর্যকুমার। দলীয় ১৬১ রানে ১৭ বলে ২১ রান করে আউট হন মিলার। 



আরও খবর



শরীফার গল্পটি পাঠ্য বই থেকে চুড়ান্তভাবে বাদ দিল শিক্ষামন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা অধ্যায়ে ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 



বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে গল্পটি পাঠ্য বই থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।



সম্প্রতি এনসিটিবিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


চিঠিতে বলা হয়, বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে শরীফার গল্পটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 



একই সঙ্গে সেখানে আরেকটি গল্প সংযোজন করতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া যেতে পারে। গল্পের পরিবর্তে নতুন গল্প সংযোজনের করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


বিষয়টি নিশ্চিত করে এনসিটিবির চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান বলেন, আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। সেই আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এর আগে, চলতি বছরে শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিতর্ক শুরু হয়। এর মধ্যে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ‘মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা’ অধ্যায়ের ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে আপত্তি তোলে একটি পক্ষ। 



মূলত শিক্ষক আসিফ মাহতাব একটি অনুষ্ঠানে বই থেকে ওই গল্পের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলেন এবং অন্যদেরও ছেড়ার আহ্বান জানান।


মাহতাবের বই ছেড়ার সেই ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘শরীফার গল্প’র বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



‘বিতর্কিত’ ভাইরাল ছবি প্রসঙ্গে যা বললেন সিয়াম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি  টুডেস ডেস্ক:


ফের আলোচনায় ঢালিউডের চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। তবে সিনেমা নয়, অন্য কারণে ভাইরাল সিয়াম। 



বছর তিনেক আগে স্ত্রী অবন্তীকে নিয়ে তোলা একটি ছবি নিয়েই বিদ্রূপের মুখে পড়েছেন সিয়াম। মূলত ঘুরতে গিয়েই ছবিটি তোলা।



সাজেকের লুসাই গ্রামে গিয়ে সেখানকার ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ছবিও তোলেন এই দম্পতি। সেই ছবি আবার সামাজিক মাধ্যমেও প্রকাশ করেন তাঁরা। 


কিন্তু হঠাৎ করেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পোশাক পরা সেই ছবি ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। 



সম্প্রতি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি সাইনবোর্ডের ছবি ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেখানে চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, গারো, খাসিয়া, মারমা, খুমি, লুসাই, রাখাইন, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষের ছবি আছে।



 কিন্তু ভুলবশত ‘পাংখোয়া’ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী হিসেবে সিয়াম ও তাঁর স্ত্রী অবন্তীর ছবিটিও দেওয়া হয়েছে। এই ছবি নিয়েই ট্রলের মুখে সিয়াম। যা নিয়ে বেশ বিব্রত সিয়াম।



পুরো বিষয়টি নিজের ফেসবুকেও তুলে ধরে সিয়াম লিখেছেন, ‘লুসাই জনগোষ্ঠীর সম্মানিত রাজার আমন্ত্রণে বছর তিনেক আগে সাজেকে ঘুরতে গিয়েছিলাম অবন্তীকে নিয়ে। তাঁদের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, পরিবেশ ঘুরে দেখেছিলাম। 



তাঁদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছি, সবার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছিলাম সেবার। নিউজফিডে বেশ কয়েক জায়গায় দেখলাম, আমার আর অবন্তীর এই ছবিটি একটি সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। 


সেখানে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে। আমরা এতে বিব্রত হয়েছি। কারণ, এর মাধ্যমে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীকে হেয় করা হচ্ছে।’



সামাজিক মাধ্যমে ট্রলের বিষয়ে তিনি লেখেন, ‘ঘুরতে গিয়েছিলাম পরিবারকে নিয়ে। সেই ছবিটি নিয়ে অনেক জায়গায় দেখলাম নানা রকমের ট্রল হচ্ছে। ভেবেছিলাম অন্য আরও অনেকবারের মতো এবারও এড়িয়ে যাব। 


কিন্তু ভাবলাম কিছু বলা উচিত। ট্রল আমরা অবশ্যই করব, মিম আমরা অবশ্যই বানাব। কিন্তু কিসে কাউকে অসম্মান করা হচ্ছে, একটি সম্প্রদায়কে ছোট করা হচ্ছে, সেই বোধ থাকাটাও জরুরি। 



