Logo
শিরোনাম

ফ্রান্সে দারিদ্র্য বাড়ছে

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ফ্রান্সে অভাব-অনটন ও দারিদ্র্য বাড়ছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য নিয়ে বিভিন্ন শঙ্কার কথা জানিয়েছে একটি এনজিও।  বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা জানায়, ফ্রান্সে দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। খবর তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাকের।

ক্যাথলিক রিলিফ নামের একটি এনজিও তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফ্রান্সে ২০২১ সালে এ সংস্থার কাছে যারা সাহায্য চেয়েছিল, তাদের ৪৮ শতাংশ পরিবার এতই গরিব ছিল যে, তাদের নিজেদের খাওয়ার মতো কোনো অর্থ বা বাজেট ছিল না।

বিভিন্ন বিল পরিশোধ ও অনিবার্য খরচ চালানোর পর প্রতি দুই পরিবারের একজনের কাছে মাস শেষ করার জন্য ৩০৫.২ মার্কিন ডলার অর্থ ছিল। এটা ওই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য জনপ্রতি প্রতিদিন ৫.১৭ মার্কিন ডলার অর্থের নিশ্চয়তা দিচ্ছিল। অথচ এ সংস্থাটি বলছে, ফ্রান্সে একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অন্তত ৭.২৪ মার্কিন ডলারের খাদ্য দরকার।

বেসরকারি ত্রাণ সংস্থা ক্যাথলিক রিলিফের কাছে যারা সাহায্য নিচ্ছে, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নতুন। এর আগে অভাবগ্রস্ত ছিল না। ২০২২ সালের জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ এনজিওটির শঙ্কা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।


আরও খবর

থাইল্যান্ডে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

হেরে গেলেন মাহাথির

রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22




আত্রাইয়ে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ মিছিলে ককটেল হামলার অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর আত্রাইয়ে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ মিছিলে ককটেল হামলার অভিযোগ ওঠেছে। ওই হামলায় চারজন আহত হয়েছে বলে দলীয়ভাবে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দু’টি বিস্ফোরিত এবং একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ উপজেলা সদরের আত্রাই সেতুর কাছে।

আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আক্কাস আলী বলেন,শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাঁচুপুর গ্রামে বিএনপির লোকজন আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করে। ওই হামলার প্রতিবাদে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ থানা আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মী নিয়ে দলীয় অফিস থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আত্রাই সেতুর কাছে পৌঁছলে বিএনপি’র লোকজন পরপর তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে দু’টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে আমাদের চারজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেন সম্পাদক আক্কাস আলী। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। 

আত্রাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল জলিল চকলেট বলেন,আগামী ৩ডিসেম্বর রাজশাহী মহা সমাবেশে এই এলাকা থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অংশ নেবে।সেই প্রোগ্রামকে ব্যহত করতে এবং বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির লক্ষে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মী নিজেরাই ককটেল নিক্ষেপ করেছে। এছাড়া আওয়ামীলীগের লোকজন পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক বাবু হোসেনের একটি দোকানের সাটারও ভাংচুর করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

আত্রাই থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার বলেন,শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আত্রাই সেতুর নিকট থেকে তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি কিস্ফোরিত এবং একটি অবিস্ফোরিত ককটেল রয়েছে। 


আরও খবর



জনবল সংকটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


প্রায় ২৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসাস্থল নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ জন ও ইনডোরে আরও ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। নওগাঁর ১১ উপজেলা ছাড়াও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকেও লোকজন আসেন এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে। কিন্তু আশানুরুপ সেবা না পাওয়ায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় হাসপাতাল টি। তবে আগের ১০০ শয্যা হাসাপাতালের যে জনবল সেটা দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চলছে এখনো। এতে করে রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। আর উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার হাসপাতালে উপ-পরিচালক, শিশু, মেডিসিন, সার্জারি, ফরেনসিক, চক্ষু, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি ইমেজিং, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, গাইনি এ্যান্ড অবস, নাক-কান-গলা, প্যাথলজি, নিউরোসার্জারি, নেফ্রোলজি, ও মেডিকেল অফিসারসহ মোট ৪৫ চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ৩২ জন। ৮৬ জনের মধ্যে নার্স রয়েছেন ৭৮ জন। বর্তমানে ১৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে আউটডোর ও ইনডোরে সেবা দেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬/১৭শ’ এবং ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

