Logo
শিরোনাম

দুই সপ্তাহ পর হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে অস্ত্রোপচার শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগে দুই সপ্তাহ পর অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) শীতাতপ যন্ত্রের কারিগরি ত্রুটি সারিয়ে এবং জীবাণুমুক্ত করার কাজ শেষে এটি চালু করা হলো।

হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. একেএম মনজুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন। তিনি বলেন, সব কাজ শেষ করে মঙ্গলবার অস্ত্রোপচার কক্ষের তালা খুলে দেওয়া হয়। আইসিইউর এসি মেরামত করা ও জীবাণুমুক্ত করতে এটি বন্ধ রাখা হয়।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ঈদের আগে হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের আইসিইউ ইউনিটের এসি দিয়ে পানি পড়ায় অনেক রোগীর সংক্রমণ বাড়তে থাকে। গত ১৮ এপ্রিল এক রোগীর সংক্রমণ বাড়লে তাকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বন্ধ করে রাখা হয় ২৯ শয্যার আইসিইউ ইউনিটটি। সবশেষ এ ইউনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত মরিয়ম বেগমের অস্ত্রোপচার করা হয়।

তবে হাসপাতালের আইসিইউ প্রস্তুত হলেও এখনো হাসপাতালটির সিসিইউ কক্ষের এসি চালু হয়নি। দায়িত্বরত কর্মকর্তারা একাধিকবার হাসপাতালটির পরিচালকের কাছে এ ব্যাপারে চিঠি দিলেও কোনো লাভ হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং এসির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের (পিডব্লিউডি) মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে এ অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর অবস্থা দ্রুত অবনতি হতে থাকে। তাই ৮০ শতাংশ রোগীই লাগে সিসিইউ সুবিধা। রোগীর শরীরে যাতে ঘাম না আসে, এ জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়। এখন তীব্র গরমে অনেকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। 


আরও খবর



চোখের যত্নে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

চোখ আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল অঙ্গগুলির একটি। চোখের সঠিক যত্ন পরিচর্যা করা আমাদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনযাত্রা কাজের ধরন পরিবর্তিত হওয়ায় চোখের যত্নের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘ সময় কম্পিউটার, মোবাইল টেলিভিশনের সামনে কাটানোর ফলে চোখের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

অপ্টোমেট্রিস্ট হলেন প্রাথমিক চোখের চিকিৎসক, যারা চোখের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং ব্যবস্থাপনার কাজে নিযুক্ত থাকেন। তারা চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন মায়োপিয়া (দূরদৃষ্টি সমস্যা), হাইপারোপিয়া (কাছের দৃষ্টি সমস্যা), অ্যাসটিগমাটিজম এবং প্রেসবায়োপিয়ার মত সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।

অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রধান কাজ হল চোখের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করা এবং রোগ নির্ণয় করা। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তারা রোগীর চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে ধারণা পান। এছাড়াও, অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের গ্লুকোমা, ক্যাটারাক্ট এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো জটিল রোগগুলি সনাক্ত করতে সাহায্য করে।

একটি নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করার মাধ্যমে অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের সমস্যাগুলি প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এর ফলে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা যায় এবং দৃষ্টিশক্তি ক্ষতির ঝুঁকি কমে যায়। অপ্টোমেট্রিস্টরা রোগীদের সঠিক চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স নির্বাচনেও সাহায্য করে, যা দৈনন্দিন জীবনে স্পষ্ট দৃষ্টি নিশ্চিত করে।

বর্তমান সময়ে, ডিজিটাল স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে চোখের সমস্যার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যাগুলির সমাধানে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারা রোগীদের সঠিক পরামর্শ প্রদান করে, যেমন প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোন বস্তু দেখার পরামর্শ দেন (২০-২০-২০ নিয়ম), যা চোখের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

অপ্টোমেট্রিস্টরা শিশুদের চোখের যত্নেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শৈশব থেকেই নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করার মাধ্যমে শিশুরা সুস্থ দৃষ্টিশক্তি নিয়ে বড় হতে পারে। এছাড়া, তারা শিশুদের চোখের সমস্যা সম্পর্কে অভিভাবকদের সচেতন করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

