Logo
শিরোনাম

ফুলবাড়িতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

উত্তম কুমার মোহন্ত, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে,তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাকে কেন্দ্রকরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে আহত করে ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় ঘটনাটি ঘটেছে,২৬ (জুলাই) মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চর-গোড়ক মণ্ডল আনন্দ বাজার এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানাযায়,আহত ঐ যুবক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়২৭(জুলাই)বুধবার রাত নয়টার দিকে মৃত্যু হয় মজিদুলের।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,হাছেন আলী ও গোড়ক মন্ডল ওয়ার্ড সদস্য আয়াজ উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে আহত যুবক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। নিহত যুবক চরগোড়ক মন্ডল এলাকার আবেদ আলীর ছেলে, মজিদুল ইসলাম (৩৩)।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় ও নিহতের স্বজনদের নিকট জানাযায়,গোড়ক মন্ডল এলাকায় এক সময়ের পিলার ব্যাবসায়ী নামে খ্যাত, মাদকের ডিলার, জুয়া ও মদের আসর সহ- চরাঞ্চলের বিভিন্ন অপকর্মের হোতা,অত্র এলাকার জনৈক  জেল হোসেনের ছেলে হারান মিয়া (৪৩) এর নেতৃত্বে ১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ জুয়াড়ি চক্র এলাকার লোকজন ও প্রশাসন কে কোন রকমের তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত চরাঞ্চলে জুয়া ও মদের আসর বসাতেন।

এরেই সূত্র ধরে ২৬(জুলাই)মঙ্গলবার রাতে, হারান মিয়া ও তার সহযোগী জায়েদুল হক যোগসাজশে ফুঁসলিয়ে ফাসলিয়ে একই এলাকার আবেদ আলীর ছেলে মজিদুল ইসলাম (৩৪)কে জুয়া খেলতে নিয়ে যায়, খেলার এক পর্যায়ে রাত অনেক গভীর হলে মজিদুল বাড়ি আসার কথা ব্যক্ত করলে হারান গংদের সাথে বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।রাত দুইটার দিকে বাড়ি ফেরার পথে জাইদুল হক ও হারান মিয়া গংরা মজিদুল কে, আটক করে তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে, হারান  মিয়ার হাতে থাকা ছুরি মজিদুলের পেটে বসিয়ে দিলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

রক্তাক্ত অবস্থায় আহত মজিদুল ইসলাম কে তার সহযোগী তৈয়ব আলীসহ-স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে আসলে অবস্থার বেগতিক দেখে ভোর রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান।২৭(জুলাই)বুধবার 

রাত নয়টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গোড়ক মন্ডল এলাকার বাসিন্দা সুলতান মাহমুদ,শফিকুল ইসলাম জানান, প্রতিনিয়ত আনন্দ বাজার চড় এলাকায়,জুয়া খেলা ও মদের আসর বসাতো১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ চক্রের প্রধান অত্র এলাকার  জেল হোসেনের ছেলে,হারান মিয়ার নেতৃত্বে।সেই জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে মজিদুল কে, ছুরিকাঘাত করে খুনি হারান। এবং তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় খুনি হারান মিয়া ও তার দোসররা আমরা এলাকাবাসী খুনি হারান  ও তার দোসরদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এব্যাপারে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফজলুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এক যুবক ছুরিকাঘাতে আহত হন।পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। আমরা লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আরও খবর

ফকিরহাটের জন্য সম্মান বয়ে আনলেন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




কু‌মিল্লা জেলা প‌রিষদ নির্বাচ‌নে

আওয়ামীলী‌গের ম‌নোনয়ন পে‌লেন ম‌ফিজুর রহমান বাবলূ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা পেয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু যিনি একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিক, প্রখ্যাত আইনজীবী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। 

১৯৪৬ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেওয়া বাবলু তার মামা আওয়ামী লীগ সহ -সভাপতি কাজী জহিরুল কাইয়ুমের হাত ধরে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাজনীতির পথে পা বাড়ান। তারপর ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত ছিলেন অবিভক্ত কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

সে সময় জাতির পিতা ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ছয়দফা আন্দোলনে অংশ নেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে অংশ নেন ডাকসুর সদস্য হিসেবে। সত্তরের নির্বাচনে দলের হয়ে কাজ করেন। অংশ নেন একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদকের।

পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। ১৯৮২ ও ১৯৮৮ সালে দলীয় কর্মসূচি পালনকালে বিএনপি ও ফ্রিডম পার্টির নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মফিজুর রহমান বাবলু ছিলেন ২ নাম্বার সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। আগরতলার রাধানগরে যুব মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তিনি সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় চৌদ্দগ্রামে তার নিজের বাড়িটি ছিল মুক্তিবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প। আওয়ামী লীগের নেতারাও বিভিন্ন সময়ে সেখানে বৈঠকে মিলিত হতেন। তার আরেকটি পৈতৃক বাড়িসহ এ দুটি বাড়িতে প্রায়ই পাকিস্তানি বাহিনী হানা দিত। একপর্যায়ে পাকিস্তানিরা একটি বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। মুক্তিযোদ্ধা বাবলুর চার চাচা সেই আগুনে শহীদ হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি মফিজুর রহমান বাবলু নিজেকে জড়িয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিনেট সদস্য কুমিল্লা ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন ও কুমিল্লা ক্লাবের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য। লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, কুমিল্লা লায়ন্স ক্লাব, কুমিল্লা কালচারাল কমপ্লেক্সের সঙ্গে জড়িত বাবলু কুমিল্লা শহর ও চৌদ্দগ্রামে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন। বৈশিক মহামারি করোনায়  ক্ষতিগ্রস্ত আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছিলেন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু। 

বঙ্গবন্ধু অন্তঃপ্রাণ পঁচাত্তর বছর বয়সি এ মুক্তিযোদ্ধার চাওয়া বঙ্গবন্ধুকন্যার হাতে পূর্ণতা পাক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা। প্রধানমন্ত্রীর সহযোদ্ধা হয়ে নিজেকে সেই কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম।

 শ‌নিবার বিকেল ৪ টায় গণভবনে আওয়ামীলীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় সিদ্ধা‌ন্তে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম। ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 আগামী ১৭অক্টোবর কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে ইতোমধ্যে ১৫ জন ব্যক্তি দলীয় মনোনয়নের আবেদন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি‌লেন।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে ব্রিজ ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ দুর্ভোগে এলাকাবাসী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর মন্ডলগ্রামের ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রিজের দুই পাড়ের প্রায় ৫ হাজার লোকের দুর্ভোগ চরমে পৌঁচেছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রীবাহি যানবাহন। 

সরজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার চরমন্ডল ও চর লামচী গ্রামের সীমানায় ওহাবদা খালে একটি সাখা খাল রয়েছে। এ খালের দুই পাশে রয়েছে চর লামচী-চর মন্ডল,দালাল বাজার,চররুহিতা বাজারসহ ১০টি গ্রাম। গ্রামের মানুষদের চলাচলের একমাত্র যাতায়াতের রাস্তা এ ঝুঁিকপূর্ণ ব্রিজটি। 

এ ছাড়া ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন চলচল করছে রসূলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়,মাদ্রসা,প্রাথমিক বিদ্যালয়,দালাল বাজার কলেজ,লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ,আলীয়া মাদ্রাসা,কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুর ন্যাশানাল স্কুল এন্ড কলেজ এর অসংখ্য শিক্ষার্থী।

এ ব্রিজ দিয়ে যাতায়াতকারী লক্ষ্মীপুর আলীয়া মাদ্রাসার ছাত্র ইয়ামিন হোসাইন বলেন, ব্রিজ ভাঙার আগে লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস ছাত্র-ছাত্রীদের আনা নেয়ার কাজে এখানে আসতো। ব্রিজ ভাঙার কারনে গাড়ী চলতে না পারায় বাস আসছেনা। 

এলাকার বসবাসরত এলাকাবাসি সিরাজ মিয়া,আবুল কাশেমসহ অনেকেই জানান,অনেক সময় কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে রোগীনিতে কোন যানবাহন পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক কষ্ট করে চিকিৎসার জন্য রোগী নিতে হচ্ছে। 

স্থানীয় এলাকাবাসি জানান,ব্রিজটির মাঝখানে ভাঙা থাকায় প্রতিনিয়তই গাড়ী চলাচলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গাড়ী উল্টে যায়। প্রায় দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীরা। ব্রিজটি পুন: নির্মাণ করার দাবী তাদের। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কাজ হয়নি এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