এছাড়াও ১০০ শয্যার জন্য মঞ্জুরি করা পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিকস ও রেডিওলজি ইমেজিং, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি এ্যান্ড অবস, মানসিক, প্যাথলজি ও নেফ্রোলজি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার চক্ষু, রেডিওলজিস্ট এবং ইনডোর মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি ও মেডিসিন প্রতি পদে একটি করে শূন্য রয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৭৬ মঞ্জুরি পদের বিপরীতে জনবল আছে ১২১ জন।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সেবা প্রত্যাশীরা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বেড না পেয়ে মেঝে এমনকি বারান্দায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। অন্যদিকে, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল থেকে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি বাড়তি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

ইনডোরে রোগী দেখার পর ডাক্তার আউটডোরে গিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন। এতে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে আসাদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার চিকিৎসক না থাকায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।

নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছেন রমজান আলী। তার সঙ্গে আসা মেয়ে নিলুফা খাতুন বলেন, অর্থোপেডিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে এতই ভিড় বাবাকে যে পাশে কোথাও বসিয়ে রাখবো সেই ব্যবস্থাও নেই। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাবাকে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি। অন্যকোনো দিন আবার আসবো আর না হয় রাজশাহীতে নিয়ে যাবো।

একই অবস্থা মেডিসিন বিভাগের সামনেও, দীর্ঘ লাইনে প্রায় ৫০-৬০ জনের মত সেবাপ্রত্যাশী দাঁড়িয়ে আছেন। আমেনা বেগম নামে এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, দুইদিন হলো ঘুরে গেলাম। সেই সকাল ১০টায় এসেছি এখন ১২টা বেজে গেল। কিন্তু এখনও ডাক্তারের কাছে যেতেই পারলাম না। অনেকে বাধ্য হয়ে ফিরে গেছে। আমি চলে যাবো। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। একসাথে তিন -চারটি কক্ষে যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগী দেখতেন, তাহলে এতো ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

হাসপাতালের নতুন ভবনের সার্জারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে মেঝেতে ও বাড়ান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কামরুল হোসেন নামে একজন বলেন, আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছে। বেড সংকট তাই মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। কি আর করার, বাধ্য হয়েই এসেছি সরকারি হাসপাতালে।

রেনুকা বেগম নামে এক রোগী বলেন, বেড নাই তাই বারান্দা থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসা পাওয়াতো আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু চিকিৎসাটাও ভালো ভাবে পাই না আমরা। বারান্দায় এভাবে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা বুঝাবো কি করে? টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মিলাদুল ইসলাম এসে ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়েছে। আর বেশি ভাগ ওষুধ বাইরে থেকেই কিনতে হয়েছে।

নওগাঁ নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ.কে.এম ফজলে রাব্বী বকু জানান, ২৮ লাখ মানুষের ভরসা নওগাঁ সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক সংকটের কারণে যদি কেউ সময়মত সেবা না নিতে পারে তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক কি আর হতে পারে। হাসপাতালে যদি সেবার মান ভালো না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে সেবা নিতে? চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের সার্বিক সমস্যা দূর করে যেন সেবার মান বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানান তিনি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যা বলা হলেও ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালাতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তাও এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬শ' জন ও ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য চাহিদা পত্রের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি চাহিদা গুলোর অনুমোদন পেলে ডাক্তার, সেবিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো সহ সার্বিকভাবে সেবার মান আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




লালমনিরহাট আদিতমারিতে যৌতুকের জন্য

ছোটভাইয়ের স্ত্রীকে নির্যাতন বাড়ী থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

লালমনিরহাট আদিতমারি থানার ভাদাই টাউরাশের বাজার নামক এলাকায় সদ্য বিবাহিত ছোটভাইয়ের স্ত্রীকে নির্যাতন করে বাড়ী থেকে বের করে ওই এলাকার চেয়ারম্যান কৃষ্ণ কান্ত রায় বিধুরের সহযোগিতায় ওই নববধূকে প্রথমে  জোড় পূর্বক ভাদাই ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসেন৷ এবং হুমকি প্রদান করার অভিযোগ উঠছে।  

অভিযোগ এও উঠছে যে, লালমনিরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মচারী অশোক দীর্ঘদিন ধরে লালমনিরহাট সদরের নবীনটারি রাধা নগরের মানসিক ভারসাম্যহীন সুনিল চন্দ্র রায়ের একমাত্র কন্যা নমিতার সাথে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরে অশোকের বড়ভাই গোপাল মেয়ের বাপ ও প্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে ২০লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি জানায়। 