যে তারুণ্যকে আমি প্রতিনিধিত্ব করি, সেই তারুণ্যের কাছে এই সেনসিবিলিটি তো প্রত্যাশা করতেই পারি।’



এ ছাড়া সাইনবোর্ড থেকে তাঁদের ছবি সরিয়ে নিতেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহ্বান জানান সিয়াম।



আরও খবর



র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমান বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন সহ ৩ জন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট কাম্পের চৌকস অভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ২শ' ৩৫ পিচ

বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন উদ্ধার ও নারী সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছেন। এব্যাপারে নওগাঁর পাশ্ববর্তী সান্তাহার রেলওয়ে থানায় মামলা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব। সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব কাম্প থেকে জানানো হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার ৬ জুলাই দিনগত রাত সারে ১১ টারদিকে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের চৌকস অভিযানিক দল। অভিযান চলাকালে ২ হাজার ২শ' ৩৫ পিচ

বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন উদ্ধার সহ

দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার

মধ্য দরগাপাড়া গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে মানিক (২৮), চান্দাপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে শাহীন আলম (২৯) এবং জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা গ্রামের নাসির উদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ আরোজা বেগম (৪৫)

হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। এসময়   দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার 

চান্দাপাড়া-দর্গাপাড়া গ্রামের আজাহার রহমান ওরফে রাজা'র ছেলে ও

চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কৌশলে পালিয়ে যায়। র‌্যাব আরো জানায়, পলাতক আসামী আতিয়ার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে মানিক, শাহীন এবং আরোজা বেগম এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত কয়েক দিন ধরে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর গোয়েন্দা দল উক্ত ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করেন এবং ৬ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানাযায় যে, উক্ত আসামীগণ নীলসাগর এক্সপ্রেস এ মাদক বহনকালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানাধীন আক্কেলপুর রেল স্টেশন প্লাটফর্ম এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর চৌকস আভিযানিক দল উক্ত আসামীদেরকে আটক করেন এবং মুলহোতা আতিয়ার কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ধৃত আসামীদের সাথে থাকা দুটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগে তল্লাশী করলে তাদের নিকট থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ২ হাজার ২শ' ৩৫ পিচ বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন উদ্ধার করা হয়। এব্যাপারে মামলা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব।


আরও খবর



পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক

নওগাঁয় গৃহবধূ আত্নহত্যার প্ররোচনা মামলা, ২৫ দিনেও নেই কোন অগ্রগতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর সাপাহারে স্বামী ও শশুর শাশুড়ির অমানুষিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে নিগার সুলতানা (৩৩)  নামের এক গৃহবধূ কিটনাশক পানে আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশের নিরব ভূমিকায় নিহতের পরিবার শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। নিহত গৃহবধু নিগার সুলতানার পিতা সাপাহার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মজিবুর রহমান চৌধুরীর দায়েরকৃত এজাহার সুত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর পূর্বে সাপাহার উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামের আঃ সালাম এর ছেলে আসামী গোলাম মোস্তফার সহিত তার মেয়ে মোছাঃ নিগার সুলতানা (৩৩) এর ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। 

জামাই গোলাম মোস্তফা, তার পিতা আঃ সালাম ও মা রাহেলা বেগম তার মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে শরীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে আসছিলো। স্বামী ও তার পরিবারের সকল যন্ত্রনা সহ্য করে নিগার সুলতানা স্বামীর ঘর সংসার করে আসছিলেন এরিমাঝে তাদের ঘর আলো করে মা বাবার কোলে ২টি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করেন। দু’টি সন্তানের কথা চিন্তা কষ্ট স্বিাকার করে সে তার স্বামীর ঘর করে আসছিলো।  


