Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলনে হুমকির মূখে রক্ষা বাঁধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাবনা জেলা প্রতিনিধি :

ঈশ্বরদীর সাঁড়া ইউনিয়নের ইসলামপাড়া এলাকায় রক্ষা বাঁধের সন্নিকটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে মেতেছে বালু খেকোরা। এতে হুমকির মূখে পড়েছে ২০১৭ সালে দুই শতাধিক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রক্ষা বাঁধ। প্রভাবশালী কথিত যুবলীগ নেতার নের্তৃত্বে বালু উত্তোলন করা হলেও ভয়ে এলাকার লোকজন কেউই কিছু বলতে সাহস পায়না। ইতোপূর্বে সাঁড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ঘাট হতে ইসলামপাড়া এলাকা পর্যন্ত বাঁধের সন্নিকটে বালু উত্তোলন করায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়। এতে ওই এলাকার কিছু কিছু স্থানে শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। ভাঙন শুরু হওয়ায় পদ্মা পাড়ের বাসিন্দারা আতংকিত। সাঁড়ার ব্লকপাড়া, থানা পাড়া ও ইসলামপাড়া এলাকার কিছু অংশ ব্যাপকভাবে ভেঙে ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে এরইমধ্যে বালুর বস্তা ডাম্পিং করার কাজ চলছে। অপরিকল্পিতভাবে প্রতিদিন শত শত ট্রাক বালু উত্তোলনের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ।  বালু উত্তোলন প্রতিরোধে নৌ পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।

বিগত ৫ জুন ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসন এবং কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসন বালু কাটা বন্ধে পদ্মায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বালু কাটা ও পরিবহনের কাজে জড়িত শ্রমিকরা গ্রেফতার হলেও মূলহোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে।

পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা দখল করে গড়ে ওঠেছে অবৈধ বালু মহাল। বালু ব্যবসার নিয়ন্ত্রকরা বালুমহাল বলছেন না, বলছেন বালুর খোলা। অন্যান্য স্থান হতে বালু এনে এখানে স্তুপিকৃত করে ব্যবসা করছেন বলে তাদের দাবি। লক্ষীকুন্ডা নৌ-পুলিশ এসব দেখেও দ্যাখেন না। নির্বিঘ্নে বালুর ব্যবসার কাজে অনেকেরই সহযোগীতা রয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলমান হরতাল-অবরোধের পাশাপাশি দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগ গ্রহন করে বালু উত্তোলনে মেতেছে চক্রটি। বিগত প্রায় ১৫ দিন ধরে নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হচ্ছে। প্রথমদিকে দিনের বেলায় বালু উত্তোলন করা হলেও গত কয়েকদিন ধরে রাতের আঁধারে ‘চুপেচাপে’ নদী থেকে বালু তোলা হচ্ছে। সাঁড়ার ওই এলাকায় পাহাড় সমান বালুর স্তুপ সাজিয়ে ভ্যাট-ট্যাক্স ছাড়াই শুধু ম্যানেজ করেই বছরের বছর জমিয়ে চলছে রমরমা বালুর ব্যবসা। খরচ বলতে নৌকা ভাড়া, চাঁদা আর লেবার খরচ। 

সরেজমিনে ইসলামপাড়া এলাকার কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা কেউই বালু চক্রের হোতার নাম বলতে রাজী হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসীরা জানান, বালুর উত্তোলনের সাথে যারা জড়িত, তারা খুবই প্রভাবশালী। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দিবাগত গভীর রাতেও নদীতে বালু কাটা হয়েছে। নদী থেকে মাত্র ১০-২০ মিটার দূরে বসতবাড়ি। ভাঙনে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বসতবাড়ি বিলীনের আশংকায় তারা আতঙ্কগ্রস্থ। এরইমধ্যে ভাঙনে প্রায় ৫০ একর জমি নিশ্চিহ্ণ হয়েছে। অভিযান হয় কিন্তু তবে মুল হোতারা সবসময় ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থাকে বলে অভিযোগ করেছেন।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, ভাঙন ঠেকাতে নিয়মানুযায়ী বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হচ্ছে। নদীর অপর প্রান্তের কিছুটা আগে জেগে উঠা চর এবং অবৈধভাবে বালু উত্তেলন করায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এখন নদীর স্রোত সরাসরি প্রবাহিত না হয়ে এই এলাকায় এসে আছড়ে পড়ায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে হলে বালু উত্তোলন বন্ধের পাশাপাশি গতিপথ পরিবর্তনের জন্য দ্রুত ওই চর এলাকায় ড্রেজিং করে স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন করতে হবে। তবে পাবনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে বার বার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

