Logo
শিরোনাম

এককভাবে নির্বাচন করতে চায় জাতীয় পার্টি

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পার্টি। এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার নিদের্শ দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। 

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে চলছিল জাপার সংসদীয় দলের বৈঠক। রওশনের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরসহ দলটির ১৮ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দলের অভ্যন্তরে গত সাড়ে তিন মাস ধরে চলা বিবাদ ইস্যুতে খোলামেলা আলোচনা করেছেন সবাই। আলোচনা শেষে ‘অনৈক্য, ভুল বোঝাবুঝি ও মান-অভিমান’ ভুলে দলে ঐক্য ধরে রেখে এককভাবে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দলে কয়েক দফা বিবাদের পর গতকালই প্রথমবারের মতো রওশনের ডাকে সাড়া দিয়ে সংসদীয় দলের বৈঠকে যান জিএম কাদেরসহ দলটির এমপিরা। রওশন নিজের স্বাক্ষরে চিঠি দিয়ে সবাইকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বলে জানান জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে রওশন এরশাদ বলেন, ‘সবাইকে এক থাকতে বলেছি। ঐক্যবদ্ধ থেকে সবাইকে কাজ করতে বলেছি। আগামী নির্বাচনে আমরা এককভাবেই অংশ নিব, সেভাবে সবাইকে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে বলেছি। সংসদেও সবাই যেন উপস্থিত থেকে গঠনমূলক আলোচনা করেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় গঠনমূলক কথা বলেন- সেই নির্দেশনা দিয়েছি।

বৈঠক শেষে জিএম কাদের বলেন, যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছিল সেটি কেটে গেছে। আজকের বৈঠকেও কয়েক দফায় কথা বলার আগে কী বলবেন, সেবিষয়ে কানে-কানে উনি আমার মতামত জানতে চেয়েছেন। এর আগে ব্যক্তিগতভাবেও উনি আমাকে বলেছিলেন- তুমি দল চালাও, আমার দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আসলে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলো উনি যে নিজ বিবেচনায় করেছেন সেটি আমার মনে হয়নি। যাক, বৈঠকে সবাই দলের ঐক্যের উপরই জোর দিয়েছেন।

তবে এই বৈঠকে রওশনপুত্র সাদ এরশাদ এমপি উপস্থিত ছিলেন না। দলের দুই কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ ও সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা জানান, বৈঠকে তারা সবাই একদম খোলামেলা কথা বলেছেন। কার কী ভুল ছিল, কেন দলে বিবাদ- এনিয়ে তারাও সরাসরি কথা বলেছেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে জাপার পথচলার ওপর তারা গুরুত্ব দিয়েছেন। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম এমপি বলেন, ‘বৈঠকের মূল সিদ্ধান্ত হল- সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো।

জিএম কাদেরের কাছে ক্ষমা চাইলেন রাঙ্গা : বৈঠক শেষে সবাই অধিবেশনে যোগ দেওয়ার কিছুক্ষণ পর জিএম কাদের, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাসহ দলের কয়েকজন এমপি বেরিয়ে আসেন। এসময় তাদের সঙ্গে বেরিয়ে আসেন দল থেকে বহিষ্কৃত ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গাও। পরে তারা সবাই বিরোধীদলীয় উপনেতার (জিএম কাদের) কার্যালয়ে যান। কয়েক মিনিট পর জিএম কাদেরের কক্ষ থেকে বেরিয়ে জাপার এমপি অধ্যাপিকা রওশন আরা মান্নান জানান, ভেতরে জিএম কাদেরের কাছে রাঙ্গা ক্ষমা চেয়েছেন। 

এ দিকে চেয়ারম্যান হিসেবে দল পরিচালনা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে জিএম কাদেরের ওপর আদালতের ‘অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা’ বহালই থাকলো। ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মাসুদুল হক নিষেধাজ্ঞা খারিজের আবেদন নাকচ করেছিলেন আগেই। সেই আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে জিএম কাদের যেই মিস আপিল করেছিলেন, সেটিও বৃহস্পতিবার খারিজ হয়ে গেছে। ফলে, জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বহাল থেকে গেল।


আরও খবর



নওগাঁয় বড় ভাইয়ের কোদালের আঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু'র অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার গুমারদহ এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বড় ভাই ফজলুর রহমানের (৫৫) এর কোদালের হাতলের আঘাতে আহত ছোট ভাই নজরুল ইসলাম (৫২) এর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার ৭ দিন পর  সোমবার ১৬ জানুয়ারি রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে ।  সংবাদ পেয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার পুলিশ নিহত নজরুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তবে মঙ্গলবার বিকেল সারে চারটায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি।  

