Logo
শিরোনাম

দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় হাজীগঞ্জের মোহাম্মদ হোসেনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Monday ৩১ October ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কামরুজ্জামান টুটুল ঃ

 সোমবার সকালে দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে সে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্বক আহত হয়। হোসেন উপজেলার ৬ নং বড়কুল ইউনিয়নের দক্ষিন রায়চোঁ গ্রামের জমিরা বাড়ির মফিজুল ইসলামের ছেলে। হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো: মোরশেদ আলম।

হোসেনের স্ত্রী  তানিয়া আক্তার জানান, তার স্বামী গত ৫ মাস আগে দুবাইতে শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে যায়। গত ১ সপ্তাহ আগে সে বাইসাইকেল চালিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। তখন পুলিশ তাকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে ভর্তি করায়। ঘটনার প্রায় ১ সপ্তাহ পরে সোমবার সকালে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। 

বাবা মফিজুল ইসলাম বলেন, ছেলেকে হারিয়েছি এখন তার লাশটা চাই। এ জন্য সরকারের সহযোগীতা কামনা করছি।

মোহাম্মদ হোসেন ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে সবার ছোট।  তার  একটি শিশু সন্তান রয়েছে। 


আরও খবর



র‍্যাবের অভিযানে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধারসহ ৩ জন আটক

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

র‍্যাবের অভিযানে ১টি কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার সহ জড়ীত ৩ জন প্রতারক কে গ্রেফতার।

জয়পুরহাট জেলা সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৪০ কেজি ওজনের একটি বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার সহ আব্দুল আলীম (৩২), জহুরুল ইসলাম (৪৪) ও মেহেদী হাসান (৩২) নামের সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৩ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোঃ মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে রবিবার বেলা পৌনে ৩ টার দিকে জেলার কালাই থানার আকন্দপাড়া গ্রামের মফিজুল প্রামাণিকের ছেলে ও প্রতারক চক্রের মূলহোতা মোঃ আব্দুল আলীম, একই থানার কালাই পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত আলতাব মোল্লার ছেলে মোঃ জহুরুল ইসলাম ও ক্ষেতলাল থানার ভাসিলা থানার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মোঃ মেহেদী হাসানকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব আরো জানায় যে, গ্রেফতারকৃত মোঃ আব্দুল আলিম সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্রের মূলহোতা এবং অন্য দু' জন সেই চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজশে দেশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তির মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের নিকট হইতে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত। 

পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুসারে মামলা দায়ের পূর্বক সোমবার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



জেলেদের আয়ের সবটাই যাচ্ছে দশমিনার দাদন ব্যবসায়ীদের পকেটে

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

নাঈম হােসেন দশমিনা পটুয়াখালী :


পটুাখালীর দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গর তীরবর্তী গ্রামগুলোর জেলেরা হতদরিদ্র। জীবিকার প্রয়োজনে দাদন ব্যবসায়ীদের লাল খাতায় লিখিয়ে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয় তাঁদের। জেলেদের কষ্টের আয়ের প্রায় সবটাই চলে যায় দাদন ব্যবসায়ীদের পকেটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়া বগী খালগোড়া, বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট, আমবাড়িয়া, হাজিরহাট তেঁতুলিয়া নদীর তীরে অবস্থিত। গোলখালী, সৈয়দ জাফর, কাঁলারানী, আউলিয়াপুর, পাতারচর পাগলাবাজার, সেন্টার বাজার, পাগলা বাজার, বউ বাজার, শাহজালাল বুড়াগৌরাঙ্গ নদের তীরে অবস্থিত। দয়াময়ী খালের পাশে রণগোপালদী হাট, সুতাবাড়িয়া খালের পাশে আলীপুর হাট ও দশমিনা সদর বাজারে রয়েছে শতাধিক মাছের গদি। গদি মালিকরা সাধারণ জেলেদের দাদন দিয়ে থাকে।