রেলওয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ডিইএন-২) বীরবল মন্ডল বলেন, পদ্মা নদীর পানি প্রবাহ মূলত আপস্ট্রিমের পানি প্রবাহ। এভাবে যদি বালু কাটা হয় তাহলে হঠাৎ বণ্যা হলে  রা বাধটাকে ধ্বংস হবে। 

লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এমদাদুল হক বালু উত্তোলনকারীদের সাথে তাদের কোন সখ্যতা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, বালু কাটার বিষয়টি এখনও আমাদের নলেজে নাই। 

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ অরবিন্দ সরকার বলেন, নদীতে অভিযান পরিচালনার জন্য লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশের ফাঁড়ি রয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবীর কুমার দাশ বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আরও খবর



আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় বাড়ছে চালের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চলতি বছরের শুরু থেকেই অস্থিরতা লেগে আছে দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের বাজারে। মন্ত্রী-সচিবদের হুমকি-ধমকি এবং মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানসহ সরকারের নানা পদক্ষেপেও স্বস্তি ফিরছে না। অভিযানের পর পাইকারি চালের বাজারে তাৎক্ষণিক নামমাত্র দাম কমলেও এর প্রভাব নেই খুচরা বাজারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু ভয় দেখালে হবে না, আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চাল (স্বর্ণা ও চায়না ইরি) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৫৩ টাকায়। মাঝারি মানের চাল (পাইজাম ও বিআর ২৮) ৫২-৫৭ টাকা এবং সরু চাল (মিনিকেট ও নাজিরশাইল) ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু হাস্কিং মিলের মোটা চাল ৪২-৪৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। অথচ চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকেও এসব চালের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। চালের অবৈধ মজুত প্রতিরোধে নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সারাদেশে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। মাগুরা জেলায় ৩৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জয়পুরহাটে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত মজুত রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া দিনাজপুরে ৬২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নেত্রকোণায় ২২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা ও ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি মাঠে কাজ করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। দাম নিয়ন্ত্রণে নিজেই সরাসরি বাজারে যাচ্ছেন অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। সম্প্রতি অভিযান পরিচালনার সময় তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত অবস্থায় ফেলতেই অযৌক্তিকভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। ডিসেম্বরের পর হঠাৎ চালের দাম বেড়ে গেছে। এটি উত্তরাঞ্চলের মিলগুলো থেকে করা হয়েছে। মিল মালিকরা বলতে চাচ্ছেন ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা এটা করেছে। তবে ধানের দাম বাড়লেও সেই ধানের চাল বাজারে আসার কথা বৈশাখ মাসে। একটি অসাধু চক্র এর আগেই দাম বাড়িয়েছে। আর যারা এটা করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশালের ফরিয়াপট্টি, চকবাজার এলাকার পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি বলেন, এসএমএসের (ক্ষুদে বার্তা) মাধ্যমে ডিম, ব্রয়লার মুরগির মতো চালের বাজারও অস্থির করে দেওয়া হচ্ছে। মাঝে মাঝে সুযোগ নিয়ে ১৭ কোটি ভোক্তাকে প্রতারিত করছে ক্ষুদ্র কয়েকটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। এর আগে আলু, ব্রয়লার মুরগি, ডিম নিয়ে যা করছে আজ চাল, কাল পেঁয়াজ নিয়েও তা করা হচ্ছে। আর এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে আমাদের।

