Logo
শিরোনাম

ফুটপাত দখলকারিদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

রাজধানীর ফুটপাত অবৈধভাবে দখল ও বিক্রি করার সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র বলছে, ফুটপাত বিক্রি ও অবৈধ দখলকারীদের সঙ্গে কারা কারা জড়িত, তা আগামী ১৩ মে'র মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে জানানোর জন্য বলেছেন আদালত। এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে আজ হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আরও খবর



তারল্য সংকট ব্যাংক ঋণে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার এবং তারল্যসংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণে। পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। 


এপ্রিলে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা বিগত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তার আগে মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যের নিচে নেমে এসেছে। 


আর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৬২ শতাংশ। এরপর টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।



একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঋণ বিতরণ বেড়েছিল। কিন্তু ঈদের পরেই এপ্রিলে এসে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আর অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 


আবার গত বছরের জুলাইয়ের পরই ঋণের সুদহার বেড়েছে অনেক বেশি। জুনের পর সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেওয়ার পরই তা ক্রমান্বয়ে বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সে জন্য ব্যবসায়ীরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদহারকেও বিবেচনায় নিয়ে কম ঋণ নিচ্ছেন। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে ঋণ বন্ধ রেখেছে। 


এজন্য ঋণের প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে কমছে। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে ডলারের রেট বাড়ছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি করার ক্ষেত্রে নানা হিসাব করছেন; যার কারণে ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাসে একটা প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এই ঋণ বিতরণের হার কমে মে মাসে দাঁড়ায় ১১.১১ শতাংশ। জুন মাসে প্রবৃদ্ধির হার কমে হয় ১০.৪০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.২৮ শতাংশ। 


আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৭৫ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৬৯ শতাংশ। তবে অক্টোবরে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০.০৯ শতাংশ হয়। পরে নভেম্বরে কমে তা হয় ৯.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বরে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.১৩ শতাংশে। 


এরপর আবার কমতে শুরু করে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯.৯৫ শতাংশ এবং ৯.৯৬ শতাংশে। কিন্তু মার্চে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি। 


মার্চে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। তার পরের মাস এপ্রিলে আবার কমে তা এক ডিজিটের ঘরে নেমে আসে। এ মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯.৯০ শতাংশ।


আরও খবর



খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১১ জুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে ডেস্ক:



নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।



মঙ্গলবার (১৪ মে) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত (অস্থায়ী) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ চলে। 


খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় এদিন তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া হাজিরা দেন।


এদিন জব্দ তালিকার সাক্ষী আব্দুল বাকী আদালতে সাক্ষ্য দেন। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন তাকে। তবে আব্দুল বাকীর জেরা শেষ হয়নি। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।


খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


এর আগে গত বছরের ১৯ মার্চ একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ২০০৭ সালে নাইকো দুর্নীতি মামলাটি দায়ের করে দুদক। দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেছিলেন। 


২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার বাকি আসামিরা হলেন- দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।


এর মধ্যে এ কে এম মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।


দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে সরকারে থাকাকালে খালেদা জিয়াসহ বেশ কয়েকজন ক্ষমতার অপব্যবহার করে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোকে অবৈধভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সুবিধা পাইয়ে দেন।


 অভিযোগপত্রে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা লোকসানের অভিযোগ আনা হয়।


আরও খবর



বাংলাদেশের অনেক সন্ত্রাসী কাঠমান্ডুকে ব্যবহার করছে: ডিবিপ্রধান

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেছেন, শাহীনের সহকারী সিয়াম নেপালে আটক হয়েছে বলে শুনেছি। 


হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার পর অন্যান্য আসামিদেরও নেপালে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ইদানিং বাংলাদেশের অনেক সন্ত্রাসী কাঠমান্ডুকে ব্যবহার করছে।


শনিবার (১ জুন) সকালে হত্যাকাণ্ড তদন্তে নেপালে রওয়ানা দেয় ডিবির একটি দল। সে সময় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন হারুন অর রশিদ।


তিনি বলেন, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত কেউ কাঠমান্ডু থাকতে পারে। আবার কেউ সেখান থেকে অন্য দেশে চলে যেতে পারে। আগেও সন্ত্রাসীরা নেপালে পালিয়ে থেকেছে। অনেক আসামি কাঠমান্ডুকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে থাকে।


হারুন আরও বলেন, ইন্টারপোলকে ইতোমধ্যে চি‌ঠি দেওয়া হয়েছে। কাঠমান্ডু পু‌লি‌শের সাথে তথ্য আদান-প্রদান চলছে। এ হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো ক্রস চেক করতে নেপাল যাচ্ছি।