গত ১০ জানুয়ারি নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছি ইউনিয়নের গুমারদহ গ্রামের মাঠে তাদের পারিবারিক একটি জমিতে বোরো ধান লাগানোর জন্যে জমি তৈরী করার সময় এই মারপিটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।  নিহত নজরুল ইসলাম গুমারদহ গ্রামের  মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। 

নিহতের স্বজন, স্থানীয়রা জানায়, নজরুল ইসলামেরা দুই ভাই ও দুই বোন। তাদের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা না হওয়ায় নজরুল ইসলাম ও তার বড় ভাই ফজলুর রহমানের মধ্যে মাঝে মাঝেই বিরোধ লেগে থাকতো। গত ১০ জানুয়ারি ফজলুর রহমান গ্রামের মাঠে একটি জমিতে বোরো ধান লাগানোর জন্য আইল দিতে যান। এ সময় নজরুল তাকে বাধা দিতে যান। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ফজলুর রহমানের হাতে থাকা কোদালের হাতল দিয়ে নজরুলকে বেশ কয়েকটি আঘাত করেন। এতে নজরুল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নওগাঁ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

শৈলগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ফজলুর ও নজরুল দুই ভাই। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দু'জনের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ৫/৬ দিন আগে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ফজলুর তার ছোট ভাইকে কোদালের হাতল দিয়ে মারধর করেন। এতে নজরুল গুরুতর আহত হন। সোমবার রাতে রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে লাশ গ্রামের বাড়িতে আসার পর পুলিশ খবর পেয়ে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ থানায় নিয়ে যায়।  

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি ফয়সাল জানান, খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারন জানাযাবে।


আরও খবর



পাখির মতো গুলি করে আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে : আযম খান

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ;


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান বলেছেন, আমাদের হয় আন্দোলন করতে হবে, না হয় মরতে হবে। আমাদের বিকল্প কিছু নেই।  পাখির মতো গুলি করে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে।


আজ দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের রেস্টুরেন্টে বিএনপির ঘোষিত যুগপৎ আন্দোলনের ১০ দফা দাবী ও রাষ্ট্র কাঠামোর মেরামতের রূপরেখা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি আরও বলেন, গতকালকে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি'কে ডাক দিয়েছি নির্বাচনের জন্য, হাসি পায় তাদের কথা শুনে! আমরাতো গত ১৪ যাবদ লড়াই করছি নির্বাচনে যাওয়ার জন্য ভোট লুটের জন্য না।


তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী কখনো আপোষ করেননি যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গিয়েছেন তাদের সঙ্গে। শুধু নেত্রীই মুক্ত হবে না যদি আমরা নির্দলীয় নির্বাচন করতে না পারি আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাসনে থাকতে হবে এবং দেশে গণতন্ত্র থাকবে না। আমরা যদি দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন না করি তাহলে বাঁচানো সম্ভব নয়। 


এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য-৪ আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, কাজী মনিরুজ্জামানসহ প্রমুখ।


আরও খবর



নেত্রকোনায় মারা গেছেন বাকলজোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :


নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বাকলজোড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী তালুকদার (৬৫) মারা গেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত্যু হয় তার। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরের পর হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যান। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ তানজিরুল ইসলাম রায়হান তাকে মৃত ঘোষনা করেন। 

গত ২৮ নভেম্বর ২০২১ তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে বাকলজোড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এর আগেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। 

এদিকে হঠাৎ তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার নির্বাচনী এলাকা সহ পুরো উপজেলায়। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা।


আরও খবর



দিল্লিতে আবারো জেঁকে বসছে শীত

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আবারো জেঁকে বসেছে শীত। সেখানে আজ সোমবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

দিল্লিতে আগামী ৬ দিন প্রবল শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। শুধু দিল্লিই নয়, প্রবল শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। তীব্র ঠাণ্ডায় কাঁপছে পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, হিমাচল, উত্তরাখাণ্ড ও জম্মু কাশ্মীর। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখাণ্ড এবং জম্মু কাশ্মীরে প্রবল তুষারপাতের খবর পাওয়া গেছে। তীব্র শীতের কারণে উত্তর প্রদেশের বেশিরভাগ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে কুয়াশার কারণে, বিমান ও রেলের সময়সূচিতে বিপর্যয় ঘটেছে।  


