Logo
শিরোনাম

এভারেস্ট চূড়ায় আরেক বাংলাদেশি

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

চট্টগ্রামের বাবর আলী পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন। রবিবার (১৯ মে) নেপাল সময় সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি চূড়ায় পৌঁছান। সংবাদমাধ্যমকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন এ অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান।

বাবর আলী হিমালয়ের শীতিধার চূড়া জয়ের জন্য রওনা হয়েছিলেন ১ এপ্রিল। চূড়াটি পর্বতের ১৫ হাজার ৫০০ ফুট ওপরে। সকাল সাড়ে ৮টায় সেখানে তিনি বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান।

দুই বছর আগে হিমালয়ের ২২ হাজার ৩৪৯ ফুট উচ্চতার আমা দাবলাম চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছিলেন চট্টগ্রামের এই তরুণ। মাউন্ট এভারেস্ট জয় করতে চলতি বছরের ১ এপ্রিল নেপালের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন বাবর।

পর্বতারোহণের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নানা সরঞ্জাম কেনার কাজ শেষ করে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে লুকলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। সপ্তাহ খানেকের ট্রেকিং শেষে পৌঁছান এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে। মূল অভিযান শুরু হয় এখান থেকেই। পর্বতের চূড়ায় উঠতে সময় লাগে দুই মাসের মতো।

বাবর আলী আগে চার বাংলাদেশির পা পড়েছে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায়। এর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০১০ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ এ পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন মুসা ইব্রাহীম। এক বছর পর ২০১১ সালে দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী হিসেবে নাম লেখান এম এ মুহিত। পরের বছর ২০১২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। একই বছর সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে পা রাখেন আরেক বাংলাদেশি নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

প্রসঙ্গত, বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক হলেও তার ধ্যানজ্ঞান পর্বতারোহণ। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের একমাত্র পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি।


আরও খবর



ঈদে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলতে পারবে না : আইজিপি

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ঈদুল আজহা উপলক্ষে সড়ক-মহাসড়কে ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। 


তিনি বলেন, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত স্বস্তিদায়ক করতে হবে।’


আজ সোমবার (৩ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে ঈদকে সামনে রেখে ‘সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, সড়ক, রেলপথ ও নৌপথের নিরাপত্তা এবং জনগণের নিরাপদ যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত’ সভায় সভাপতিত্বকালে এ আইজিপি এ কথা বলেন। 


ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আইজিপি। একইসঙ্গে জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। 


সড়ক অথবা নৌপথে কোরবানির পশু পরিবহণের ক্ষেত্রে গাড়ির সামনে গন্তব্যস্থান উল্লেখ করে ব্যানার লাগাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান পুলিশ প্রধান।


 কোরবানির পশু পরিবহণে কেউ বাধার সৃষ্টি করলে নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার অনুরোধও জানান তিনি। আইজিপি বলেন, ‘পশু ব্যবসায়ীদের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিতে হবে।’ 



অজ্ঞান ও মলম পার্টির অপতৎপরতা প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। দুর্ঘটনা এড়াতে পণ্যবাহী গাড়ি বা ট্রাকে ভ্রমণ না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। 


গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতকেন্দ্রিক পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আইজিপি বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে অনেকে বিনোদনকেন্দ্রে বেড়াতে যাবেন। বিনোদনকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে হবে।’ 


সভায় আরও ছিলেন– অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মো. কামরুল আহসান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিপ এবং ঢাকার পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।



আরও খবর



১৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমুহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইন:


আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষ্যে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে।



আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে এ ছুটি শুরু হয়ে শেষ হবে ২৯ জুন। রাজধানী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে এ ছুটির নোটিশ টানানো হয়েছে।



ব্যস্ততা বেড়েছে তাড়াশের কামারপাড়ায়

এতে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আগামী ১৩ জুন থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ১৭ দিন ক্লাস ছুটি থাকবে। 


৩০ জুন থেকে যথারীতি অর্ধদিবস ক্লাস চলবে। তবে ১ জুলাই থেকে পূর্ণ দিবস ক্লাস চলবে।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা জানান, গ্রীষ্মকালীন ছুটি সাধারণ জুন মাসে হয়ে থাকে। যেহেতু ঈদুল আজহার ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে দেওয়া হয়েছে। 



এই ছুটি সাধারণ এক মাস হওয়া কথা থাকলেও চলতি বছর শীত ও তীব্র গরমের কারণে বেশ কিছুদিন স্কুল বন্ধ ছিল। তাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ চাইলে ঈদের ছুটি এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি আলাদা করেও দিতে পারেন।



এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর সৈয়দ জাফর আলী বলেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে আমাদের ভিন্ন ভাবনা রয়েছে। তবে যেহেতু ঈদের ছুটি আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে শুরু হয়ে যাবে তাই আপাতত ঈদের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রীষ্মকালীন ছুটি দিতে পারে।


 গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে কোনো পরিবর্তন হলে তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর



৩০ বছরেও হালনাগাদ হয়নি ওষুধের তালিকা

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো দেশের মানুষ যাতে সুলভ মূল্যে কিনতে পারে, সে জন্য ১৯৯৩ সালে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ওষুধের তালিকা করেছিল সরকার ৩০ বছর আগে তৈরি করা ওই তালিকার অনেক ওষুধই এখন উৎপাদন করে না কোম্পানিগুলো ছাড়া চিকিৎসকেরাও ব্যবস্থাপত্রে আরও উন্নত কার্যকর ওষুধ লেখেন কিন্তু তালিকাভুক্ত না হওয়ায় এসব ওষুধ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে রোগীদের এই অবস্থায় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা জরুরি বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে প্রাইমারি, সেকেন্ডারি টারশিয়ারিএই তিন ভাগ করা আছে সে অনুযায়ী, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসকেরা প্রাইমারি হেলথ কেয়ার তালিকাভুক্ত ওষুধ লিখবেন সেকেন্ডারি পর্যায়ের চিকিৎসায় আরও একধাপ ওপরের ওষুধ লিখবেন আর টারশিয়ারি পর্যায়ে চিকিৎসায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ লেখা যাবে

রোগের ধরন অনুযায়ী প্রাইমারি হেলথ কেয়ার তালিকার ১১৭টি ওষুধকে ১৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে এসব জেনেরিক ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে অন্যান্য ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে নিজ নিজ কোম্পানি তালিকাভুক্ত ওষুধের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ তৈরির বাধ্যবাধকতা রয়েছে কোম্পানিগুলোর ওপর কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান এসব ওষুধ তৈরি করছে না ফলে তালিকার বাইরের ওষুধ কিনতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে রোগী স্বজনদের

হৃদ্রোগ-সংক্রান্ত চিকিৎসার জন্য ওষুধের আটটি জেনেরিকের নাম লেখা আছে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার তালিকায়, এগুলোর একটি হলো নিফিডিপিন এখন এর পরিবর্তে চিকিৎসাপত্রে অ্যামলোডিপিন জেনেরিকের ওষুধ লেখেন চিকিৎসকেরা ছাড়া অ্যাটেনোলোলের পরিবর্তে বিসোপ্রোলোল নেবিভোললের ব্যবহার হচ্ছে

সংক্রমণ প্রতিরোধে ক্লক্সাসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেটের পরিবর্তে ফ্লুক্লক্সাসিলিন ব্যবহৃত হয় এখন। আর সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের সমস্যায় ডায়াজিপাম ওষুধের পরিবর্তে ক্লোনাজিপাম, থায়োপেনটাল ওষুধের পরিবর্তে প্রোপফল ইনজেকশন ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ওষুধগুলো প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার হলেও তালিকা হালনাগাদ না হওয়ায় তা অন্তর্ভুক্ত হয়নি

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবু আজহার বলেন, সময়ের প্রয়োজনে উন্নত নতুন নতুন অনেক ওষুধ বের হয়েছে। কারণে প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের ওষুধ অনেকে লিখছেন না। এই তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। এটি করা না হলে ভুল ওষুধ প্রয়োগের ঝুঁকি তৈরি হবে

দেশে বর্তমানে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ তৈরি করছে ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৪ সালে দেশে জেনেরিক ওষুধ ছিল ৩৫০-৪০০টি। বর্তমানে এর সংখ্যা বেড়ে হাজারে পৌঁছেছে। কিন্তু সরকার কর্তৃক দাম নির্ধারণের ওষুধের তালিকা আর বাড়েনি

সম্প্রতি দেশের সর্ববৃহৎ ওষুধের পাইকারি বাজার পুরান ঢাকার মিটফোর্ড, বাবুবাজার বাদামতলী এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী এবং ফার্মাসিস্টদের সঙ্গে তালিকাভুক্ত ওষুধ নিয়ে কথা হলে তাঁরা বলেন, দেশে এখন নতুন নতুন ওষুধ তৈরি হচ্ছে। কারণে চিকিৎসকেরাও এসব ওষুধ আর ব্যবস্থাপত্রে লিখছেন না। ব্যবস্থাপত্রে না থাকায় কেউ ওসব ওষুধ দোকানে তুলছেন না