মানতা জেলে হজু, বাদশা, হামেলা, স্থানীয় জেলে নজরুল, ইব্রাহিম ও আনোয়ার জানায়, জেলেরা যে পরিমাণ টাকা দাদন নেন, প্রতিদিন সেই টাকার ১৫ শতাংশ দাদন ব্যবসায়ীদের দিতে হয়। পাশাপাশি জেলেদের নিজ নিজ দাদন ব্যবসায়ীর গদিতে (আরতে) এনে মৌখিক নিলামে মাছ বিক্রি করতে হয়। আর নিলামে ওঠার আগেই জেলেদের মজুত মাছের এক-দশমাংশ গদিদার সরিয়ে রাখেন। সরিয়ে ফেলা মাছ পরে আবার নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। আর সবটাই লিখে রাখা হয় লাল খাতায়। একবার এক গদি থেকে দাদন নিয়ে কোন জেলে পরিশোধ করতে পানেনি নিজ আয়ে। এক গদির দেনা মিটাতে পাত পাততে হয় আরেক গদিতে। 

চরবোরহান গ্রামের বশার মাঝি বলেন, গদিতে প্রথমে মাছ, এরপর নগদ টাকা কেটে নেন। এভাবে মাছ বিক্রির অর্ধেক টাকা তাঁদের পকেটে চলে যায়। এ কারণে দিনরাত পরিশ্রম করেও আমাদের সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকে।

বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট বাজারের গদি মালিক মিরা খাঁ জানায়, গদি থেকে দাদন নিয়ে জালের সাভার করে নদীতে মাছ ধরেন। জেলেদের জালের সাভার করতে অনেক টাকার দরকার হয়। জেলেরা এত টাকা জোগার করে জালের সাভার করতে পারেনা বলে দাদন নিতে বাধ্য হয়। 

সেন্টার বাজার গদি মালিক মোঃ ফরহাদ খলিফা জানায়, জেলেরা আমাদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে মাছ ধরেন। আমরা কাউকে জোর করে দাদনের টাকা দিই না। জেলেরা গরিব। নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের কাছে এসে তাঁরা টাকা নেন। সারা দেশের মতো একই নিয়মে আমরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ ও টাকা আদায় করি।’

এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলম তালুকদার বলেন, ‘আমরা একাধিকবার চেষ্টা করেও জেলেদের দাদন ব্যবসা থেকে দূরে রাখতে পারিনি। সরকারিভাবে জেলেদের জন্য সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা করা হলে হয়তো দাদন ব্যবসা বন্ধ হবে।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

 শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার :

সুনামগঞ্জের  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে  ফতেপুর ইউনিয়নের ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুরে শীতার্ত ও মাদ্রাসা

 শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল

 বিতরণ করা হয়েছে। ১৭জানুয়ারি মঙ্গলবার এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা সম্পন্ন হয়। শীতার্তের সাহায্যে এগিয়ে আসায়, উপকারভোগী মৌলভী নুরুল হক সহ সবাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাদি উর রহিম জাদিদ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।প্রকাশ ১৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে  

ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর  এর আয়োজনে এশিয়ান নারী ও শিশু

অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী'র

সুনামগঞ্জ আগমন উপলক্ষে মাদ্রাসার মুহতামীম সাংবাদিক মাওলানা 

শফিউল আলম এর সভাপতিত্বে ও সমাজকর্মী এন এইচ লালনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলীসহ  জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ কে  সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এদিকে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে নবনির্বাচিত সভাপতি একে মিলন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ এবং সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান সজীব কে ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয। এসময় এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী বলেন ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর কে স্মার্ট মাদ্রাসা হিসেবে তৈরি করতে আমি সর্বান্তক চেষ্টা করব এবং শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া স্কুলের শিশুদের পাঠদানে সহায়তার জন্য এখানে দুই  টাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করব ইনশাল্লাহ। এ কাজে সহায়তার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সময় কম থাকায়  কয়েক জন কে শীতবস্ত্র দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন  বিশিষ্ট মুরব্বি মোহাম্মদ আলী, শাহ শাহিন আলম,আব্দুল আউয়াল প্রমূখ। 

 অতঃপর  ১৭ জানুয়ারি সকালে বস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।


আরও খবর



কলমাকান্দা বাকলা নদীতে ব্রীজ নিমার্ণের এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image
সোহেল খান দূর্জয় : নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের কান্দাপাড়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন উব্দাখালী (বাকলা) নদীর ওপর একটি ব্রীজ নির্মাণের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী জানিয়ে আসছে সরকারের কাছে এলাকাবাসী। 