তবে স্থানীয় ( ওয়ার্ডের  ) মেম্বার নুরে আলম পাটওয়ারী ও অপর ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশার জানান,ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় গত ছয়মাস ধরে এলাকার মানুষ খুব কষ্টে যাতায়াত করছেন। 

এ সড়ক দিয়ে ব্রিজ হয়ে যাতায়াতকারী টিপু পাটোওয়ারী জানান, তিনি ইতিপূর্বে এ ব্রিজটি ব্যাক্তি উদ্যোগে কাঠ দিয়ে মেরামত করেন। ভারি যানবাহন চলাচল করায় সেই মেরামতটিও ভেঙে যায়। এর পর থেকে আর ব্রিজ নির্মাণে কেউ এগিয়ে আসে নাই। ব্রিজটি নির্মাণের ব্যাপারে এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। 

রসূলগঞ্জ বাজারের সেক্রেটারি মো: নুরল ইসলাম টিপু জানান,আগে চর অঞ্চলের মানুষ রসূলগঞ্জ বাজারে আসতো তখন ব্যাবসা বাণিজ্য ভালো ছিলো। ব্রিজ ভাঙার কারনে অনেকেই এ বাজারে না এসে অন্য বাজারে চলে যাচ্ছে। এতে করে বাজারে ব্যবসায়ীদের দিন দিন বেচাকেনা কমে যাচ্ছে।  

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন পাটোওয়ারি জানান,ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ আসা-যাওয়ায় কষ্ট পাচ্ছে। ব্রিজটি নির্মাণের জন্য এলজিইডির নির্বাহি প্রকৌশলীর নিকট আবেদন করা হয়েছে। 

এলজিইডির নির্বাহি প্রকৌশলী মো: শাহ আলম পাটোওয়ারি জানান, বরাদ্ধ আসলে ব্রিজটি নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহবান করা হবে। 


আরও খবর

ফকিরহাটের জন্য সম্মান বয়ে আনলেন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি দিল্লির ইন্দির গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখাতে তাকে সম্মাননা জানানো হয়। 

প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, অভিন্ন নদ-নদীর পানি বণ্টন ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা আলোচ্যসূচির শীর্ষে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সফরের এজেন্ডার শীর্ষে উভয় দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও উন্নত করা, আঞ্চলিক সংযোগের উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করার বিষয়টিও রয়েছে বলে জানিয়েছে এএনআই।

বার্তা সংস্থাটি বলছে, করোনা মহামারি শুরুর পর এবারই প্রথম ভারত সফর করছেন শেখ হাসিনা। সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করবেন। এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তিনি।

এর পাশাপাশি ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সফরের সময় শেখ হাসিনার আজমীর শরীফ সফরেরও সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফেরার আগে রাজস্থনের খাজা গরীব নওয়াজ দরগাহ শরীফ, আজমীর (আজমির শরীফ) এবং সোমবার ভারত সফরের প্রথম দিনে দিল্লিতে নিজামুদ্দিন আউলিয়া দরগাহ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এএনআই বলছে, ভারত ও বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি সংযোগ উদ্যোগ পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার একটি মডেল তৈরি করেছে। আখাউড়া-আগরতলা রেল সংযোগ শিগগিরই পুনরায় চালুর পাশাপাশি আগরতলা ও চট্টগ্রাম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আকাশপথে সংযুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া শেখ হাসিনার সফরে কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




পাসপোর্ট সঙ্কটে ভোগান্তি চরমে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

 পাসপোর্টে ভুল দুরকম হয়। প্রথমত, আবেদনপত্রে গ্রাহকের ভুল। দ্বিতীয়ত, গ্রাহক ঠিক থাকলেও অফিসের ভুল। ভুল যে কারণেই হোক, দায়ভার চাপানো হয় গ্রাহকের ওপর। টাকা গচ্চা যায় গ্রাহকেরই। পাসপোর্ট অফিসের ভুলের দায় অফিস নিচ্ছে না।