২৫০ শয্যা টিবি হাসপাতালের উপপরিচালক আয়েশা আক্তার বলেন, প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের অ্যামক্সোসিলিন, অ্যাম্পিসিলিন, টেট্রাসাইক্লিন ওসব ওষুধের কার্যকারিতা থাকলেও এখন থার্ড ফোর্থ জেনারেশনের ওষুধ দেশে এসেছে। কারণে অনেকে আগের ওষুধ লিখছেন না। তবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের তালিকা আপডেট করা উচিত।

বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির কোষাধ্যক্ষ হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হালিমুজ্জামান বলেন, ১১৭টি তালিকাভুক্ত ওষুধই দরকারি। এসব ওষুধের দাম না বাড়ানোয় কোম্পানিগুলো উৎপাদন করছে না। যারা করেছে, তাদের ৭০-৮০ শতাংশ লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হয়েছে। কারণে এসব দরকারি ওষুধ ভারত থেকে পাচার হয়ে দেশে আসছে। ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করার বিষয়ে গত ২১ এপ্রিল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শিল্পমালিকদের বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকে মন্ত্রী হালনাগাদ করার বিষয়ে তাগিদ দেন


আরও খবর



১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ৪৯.২৬ শতাংশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে সরকার।



গত অর্থবছরের (২০২২-২৩) একই সময়ে সংশোধিত এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৫০ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং তার আগের অর্থবছরে এ হার ছিল ৫৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ।


সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


আইএমইডির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপি বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে সরকার। 


এ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। ফলে দুই মাসে খরচের টার্গেট ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। এ সময়ে গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে।


আইএমইডি জানায়, একই সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ দশমিক ৩৩, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৪ দশমিক ৫৭, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪৯ দশমিক শূন্য ৯ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।



গত ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়নে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এগিয়ে রয়েছে, বাস্তবায়ন হার ৯৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ৮৩ দশমিক ১৪ শতাংশ, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৭ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগ ৬৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও বেসরকারি বিমান ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


কৃষি মন্ত্রণালয় ৫৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে। তবে, সবচেয়ে বেহালদশা দেখা গেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে। এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ১৭ শতাংশ। এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ২২ দশমিক ৮৮ শতাংশ।



আরও খবর



সুপার ওভার ম্যাচে শেষ হাসি নামিবিয়ার

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

টি-টৈয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনেই দুর্দান্ত এক লড়াই দেখলো ক্রিকেট বিশ্ব। সমশক্তির ওমান-নামিবিয়া ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। যেখানে শেষ হাসি হেসেছে নামিবিয়া। সুপার ওভারে ওমানকে ১১ রানে হারিয়েছে তারা। 

সোমবার (৩ জুন) বার্বাডোজে টস জিতে ওমানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নামিবিয়া। প্রথম ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি ওমান। নামিবিয়ার বোলিং তোপে ১৯ ওভার ৪ বলে ১০৯ রানে অলআউট হয় ওমান।



দলের পক্ষে খালিদ কাইল ৩৯ বলে ৩৪ ও জিসান মাকসুদ করেন ২০ বলে ২২ রান। নামিবিয়ার পক্ষে রুবেন ট্রাম্পলম্যান ৪টি ও ডেভিড উইজা নেন ৩টি উইকেট।


১১০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও নিকোলাস ডেভিন ও ইয়ান ফ্রাইলিঙ্কের ব্যাটে জয়ের পথেই ছিল নামিবিয়া। নিকোলাস ৩১ বলে ২৪ ও ফ্রাইলিঙ্ক ৪৮ বলে ৪৫ রান করেন।


এই দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর ওমানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে করতে সক্ষম হয় নামিবিয়া। ওমানের পক্ষে মেহরান খান নেন ৩টি উইকেট। সমতা থাকায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।


সুপার ওভারে ডেভিড উইজা ও এরাসমুসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২১ রান সংগ্রহ করে নামিবিয়া। উইজা ৪ বলে ১৩ ও এরাসমুস করেন ২ বলে করেন ৮ রান।


২২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উইজার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১ উইকেট হারিয়ে ১০ রান তুলতে সক্ষম হয় ওমান। ফলে ১১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নামিবিয়া।    






আরও খবর