Logo
শিরোনাম

ঈদযাত্রায় সড়কে চাপ আছে, যানজট নেই: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image




বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক :



ঈদযাত্রায় সড়ক যানজটে নেই জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এবার চাপ আছে, যানজট নেই। সড়কে চাপ হবে, তবে রাস্তার জন্য যানজট হয়নি।


শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।



ওবায়দুল কাদের বলেন, গত ঈদের ফিরতি যাত্রায় কিছু দুর্ঘটনা ঘটে, সেজন্য এবার আমরা আরও বেশি সতর্ক রয়েছি। কোরবানির ঈদে পশুবাহি গাড়ির কারণে সড়কে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়। 


ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও ভোগান্তিমুক্ত রাখতে পশুহাটের কারণে রাস্তায় যেনো যানজট তৈরি না হয় সেজন্য সবার সহযোগিতা দরকার।


আওয়ামী লীগে ভুল-ত্রুটি থাকলেও ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি দুর্নীতিবাজ কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখায়নি। 



আওয়ামী লীগের সময় ঝিনাদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককেও রিম্যান্ডে আনা হয়েছে।



বিএনপির টপ টু বটম দুর্নীতিবাজ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। তারেক রহমানকে এখন সাদা মানুষ সাজানোর চেষ্টা করছে বিএনপি। 


তারেককে সাদা মানুষ বানানোর জন্য গঠনতন্ত্র থেকে দুর্নীতিবাজ সংক্রান্ত ৭ ধারা বাতিল করেছে বিএনপি। বিএনপি দেশের গণতন্ত্রকে গিলে খেয়েছিলো। এখন অবস্থা দাঁড়িয়েছে- নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার নিশ্চয়তা যারা দিতে পারবে, সেই সরকারই বিএনপির কাছে বন্ধু।


আরও খবর



'নাটোরে বাচ্চুর ওপর আক্রমণ হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে’ : রিজভী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



নাটোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম বাচ্চুর ওপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আক্রমণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।



 তিনি বলেন, আমি মনেক করি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই বাচ্চুর ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। কারণ, বিএনপি নেতাদের রক্ত দেখলে প্রধানমন্ত্রী খুব আনন্দিত হন, তিনি খুব খুশি হন।




বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) গুরুতর আহত বাচ্চুকে দেখতে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান রিজভীসহ দলটির নেতা-কর্মীরা। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।



রিজভী বলেন, শহীদুল ইসলাম বাচ্চু বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। গোটা উত্তরাঞ্চলে তাকে এক নামেই সবাই চেনেন। জেলার একজন প্রধান নেতা, তার গায়ে এমন আদিম বন্য হিংস্রতায় আক্রমণ করা হয়েছে। তার হাত-পা, মুখ ক্ষতবিক্ষত করে, তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতা এবং সেখানকার এমপি শিমুল সাহেব (শফিকুল ইসলাম শিমুল)।


তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বর্বর হামলা করা হয়েছে। এই হামলা শুধু কাপুরুষোচিতই নয়, এটি আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের আরও একটি রক্তাক্ত উদাহরণ।


প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে গতকাল বুধবার সকালে নাটোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সমাবেশ ছিল। সমাবেশে যোগ দিতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু কার্যালয় যাচ্ছিলেন। 



এ সময় শহরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে কয়েকজন লোক তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার পা-হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।


পরে বাচ্চুকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন চিকিৎসক। এরপর তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।


আরও খবর



নওগাঁয় পাওনা ৩৫ কোটি টাকা পাওয়ার আশায় কৃষক-ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর মহাদেবপুরে ওসমান এ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওসমান গণির বিরুদ্ধে ধান ব্যবসায়ী ও কৃষকদের প্রায় ৩৫কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অর্থ আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে রয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে পাওনাদাররা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ‘ভুক্তভোগী সকল পাওনাদারের’ ব্যানারে মানববন্ধন করছেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একটি কোম্পানিকে ভাড়া দিয়ে পরিবারসহ ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি। এদিকে অভিযোগকারী ব্যবসায়ীরা টাকা না পেয়ে হন্যে হয়ে ঘুরছেন। পরে ভুক্তভোগীরা ওসমান গণির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারক লিপি দেন।