সাধারণ মানুষের চোখের যত্নে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ নিশ্চিত করতে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অপরিহার্য। তাদের দক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। অতএব, নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা এবং অপ্টোমেট্রিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী চলা প্রত্যেকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান যুগে চোখের যত্ন সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে চোখের যত্নের ক্ষেত্রে অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের স্বাস্থ্য দর্শন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি নির্ধারণ চিকিৎসায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।

অপ্টোমেট্রিস্টদের কাজ দায়িত্ব

অপ্টোমেট্রিস্টরা মূলত চোখের পরীক্ষা সঠিক চশমা বা কনট্যাক্ট লেন্স নির্ধারণ করে থাকেন। তাঁরা চোখের সাধারণ জটিল সমস্যা শনাক্ত করতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাধারণ চোখের সমস্যা যেমন মায়োপিয়া (নিকট দৃষ্টি), হাইপারোপিয়া (দূর দৃষ্টি), অ্যাস্টিগমাটিজম এবং প্রেসবায়োপিয়া সনাক্ত করা তাদের চিকিৎসা করা তাঁদের কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া, অপ্টোমেট্রিস্টরা চোখের রোগ যেমন গ্লুকোমা, ক্যাটারাক্ট, এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো গুরুতর সমস্যাগুলিও শনাক্ত করতে সক্ষম।

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও, তাদের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও চোখের যত্ন সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখে না। প্রাথমিক পর্যায়ে চোখের সমস্যা চিহ্নিত চিকিৎসা করা না হলে তা ভবিষ্যতে জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে চোখের যত্নের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। এইসব অঞ্চলে অপ্টোমেট্রিস্টদের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষদের মাঝে চোখের যত্ন রোগ নির্ণয়ের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে তারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন। এছাড়া, বিভিন্ন স্কুল কলেজে নিয়মিত চোখের পরীক্ষা সচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করা অপ্টোমেট্রিস্টদের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টদের প্রয়োজনীয়তা:

বাংলাদেশে চোখের সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত প্রায় সব জায়গাতেই চোখের চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্কদের মধ্যে ক্যাটারাক্ট গ্লুকোমা রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এছাড়া, শিশুদের মধ্যে রঙের দৃষ্টি সমস্যা এবং অন্যান্য চোখের সমস্যা নির্ধারণ করতেও অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

চোখের যত্নে সচেতনতা বৃদ্ধি:

অপ্টোমেট্রিস্টদের এক অন্যতম ভূমিকা হল চোখের যত্ন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। তাঁরা নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করার গুরুত্ব, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, এবং চোখের ব্যায়ামের উপকারিতা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করে থাকেন। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় চোখের ক্লান্তি চোখের সমস্যাগুলি সঠিক তথ্য সচেতনতার অভাবে আরও জটিল হয়ে যায়।

প্রযুক্তির ব্যবহার:

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টরা অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি প্রযুক্তি ব্যবহার করে চোখ পরীক্ষা করে থাকেন। ডিজিটাল রেটিনাল ফটোগ্রাফি, অপটিক্যাল কোহেরেন্স টোমোগ্রাফি (OCT), এবং অটোমেটেড রিফ্রাকশন সিস্টেমের মাধ্যমে তাঁরা আরও নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম।

অপ্টোমেট্রিস্টদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ:

বাংলাদেশে অপ্টোমেট্রিস্টদের যথাযথ শিক্ষা প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পেশাদার অপ্টোমেট্রিস্টরা প্রশিক্ষিত হয়ে বেরিয়ে আসেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সেবা প্রদান করেন।

অপ্টোমেট্রিস্টদের অবদান কর্মক্ষেত্রের গুরুত্ব শুধু শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও চোখের সেবা পৌঁছে দিতে তাঁদের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশের চোখের যত্ন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অপ্টোমেট্রিস্টদের এই কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হওয়া উচিত।

অপ্টোমেট্রিস্টদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সেবা আমাদের চোখের সুস্থতা সুরক্ষায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন করছে, যা আমাদের সমাজের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে।

