Logo
শিরোনাম

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:Sunday ২৩ October ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি ঃ

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার এক ব্যবসায়ীকে নিজ দোকানে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

নিহত নুরুল আফসার (৪০) উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড়ের দায় মোল্লা মৌলভী বাড়ির মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।  

রোববার সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ।  এর আগে  শনিবার দিবাগত বাংলাদেশ সময় আনুমানিক ১ টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রি ইস্ট প্রভিন্স বোসাবেলো শহরে এ ঘটনা ঘটে।

চেয়ারম্যান বলেন, ১৬ বছর আগে আফসার জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে বিয়ে করে পারিবারিক জীবন শুরু করে। তিনি দূই  সন্তানের জনক ছিলেন।  প্রতিদিনের মতো নিজের দোকানে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সময় রাত ৯টার দিকে কয়েকজন অস্ত্রধারী তার দোকানের সামনে এসে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে দোকানের ভিতরেই আফসারকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। পরে দোকান থেকে নগদ অর্থ এবং মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রি ইস্ট প্রভিন্স বোসাবেলো শহরে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।    

নিহতের ছোট কাকা মো.ইউসুফ বলেন, আফসারের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আরও খবর



উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়কগুলোর দৃশ্যপট

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়ক মহাসড়ক গুলোর চিত্র। ২০০৯ ইং সাল থেকে ২০২২ ইং সাল পর্যন্ত নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিনে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য প্রকল্পগুলো হলো নওগাঁর নজিপুর-ধামইরহাট-জয়পুরহাট সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, নওগাঁ-বদলগাছী-পত্নীতলা সড়ক উন্নয়ন এবং মহাদেবপুর ও বদলগাছী ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মহাদেবপুর এবং বদলগাছী সেতু নির্মাণ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় আত্রাই সিংড়া সড়ক, মান্দা-বাঘমারা-আত্রাই সড়কে আহসানগঞ্জ সেতু নির্মাণ প্রমুখ। যার মোট বরাদ্দ ছিলো ৯৩১০৫.২৪ লাখ টাকা। 

আর ১৭২১৫৫.৭৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো হচ্ছে নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ১টি আঞ্চলিক ও ২টি মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরন প্রকল্পের আওতায় বদলগাছী-পাহাড়পুর-জহয়পুরহাট সড়ক উন্নয়নের কাজ, নওগাঁ-আত্রাই-নাটোর মহাসড়কের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় এনায়েতপুর-মহাদেবপুর-পাটাকাটাহাট-মান্দা সড়কের উন্নয়ন কাজ, নওহাটামোড় চৌমাসিয়া, আব্দুল জলিল পার্ক এবং বশিপুর মোড়ে ইন্টারসেকশন নির্মাণ কাজ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়কের ওভারলেকরণ উন্নয়নের কাজ ও নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক ও ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ কাজ। 

নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের অধীনে পুরো দেশের সঙ্গে নওগাঁর সড়ক ব্যবস্থায় আধুনিকতা ও উন্নয়নের যে ছোঁয়া স্পর্শ করেছে তা বিগত সময়ের কোন সরকারের আমলেই করা হয়নি। বিশেষ করে আত্রাই উপজেলার আত্রাই নদীর উপর নির্মিত সেতু, নওগাঁ থেকে রাজশাহী যাওয়ার মহাসড়ক নতুন করে করে নির্মাণ, ঐতিহাসিক পাহাড়পুর মহাসড়কটি নতুন করে নির্মাণ ও বছরের পর বছর বন্ধ হয়ে থাকা নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ নতুন করে শুরু করাসহ সবগুলো প্রকল্পই নওগাঁকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে নতুন করে আধুনিকমানের উন্নয়নের মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যার ফলে পুরো নওগাঁর লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। এই সব নতুন করে নির্মাণ হওয়া সড়কের আশেপাশের অঞ্চলের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলে গেছে। এই সড়কগুলোকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের যার কারণে এই সব অঞ্চলের মানুষের জীবন-যাপনেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। 