এদিকে না শোধরালে মজুতদারদের জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রোববার নওগাঁয় এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, দেশে খাদ্য শস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সাধারণ মানুষের জন্য সরকারিভাবে ওএমএস চালু আছে। ডিজিটাল কার্ড প্রস্তুত হয়েছে। শিগগিরই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ওএমএস বিতরণ করা হবে। এতে এক ব্যক্তি বারবার চাল নিতে পারবেন না। চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে ব্যবসায়ীদের অধিক লাভের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে। চালের দাম বৃদ্ধির পেছনে মিলার, পাইকারি, খুচরা ব্যবসায়ী ও করপোরেট সবার দায় রয়েছে। ফুডগ্রেইন লাইসেন্স স্পটে গিয়ে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। অনেকেই আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটা লাইসেন্স নিয়ে কোটি কোটি টাকার পণ্য মজুত করে ফেলেন। এটা তো হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন ২০২৩ পাস হয়েছে। বিধি প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি সংসদে অনুমোদন পেলে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। শুধু জরিমানা করেই ছাড় নয়, অবৈধ মজুতদারেরা না শোধরালে তাদের জেলে যেতে হবে।

চালের মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে বাজারে সরবরাহের কোনো সংকট নেই জানিয়ে খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে আসতে বাধ্য। না আসার কোনো কারণ নেই। সারাদেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই। আমন মৌসুম শেষ হলো। সুতরাং ভরা মৌসুমে চালের সংকট নেই। খাদ্যের সংকট হবে এমনটিও ভাবার কোনো কারণ নেই। যদি পরিস্থিতি এমন হয় মজুতদারেরা মূল্য কমাতে চাচ্ছে না, তাহলে জিরো ট্যাক্স করে আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানির অনুমতি নিয়ে নেব। তাহলে মজুতদারেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অপরদিকে, বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাকির হোসেন রনি  বলেন, দীর্ঘদিন আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদের লাগাম টানতে হবে।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস চেয়ারম্যান এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এখনও চালের বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। এখন খাদ্য মন্ত্রণালয় যে অভিযান চালাচ্ছে তার কোনো ইম্পেক্ট খুচরা বাজারে নাই। তারা যে পরিসরে অভিযান পরিচালনা করছে তা খুবই নগণ্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকার দুইটা বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। একটা হচ্ছে এই অভিযানটা খাদ্য মন্ত্রণালয় একা না করে জেলা প্রশাসক, ভোক্তা অধিদফতরসহ যেসব সংস্থা আছে তাদেরকে নিয়ে সমন্বিতভাবে যদি এটা করতো তাহলে এটার ফলোআপ থাকত। এখন মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে যাচ্ছে পরবর্তীতে সেখানে আর কোনো ফলোআপ নাই। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, ব্যবসায়ীদেরকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং আইনে যে বিষয়গুলো বলা আছে তার কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রয়োগ হয় নাই। যার কারণে তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে। এখন যে হাঁকডাক দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা তো জানে এই হাঁকডাক দুই-চার দিন থাকবে, তারপর আবার স্বাভাবিক। এজন্য আর হাঁকডাক না দিয়ে যদি অ্যাকশনে যাওয়া যায় তবে এর সুফল পাওয়া যাবে।


আরও খবর



জিআই হিসেবে অনুমোদন পেল আরো ৪ পণ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

আরো ৪টি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। এই পণ্য ৪টি হলো রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজরের আগর, মৌলভীবাজারের আগর-আতর এবং মুক্তাগাছার মন্ডা। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি।

২০০৩ সালে বাংলাদেশে এ কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে একে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) নামে অভিহিত করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের ফলে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ পাস হয়। এর দুই বছর পর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বিধিমালা, ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়।

২০১৬ সালে জামদানি শাড়ী-কে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরো ২০টি পণ্য। সেগুলো হলো-বাংলাদেশ ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারীভোগ, বাংলাদেশ কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাই নবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

সম্প্রতি অনুমোদিত ৩টি পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ী, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার অনুমোদনের কপি ও জার্নাল গতকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। এতে জিআই পণ্যের সংখ্যা হয় ২৪টি। আজকে ৪টি জিআই পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হওয়ায় মোট অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি।