বাংলাদেশে চোখের যত্ন অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে অপ্টোমেট্রিস্টদের আরও অন্তর্ভুক্ত করা, তাদের প্রশিক্ষণ উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মশালা সেমিনারের আয়োজন করা হচ্ছে।

অপ্টোমেট্রিস্টদের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চোখের যত্ন সেবা পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে সাধারণ মানুষের চোখের সমস্যা নিরাময় এবং চোখের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

চোখের যত্ন অপ্টোমেট্রিস্টদের ভূমিকা বাংলাদেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সেবার মাধ্যমে চোখের সমস্যা নিরাময় এবং প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব। সঠিক পরিকল্পনা উদ্যোগের মাধ্যমে চোখের যত্নের সেবা আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব হবে এবং দেশের মানুষদের সুস্থ দৃষ্টিশক্তি নিশ্চিত করা যাবে।


লেখক : ডক্টর মহাম্মদ মিজানুর রহমান :

 অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর



রাজধানীতে বৃষ্টিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ৪

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি রিপোর্ট:



ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে রাজধানীতে দিনভর ঝড় ও বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পৃথক স্থানে চার জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। 


সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও বাড্ডা থানা এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।


নিহতরা হলেন- খিলগাঁও রিয়াজবাগ এলাকার রিকশার গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া রাকিব (২৫), খিলগাঁও সিপাহীবাগে রাস্তায় জমে থাকা পানির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া মরিয়ম বেগম (৪৫), যাত্রাবাড়ীতে টিনের প্রাচীর স্পর্শ করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া লিজা আক্তার (১৬) ও অপরজন বাড্ডার বাসিন্দা। তবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


সোমবার (২৭ মে) তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।


মৃত মরিয়মকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশি মো. নাহিদ নামে এক যুবক জানান, রাত ৯টার দিকে খিলগাঁও সিপাহীবাগ আইসক্রিম গলির মক্কা টাওয়ারের পাশে একটি রাস্তায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন মরিয়ম নামে ওই নারী। 


রাস্তাটিতে বৃষ্টির কারণে হাঁটু সমান পানি জমেছিল। তাদের ধারণা, সেখানে বিদ্যুতের কোন তার ছিড়ে পড়েছিল বা বৈদ্যুতিক খুঁটি বিদ্যুতায়িত হয়েছিল। আর সেখান থেকেই ওই নারী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।



তিনি জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ওই নারীকে পানিতে পড়ে থাকতে দেখে তিনি এবং স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত গোষণা করেন। একই স্থানে কিছুদিন পরপরই এমন দুর্ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।


মৃত মরিয়মের ছেলের বন্ধু তুহিন জানান, মরিয়মের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলায়। পরিবার নিয়ে থাকেন খিলগাঁও মেরাদিয়া কবরস্থান গলিতে। স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন তিনি।


 রাতে গার্মেন্টস থেকে বাসায় ফিরেন। এরপর ছেলে ইয়ামিনকে খুঁজতে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তিনি। এরপরই রাস্তায় এই দুর্ঘটনার শিকার হন।


এদিকে, রাকিবকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার সহকর্মী খোকন মিয়া জানান, রাকিবের বাড়ি ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায়। তারা খিলগাঁও রিয়াজবাগ ৬ নম্বর গলিতে একটি রিকশার গ্যারেজে থাকেন। 


ওই এলাকায় তারা রিকশা চালান। রাতে বৃষ্টির কারণে তাদের রিকশার গ্যারেজে পানি জমে ছিল। সেই পানির মধ্যে রিকশা রেখে ব্যাটারি চার্জ করছিলেন রাকিব। সেই চার্জার খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।


অপরদিকে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লিজার বোন মরিয়ম জানান, লিজা আক্তার যাত্রাবাড়ী থানাধীন দরবার শরীফ সামেদ ভূইয়ার বাসার ভাড়া থাকেন। তিনি বাসার পাশে টিনের প্রাচীর স্পর্শ করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। 


পরে তাকে রাত সাড়ে ১০টায় ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।লিজা নোয়াখালী জেলার চরজব্বার উপজেলার মো. সিরাজ খানের মেয়ে।


ঢামেক হাসপাতালের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সবার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




