Logo
শিরোনাম

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : একটি জাতীয় পরিচয়পত্র  দিয়ে একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া যাদের এনআইডি নেই তারা জন্মসনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট দিয়ে দুটি সিম কিনতে পারবেন। কিন্তু একটি এনআইডির বিপরীতে ২৩১টি সিমও পাওয়া গেছে অনুসন্ধানে। এনআইডি বা স্মার্টকার্ডের বিপরীতে অধিক সংখ্যক সিম কেনা ও নিবন্ধন করার ঘটনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
জানা যায়, বিটিআরসি একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ২৩টি, ২৭টি, ৩০টি, ৩২টি এমনকি সর্বোচ্চ ২৩১টি সিম নিবন্ধনের সন্ধান পেয়ছে। ২৬টি করে সিম আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ১৫ হাজার ১৯৬ জন। ৩০টি করে সিম আছে ১৫ হাজার ২৫৭ জনের। ২৪টি করে সিম আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ২০ হাজার ৭০০ জন। ২৩টি করে সিম আছে ২৪ হাজার ৬৭৯ জনের। অন্যদিকে ২০টি করে সিম আছে ৪৭ হাজার ৮২৫ জনের। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি সিম আছে, এমন গ্রাহকের সংখ্যা ৭ লাখ ২৩ হাজার ৯২৩টি।  

নির্বাচন কমিশন ১০, ১৩ ও ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে থাকে। এর আগে সিবিভিএমপি (সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিকস ভ্যারিফিকেশন মনিটরিং সিস্টেম) সলিউশনে ১৭ ডিজিট ও ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর এবং জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বরের ম্যাপিং না থাকায় একজন গ্রাহকের পক্ষে ৭৫টি (প্রতিটি ডকুমেন্টের বিপরীতে ১৫টি করে) সিম নিবন্ধন করা সম্ভব ছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালের ১৬ মার্চ জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বর ব্যবহার করে সর্বোচ্চ দুটি সিম নিবন্ধনের বিষয়ে কমিশন নির্দেশনা প্রদান করে।

এ অবস্থায় বর্তমান পরিস্থিতিতে সিবিভিএমপি সলিউশনে ১৭ ও ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বরের মধ্যে ম্যাপিং না থাকায় একজন গ্রাহকের পক্ষে ৩৬টি (১৫+১৫+২+২+২) সিম নিবন্ধন করা সম্ভব।

বিভিন্ন ধরনের পরিচিতি নম্বরের মধ্যে ম্যাপিং না থাকায় যেসব সমস্যা বর্তমানে হচ্ছে তা হলো গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন করা সম্ভব হচ্ছে না। একজন গ্রাহকের কাছে প্রকৃতপক্ষে কতগুলো সিম আছে তা নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না, সিম ব্যবহার করে কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীকে শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে, একজনের নামে নিবন্ধিত সিম অন্যজন ব্যবহার করে অপরাধ ঘটাচ্ছে এবং সরকারের বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে সঠিক তথ্য প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বাংলা  বলেন, নতুন উদ্যোগের মূল কারণ হলো একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে ১৫টির বেশি মোবাইল সিম নেওয়া যাবে না। যাদের ১৫টির বেশি সিম থাকবে তাদের বাড়তি সিমগুলো সিংক্রোনাইজ করা হবে। পুরোপুরি বন্ধ করার আগে গ্রাহককে সেগুলোর বিষয়ে সুযোগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজ ও স্মার্ট কার্ডের ডাটাবেজের মধ্যে সংখ্যাগত পার্থক্য থাকায় দুটি দিয়েই গ্রাহক অনেক সিম নিতে পারছে। এটা সেন্ট্রাল ডাটাবেজের সঙ্গে ম্যাচও করছে না। নিয়ম হচ্ছে প্রতিটা জিনিসের তথ্য আমাদের ডাটাবেজে থাকতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিলে এপিআইয়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন থেকে সিবিভিএমপি সলিউশনে রাখা ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের সঙ্গে ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের ম্যাপিং কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১৮ মে ম্যাপিংয়ের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয়। এরমধ্যে দেখা যায় ভুল জন্ম তারিখের কারণে ম্যাপিং করা সম্ভব হয়নি এমন ১৭ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের সংখ্যা ১৭ লাখ ৪৪ হাজার ৪০২টি। এগুলো সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন মনে করে বিটিআরসি। এজন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা ও প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।  



আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট শেষে এখন চলছে গণনা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উচ্চ কক্ষ সিনেটে এগিয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি আর কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ফলাফলে এগিয়ে রিপাবলিকান দল।

সংবাদমাধ্যম সিএনএনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের মধ্যে ২১৮টি আসনের ফলাফল পাওয়া গেছে। এরমধ্যে বাইডেনের ডেমোক্র্যাটরা পেয়েছে ১৭০ টি আসন। আর ট্রাম্পের রিপাবলিকানরা পেয়েছে ১৯৩ টি আসন। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে কমপক্ষে ২১৮টি আসনে জয় পেতে হবে। অন্যদিকে উচ্চকক্ষ সিনেটে ডেমোক্রেটরা পেয়েছে ৪৮টি আর রিপাবলিকান দল পেয়েছে ৪৭ টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ১০০টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৫১টি আসনে জয় পেতে হবে।  


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পার্বত্য স্থানীয়দের বেকারত্ব গুচাবে পর্যটন শিল্প---পার্বত্য মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মো. রেজুয়ান খান ঃ


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, অপার সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি পার্বত্য অঞ্চল। বান্দরবান ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় নগরী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনি বলেন, পর্যটন শহর বান্দরবানকে সাজাতে নতুনভাবে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং দর্শনীয় স্থানগুলোকে আরো আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয়দের বেকারত্ব গুচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে পর্যটন শিল্প।

 বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী, বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষ্মীপদ দাস ও বান্দরবান জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ পর্যটন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি আরও বলেন, পর্যটন নগরী বান্দরবানে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে ভ্রমণ করতে পারে সেই জন্য মহাসড়কসহ আভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর উন্নয়ন কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নৈতিক কাজ হলো দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় একদিন পার্বত্য এলাকার পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য দেখা দিবে। তিনি বলেন, আগামীতে পর্যটনখাত আরো সমৃদ্ধ হবে। এগিয়ে যাবে বান্দরবান, আর বান্দরবানের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটবে। মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য কাজ করেছেন আর তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পিতার আর্দশে বাংলাদেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়নে সকল ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয় দেশে ১৫ হাজার ম্যালেরিয়া রোগী সনাক্ত হয়েছে যার মধ্যে বান্দরবানেই সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার। সভায় স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়টি খুব গুরুত্ব পায়। এছাড়া সভায় পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়ন ও এর সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

লেখক ঃ

জনসংযোগ কর্মকর্তা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়



আরও খবর



মোরেলগঞ্জে ডিসি, ইউএনও এসিল্যান্ডসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি স-মিলের মালিকানাধীন জমি নিয়ে জেলা বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৪ জনকে বিবাদী করে বুধবার মামলা দায়ের করেছেন মিল মালিক আবুল বাশার শেখ ( মামলা নং-দেওয়ানি ৩৮৮/২০২২)। 

এ মামলায় বিবাদী করা হয়েছে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক, মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও মোরেলগঞ্জ ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে। বিজ্ঞ আদালত বিবাদীগনকে আগামী ২১ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য আদেশ প্রদান করেছেন। 

  মামলার বিবরনে জানাগেছে, উপজেলার পুটিখালী ইউনিয়নের মঙ্গলেরহাট এলাকার “জনতা রাইস এন্ড স-মিল” মালিক মো. আবুল বাশার শেখ পুটিখালী মৌজার এসএ ৩৫৩ খতিয়ানে ১৪৫১, ১৪৫২ ও ১৪৫৩ দাগের বিআরএস ৩৪৫২ দাগের ০.৫২ একর জমি গত ১৫.১০.২০১২ ইং তারিখে ৫৭৭১ নং দলিলে ইসাহাক আলী হাওলাদারের কাছ থেকে ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। জমির এক অংশে তিনি স-মিল স্থাপন করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। 

গত ১৩ নভেম্বের উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে জমির মালিক এ মামলার বাদী আবুল বাশারের অনুপস্থিততে জমিতে লাল নিশান টানিয়ে দেন এবং তার স-মিলটি সরিয়ে নেয়ার জন্য বলেন। কারণ হিসেবে বলেন, 'তার স’মিলটি চরের সরকারি জমিতে স্থাপিত'।