মানববন্ধনে আড়তদার আবু আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে আড়তদার সামিউল আলম, ইমতিয়াজ হোসেন সরদার, মাসুদ মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ও অভিযোগকারী কৃষকরা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনে প্রায় তিন শতাধিক ব্যবসায়ী ও কৃষকরা অংশগ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগি ব্যবসায়ী ও কৃষক সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার নওগাঁ টু মহাদেবপুর সড়কের আখেড়া এলাকায় ওসমান গণি গত প্রায় ৪০বছর আগে চাউলকল গড়ে তুলে ব্যবসা শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে চাউলকলটি অটোমেটিকে রূপান্তর করে ওসমান অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেড নাম দেন। যেখানে কয়েক একর জায়গার ওপর পাঁচটি ইউনিট গড়ে তোলেন। ধানের আড়ৎদারদের কাছ থেকে নগদ ও বাকিতে ধান কিনে চাউলকল পরিচালনা করা হতো। এতে ব্যবসার সুবাদে আড়তদারদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে। এভাবে জেলা ও জেলার বাহিরের প্রায় ২৬০ জন ধান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নগদ ও বাকিতে ধান কিনতেন তিনি। একপর্যায়ে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ধান ব্যবসায়ীদের কাছে বকেয়া রাখেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গত তিন থেকে চার মাস ধরে ধান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ওসমানের দূরত্ব বাড়তে থাকে এবং টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। তিনি পরিবারসহ ঢাকায় অবস্থান করতে থাকেন। গোপনে তার প্রতিষ্ঠানটি একটি কোম্পানির কাছে ভাড়া দিয়ে দেন।

আব্দুল ওহাব মোল্লা ও জিন্নাত হোসেন নামের দুই ভুক্তভোগি বলেন, ওসমান গনী আমাদের সাথে প্রতারণা করেছেন। তার কাছে আমরা ৩০০জন ব্যবসায়ী ও কৃষকরা প্রায় ৩ কোটি টাকা পাই। কিন্তু আমাদের কোন টাকা ফেরত দিচ্ছেনা। তার কঠিণ শাস্তির দাবি করছি। মহাদেবপুর

উপজেলার মাতাজি হাট এলাকার মোল্লা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকার সামিউল আলম বলেন, গত কয়েক বছর থেকে ওসমান গণিকে ধান দিয়ে আসছি। নগদ ও বাকিতে ধান দিতাম। এভাবে প্রায় এক কোটি ৩৯ লাখ টাকা পাওনা রয়েছি। পাওনা টাকা চাওয়া হলে বিভিন্ন বাহানা শুরু করেছে। আমার মতো ২৬০ জন ব্যবসায়ীর প্রায় ৩৫ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। আমরা এখন পথে পথে ঘুরছি।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ওসমান অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওসমান গণি বলেন, ‘প্রায় ৩৮ বছর থেকে ব্যবসা করছি। ব্যবসার সুবাদে অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছেও আমার দেনা রয়েছে। আমার কাছে নগদ টাকা নাই। পাওনাদারদের বলেছি যে সম্পদ আছে, তা বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করা হবে। নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার জন্য আদালতে একটি আবেদন করেছি, তবে আমি আমার প্রতিষ্ঠানটি ভাড়া দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলতে চাইনা।

জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মওলা বলেন, ভুক্তভোগি ব্যবসায়ী কৃষকরা একটি স্বারকলিপি দিয়েছেন। আমরা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিব।


আরও খবর



দেশবিরোধী চুক্তি আড়াল করতেই ছাগলকাণ্ড, বেনজিরকাণ্ড: রিজভী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


দেশবিরোধী চুক্তি আড়াল করতেই ছাগলকাণ্ড, বেনজিরকাণ্ড, আজিজকাণ্ড, হেলিকপ্টারে আসামি গ্রেপ্তারকাণ্ড সামনে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 


তিনি বলেন, জনগণ চূড়ান্ত বাধা টপকিয়ে বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্য বানাতে দেবে না।


শুক্রবার (২৮ জুন) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একজন ডিক্টেটরের হুকুমে দেশ চলছে বলেই জনগণ আজ ত্যাজ্য, প্রত্যাখ্যাত ও নিজ দেশে পরবাসী হতে চলেছে।