এ বিষয়ে টাকা দিতে অসম্মতি জানালে অশোক পারিবারিক ভাবে মিমাংসা করে তার স্ত্রী নমিতাকে তার বাড়ীতে নিয়ে যাবার কথা বলে তালবাহানা শুরু করলে অদ্য ২৫ নভেম্বর সকালে নমিতা অশোকের বাড়ীতে যায়। অশোক তার বড়ভাইয়ের বেধে দেয়া কুড়ি লাখ টাকা যৌতুক না দিলে কয়েকজন কুচক্রী মহলের ইন্ধনে বিবাহিত স্ত্রীকে গ্রহন করতে অসম্মতি জানায়। 

উক্ত নারী তার স্বামীর স্বীকৃতি ও  অধিকার আদায় করতে চান।  

তাতেও বাঁধ সাজে গোপাল সহ কয়েকজন কুচক্রী মহল।  খবর দেয় আদিতমারি থানা পুলিশকে।  উক্ত বিষয়ে ওই থানার ওসি মোক্তারুল ইসলামের সাথে একাধিকবার মুঠো ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত ফোন রিসিভ না করাশ তার মতামত পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



আঘাত মানুষকে কষ্ট দেয় না মানুষকে বদলে দেয়

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ ঃ

আঘাত মানুষকে কষ্ট দেয় না মানুষকে বদলে দেয়। কথাটা অদ্ভুত মনে হলেও সত্য। যেটাকে আমরা আপাত দৃষ্টিতে নেতিবাচক শব্দ হিসেবে দেখি সেটার ইতিবাচক শক্তি নেতিবাচক শক্তির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যা দেখি তা ভাবি না।

আবার আমরা যা ভাবি তা দেখি না। আঘাতটাও ঠিক এমন একটা বিষয়। যেটাকে দেখা যায় না, ভাবা যায় না কিন্তু সেটা এসে আবার দেখা ও ভাবনার দরজায় এসে কড়া নেড়ে কিছু বলে যেতে চায়। সেটা হয়তো অনেক কঠিন, অনেক বাস্তব তারপরও সেটাতে উপসংহার টানাটা ঠিক নয়। না শব্দটাকে প্রথম দেখাতে নেতিবাচক মনে হতে পারে। কিন্তু না শব্দটার মধ্যে ইতিবাচকতার প্রভাব এতটাই বেশি যে সেটাকে কোনো গন্ডির মধ্যে বেঁধে রাখা সম্ভব নয়। তারপরও হ্যা বলাটা যতটা সহজ না বলাটা ততটাই কঠিন। আঘাতকে যখন আমরা না বলি তখন আঘাতটা চিৎকার করে জানিয়ে দেয় সে কতটা মহামূল্যবান হয়ে উঠতে পারে। অনেকটা রহস্য হয়তো আঘাতে থাকে, অনেক আধো আলোয় আবছা ছায়াও হয়তো তাতে থেকে যায়, তবু কিছু অব্যক্ত সুর সেখানে দোতারা বাজায়। যেমন কবি শঙ্খ ঘোষ বলছেন 

হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয়

সারা জীবন বইতে পারা সহজ নয়

এ কথা খুব সহজ, কিন্ত কে না জানে

সহজ কথা ঠিক ততটা সহজ নয়...

পৃথিবীতে কোনো কিছুই সহজ নয়। সহজ কথাটাও অনেক কঠিন। অনেকটা শক্ত পাথরের মতো। অনেকটা কাচ দিয়ে কাটা অসহায় হীরার মতো। যা  বুকটার টুটি চেপে ধরে আঘাতে আহত মানুষের মানুষটাকে জাপটে ধরে। আঘাতের পর আঘাত তখন মানুষকে মানুষ হয়ে উঠবার প্রেরণা যোগায়। তখন  আঘাত যতটা কঠিন বলে মনে হয় আঘাতের উল্টো পিঠটা ঠিক ততটাই  সহজ হয়ে উঠে। আঘাত পেয়ে মানুষের চোখের জল যখন মাটিতে গড়িয়ে পড়ে তখন কঠিন পাহাড়ের আঘাতের বোঝাটা হালকা হয়। হালকা মানুষের হালকা মনে তখন অনেক নতুন পথের স্বপ্ন তৈরী হয়। একটা ক্ষুধায় কাতর মানুষ যখন একমুঠো ভাতের জন্য মানুষের দ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হয় তখন সে আঘাত প্রতিঘাত হয়ে তাকে বেঁচে থাকবার পথ দেখায়। সে পথটা হয়তো অনেক কঠিন কিন্তু সে পথকে জয় করা অসম্ভব কিছু নয়। একটা ক্ষুধার্ত  মানুষই পারে খাদ্যের মূল্য বুঝতে। সেই বোধটা  তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়, সেটার অভাব পূরণের পথটা খুঁজতে সে মুখিয়ে উঠে । তার ক্ষুধার জ্বালা থেকে তৈরী হয় নতুন ফসলের  উৎসব। নতুন চিন্তার উৎসব। যে আঘাত যত বড় সে আঘাতের শক্তি তত জোরালো।