এতে ভোগান্তির শিকার এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে অনেককেই। রাজধানীর আগারগাঁওসহ দেশের প্রতিটি পাসপোর্ট অফিসেই এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের ভুলের মাশুল দিতে হচ্ছে আবেদনকারী বা গ্রাহককেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাতের লেখার যুগ, এমআরপির যুগ পেরিয়ে বর্তমানে ই-পাসপোর্টের যুগে প্রবেশ করলেও ভুল থেকেই যাচ্ছে। গ্রাহকের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হচ্ছে, নতুন পাসপোর্ট করতেও যত লাগে, ভুল সংশোধন করতেও ততই লাগে। এক পয়সাও কম নেয়া হয় না। কোন দেশেই এমন নিয়ম নেই। সবচেয়ে বেশি ভুল হয় আগের পাসপোর্ট ও এনআইডির মধ্যে মিল না থাকায়। নতুন নিয়মে পুরনো পাসপোর্টে বিদ্যমান নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম এবং জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে এখানে।

অনেকেরই দেখা যাচ্ছে, পুরনো পাসপোর্টের নামের সঙ্গে এনআইডির নাম মিলছে না। জন্ম তারিখের তারতম্য ঘটছে। তখন এনআইডি অনুযায়ী পাসপোর্টের নাম সংশোধন না করে বলা হচ্ছে, এনআইডি সংশোধন করার জন্য। এনআইডি সংশোধন করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পাড়তে হচ্ছে গ্রাহককে। আবার এনআইডি সংশোধন করে আনার পরও সেটা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে সংশোধিত এনআইডির পরিচয়পত্র আকারে কপি চাওয়া হচ্ছে। অথচ, সার্ভারে কিন্তু এনআইডি সংশোধিত আকারে আছে। আবার এসব সংশোধন করতে গিয়ে এতসব কাগজপত্র জোগাড় করতে বলা হচ্ছে যে, সেসব জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কাগজ জোগাড় করতে আদালত পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত। এনআইডি থাকার পর এত কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, তা পুনরায় বিবেচনা করা দরকার। পাসপোর্ট পেতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয় সাধারণ মানুষ। অথচ, তারাই দুর্ভোগের শিকার হয়ে বাড়তি টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করে বিদেশে গিয়ে দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছে। তাই এই সাধারণ মানুষের পাসপোর্টপ্রাপ্তি সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার জন্য আলাদা সেল করা উচিত বলে মনে করছেন অনেকে।

বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এ সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছে। জন্ম তারিখ সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এসএসসির সার্টিফিকেট অথবা জেএসসির সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে থাকলে অনলাইন কপি, বিবাহিত হলে নিকাহনামা- এগুলো প্রয়োজন হবে পাসপোর্টের জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্য। আর জন্ম তারিখ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হলে সংশোধন করতে পারবেন। পাসপোর্টে বাবা-মায়ের নাম সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এইচএসসি অথবা এসএসসির সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের কপি লাগবে।

পাসপোর্টের মধ্যে কেউ যদি পেশা পরিবর্তন করতে চান, তবে দিতে হবে কর্মক্ষেত্রের প্রত্যয়নপত্র। আর এর সঙ্গে জমা দিতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রের ফটোকপি। কেউ যদি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান, সে ক্ষেত্রে আবার নতুন করে পুলিশ প্রতিবেদন লাগবে। তবে, বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য বা সংশোধনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোন নিয়ম নেই। যদি বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করতে চান, তাহলে পাসপোর্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে নিকাহনামা দিতে হবে।

ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রথমেই ব্রাউজার ওপেন করে সার্চ করে পাসপোর্ট সংশোধন ফর্ম বা পাসপোর্ট সংশোধন-সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনটি লিখে সার্চ করার পর প্রথমে যে ওয়েবসাইট আসবে, ওই ওয়েবসাইটে ঢুকে পাসপোর্ট সংশোধন ফর্ম ডাউনলোড করে নিতে হয়। এই ফর্মটির সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করতে হয়। তারপর পাসপোর্ট সংশোধনের আবেদন ফর্মের এই বক্সের মধ্যে যেই ব্যাংকে জমা দেয়া হবে, সেই ব্যাংক থেকে একটি চালান বা রিসিট নিয়ে এবং এখানে ফি তথ্য বসাতে হয়। তারপর এই আবেদন ফর্ম এবং অন্যান্য সব ডকুমেন্ট একসঙ্গে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে ২১ দিনের মধ্যে গ্রাহকের মোবাইল নাম্বারে মেসেজ যায় সংগ্রহ করার।