 গোটা জাতি এখন ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে। শ্বাসবায়ূ প্রাণ ভরে কেউ গ্রহণ করতে পারছে না। তবে জনগণ চূড়ান্ত বাধা টপকিয়ে বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্য বানাতে দেবে না।


রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, যারা ভারতবিরোধীতার ইস্যু খুঁজছেন তারা আবারও ভুল পথে যাচ্ছে। ওবায়দুল কাদেরের কথায় ধরে নিতে হবে আমাদের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে কেউ বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে স্থাপনা করে যাবে, তারপরেও এর বিরোধীতা করলে সেটি ভুল পথ হবে।



 এ ধরনের কথা কেবলমাত্র নতজানু, জনগণের ক্ষমতা ছিনতাইকারী দেশদ্রোহীদের মুখেই সাজে। জনগণের সম্মতি ব্যতিরেকে চিকেননেককে বাইপাস করে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারত রেলপথ নির্মাণ করবে আর সেটি চুপ করে দেখা হবে, তা ৭১-এর শহীদদের রক্তকে অসম্মান করার শামিল।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভেতর দিয়ে রেলপথ বসানোর চুক্তি করে শেখ হাসিনা স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের নির্যাতনের সাথে বেইমানি করছেন। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্তে ভেজা, ভারত থেকে বয়ে আসা বাংলাদেশের নদীগুলো উষর মরুভূমিতে পরিণত হওয়া, চরম বাণিজ্য ঘাটতির পটভূমিতে বাংলাদেশের বুকচিরে রেললাইন বসিয়ে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পণ্য পরিবহনের সুযোগে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যে শনিরদশা ডেকে আনা হবে।


বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা এবং নিজস্ব শক্তির উপর নির্ভরশীল থাকতে পারবে না। এমনিতেই আমাদের দেশের জনগণের এনআইডির সকল তথ্য ভারতকে জানানো হয়েছে।



 ভারত সবসময় বিগব্রাদার সূলভ গরিমা থেকে বাংলাদেশকে বিবেচনা করে। ৭ জানুয়ারি একতরফা ডামি নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে বৈধতা দিয়েছে ভারত, তাই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে ভারতকে সব উজাড় করে দিতে কুণ্ঠিত হচ্ছেন না।


রিজভী বলেন, দেশে দুর্নীতির মহামারী, লুণ্ঠন আর কুৎসিত অনাচারের নানা রং-বেরঙের কাহিনী এখন মানুষের মুখে-মুখে। আর এই সমস্ত অপকর্মে জড়িতরা প্রায় সবাই ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ। এইসব ঘটনা ফাঁস হওয়াতে সরকারের মন্ত্রী ও এমপিরা বেসামাল হয়ে পড়েছে। ভারসাম্যহীন কথাবার্তা বলছেন। 



একদিকে বলছেন দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার ষড়যন্ত্রের অংশ, আবার অন্যদিকে বলছেন অভিযোগ সত্য। এ কথার কী অর্থ হতে পারে তা আমার জানা নেই। অভিযোগ সত্য হলে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার ষড়যন্ত্রের অংশ হবে কেন? এরা বিভ্রান্তিতে ভুগছেন, কারণ আওয়ামী সরকারের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারাই ছিল ডামি সরকারকে টিকিয়ে রাখার বিশ্বস্ত সৈনিক।


তিনি আরও বলেন, একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে এ সমস্ত কর্মকর্তাই ভোটারদেরকে নতজানু রাখতে রক্ত খেলায় মেতেছিলো। এরা জনগণকে নতজানু রাখতে যথেচ্ছাচার রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করেছে। এরাই ডেলিবারেট কিলিং করেছে, নিয়ন্ত্রণহীন হত্যাকাণ্ডের জন্য নিজ বাহিনীর সদস্যদেরকে কেন সক্রিয় হচ্ছে না, সেই জন্য ভর্ৎসনা করেছে।



 গণতন্ত্রকামী মানুষের বিরুদ্ধে উগ্রতা এবং বন্দুকের ভয় দেখিয়ে নীরব রাখার চেষ্টা করেছে। সেজন্যই মন্ত্রী-এমপিরা তালগোল পাকিয়ে স্ববিরোধী বক্তব্য রাখছেন।