এছাড়া আরো ২টি পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেগুলো হলো জামালপুরের নকশি কাঁথা এবং যশোরের খেজুর গুঁড়। আগামী সপ্তাহে এই দুটো পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর



বেচি দই কিনি বই, অতঃপর একুশে পদক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার সাদা মনের মানুষ জিয়াউল হক পাচ্ছেন একুশে পদক। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ফুল নিয়ে জড়ো হচ্ছেন তার বাড়িতে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শুভেচ্ছা-ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছে তিনি। পেশায় দই বিক্রেতা জিয়াউল হক, দই বিক্রির টাকা পরিবারের খরচ মেটানোর পর যা অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে তিনি বই কেনেন। সেই বই তুলে দেন অসহায়-দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে। এভাবেই তিনি হয়ে উঠলেন সাদা মনের মানুষ, পরোপকারী ও একজন সমাজসেবক। এসব কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পাচ্ছে একুশে পদক। গত মঙ্গলবার সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তালিকায় ১৫ নম্বরে রয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জিয়াউল হক। তিনি সমাজসেবায় অবদান রাখায় একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

জিয়াউল হক (৯১) ১৯৩৮ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার চামামুশরীভূজা গ্রামের এক অতিদরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একুশে পদক পাওয়ার জন্য মনোনীত হওয়ায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সৎ মানুষ ও ভালো দই বিক্রেতা হিসেবে তার নাম জেলা থেকে ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। তিনি প্রথমত অভাবগ্রস্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করেন। বছর শেষে সেই বই ফেরত নিয়ে আসতেন। পরে তিনি স্থানীয় হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় পাঠ্যবই, পবিত্র কোরআন মাজিদ ও এতিমদের পোশাক দেয়া শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগে অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই দিয়ে আসছেন। জেলা ছাড়া রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন কলেজের ছাত্রছাত্রীদেরও বই দেন তিনি। যেসব ছাত্রছাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বই নিতে আসেন তাদের যাতায়াত খরচও দিয়ে থাকেন জিয়াউল হক। ঈদে গরিব দুঃখীর মধ্যে কাপড় বিতরণ এবং প্রচ- শীতে দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

জিয়াউল হক বলেন, তার বাবা ছিলেন গ্রামের গোয়াল। ষষ্ট শ্রেণিতে পড়ার সময় টাকার অভাবে বই কিনে দিতে পারেননি। এ কারণে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সৌভাগ্য হয়নি। একপর্যায়ে বাবার সঙ্গে শুরু করেন দই বিক্রি।

তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে মাথায় করে দই বিক্রি করি। বেচি দই কিনি বই স্লোগানে ১৯৬৯ সালে ভোলাহাট উপজেলার মুশরিভূজা গ্রামে নিজের নামে জিয়াউল হক সাধারণ পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করি। তিনি বলেন, এরপর থেকেই শুরু হয় আমার সমাজসেবা। এলাকার স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে বই প্রদান, গ্রামের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, গরীব-দুঃখীদের বাড়ি নির্মাণ, নলকূপ স্থাপন, দুস্থদের খাদ্য সহায়তা, গরীব শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে বেতন পরিশোধসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাজে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। আমার মাধ্যমে শত শত মানুষ উপকৃত হচ্ছে।

একুশে পদকের জন্য মনোনীত হওয়ার বিষয়ে জিয়াউল হক বলেন, আমি কোনোদিন ভাবতে পারিনি, একুশে পদক পাবো। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। জিয়াউলের ছেলে মহব্বত আলী বলেন, বাবা একুশে পদকের জন্য মনোনীত করায় আমি খুব খুশি। আমি আমার বাবার অবর্তমানে এই পাঠাগারের হাল ধরব এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

দলদলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজ্জামেল হক চুটু বলেন, জিয়াউলকে একুশে পদকের জন্য মনোনীত করায় আমরা গর্বিত।

উল্লেখ্য, রহনপুর স্কাউট দল, ভোলাহাট প্রেস ক্লাব, খুলনা পিপি কলেজ, জেলা প্রশাসন (১৯৯৩ সালে), চ্যানেল আই (২০০৫), নবাবগঞ্জ নয়াগোলা পাঠাগার, ২০০১ সালে ইটিভি ও ২০০৮ সালে ফ্রিডম ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সর্বশেষ ইউনিলিভার বাংলাদেশ ২০০৬ সালে তাকে সাদা মনের মানুষ পদকে ভূষিত করে।