সংশোধনের অপশন তো পাসপোর্ট প্রিন্ট হওয়ার আগেই আবেদনকারীকে দেখা ও যাচাই-বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়। এ পদ্ধতিতে তো ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে না। যদি হয়েও থাকে, সেটা হাজারে একটা কি দুটো হতে পারে। আগের মতো অর্থাৎ হাতে লেখার সময় বা এমআরপির মতো এত ভুল হয় না এখন। কাজেই ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সব সঠিক নয়। হ্যাঁ ভুল হয়, সেটা আবেদনকারীর ভুল পূরণের জন্যই। এ দায়তো অফিস নেবে না।

প্রবাসীদের পাসপোর্ট ভোগান্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশে-বিদেশে যেখানেই হোক- পাসপোর্ট তৈরিতে এখন প্রধান ডকুমেন্ট জাতীয় পরিচয়পত্র। তথ্য জটিলতার কারণেই দেরি হচ্ছে পেতে। ইউরোপে যারা আছেন, তারা একটা নাম দিয়ে পাসপোর্ট করে আগে নিয়ে গেছেন, কিন্তু তার দেশের সম্পত্তি বা সবকিছু অন্য নামে।

১৮ বছর পর সবাইকে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী পাসপোর্ট করতে হবে। দেখা যাচ্ছে পরিচয়পত্র হয়েছে এক নামে, আর পাসপোর্ট করা হয়েছে অন্য নামে। এখন রিনিউ করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী দিলে তিনি পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। অথচ পাসপোর্ট হয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী। এই সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়, সেটা নিয়েও কাজ চলছে। অর্থাৎ গ্রাহকের কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ।

 


আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে ডেমরায় সমাবেশ ও চার থানা কমিটি ঘোষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

হাসিবুল ইসলাম: সোমবার বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের রাজধানীর ওয়ারী জোনের আওতাধীন ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে আয়োজিত সাংবাদিক নির্যাতন ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। তিনি সরকারকে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ণসহ ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে জোড়ালো আহবান জানান। দেশে অহরহ সাংবাদিক নির্যাতন ঘটনা যেন থামছেইনা। সাংবাদিক সুরক্ষা আইন না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। 

উদ্বোধনী বক্তব্যে রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম সাদ্দাম যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, কেন্দ্রীয় কমিটি। সদস্য সচিব সেলিম নিজামির সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি ছিলেন এশিয়ান টিভির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ (সিআইপি)। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শফিকুর রহমান, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৬৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহমুদুল হাসান পলিন, চিত্রনায়ক যুবরাজ খান, বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ খায়রুল আলম,সদস্য আমির হোসেন, পূর্বাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি ওমর ফারুক জালাল, স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম খান, শরিফুল ইসলাম বিপ্লব।


অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মুন্সি মোঃ আল ইমরান, রফিকুল ইসলাম, রেজাউল করিম,  মোঃ সাইফুল ইসলাম পারভেজ, রেভা খান, সুমন খান,  মনির হোসেন, সভায় নেতৃবৃন্দ সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত হামলা, নির্যাতন, জেল জরিমানার নীল নকশার কালো আইন বাতিল, সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নসহ ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার এবং গণমাধ্যম মালিকদেরকে আন্তরিক হওয়ার আহবান জানানো হয়। সমাবেশে ওয়ারী জোনের ৪টি থানার কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের মাঝে একটি বৃহৎ ঐক্যের সুচনা করা হয়। যাত্রাবাড়ী থানা কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি  মোঃ সাইফুল ইসলাম পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক মুন্সি আল ইমরান নির্বাচিত হন, শ্যামপুর থানার সভাপতি মোঃ সহিদুল ইসলাম জনি সাধারণ মোঃ মনির নির্বাচিত হন। ডেমরা থানার সভাপতি সেলিম নিজামী ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কদমতলী থানার সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন  ও ইঞ্জিনিয়ার হাসান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

সমাবেশ শেষে বিভিন্ন শিল্পীর অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


আরও খবর

ফকিরহাটের জন্য সম্মান বয়ে আনলেন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২