আরও খবর



গাজায় রেড ক্রিসেন্টের অফিসে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২২

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:


অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামলার তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে ইসরায়েল। এরই অংশ হিসেবে গাজা উপত্যকায় গতকাল শুক্রবার (২১ জুন) রেড ক্রিসেন্টের অফিস ধ্বংস করে দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। 


আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, ওই হামলায় ২২ জন প্রাণ হারিয়েছে। খবর এএফপির।



এদিকে, লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান সমর্থিত শক্তিশালী সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর মধ্যে গোলা বিনিময় সাম্প্রতিক সপ্তাহে আরও বেড়েছে। আর এতে আরও বড় আকারে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।



অন্যদিকে, দুদেশের সীমান্তে সংঘাতপূর্ণ অবস্থার যে বিস্তৃতি ঘটছে, তা মহাদুর্বিপাকের সব চিন্তাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, লেবাননকে অবশ্যই আরেকটি গাজায় পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।


গাজা উপত্যকার একটি হাসপাতালে ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস হামলায় ৩০ জনের মৃত্যুর পরপরই গুতেরেস এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।



আইসিআরসি জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে তাদের অফিসে ইসরায়েলি বাহিনীর ভারী গোলাবর্ষণে ২২ জনের মৃতদেহ এবং আহত আরও ৪৫ জনকে সংস্থাটির ফিল্ড অফিসে নেওয়া হয়েছে। আইসিআরসির গাজা অফিসের আশপাশে বেশকিছু বাস্তুহারা ফিলিস্তিনি তাঁবু খাটিয়ে বসবাস করে আসছিল।



এ প্রসঙ্গে আইসিআরসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানায়, মানবিক অবকাঠামোর এত কাছে গোলাবর্ষণে বেসামরিক লোকসহ সাহয্যপ্রদানকারী কর্মীদের জীবন প্রচণ্ড ঝুঁকির মুখে পড়েছে।


ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাফার অদূরে আইসিআরসির অফিসের কাছে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে ২৫ জন নিহত হয়েছে আর আহত হয়েছে আরও ৫০ জন।


হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিভাগ কোনো স্বীকারোক্তি না দিয়ে বলেছে, বিষয়টি তাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।



আরও খবর



বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পৌনে ৮ লাখ শিশু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সৃষ্ট বন্যায় ইতোমধ্যে ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭ লাখ ৭২ হাজারের বেশি শিশু।শুক্রবার (২১ জুন) এসব তথ্য জানায় জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জরুরি শিশু তহবিল-ইউনিসেফ।

বাংলাদেশে সংস্থাটির প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেছেন, বন্যাদুর্গত এসব শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজন। বন্যার পানি বাড়ার সময় শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। ডুবে মারা যাওয়া, অপুষ্টি ও মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া, বাস্তুচ্যুতির আতঙ্ক এবং জনাকীর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রে নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে শিশুরা।

ইউনিসেফ বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে শেলডন ইয়েট বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও মাঠপর্যায়ের অংশীদের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারিত্বে আমরা গত পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় এক লাখ বন্যাকবলিত মানুষের কাছে নিরাপদ পানি বিতরণ করেছি। ১০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ হাজারের বেশি পানির পাত্র বিতরণ করেছি। পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গেলে তা মোকাবিলায় আমরা বিভিন্ন গুদাম থেকে জরুরিভিত্তিতে অতিরিক্ত জরুরি সরঞ্জাম আনছি।

ভারি বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদনদীর পানি বেড়ে সৃষ্ট বন্যায় নাজেহাল সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোণার মানুষ। তবে নতুন করে বৃষ্টি না হওয়ায় কমতে শুরু করেছে এসব নদ-নদীর পানি। সিলেটের ১৩টি উপজেলায় ৬৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬১ আশ্রয়কেন্দ্রে ২১ হাজার ৭৮৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

ইউনিসেফের বিবৃতিতে বলা হয়, সিলেট বিভাগে ৮১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে ডুবেছে। ৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ১৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কঠিন এই সময়ে সম্ভাব্য সহিংসতা নিরসনে এবং আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিশুদের সহযোগিতা করতে শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীরা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