ঘটনার দিন ৯ জুন সামান্য বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকটি হলে স্বামী, শশুর, শাশুড়ী সকলে মিলে গৃহবধুকে শারিরীক নির্যাতনের এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং তাকে আত্নহত্যার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এর পর গৃহবধু নিগার সুলতানা তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে সকলের অজান্তেই কীটনাশক পান করে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তার স্বামী গোলাম মোস্তফা অসুস্থ্য অবস্থায় তার স্ত্রী নিগার সুলতানাকে নিয়ে সাপহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসকগন গৃহবধূর অবস্থা খারাপ দেখে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতারে রেফার্ড করেন। মেয়ের অসুস্থ্যতার সংবাদ পেয়ে গৃহবধুর পিতা-মাতা ছুটে এসে তাৎতক্ষনিক মুমূর্ষু  অবস্থায় মেয়েকে নিয়ে রাজশাহী নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাকালীন অবস্থায় গত ১০ জুন  সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে  তার  মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে রাজশাহী রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করে ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে তানোর পৌছালে স্বামী গোলাম মোস্তফা স্ত্রীর লাশবাহী  গাড়ী থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর লাশের গাড়ি সাপাহার উপজেলার নিশ্চিন্তপুর মোড় পার হলে গোলাম মোস্তফার আত্মীয় স্বজনরা  মোটরসাইকেল নিয়ে গাড়ীর পথ রোধ করে গাড়ী থেকে মোস্তফার মা ও ছোট ছেলে সন্তান সহ নিহত গৃহবধূর সোনার গহনা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এঘটনায়  নিগার সুলতানার পিতা মজিবর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে তার জামাই গোলাম মোস্তফা, তার বাবা মোঃ আঃ সালাম ও মা  রাহেলা বেগমকে আসামী করে দন্ডিবিধির ৩০৬ ধারা মোতাবেক সাপাহার থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা দায়ের করেন। 

ঘটনার বিষয়ে নিহত নিগার সুলতানার বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া সাব্বির হোসেন (১২) এর সাথে কথা হলে সে বলে যে, প্রায় সময় তার বাবা গোলাম মোস্তফা তার মাকে কারণে অ-কারণে মারপিট ও অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করত।তার সাথে সাথে আমার দাদা,দাদীরাও মা’কে আত্নহত্য করে মরার জন্য বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ করত। ঘটার দিন অসুস্থ্য  অবস্থায় আমি আমার মা’র নিকট গেলে মা’ আমাকে বলে যে মারপিটের পরে তোর বাবা, দাদা, দাদী মিলে জোরপূর্বক আমাকে বিষ খাইয়ে দিয়েছে। একই রকম বক্ত্যব্য শিশুটি থানা পুলিশের উপস্থিতিতেও বলেছে।

এরপরেও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা দেখে আমি আমার মেয়ে মৃত্যুর সঠিক বিচার পাব কি না সে বিষয়ে চিন্তিত ও শঙ্কিত আছি। আমার মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

এবিষয়ে সাপাহার থানার ওসিকে না পেয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মিলন কুমার সিংহ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, আমরা একাধিকবার আসামীর বাড়ীতে অভিযান চালিয়েছি বর্তমানে আসামী পলাতক রয়েছে। এর পরেও লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পাইনি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মামলা তার গতিতেই চলবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালানো মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ৪ আসামি ফের আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


বগুড়া জেলা কারাগারের ছাদ ফুটো করে পালিয়ে যান চার আসামি। পালিয়ে যাওয়া চারজনই বিভিন্ন হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।



বুধবার (২৬ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।



সুদীপ কুমার চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘আসামিরা তাদের ব্যবহার করা বিছানার চাদরকে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করে। সুযোগ মতো কারাগারের ছাদ ফুটো করে বাইরে বের হন তারা। এরপর কারাগারের সীমানা প্রাচীর টপকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে তারা পালিয়ে যায়।’


বগুড়ার এসপি বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়ার পরপরই জেলা কারাগারা থেকে আমাদের জানানো হয়। কারাগার থেকে তাদের ছবি দেয়া হয় আমাদের। আমরা সেই অনুযায়ী রাতেই অভিযান শুরু করি। 



পরে ভোররাতে তাদের চাষীবাজার থেকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাদের জেলা ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হলে কারাগারের সুপার এসে তাদের শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় একটি মামলা হবে। মামলায় তাদের ফের আদালতে তোলা হবে।


আজ বুধবার সকালে কারাগার থেকে চার আসামির পলায়নের খবর আসে। পরে জানা যায় পুলিশের অভিযানে তারা ফের গ্রেপ্তার হয়েছে।


কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার কয়েদী হলো- কুড়িগ্রামের নজরুল ইসলাম ( ৬৮), নরসিংদীর আমির হামজা (৪১), বগুড়া জেলার জাকারিয়া (৩৪) ও ফরিদ শেখ (৩০)।


আরও খবর