প্রফুল্ল রায়ের থ্রিলার উপন্যাস আঘাত। যে উপন্যাসে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলে নানা ঘাত প্রতিঘাত এবং লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। মানুষের জীবনে আঘাতটাও তেমনি থ্রিলার উপন্যাসের মতো। যা হেটে হেটে যায় তবে শেষটা কি হবে হয়তো তা কেউ জানে না। কেউ কেওই বলেন অস্ত্রের আঘাত শুকিয়ে যায় কিন্তু কথার আঘাত শুকায় না। না শুকানোই ভালো। কারণ একটা তরতাজা আঘাত মানুষকে হয়তো সাময়িক কষ্ট দেয়। তবে সেই কষ্ট একদিন মানুষকে বাস্তবতা শিখিয়ে দিয়ে খাঁটি সোনা বানায়।

আমরা মানুষ। খুব সাধারণ হয়তোবা। একটু আঘাতের ধাক্কা খেয়ে ভাবি, আঘাত এলে আমরা ভেঙে পড়ব। হারিয়ে যাব। কিছুই আর থাকবে না। এটা আসলে আমাদের ভাবনা কিন্তু ভাবনাটা যদি জেদ হয়ে ইতিবাচক মনটাকে জাগিয়ে তোলে তখন আঘাত ভেঙে ভেঙে ইতিহাস গড়ে। সে ইতিহাসের পথ মাড়িয়ে মানুষ হেটে যায় বিজয়ের পথে। স্বপ্নের পথে। যে স্বপ্নটা স্বপ্ন নয়, স্বপ্নের চেয়ে আরো বড় কিছু। যা প্রতিদিনের ছোট ছোট আঘাতে মানুষকে মানুষ বানায়। তখন মানুষ স্বপ্নের পিছনে ছোটে না, স্বপ্ন মানুষের পিছনে ছোটে। 

গ্রামের  রাস্তা পেরিয়ে আঘাত শহরের রাস্তায় নামুক।  এরপর শহরের পর শহরে তারাবাতির উজ্জ্বল আলোয় আঘাত প্রত্যাখ্যাত হয়ে মহাবিশ্বের কোথাও এসে মহাবিস্ময় তৈরী করুক। কপালে ভাঁজ পড়া মানুষের কপলাটা প্রচণ্ড আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয়ে ভাগ্যের চাকাটা ঘুরিয়ে ফেলুক চোখের পলকে। যেমন বদলে চলেছে আঘাতে বদলে যাওয়া মানুষের দিনপঞ্চি আর ঘড়ির কাটা। আঘাত থেকে শিক্ষা নিতে হয়, নিজেকে কংক্রিটের মতো ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে হয়। ভাঙা গড়া, উত্থান পতন, ঘাত প্রতিঘাত থাকুক না কেন, সময়ের কাছে সেটাই মানুষ শিখুক যেটায় আঘাত আছে। ফুলের যেমন কাটা আছে।


আরও খবর



মিরপুরের বাসে শুরু হয়েছে ই-টিকেটিং

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

২৭টি কোম্পানি এক যোগে চালু করলো ই-টিকেটিং ব্যবস্থা। রাজধানীর মিরপুরের বাসগুলোতে এই পদ্ধতি চালু করে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

চার্ট অনুযায়ী আদায় করা হচ্ছে ভাড়া। স্বস্তি ফিরেছে যাত্রীদের মাঝে। যাত্রীরা বলছেন এর ফলে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার যে অভিযোগ ছিল তা এখন অনেকটাই কম। ৩০টি বাসের এই পদ্ধতি চালু করার কথা থাকলেও শুরু হয়েছে ২৭ টাইট। বাকি তিনটি কোম্পানিতে শিগগিরই চালু করার কথা জানিয়েছে বাস মালিক নেতারা। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর এলাকায় ৮টি কোম্পানির বাসে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছিলো ই-টিকেটিং ব্যবস্থা। 


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২