আরও খবর



সড়ক ভবন নয়, এযেন একটি দেশিও বিদেশি ফুল গাছের বাগান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁ সড়ক ভবনে দেশিও বিদেশি ফুল গাছের সমারহ।

নওগাঁ সড়ক ভবনের কার্যালয় বর্তমানে নানা ধরনের দেশি ও বিদেশি ফুলের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ভবনের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করার সময় চোখে পড়বে বিভিন্ন রঙ্গের বড় বড় গাঁদা ফুল থোকায় থোকায় ফুটে আছে। পাশেই সুন্দর অবকাঠামোর মাঝে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন দেশী, বিদেশী ফুল ও ওষুধী গাছের ভেষজ মিশ্রণ ফুল বাগান।

শুধু ফুল বাগানের সৃজন নয়, পুরো সড়ক ভবনের প্রাঙ্গন-ই যেন ছিমছাম সৌন্দর্য্যরে ছোঁয়া আর আবাসিক ভবনের বাইরের অংশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার প্রিয় দেশের পতাকার রঙ্গের আদলে মনকাড়া ছোঁয়াও রয়েছে সেই সাথেই বাগানের মাঝে শোভা পাচ্ছে ডোরাকাটা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি আর পুরো বাগান জুড়ে ফুল গাছের পাশাপাশি নানা রকমের শোভাবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির গাছও শোভা পাচ্ছে। যা দেখার মতো।

মনোরম বাগানে প্রবেশ করতেই দ্যামাস্ক গোলাপ, রংগন, জবা, ক্রিসমাস, বেরিসহ বিভিন্ন ফুল গাছের পাশে শোভা পাচ্ছে সুন্দর সুন্দর নাম ফলক। একবার বাগানে প্রবেশ করে পুরো বাগানটি অবলোকন করলেই চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারো। এছাড়া ফুলের সৌন্দর্য্য আর মিষ্টি গন্ধে সতেজ হয়ে উঠবে প্রান। প্রতিটি মানুষেরই এমন ফুল বাগান অন্তত একবার পরিদর্শন করা উচিত। বিশেষ করে ফুল বিষয়ে শিশুসহ সকল ধরনের মানুষেরই জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে এই বাগান পরিদর্শন করার কোন বিকল্প নেই। নওগাঁ সড়ক বিভাগের সড়ক ভবন প্রাঙ্গণে হৃদয়ের সবটুকু ভালোলাগা ও ফুলের প্রতি ভালোবাসার সবটুকু ঢেলে এমন ব্যতিক্রমী ফুল বাগানে সাজিয়েছেন, সওজ নওগাঁ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ও লেখক মোঃ সাজেদুর রহমান সাজেদ।

নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান সাজেদ বলেন, নওগাঁ সড়ক বিভাগে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন আমার উত্তরসুরী সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হামিদুল হক। তারই ধারাবাহিকতায় একটু একটু করে অফিস কম্পাউন্ডকে সাজানো শুরু করি আমি। আমি যেখানে কাজ করি সেখানেই সড়ক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অফিস ও বাসা সবকিছু পরিপাটি করার চেষ্টা করি। মানুষ সাধারনত পুরাতন ও জরাজীর্ণ সরকারী অফিস দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু সুন্দর পরিবেশ করতে পারলে সবার মন প্রফুল্ল থাকে। কাজের গতি পায়। মানুষের মন মানসিকতা পরিবর্তনেও পরিবেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। আর এ জন্য খুব বেশি অর্থেরও প্রয়োজন হয় না। সরকারি দপ্তর সম্পর্কে মানুষের ধারনা বদলানোর জন্যই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা। সরকারের স্বক্ষমতা বেড়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মানসিকতাও ইতিবাচকভাবে বদলে যাচ্ছে। আমরা যেখানে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটাই সেই অফিসকে সুন্দর রাখা নৈতিক দায়িত্ব। এতে করে যেমন একটি সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হয় তেমনি ভাবে ওই অফিসের সবকিছুতে স্বচ্ছতার পাশাপাশি কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় এবং মন মানসিকতার পরিবর্তনের পাশাপাশি সবকিছুতেই পরিচ্ছন্নতা ফিরে আসে বলেও মনে করেন তিনি।


আরও খবর