প্রসঙ্গত, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের 'মাস্টারমাইন্ড' আক্তারুজ্জামান শাহীনও কাঠমান্ডুর মাটি ব্যবহার করে অন্য দেশে চলে গেছেন।


আরও খবর



বিশাল জয়ে বিশ্বকাপে ভারতের দুরন্ত সূচনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image


স্পোর্টস ডেস্ক:

ভারত-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটি অনুমিতভাবেই একপেশে হয়েছে। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর অধিনায়ক রোহিত শর্মার অর্ধশতকে সহজ জয়ের দেখা পেয়েছে ভারত।

রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে আইরিশদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বুধবার (৫ জুন) ৪৬ বল হাতে রেখে আয়ারল্যান্ডকে আট উইকেটে হারিয়েছে ভারত।


যুক্তরাষ্ট্রের নাসাউ কাউন্টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে আয়ারল্যান্ড। ১৬ ওভারে মাত্র ৯৬ রানে অলআউট হয় দলটি। জবাবে ১২.২ ওভারে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান তোলে ভারত।


শুরুতে অবশ্য উইকেট হারায় ভারত। দলীয় ২২ রানে মাত্র এক রান করে সাজঘরে ফেরেন বিরাট কোহলি। মার্ক আডাইরয়ের বলে বেন হোয়াইটের হাতে ক্যাচ দেন কোহলি। এরপর লম্বা সময় আর ভারতের উইকেট ফেলতে পারেনি আইরিশরা। প্রথম দিকে দেখেশুনে খেলে ভারত। ধীরে ধীরে বের হয় খোলস ছেড়ে।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ফিফটি তুলে নেন রোহিত। ৩৭ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৫২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন তিনি। রোহিতের পর ক্রিজে নামা সূর্যকুমার যাদবকে আউট করেন হোয়াইট।

যাদবের উড়িয়ে মারা বল দারুণ ডাইভে ক্যাচ নেন জর্জ ডকরেল। তাতে ভারতের কোনো ক্ষতিই হয়নি। ঋষভ পন্তের ২৬ বলে অপরাজিত ৩৬ রানে ঠিকই জয় তুলে নেয় ভারত।


অন্যদিকে, আগে ব্যাটিং নামসা আইরিশ ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম আঘাত হানেন অর্শ্বদীপ সিং। আইরিশ দলপতি পল স্টার্লিংকে ফেরান তিনি। দুই রান করে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্তের তালুবন্দি হন স্টার্লিং। পাঁচ রান করা অপর ওপেনার অ্যান্ডি বালবার্নিকে বোল্ড করেন অর্শ্বদীপ।

১৩ বলে ১০ রান করে হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বোল্ড হন লরকান টাকার। আইরিশ ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ হ্যারি টেক্টর চার রান করে কোহলির ক্যাচ হন জসপ্রীত বুমরাহর বলে।

স্কোরবোর্ডে ৩৬ রান তুলতেই চার ব্যাটারকে হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে আইরিশরা। সেখান থেকে নিজেদের আর টেনে তুলতে পারেনি দলটি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন গ্যারেথ ডিলানি। ১৪ রান আসে জস লিটলের ব্যাট থেকে। বাকিদের ব্যর্থতায় ১০০ রানের নিচে অলআউট হয় আইরিশরা।


ভারতের পক্ষে চার ওভারে এক মেডেনসহ ২৭ রানে তিন উইকেট নেন পান্ডিয়া। তিন ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ছয় রান দিয়ে দুই উইকেট শিকার করেন বুমরাহ।


আরও খবর



নোবিপ্রবিতে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রতিভা অন্বেষণ বিষয়ক সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার; নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) কৃষি যন্ত্রপাতি প্রতিভা অন্বেষণ বিষয়ক সেমিনার ও কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ বুধবার (০৫ জুন ২০২৪)  বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম।


নোবিপ্রবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আতিকুর রহমান ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বিপ্লব মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আনিসুজ্জামান। কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কাওসার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কী-নোট স্পীকার হিসেবে ছিলেন বিএআরআই এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ নুরুল আমিন।এছাড়া অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক ড. গাজী মোঃ মহসিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের উদ্ভাবিত বেশ কিছু যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের কৃষিকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। যেমন- ড্রোন দিয়ে ফার্টিলাইজেশন, পোকামাকড় দমন ইত্যাদি। নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকগণের প্রচেষ্টায়  বিশ্ববিদ্যালয়  এগিয়ে যাবে এই কামনা করছি। সকলকে ধন্যবাদ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।


এসময় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্প কর্তৃক উদ্ভাবিত বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতির কার্যাবলী তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা (এফএমডি) প্রকল্পের অর্থায়নে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। পরে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম  বিশ্ববিদ্যালয়  চত্বরে অনুষ্ঠিত কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনী মেলা ঘুরে দেখেন।


আরও খবর