Logo
শিরোনাম

একসময়ের মূল্যবান জিনিস আজকের সময়ে এসে মূল্যহীন হয়েছে

প্রকাশিত:Wednesday ০২ November 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ ঃ

মানুষের জীবনটাকে কতটা আমরা জানি। সবটাই কি অভিনয় নাকি সবটাই জীবন। একটা হাসিমুখ আমরা দেখি তবে সেই হাসিমুখের পিছনে মানুষের প্রতিদিনের জীবনের সাথে যুদ্ধটা কি আমরা দেখি। হয়তো দেখি না।

মানুষের সেটা দেখার মতো যে একটা মন থাকতে হয় সেটা তো আমাদের অনেক আগেই মরে গেছে। যেমন সময়ের সাথে অনেক কিছুই মরেছে। সময়ের সাথে লাল চিঠির বাক্সটা এখন আবর্জনায় পরিণত হয়েছে। চিঠিটাও এখন ইতিহাস।

খট খট শব্দে  আঙুলের বেদনায় আহত টাইপ রাইটার আর নেই। যে মানুষটা  টাইপ রাইটার দিয়ে একদিন কালো অক্ষরের জাদুতে মাতিয়ে তুলতো মানুষকে সে মানুষটাও সময়ের সাথে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। কম্পিউটার মতো আধুনিক প্রযুক্তি এসে টাইপ রাইটারকে অপ্রচলিত পণ্যে পরিণত করেছে।  

আগে গ্রামে যাত্রাপালা হতো। কত মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল সে যাত্রাপালা। হায়, সেটাও তো আর নেই। একসময়ের মূল্যবান জিনিস আজকের সময়ে এসে মূল্যহীন হয়েছে। বায়োস্কোপ এখন আর চোখে পড়ে না। একটার পর একটা নির্বাক ছবি টেনে বায়োস্কোপওয়ালা আনন্দচিত্তে বলতেন, “এই বারেতে দেখা গেল, জরিনা সুন্দরী এলো। কোমরেতে বিছা ছিল, কানে তাহার দুল ছিল। আহা কি চমৎকার দেখা গেল। কি চমৎকার দেখা গেল, আরও কিছু রইয়া গেল, তারা জ্যোতি চইলা গেছে, দেখতে কত বাহার আছে, এইবারেতে দেখেন ভাল, আপন রাজা সামনে আছে। তীর-ধনুক হাতে আছে। ” মানুষকে আনন্দ দেবার সে মানুষটাও আর নেই।  

একসময়ের দুরন্ত সময় আজ কেবল বিবর্ণ স্মৃতি। সময়ের সাথে সাথে মানুষ প্রযুক্তির জাদুকরী শক্তিতে বদলেছে। কিন্তু মাটির গন্ধও হারিয়েছে। সে মাটির গন্ধে বেগ হয়তো ছিল না তারপরও আবেগ ছিল। মনে পড়ছে পুতুল নাচের কথা। মানুষের অদৃশ্য আঙুলের নিপুণ কারুকাজে বোবা পুতুলগুলো নাচতো। মানুষ যেভাবে চাইতো সেভাবে পুতুলগুলো আছাড়ি-বিছাড়ি করে নেচেছে। অদৃশ্য মানুষটা এখন আর নেই, যেমন নেই পুতুল নাচের সেই ফেলে আসা দিনগুলো। তবে পুতুল নাচ আমাদের জীবনবোধের সামনে এসে থমকে দাঁড়ায়। কখনো মনে হয় আমরাও যেন সেই পুতুলদের মতো নেচে চলেছি কোনো এক অদৃশ্য শক্তির আকর্ষণে। এমন করেই হয়তো শক্তির পিছনে শক্তি, তারও পিছনে শক্তি এ খেলায় মেতে উঠেছে। সবাই হয়তো তা জানে তবে বুঝতে পারে না।  

সার্কাসের রং মেখে সং সাজা জোকারটার মুখটা খুব বেশি মনে পড়ছে। একটা কৃত্রিম হাসি মুখে ধরে রেখে জীবন যন্ত্রনায় জ্বলে-পুড়ে ছাই হওয়া মানুষটার ভিতরের বোবা আর্তনাদ বুকটাকে এখন কেমন যেন বুলেটবিদ্ধ করে যায়। জীবনকে বাজি রেখে জোকার নামের মানুষটা মানুষের মনোরঞ্জনের উপাদান হলেও তার ভিতরের কান্নাকে কেউ কখনো বুঝেও বুঝেনি।

সাদাকালো সিনেমার সময় যে মানুষটার অভিনয় সিনেমাকে রঙিন করেছিল সে মানুষটার নাম চার্লি চ্যাপলিন। চার্লি চ্যাপলিন সেই মহান অভিনেতা যিনি বুকে কষ্ট চেপে দর্শকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। পরনে নাক সিটকানো কোট-টাই, ঢিলেঢালা  জরাজীর্ণ প্যান্ট, মাথায় কালো রঙের ডার্বি হ্যাট, হাতে একটি পাতলা ছড়ি, পায়ে এবড়ো  থেবড়ো এক জোড়া বুট এবং ঠোঁটের ঠিক উপরে খাটো  গোঁফ মানুষটার। নিজের জীবনকে টুকরো কাচের আয়নায় দেখে উপহাস করে তিনি বলেছেন “এমনকি একটি জেলীফিশের কাছেও জীবন অনেক সুন্দর ও দারুণ একটা জিনিস”। চার্লি চ্যাপলিন সব সময় বলতেন তার মা’ই তার অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন। মায়ের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চার্লি চ্যাপলিন তাকে পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন; কোনো কষ্ট তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।  

অথচ তিনি আজীবন কষ্টকে ধারণ করে জীবনকে এগিয়ে নিয়েছেন। এখন তো সময় বদলেছে। মানুষ খুব কমার্শিয়াল হয়েছে। নিজের স্বার্থ নিয়ে যে মানুষরা প্রতিদিন একে অন্যের সাথে লড়ছে তারা কি মমতাময়ী মায়ের সেই ভালোবাসার মুখটা কখনো খুঁজেছে। না, তেমনটা ঠিক দেখছি না। মায়ের নাড়ি ছেঁড়া ধন সে নাড়ির টানকে গলা টিপে হত্যা করেছে। নিজে ক্রীতদাসের হাসি হেসেছে আর মায়ের হাসিকে বৃদ্ধাশ্রমের চার দেওয়ালে আটকে রেখে নিজের শেকড়কে লাথি মেরে ছুড়ে ফেলেছে পিচ ঢালা রাজপথে। সত্য মিথ্যার গল্পটা বার বার বলতে ইচ্ছে করে।  

আমরা যেটা হাসি সেটা সত্য না মিথ্যা। নাকি সেটা একটা নগ্ন রহস্য। ফেলে আসা পুরাতন কিছু। হয়তো একটা মানুষ, তার পিছনের মানুষ, তার সামনের মানুষ, তার ভিতরের মানুষ সবকটাই একটা মানুষ তবে  অভিন্ন মানুষ নয়। যেমন যে সত্যকে  আমরা দেখি তা  হয়তো সত্য নয়। যা দেখি না সেটাই সত্য। মানুষের বাইরের শরীরের চেয়ে যেমন ভিতরের হাড় দিয়ে গড়া কংকালটা সত্য। 

সত্য এমন আগুনে পোড়া নদীর মতো। জলীয় বাষ্পের মতো। মেঘে ঢাকা তারার মতো। যার গতিপথ জীবনের গতিপথকে হার মানায়।

সব কিছু মানুষের আজ কেমন করে যেন হারিয়ে গেছে। এক একটা মানুষ জীবন্ত লাশ হয়ে রাজপথের কোলাহলে নিজেদের অস্তিত্ব হারাচ্ছে। ঝুলন্ত বাদুড় হয়ে সত্য মিথ্যার পোশাক পড়ে মানুষের বিবেক বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন। তাও খুব চড়া দামে। তারপরও সব হারিয়েও জীবনবোধের বিশ্বাস তো কখনো হারাতে নেই। আবেগ তো কখনো হারাতে নেই। স্বপ্ন জয়ের হাসি তো কখনো হারাতে নেই। প্রতিদিন মানুষের মৃত্যুর খবর যেমন আসে তেমনি নবজাতকের ভূমিষ্ঠের খবরও আসে। সব পুরাতন পচে যায় না। নষ্ট হয়ে নষ্টের দড়িতে ঝুলে পড়ে না। যেমন সময়। যেমন সততা। যেমন মানবিক মূল্যবোধ। এমন আরও অনেক মূল্যহীন মানুষের বাজারের অনেক অদেখা মূল্যবান জিনিস। 

চলন্ত ট্রেনটা মানুষকে পিষে ফেলার আগেই মানুষ সেখান থেকে বেরিয়ে আসুক। সব মানুষ রক্ত মাংসের মানুষ হোক। যেমন মানুষ, মানুষ তেমনটাই থাকুক। সবটাই এক ঝাপটায় মানবিক নগর হয়ে উঠুক মানুষের অতৃপ্ত যন্ত্রনায়। সেটা চোখে না দেখে মন দিয়ে দেখাটাতেই আনন্দ। তার থেকে বেশি কিছু নয়।


আরও খবর



সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ওয়ান স্টপ সার্ভিস

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালুর পর থেকে রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি কমতে শুরু করেছে। হাসপাতাল পরিচালক বলছেন, জরুরি রোগীর সেবায় ল্যাব সাপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম, পোর্টেবল এক্সরেসহ প্রায় সব ধরনের সুবিধা রয়েছে। সেবা চলমান রাখতে চিকিৎসক, সেবিকা ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন।

সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালুর পর থেকে জরুরী রোগীদের ভীড় বেড়েই চলেছে ।

প্রথমে একজন রোগী এলেই শুরু হয় ডাটা এন্ট্রি।এরপর রোগের উপসর্গ ভেদে শুরু হয় চিকিৎসা।সামান্য রোগ নিয়ে আসা রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী ফেরত পাঠানো হয় ।আর, রোগী জটিল হলে শুরু হয় চুড়ান্ত চিকিৎসা।সহজে সেবা পেয়ে খুশি সাধারণ মানুস

সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বলছেন, যে কোনও রোগী দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা নিতে পারবেন। জরুরি রোগীর সেবায় অত্যাধুনিক ল্যাব সাপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি, পোর্টেবল এক্সরেসহ প্রায় সব ধরনের ডায়াগনস্টিক সুবিধা রয়েছে এই সার্ভিসে। প্রয়োজনে জরুরি অপারেশনের সুবিধাও মিলবে। আছে আইসিইউ সাপোর্টও।

পরিচালক বলছেন, এই মুহুর্তে জরুরী ভাবে হাসপাতালে রোগীর চাহিদা অনুযায়ী আরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, সেবিকা ও স্বাস্থ্যকর্মী প্রয়োজন। সেই চাহিদা পত্র নিয়ে অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে

 


আরও খবর



রাণীনগরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে ভান্ডারা যুব উন্নয়ন ক্লাব ও গ্রামবাসী উদ্যোগে সোমবার বিকেলে উপজেলার ভান্ডারা আবাদি জমিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা, পুরস্কার বিতরণী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই খেলার উদ্বোধন করেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সাংসদ আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল। ফাইনাল খেলায় পূর্ব রাজাপুর ফুটবল একাদশ ১-০ গোলে রাতোয়াল রয়েল স্পোর্টসকে হারিয়ে বিজয়ী হয়। পরে কালীগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব চাঁন বিজয়ী দল ও বিজিত দলের মাঝে পুরস্কার ও উভয় দলের মাঝে ট্রপি তুলে দেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য জাকির হোসেন জয়, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান জারজিস হাসান মিঠু, থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সেলিম রেজা , কালীগ্রাম ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, সদস্য সহিদুজ্জামান রুবিন আকন্দ , মহিলা মেম্বার,পুলিশ ও গ্রামপুলিশসহ এলাকার গর্ণমান্যব্যক্তিবর্গ। খেলা ও পুরস্কার বিতরণী শেষে সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



দশমিনায় বিতর্কিত শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা (পটুয়াখালী) :

গত ২৬শে জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় দশমিনা উপজেলা পরিষদের  সামনে মানববন্ধন করে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দশমিনা থানা শাখা। 

দশমিনা থানা শাখার সভাপতি মোঃ বাহাউদ্দীন নোমান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুবকর সিদ্দিক এর সঞ্চালনায় কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন   বাংলাদেশ দশমিনা উপজেলা শাখার  জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ রুহুল আমীন রুহানি। 

তিনি বলেন, আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা মুসলিম এরপর আমরা বাঙালী, আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, আমরা জানি আমাদের সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহ। বর্তমানে শিক্ষা সিলেবাসে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী, অযৌক্তিক ডারউইনের বিবর্তনতত্ত্ব যুক্ত করার মাধ্যমে আমাদের ঈমানের উপর আঘাত করা হয়েছে।

ইসলাম ও মুসলমানদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। 

একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে হিন্দুত্ববাদী সিলেবাস মেনে নেয়া যায় না। 

যাঁরা এই সিলেবাস রচনা করেছে তাঁদের তদন্ত সাপেক্ষ বিচারের দাবী জানাচ্ছি। 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দশমিনা থানা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ ইমাম হোসাইন।  সহ-সভাপতি বনিউল আমিন, সাংগঠনিক মোঃ ফয়সাল আহমেদ, কওমী মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক  মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে নিশানবাড়িয়ায় যুবলীগের প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Sunday ০৫ February ২০২৩ |
Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

বাগেরহাট জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে সফল করার লক্ষ্যে মোরেলগঞ্জ বিভিন্ন ইউনিয়নে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তাব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম।

প্রধান বক্তা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট তাজিনুর রহমান পলাশ, বিশেষ অতিথি ছিলেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, পৌর যুবলীগের আহবায়ক আসাদুজ্জামান বিপু, যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ।  

প্রস্তুতি মূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শামীম আহসান তালুকদার। বক্তাব্য রাখেন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আনিছুর রহমান কাইয়ুম, যুগ্ম আহবায়ক ফেরদৌস হোসেন পিয়াস, সাব্বির আহমেদ সুমানসহ ইউপি সদস্যবৃন্দ ও আওয়ামী যুবলীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন বাচ্চু। এর পূর্বে পঞ্চকরন ইউনিয়নে যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তাব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম। বিশেষ অতিথির বক্তাব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট তাজিনুর রহমান পলাশ, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক বদিউজ্জামান মজুমদার, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক খলিফা, শাহিন হাওলাদার, বিলাস মোল্লা প্রমুখ। 


আরও খবর



গজারিয়ায় ভাটেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শাকিল প্রধান,গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: 

গজারিয়ায় ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৩ইং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় সংসদ সদস্য, আধুনিক মুন্সীগঞ্জের রূপকার, মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা এ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস, উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান তোতা সিআইপি। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও রুপালী ব্যাংকের উপ মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুঃ শাহজাহান শিকদার এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো: আসাদুজ্জামান, গজারিয়া থানা তদন্ত ওসি মোঃ মুক্তার হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাকির হোসেন, টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজী, বাউশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান প্রধান, হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু, গুয়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন, ইমামপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খান জিতু, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান সাগরসহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ, অভিভাবকগণ ও বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি পুরস্কার বিতরণ করেন।


আরও খবর