আওয়ামী লীগ গাছ লাগায়, বিএনপি-জামায়াত ধ্বংস করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক:



পরিবেশ রক্ষায় আওয়ামী লীগ সারাদেশে গাছ লাগায়, আর বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে হাজার হাজার বৃক্ষ ধ্বংস করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনি বলেন, এ দেশের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। জলবায়ু পরিবর্তনের যে বিরূপ প্রভাব, তা থেকে দেশকে আমরা মুক্ত করতে চাই। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। যে পদক্ষেপগুলো বঙ্গবন্ধু নিয়েছিলেন।



আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। 


ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে একটা সবুজ আচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরির পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করেন।



বঙ্গবন্ধু বৃক্ষরোপণের জন্য মানুষকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে যে ঝাউ বন, সেটি জাতির পিতার উদ্যোগে রোপণ করা হয়। তাছাড়া আমাদের দ্বীপ অঞ্চল, বিশেষ করে চরাঞ্চলগুলোতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা এবং সেখানে প্রত্যেক প্রজাতির পশুপাখি জোড়ায় জোড়ায় ছেড়ে দেয়া হয়। সেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শুরু করেছিলেন।


সরকারপ্রধান বলেন, ইট আমাদের উৎপাদন করতে হবে, তবে সেটা যাতে পরিবেশবান্ধব হয়। বিকল্প ব্যবস্থায়ও জোর দিচ্ছি। প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে এখনো। তবে সুখবর হলো, পাটের থেকে এমন কিছু পণ্য তৈরি করা যায়, যা মাটির সঙ্গে মিশেও যায়। এটার জন্য আমরা নানা ব্যবস্থা নিচ্ছি।



সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১১টি আইন, নীতি, বিধিমালা ও প্রবিধানমালা প্রণয়ন করি। আমাদের ১০টি বিশেষ উদ্যোগের একটি পরিবেশ রক্ষা করা। বৃক্ষরোপণ, বন সংরক্ষণ ও বনায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা ২৫ ভাগ বনায়ন করতে পেরেছি। 


এরই মধ্যে ছাদ বাগান করার উপরও জোর দিয়েছি। এতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নিজের খাদ্য যোগানও দেয়া যায়। এ সময় চলতি বছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।



আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি ডেস্ক:


দুর্নীতির বিষয়ে সরকার নির্বিকার নয়, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


 শুক্রবার (৩১ মে) আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।



ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি যে কেউ করে বসতে পারে। এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু সে বিষয়ে সরকার নির্বিকার কিনা এটাই দেখার বিষয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সব খবর আছে।



তিনি বলেন, বিএনপির আমলে হাওয়া ভবনের নির্দেশে চলতো সারাদেশের দুর্নীতি। তারা কি তাদের লুটপাটের আমলে কাউকে শাস্তি দিয়েছে?


নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের নামে কারফিউ গণতন্ত্র চালু করেছে। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি তারা এক প্রহসনমূলক নির্বাচন করেছে। আমরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নির্বাচন করেছি।


আরও খবর



ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে ‘প্রস্তুত’ ফ্রান্স

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ডের পর ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইউরোপের প্রভাবশালী দেশ ফ্রান্স। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত তার দেশ।

এর আগে গতকাল ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় আয়ারল্যান্ড। একই দিনে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয় স্পেন ও নরওয়েও। এই তিন দেশের স্বীকৃতি দেওয়ার পরই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সম্পূর্ণ রূপে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ।

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া কোনো নিষিদ্ধ বিষয় নয়। তবে তা উপযোগী একটি সময়ে দেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে চলমান যুদ্ধের মধ্যে নতুন এক বার্তা দিয়েছে কানাডা। দেশটিতে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের কাছে যেতে আগ্রাহী ফিলিস্তিনিদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিসার সংখ্যা বাড়িয়েছে ট্রুডো সরকার।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের সদস্য ১৪৭টি দেশ। এর মধ্যে চলতি বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে সবশেষ স্বীকৃতি দিয়েছে বাহামা, ত্রিনিনাদ অ্যান্ড টোবাগো, জামাইকা অ্যান্ড বারবাডোজ, স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি ও আল-জাজিরা


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24