আরও খবর



পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন একঝাঁক তরুন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সিনিয়র রিপোর্টার :

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশের স্বপ্নকে পাথেয় করে ''শুরুটা এখানেই শেষ করার দায়িত্ব আপনার'' এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে পথচলা শুরু করেছে 'বিডি ক্লিন' রাণীনগর। পরিচ্ছন্নতা শুরু হোক আমার থেকে এমন উদ্যোগকে বুকে ধারণ করে সাবেক ছাত্র নেতা ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ উপজেলার একঝাঁক তরুনকে সঙ্গে নিয়ে গঠন করেছেন বিডি ক্লিন রাণীনগর নামের একটি দল। 

যে দলের মাধ্যমে গত ২ফেব্রুয়ারী থেকে রাণীনগর উপজেলার প্রধান প্রধান স্থান গুলো পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার উপজেলার বটতলী মোড়ে ময়লা-আবর্জনায় ভরে যাওয়া পানি চলাচলের একমাত্র সরকারি খালটি পরিস্কার করা হয়। পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করার আগে দলের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। এরপর তরুনরা শুরু করে খাল পরিস্কারের কাজ। সরকারি ওই খালটি ছাড়াও বটতলী এলাকার আরো কয়েকটি ময়লা আর আবর্জনায় ভরে থাকা ডোবাও পরিস্কার করা হয়। এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতা হাসানুজ্জামান হাসান সহ আরো অনেকেই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন। 

এসময় সাবেক ছাত্র নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন এই শহর আমার, এই দেশ আমার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও আমার এমন উপলব্ধি থেকেই একঝাঁক শিক্ষিত তরুনদের সঙ্গে নিয়ে শুরু করেছি আমাদের এই অভিযান। আমরা ধারাবাহিক ভাবে আমাদের এই উপজেলাকে একটি পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে উজ্জীবিত করতেই মূলত এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমি আশাবাদি সকলের কাছ থেকে যেভাবে সাড়া পাচ্ছি সেই সহযোগিতার দুয়ার খোলা থাকলে আমরা একদিন আমাদের উপজেলাকে একটি পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবো এবং নিজেদের চারপাশটি অন্তত পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে শতভাগ সফল হবো। আগামীতেও এই দলটি শুধু পরিচ্ছন্নতাই নয় বিভিন্ন সামাজিক ও সমাজের প্রতিটি মানুষের জন্য ভালো কর্ম সাধনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে।


আরও খবর



রবিবার আপিল করবেন ড. ইউনূস

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ৬ মাসের সাজা বাতিল চেয়ে রবিবার আপিল আবেদন করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজন। একইসঙ্গে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে জামিন চাইবেন তারা।

ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আপিল আবেদনে ২৫টি যুক্তি তুলে ধরে খালাস চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গত ১ জানুয়ারি ৬ মাসের সাজা হয় ড. ইউনূসের। তবে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের শর্তে জামিন পান ইউনূসসহ চারজন। এই সময়সীমার মেয়াদ শেষ হবে ৩১ জানুয়ারি। তাই রায় হাতে পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আপিল আবেদনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ড. ইউনূসের আইনজীবী বলেন, আমরা রবিবার আপিল করবো। আপিলের সব প্রস্তুতি চলছে। এসময় ড. ইউনূসসহ অন্যান্যরাও উপস্থিত থাকবেন। বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম বাতিল করে এরই মধ্যে দেশে ফিরেছেন তিনি। আপিলে শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরে সাজা মওকূফ করে চার আসামির খালাস চাওয়া হবে।

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিকদের স্থায়ী না করা, ছুটি নগদায়ন না করা, ৫ শতাংশ লভ্যাংশ না দেওয়ার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গত ১ জানুয়ারি শ্রম আইনের দুই ধারায় সর্বোচ্চ সাজা ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং আরেকটি ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ড. ইউনূসসহ ৪ জনকে।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