তিনি আরো জানান, আমরা চেস্টা করেছি সরকারের গৃহিত মিশন ও ভিশনকে শতভাগ সফল করতে এই প্রকল্পগুলোকে যথাযথ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার। তবে বিশেষ কিছু কারণে অনেক প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা না গেলেও সেগুলোও আমরা যথাযথ পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে শেষ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশের লক্ষ্যে নওগাঁ সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে সব সময় সকল প্রকল্পগুলোকে সঠিক সময়ে ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে চেস্টা অব্যাহত রেখেছি। আগামীতেও নওগাঁর সড়ক বিভাগের এমন কর্মতৎপড়তা অব্যাহত থাকবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদি। 

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। এমন কোন খাত নেই যেখানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি। বিগত জোট সরকারের আমলে এই অঞ্চলে সর্বহারা নামক সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে মানুষকে গলা কেটে হত্যা করতো। যার কারণে পুরো দেশসহ বিশ্বের কাছে নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি পায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯সালে সরকার গঠনের পরই এই রক্তাক্ত জনপদে বইতে শুরু করে শান্তি সুবাতাস। প্রধানমন্ত্রী কঠোর হাতে সর্বহারা ও জেএমবিকে দমন করেন। 

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তবে বিশেষ করে আমার নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ২২কিমি কালীগঞ্জ সড়কের নতুন পাকাকরণের কাজ ও আত্রাই নদীর উপর নির্মাণ করা আত্রাই সেতু আধুনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই দুই উপজেলার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট পাল্টে দিয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একাডেমিক ভবনগুলো এলাকার মানুষদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অগ্রনি ভূমিকা রাখছে। তাই দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, গৃহিত মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আগামীতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। 


আরও খবর



মেট্রোরেল ব্যবহারে যত্নবান হওয়ার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মেট্রোরেল ব্যবহারে আরও যত্নবান হওয়ার আহবান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে। তাই এর প্রতি সবাইকে যত্নশীল হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানাভাবে বাধা দেয়া হয়েছে, ষড়যন্ত্র হয়েছে। মেট্রোরেলের ক্ষেত্রেও নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোন বাধাই টিকতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, তার পরিকল্পনাতেই মেট্রোরেলের লাইন মতিঝিলের পরিবর্তে কমলাপুর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।


আরও খবর



শীতে কাবু উত্তরের জনপথ, ঘনকুয়াশায় বিপাকে কর্মজীবি মানুষজন

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি :

হিমেল হাওয়া আর ঘনকুয়াশার  দরুন কাবু উত্তরের জনপথ, খড়কুটোর আগুনে শরীর গরম রাখার চেষ্টা কর্মজীবি ও পেশাজীবি মানুষজন। বিকেল থেকে শুরু করে সকাল ৮ টা পর্যন্ত ঘনকুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় অনেকে অতী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। রাতের বেলা ফুটপাতে গরম কাপড় কিনতে ভীর জমাচ্ছেন অনেকে।  টানা ৭দিনপর লালমনিরহাটের আকাশে দেখা দিয়েছে নিরুত্তাপ সূর্যের আলো।   গত কয়েকদিনের চেয়ে মাত্র ৩ পয়েন্ট তাপামাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে আজ ৮ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকেলও আরও কয়েকনি থাকতে পারে মেঘলা আকাশ সহ এমন কনকনে শতি। কর্মজীবি, রিক্সাওয়ালারা জানান,সড়কে লোকজন না থাকায় তারা যাত্রী না পাওয়ায় বিপাকে পরেছেন। হাসাপাতল গুলোতে শিশুসেহ নানান বয়সী রোগিদের উপচে পরা ভীর লক্ষ্যকরা গেছে। চিকিৎসক শঙ্কট থাকায় হিমসিম খাচ্ছে ডাক্তাররা ।   

কথায় আছে,মাঘের শীতে কাবু হয়েছে পড়েছে উত্তরের জনপদ পঞ্চগড়সহ পার্শবর্তী কয়েকটি জেলার জনজীবন। টানা চার দিন ধরে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব এলাকার নিম্নআয়ের মানুষেরা। আজ লালমনিরহাটে ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপামাত্রা রেকর্ড করা হলেও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্ব নিম্ন ৬ দশমিক ৮ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এনিয়ে টানা ৭ দিন সবনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগের তুলনায় গতকাল কুয়াশার দাপট ছিলো কিছুটা কম। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে চলমান মৃদু শৈত্য প্রবাহ থাকবে আরও দুই-একদিন।