 পরের দিন জমির মালিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে স্বাক্ষাৎ করে জানা, তার জমি সিএস রেকর্ডীয় দাগে রয়েছে। যা বিআরএস ৩৪৫২ দাগে পূর্বের মালিক ইসাহাক আলী হাওলাদারের নামে ৭৯৩ নং খতিয়ানে রেকর্ড হয়। 

এক পর্যায়ে আবুল বাসার তার ক্রয়কৃত জমি পরিমাপ করে সঠিক সিমানা নির্ধারনের জন্য নির্বাহী কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন। কিন্তু নির্বাহী কর্মকর্তা সে বিষয় কর্নপাত না করে স-মিলটি সরিয়ে নিতে বলেন এবং বিদুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য পল্লীবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। 

এতে নিরুপায়  হয়ে জমির মালিক আবুল বাশার শেখ বাগেরহাট বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সার্ভেয়ারকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদী গনের বিরুদ্ধে তফসিল বর্নিত জমিতে মামলা চলাকালিন কেন অস্থায়ী ও অর্ন্তবর্তীকালীন নিশেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হবে না তা অত্র নোটিশ প্রাপ্তির ২১ দিনের মধ্যে বিবাদী পক্ষকে কারণ দর্শানোর জন্য আদেশ প্রদান করেন। 

এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পুটিখালী মঙ্গলেরহাট এলাকায় এসএ রেকর্ড অনুযায়ী উক্ত স-মিলের জমিতে পূর্বে খাল ছিলো। খালটি ভরাট করে বে-দখল করে নিয়েছে, খালের জমি কখনও মালিকানাধীন হতে পারে না।  বিআরএস রেকর্ড কারো নামে হয়ে থাকলে তা কর্তন করা হবে। 


আরও খবর



র‌্যাবের অভিযানে পাঁচ শত পিছ ইয়াবা সহ দু'জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


র‌্যাবের অভিযান- ৫শ' ৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১৫ পিস বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশনসহ দু'জন মাদক কারবারি গ্রেফতার।

সত্যতা নিশ্চিত করে প্রতিবেদক কে র‌্যাব জানায়, 

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান, আর্টিলারি এর নেতৃত্বে রবিবার ২০ নভেম্বর দিনগত রাতে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানাধীন সেনাপট্টি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫শ' ৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৫ পিস, বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন, ১ টি মোটর সাইকেল, ২ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ২ হাজার ৬শ' ৫০ টাকা সহ দু'জন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাট বাজার এলাকার মৃত আলী হোসেন এর ছেলে জামাল হোসেন (৫০) ও আব্দুর রহমান শেখ এর ছেলে শেখ রানা (৩০)।

র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট এবং বুপ্রেনরফিন ইঞ্জেকশন অবৈধভাবে সংগ্রহ করে অভিনব কায়দায় জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল বলে শিকার করেছেন। 

এব্যাপারে গ্রেফতারকৃত দু'জনের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব।


আরও খবর



মোড়েলগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক সিলগালা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 এম. পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ 

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি বেসরকারি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম গ্রীন লাইফ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে দেন। উপজেলা হাসপাতালের অদূরে সদ্য চালু হওয়া এ সাইনবোর্ডবিহীন ক্লিনিকটির কোন রেজিষ্ট্রেশন বা অনুমোদন নেই।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে আশরাফ আলী শেখ(৮০) নামে ভর্তি থাকা এক রোগীর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগে নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেন। উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান ও ডা. রেজওয়ানা মেহজাবীন বর্না এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে ক্লিনিকের পরিচালক কচুয়া উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহাগ, কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স সকলে ক্লিনিক ফেলে পালিয়ে যান। ভুল চিকিৎসায় মৃত আশরাফ আলী শেখের ছেলে ইমরাজ শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাবাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক কর্মকর্তা বর্তমানে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা ডা. কামাল হেসেন মুফ্তি’র তত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে ওই ক্লিনিকের সেবিকা তার বাবাকে ইনজেকশন দিলে সে অসুস্থ হয়ে মারা যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও ক্লিনিকের কোন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে না আসায় সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই ক্লিনিকে ভর্তি থাকা দু'জন রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মোবাইল টিমে অংশ নেয়া উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান জানান, এ ক্লিনিকটি সম্পূর্ণ অনুমোদনবিহীন, এছাড়া একটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য যে সব শর্ত পূরণ করতে হয় তার কোন কিছুই এখানে নেই।

এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহাগের ০১৯১১-৬৪৮০৭০ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর