Logo
শিরোনাম

একটানা বৃষ্টিতে নাকাল রাজধানীবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্র বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে এখন খুলনা ও কয়রার দিকে অবস্থান করছে। 


ঘূর্ণিঝড়টির পুরো প্রভাব শেষ হতে আরও পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রোববার মধ্যরাত থেকেই রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। দমকা বাতাসের সঙ্গে এমন বৃষ্টি আরও ভোগান্তিতে ফেলেছে নগরবাসীকে।


সোমবার (২৭ মে) বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে অফিসগামী থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রীরা যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 


পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও ফুটপাতের দোকানিরাও সমস্যায় পড়েছেন। তারপরও এক ধরনের যুদ্ধ করেই গন্তব্য যেতে হচ্ছে নগরবাসীকে।


এর ওপর রাস্তায় স্বাভাবিকের তুলনায় যানবাহন অনেকটা বেশি দেখা গেছে। ফলে বৃষ্টির মধ্যেই অনেক জায়গায় আরেক ভোগান্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে যানজট।



রাজধানীর কিছু কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতাও দেখা দিয়েছে। বাড্ডা, বিজয় সরণী, শেওড়াপাড়া, জাহাঙ্গীর গেট, ফার্মগেট, তালতলা, মগবাজার ও খিলক্ষেতসহ অনেক এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে অফিসগামী মানুষকে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।


সড়কে চলাচলরত অনেকের ছাতা থাকলেও শরীরের নিচের ও পেছনের অংশ ভিজে একাকার হয়ে গেছে। কারও পুরো শরীর ভিজে একাকার। অনেকেই কাকভেজা শরীরেই চলছেন অফিস কিংবা গন্তব্যে।


এদিকে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যান যাত্রীরা। তবে সকাল ১০টা ৮ মিনিটে চলাচল ফের শুরু হয়েছে।


আরও খবর



প্রাথমিকে বড় পরিসরে 'মিড-ডে মিল' চালু করতে যাচ্ছে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


শিক্ষাব্যবস্থা থেকে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমানোর লক্ষ্যে দুই বছর পর আবারও মিড-ডে মিল চালু করতে যাচ্ছে সরকার। 


এবার আরও বড় পরিসরে, ১৫০টি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হতে যাচ্ছে এ স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। আগামী আগস্ট মাসের শুরু থেকেই প্রকল্পটি চালুর পরিকল্পনা আছে বলে জানা গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে।


মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে দেশের দারিদ্র্যপ্রবণ এলাকার ১৯ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৭ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য তিন বছর মেয়াদে এ প্রকল্প চালু হবে।



 প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। প্রাক্কলিত এ ব্যয়ের মধ্যে ৪ হাজার ১৮১ কোটি টাকা ব্যয় হবে খাদ্য সংগ্রহ খাতে। আর বাকি অর্থ ব্যয় হবে ঠিকাদার, পরিবহন, সার্ভিস চার্জ, খাদ্য বিতরণ ও প্যাকেজিং খাতে। প্রকল্পটি সফল হলে সারা দেশের স্কুলগুলোতেই এই মিড-ডে মিল চালু করা হবে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী নিজে তার বাজেট বক্তৃতায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির কথা বলেছেন।



 শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকায় প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পরিকল্পনা কমিশনও ইঙ্গিত দিয়েছে।


প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ফিডিং প্রকল্প পরিচালনা করে। এরপর ২০১০ সালে ১০৪টি দারিদ্র্যপ্রবণ উপজেলায় ১৫ হাজার ৩০০টিরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম চালু হয়েছিল। 



এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩০ লাখ শিশুকে ফর্টিফায়েড বিস্কুট এবং তিন উপজেলার শিক্ষার্থীদের গরম খাবার বিতরণ করা হয়। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত চলে। মাঝে ২০২০ সালের আগস্টে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে পাঁচ বছর মেয়াদে খাবার বিতরণের জন্য ১৭ হাজার ২৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।



 তবে মিড ডে মিলের খিচুড়ি বানানো শিখতে কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠলে প্রকল্পটি আর অনুমোদন পায়নি একনেক সভায়।


এ ব্যাপারে তৎকালীন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছিলেন, প্রকল্পটির কাঠামো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন বলে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। স্কুলে খিচুড়ি রান্না করলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছিলেন তিনি। 



আর প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, গরম খাবার সরবরাহ করা তাদের পক্ষে কঠিন হবে কারণ এতে লোকবল এবং রান্নার জন্য জায়গা প্রয়োজন।


এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষের দিকে শুরু হতে যাওয়া নতুন এই কর্মসূচিতে সরকার শুধু ফর্টিফায়েড বিস্কুটই নয়, মৌসুমি ফল, কলা, ডিম ও রুটিও সরবরাহ করবে। 



এ ছাড়া জুলাই মাসে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য সমান্তরাল আরেকটি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে।


উল্লেখ্য, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ২০১৮ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিড-ডে মিল কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে ভর্তির হার ৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।


আরও খবর



চালের দাম আবার লাগামহীন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



পর্যাপ্ত মজুত-সরবরাহ সত্ত্বেও গত এক সপ্তাহে রাজধানীর বাজারে প্রায় সব জাতের চালের দাম বেড়েছে। প্রতি ৫০ কেজির বস্তায় চালের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা।



 কোরবানির ঈদে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং রাইস মিল বন্ধ থাকায় এই দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।


শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে , খুচরা বিক্রেতারা প্রতিকেজি নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭৮ টাকা, মিনিকেট চাল ৬২ থেকে ৬৮ টাকা, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চাল ৫৪ থেকে ৫৬ টাকায় বিক্রি করছেন। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৫৪ টাকা এবং মোটা হাইব্রিড চাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায় ।


কোরবানির ঈদের আগে এসব চালের খুচরা দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কম ছিল।


শনিবার পূর্ব শেওড়াপাড়ার একটি দোকান থেকে চাল কেনার সময় এক ক্রেতা জানান, ঈদের আগে একই দোকান থেকে ৭২ টাকা কেজি দরে মিনিকেট চাল কিনেছিলেন তিনি। আজ একই চালের জন্য তাকে কেজিপ্রতি ৭৫ টাকা দিতে হয়েছে।



মহাখালীতে চালের দোকানে চাল কিনতে আসা জাফর আহমেদ জানান, এক সপ্তাহ আগে তিনি মিনিকেট চাল ৬৮ টাকা কেজিতে বিক্রি করলেও গতকাল ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।



 একইভাবে বিআর-২৮ চালের দাম এক সপ্তাহ আগে ৫৩ টাকা থেকে বেড়ে ৫৫ টাকা কেজি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানান তিনি।


এদিকে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই চালের দাম বেড়েছে বলে মনে করেন মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের সুচনা। তিনি বলেন, 'মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম ৫০ কেজিতে ১০০ টাকা বেড়েছে, আর বিআর-২৮ চালের দাম ৫০ কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।'


মিরপুর-১১ কাঁচাবাজারের মকবুল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী কামাল সরদার বলেন, 'দাম আরও বাড়ার আশায় অনেক কৃষক এখন তাদের ফসল বিক্রি করছেন না। এক সপ্তাহ আগে আমরা মণপ্রতি ১৩০০ টাকায় যে ধান কিনেছিলাম এখন তার দাম ১৩৮০ টাকা।'



আরও খবর



খালেদা জিয়াকে মুক্ত না করলে যে কোনো পরিণতির জন্য তৈরি থাকুন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস  ডেস্ক:


খালেদা জিয়াকে মুক্ত না করলে যে কোনো পরিণতির জন্য তৈরি থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।



 তিনি বলেন, আমরা খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করুন, অন্যথায় আপনাদের যে কোনো পরিণতির জন্য তৈরি থাকতে হবে। দেশের মানুষ তাকে অন্যায়ভাবে বন্দি অবস্থায় থাকতে দেবে না।


শনিবার (২৯ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।



খালেদা জিয়াকে গণতন্ত্রের প্রতীক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল অন্যান্য দলের প্রতি আহ্বান জানান, আসুন গণতন্ত্রকে রক্ষায় যেভাবে এক হয়ে, যুগপৎ আন্দোলন আমরা করেছি, একইভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলন করি। তরুণদের প্রতি আহ্বান, তোমাদের হাতেই দেশের ভবিষ্যৎ, দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্রকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলনের জন্য আজ আমাদের ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। আমাদের ৭০০ জনের বেশি মানুষকে গুম করা হয়েছে।



 কয়েক হাজার মানুষকে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং করা হয়েছে। ৪ হাজার নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। বহু নেতা-কর্মী মিথ্যা মামলায় জেল খাটছে।



তিনি আরও বলেন, এর উদ্দেশ্য একটাই, দেশের গণতন্ত্রকামী তরুণদের, গণতন্ত্রকামী মানুষদের আটক-গ্রেপ্তার করে, নির্যাতন করে, গুম করে দিয়ে গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য বিদায় করতে চায়। তা তারা করেছেও, গোটা দেশের দিকে তাকিয়ে দেখুন।


রাজপথে আরও তীব্র থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ভয়ে মারা যাওয়ার মধ্যে কোনো সার্থকতা নেই। সাহস করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। 



এ কথা বারবার বলতে হচ্ছে- কারণ পরিবর্তন যে আসে তা শুধুমাত্র আমাদের মতো বয়স্কদের দ্বারা আসে না। পরিবর্তন আসে তরুণ-যুবকদের মাধ্যমে।


সরকার দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার একটি দখলদার সরকার। এরা জনগণের ম্যান্ডেট পায়নি। একদিকে তারা রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে, আরেকদিকে অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে। 



তারা ব্যাংক লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। মানুষ চিকিৎসা পায় না। শিক্ষাও ধংসের দিকে নিয়ে গেছে।


সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, কেউ চিন্তাও করতে পারে না, সেনাবাহিনীর প্রধান- তিনি আজ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। কর্মকর্তাদের দুর্নীতির খবর বের হয়ে আসছে। 



আজ অবিশ্বাস্য লাগে, পুলিশ বাহিনীর প্রধান নাকি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক! আরও বড় বড় রাখব বোয়াল যারা আছে, চোরের হোতা, তাদের ধরা হচ্ছে না।


আরও খবর



লালমনিরহাট পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:


লালমনিরহাট পৌরসভার আধুনিক ও জনকল্যাণমূথী স্মাট পৌরসভা রুপান্তে লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা অনুষ্ঠিত হয়েছে । 



শনিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টায় পৌরসভা কার্যালয়ের তৃতীয় তলার হল রুমে ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপন।


নতুন মোট আয় ধরা হয়েছে ৪৮,৭৮,২৩,৫১১/- টাকা, এর মধ্যে রয়েছে রাজস্ব আয় ১৩,৪৪,৯৫,৭০৮/- টাকা, পানি শাখা হতে আয় ৬৩,৩০,৩৫৬/- টাকা, উন্নয়ন বাস্তবায়ন খাতে প্রাপ্তি ৩৪,৬৯,৯৭,৪৪৭/- টাকা। উক্ত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭,০০,৯০,০০০/- টাকা এবং প্রস্তাবিত উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ১,৭৭,৩৩,৫১১/- টাকা। 


পৌর মেয়র রেজাউল করিম স্বপ্ন বলেন, এবারের বাজেটে জনগণের উপর কোনরুপ কর বৃদ্ধি না করেই জনকল্যানমুখী বাজেট করা হয়েছে। উক্ত বাজেট বাস্তবায়ন হলে আমরা আমাদের পৌর এলাকাকে পরিচ্ছন্ন, স্মার্ট ও উন্নত অবকাঠামো সমৃদ্ধ পৌরসভা গঠনে একধাপ এগিয়ে যাবে।

 তিনি উল্লেখযোগ্যভাবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, মশক নিধন, বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বৃক্ষরোপণ, ক্লাব ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতি, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন, মাদক/তামাক জাতীয় দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, রাস্তাঘাট ও রোড ডিভাইডার সৌন্দর্য বর্ধন, কঠিন ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছেন। বিশেষ করে শহরের প্রধান প্রধান রাস্তা সহ গোলীর রাস্তা, ড্রেন মেরামত ও সংস্কার খাতে ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন। এছাড়া তিনি আধুনিক বহুতল বিশিষ্ট পৌর ভবন নির্মাণে প্রায় ৫ কোটি টাকা কাজ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন চূড়ান্ত রয়েছে।    


এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার সকল কাউন্সিলর ও কর্মকতা,কর্মচারীগণ ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



কাল বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে আবার বাংলা ব্লকেড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দেশে বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ফের বাংলা ব্লকেড ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।



 বুধবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে শাহবাগ থেকে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।



বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি শুরু হবে। 



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ অবরোধ করা হবে।



এ সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ পদ থেকে প্রতিশ্রুতি পেলে শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়বেন। 



পাশাপাশি যৌক্তিক সংস্কার করে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা রাখারও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। শুধুমাত্র অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কোটা পেতে পারেন। নাতি-নাতনিরা নন।


 গত ৭ জুলাই থেকে 'বাংলা ব্লকেড' নামে এই অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম দুদিন অর্ধদিবস অবরোধ চলার পর মঙ্গলবার বিরতি দেয়া হয়।




প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের পর সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে পুরো কোটাব্যবস্থা বাতিল করে। ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটা বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।



 পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রিট করেন। গত ৫ জুন রায় ঘোষণায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নবম থেকে ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়ার বাধা দূর হয়। ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে।


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন মামলাটিতে পক্ষভুক্ত হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান আবেদন করেন। 



এরপর আজ (বুধবার) আপিল বিভাগ সরকারি চাকরিতে কোটা বহালে হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন।



আরও খবর