লালমনিরহাট,কুড়িগ্রাম,তেতুলিয়া উপজেলায় কয়েক দিন থেকে উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় শীতের দাপট বেড়েই চলছে। মাঘের ৫ম দিনেও  কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে উত্তর দিকে থেকে হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করে। পাশাপাশি রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে ঘন কুয়াশায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়ে পুরো জেলা। তা পর দিন সকাল পর্যন্ত কনকনে শীত ও কুয়াশায় মোড়ানো থাকে। তবে দিনের বেলা সূর্যের আলো পরিলক্ষিত হলেও তেমন সূর্যের উত্তাপ থাকে না। এ মাঘের শীতে মানুষ কাজকর্ম তেমন একটা করতে পারে না। শীতের কারণে সময়মতো কাজে যেতে পারছে না। অন্যদিকে দিন দিন জেলার আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বাকি চার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেড়েছে রোগীর চাপ, হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ।

তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিম বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে দিনদিন শীতের তাপমাত্রা ওঠানামা করছে এবং শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর এ জেলায় মৌসুমের প্রথম দিকে শীতের আগমন ঘটে এবং অন্যান্য জেলায় তুলানায় শেষে বিদাই নেয়। পৌষ-মাঘ দুই মাস শীতকাল, ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি। মূলত নভেম্বর মাসের ২য় সপ্তাহ থেকে শীতের আগমন ঘটলেও পঞ্চগড়ে অক্টোবর মাসের শেষের দিকেই শীত শুরু হয় যায়।

এদিকে লালমনিরহাট ২৫০ শয্যার অধুনিক সদর হাসপাতালসহ জেলার ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিনদিন শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে । প্রতিদিন জ্বর, সর্দি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। তবে এ রোগে বয়স্কদের চেয়ে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

অন্যদিকে  লালমনিরহাট জেলায় তেমন কোনো ভারী শিল্প কলকারখানা না থাকায় বেশির ভাগ মানুষ কৃষক,পাথরশ্রমিক হিসাবে কাজ করেন। জেলার মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ গরিব। যদিও জেলা প্রশাসন বলছে, জেলার ৫ উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়নে এ পর্যন্ত সাড়ে ৩৮ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। 

জেলা গণতন্ত্রী পার্টি ধরলা চরাঞ্চলের কিছু সংখ্যক সহ পৌর এলাকায় প্রায় ২শত কম্বল বিতরণ করেছেন। জেলা প্রমাসক মোহাম্মদ উল্ল্যা সহ   তাছাড়াও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান  ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান , উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন ,হাতিবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান সোহাগকেও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করতে দেখা গেছে।  

হিমালয়ের পাদদেশে হওয়ায় লালসনিরহাটে প্রতি বছর শীত মৌসুমে বেশি শীত অনুভূত হয়। লালমনিরহাট  জেলা প্রশাসন,পুলিশ বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গরিব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যারা প্রকৃত গরিব, অসহায় ও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করার।

মৃদু শৈত্য প্রবাহ থাকবে আরও ২/৩দিন।  লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান,আইন শৃঙ্খলা ঠিক রেখে মানবিক কারণে এ জেলার শীতার্ত মানুষদের মাঝে  সাধ্যমতো শীত বস্ত্র বিতরণ চলছে।   

এদিকে আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায় দেশের কয়েকটি জেলায় মৃদু চলমান শৈত্য প্রবাহ আরও দুই-একদিন থাকবে।আরও বলেন,লালমনিরহাট ‘দিনাজপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, চুয়াডাঙ্গা এবং মৌলভীবাজারে মৃদু/মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই জেলাগুলোতে আরও এক থেকে দুইদিন মৃদু শৈত্য প্রবাহ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।’

আবহাওয়ার তথ্য জানিয়ে আবহাওয়া অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। একই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত নদী অববাহিকা এবং উত্তরাঞ্চলে কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় কোনো পূর্বাভাস আপাতত নেই।’