এই বাকলা নদীতে ব্রীজটি নির্মিত হলে প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের জনজীবন যাপনে অনেকটা সুবিধা হবে, খেয়া দূর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে মানুষ। তাছাড়া হাট বাজার, স্কুল মসজিদ মাদ্রাসা এবং উত্তরে পাকা রাস্তার যানজট ও দূর্ঘটনা এড়িয়ে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে এলাকার ছাত্র-ছাত্রী ও মানুষেরা।

উপজেলার কয়ড়া মোড় থেকে কান্দাপাড়া  দাখিল মাদ্রাসা ও নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় প্রতিদিনই ৫ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা দিয়ে পায়ে হেটে এলাকার মানুষ ও ছাত্র ছাত্রীরা স্কুল মাদ্রাসা হাটে জন প্রতি ১০ টাকায় খেয়া পারাপারে যাতায়াত করে থাকে।
এমতাবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক দফায় সরকারের কাছে আবেদন নিবেদন করলেও কে শুনে কার কথা, ৭৫ ফুট লম্বা ৫০ হাত প্রস্থ এই খেয়া পারাপারেই  তাদের জীবন। 

ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আসন আলী ও নোমান মিয়া জানান, স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই এই কাঁচা রাস্তা দিয়ে এলাকার ছাত্রছাত্রী ও মানুষেরা পায়ে হেটে খেয়াঘাট পাড়ি দিয়ে কান্দাপাড়া দাখিল মাদ্রাসায় ও নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয় বাজারে যাতায়াত করে থাকে। বর্ষাকালে আমরা আমাদের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে আতংকে থাকি খেয়াঘাট ও হেমন্তে বাঁশের চাটায়ে পারাপার ভয়ে!

কান্দাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী মহুয়া হাসান জানান, আমরা প্রতিদিনেই এই রাস্তা দিয়ে মাদ্রাসায় আসা যাওয়া করি, যদি এখানে একটি ব্রীজ হতো তাহলে ভালো হতো, নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হানিফ জানান, বর্ষাকালে দূর্গাপুর সুমেশ্বরীর পাহাড়ী ঢলের মাঝেও এই নদী নৌকায় পাড় হয়ে স্কুলে যেতে হয়,এখানে একটা ব্রীজ হলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সুবিধা হতো। 

বর্তমান নাজিরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল আলী বলেন, কতবার শুনেছি চয়েলটেষ্ট হচ্ছে নিজেও কতবার বলেছি কিন্তু কেন যে হচ্ছে না বুঝিনা, এই নদীটির ওপর একটি ব্রীজ জনগুরুত্বপূর্ণ, এলাকাবাসীরও দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী এই বাকলা নদীর ওপর একটি ব্রীজ নির্মাণের জন্য।

আরও খবর



ইরানে আরও ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইরানে পুলিশের হেফাজতে মাশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর পর দেশটিতে হিজাববিরোধী বিক্ষোভের কারণে আরও তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । সোমবার ইরানের বিচার বিভাগ এই তথ্য জানায়।

খবর এনডিটিভির।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা উপেক্ষা করে ইরানের বিচার বিভাগ ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার’ অভিযোগে ওই তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিলো।

এর আগে গত শনিবার ইরান মোহাম্মদ মাহদি কারামি এবং সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেইনি নামের দুই বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দেয়।

বিক্ষোভের সময় ইরানের আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্যকে হত্যার অভিযোগে তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত ক‍রা হয়েছিল। এবার মৃত্যুদণ্ড পাওয়া তিনজন হলেন সালেহ মিরহাশেমি, মাজিদ কাজেমি এবং সাইদ ইয়াগৌবি।

ইসফাহান নগরীতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে স্বেচ্ছাসেবী বাসিজ মিলিশিয়ার সদস্যদেরকে হত্যার অভিযোগে ওই তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

ইরানের অভিজাত রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী সংশ্লিষ্ট বাসিজ মিলিশিয়া দেশে বিক্ষোভ দমনের অগ্রভাগে রয়েছে। বিক্ষোভকারীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে বিক্ষোভ দমনের জন্য সোমবার পোপ ফ্রান্সিস ইরানের নিন্দা করেছেন।

গত মাসে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ কমপক্ষে ২৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা চাইছে। দেশ কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া প্রতিবাদকারীদের ভয় দেখানোর জন্য প্রহসনমূলক বিচারের নীলনকশা করা হয়েছে বলে নিন্দা জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা।


আরও খবর