অন্যদিকে জেলায শীতজনিত রোগে আকান্ত হয়ে কমপক্ষে ১৩ জন শিশু ও ৫ জন বয়স্ক রোগী মারাযাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

হাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লালমনিরহাট ,কুড়িগ্রাম এবং পঞ্চগড়ে মৃদু ও মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকবে। এ শৈত্য প্রবাহ রংপুর বিভাগের অন্যান্য এলাকায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় বিস্তার লাভ করবে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।তবে আপাতত বৃষ্টির কোন শঙ্কা নেই ।


আরও খবর



সবজি ও মাছের দাম চড়া

প্রকাশিত:Saturday ২১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শীত মৌসুমে সারাদেশে সবজির উৎপাদন বাড়ে। একই সময় গ্রামীণ জলাশয়গুলোর পানি কমে যাওয়ায় মাছ শিকার বেশি হয়। ফলে এ সময় সবজি ও মাছের সরবরাহ বেশি থাকায় সাধারণত দাম ক্রেতাদের নাগালেই থাকে। কিন্তু বর্তমান চিত্র ভিন্ন। শীতের এ সময়ও রাজধানীর কাঁচাবাজারে মাছ ও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির দাম চড়া। এ জন্য ব্যবসায়ীরা শীত আর বিশ্ব ইজতেমাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন। তবে ভোক্তাদের মাঝে চাপা ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।

২০ জানুয়ারি ছুটির দিন সকালে রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বাজারে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আনোয়ার হোসেন। কিন্তু মাছ আর শীতের সবজির দাম বাড়তি দেখে অবাক তিনি। কিছুটা ক্ষোভের সঙ্গে আনোয়ার বলেন, গত সপ্তাহের চেয়ে সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে সব ধরনের সবজির দামও বাড়তি। যেকোনো সবজিতে কেজি প্রতি আগের চেয়ে অতিরিক্ত ১০ থেকে ২০ টাকা গুনতে হচ্ছে।

ওই বাজারের মাছ বিক্রেতাদের ভাষ্য, মাছের খাবারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছের দামও বেড়ে গেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রামাঞ্চলে অতিরিক্ত শীতের কারণে মাছ সরবরাহ কম হচ্ছে। ফলে মাছের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে একটু বেশি।

শীতের দোহাই দিয়ে ব্যবসায়ীরা আরও বলছেন, গ্রামাঞ্চলে অতিরিক্ত শীতের কারণে ফসল তুলতে পারছেন না কৃষকরা। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। গত সপ্তাহে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের কারণে টঙ্গীতে প্রচুর পরিমাণে সবজির চাহিদা ছিল। তখন সবজির দাম বেড়ে আর কমেনি। আগামী ২২ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় ইজতেমার সময় পর্যন্ত সবজির দাম চড়া থাকতে পারে। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে শীত কিছুটা কমে এলে বাড়বে সবজির সরবরাহ। তখন কমতে পারে সবজির দাম।

শুধু শেওড়াপাড়া নয়, শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। সব ধরনের মাছের দাম তুলনামূলক বেড়েছে। তবে গরু, খাসি, মুরগি, ব্রয়লার আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।




আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




আসাদুর রহমান এখন মমতাজ আলী

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি :

লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিসে ৪র্থ শ্রেণীর এক অবসর প্রাপ্ত কর্মচারীর জাতীয় সনদ পত্রে দুই নাম পাওয়ার অভিযোগ উঠছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে দীর্ঘদিন থেকে তার জাতীয় সনদ পত্র অনুযায়ী তার নাম ছিল মোঃ আসাদুর রহমান কিন্তু পরবর্তীতে সংশোধনী   এনআইডি কার্ড পাওয়া গেছে মোঃ মমতাজ আলী।  


সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায় তার চাকরি মমতাজ আলী নামে করে আসছিল তার এনআইডি কার্ডে আগে কি ছিল তা বোধগম্য নয়।  

অপরদিকে মমতাজ আলীর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার মতামত পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সঠিক তদন্ত করা দরকার বলে মনে করেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিযোগকারি।


আরও খবর