Logo
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড় রেমালে স্থগিত ২০ উপজেলায় ভোট ৯ জুন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


ঘূর্ণিঝড় রেমালে স্থগিত ২০ উপজেলায় ভোট ৯ জুন 

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া উপকূলীয় ২০ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটের নতুন তারিখ ৯ জুন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 


বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। 


তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে স্থগিত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়ায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের সঙ্গে ৫ জুন।


 একই দিনে কুমিল্লার চান্দিনায় ভোটগ্রহণ হবে। এসব উপজেলায় বুধবার ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ওইসব বাদ দিয়ে এদিন তৃতীয় ধাপের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়েছে।



ইসির কর্মকর্তারা জানান, তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে উপকূলীয় ২০টি উপজেলার ভোট স্থগিত করে কমিশন। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট স্থগিত করা হয়।


 ওই দুই উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণের কথা ছিল। আর আইনি জটিলতায় চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠেয় ৫ জুনের কুমিল্লার চান্দিনার ভোট আটকে গিয়েছিল।


এসব নির্বাচনের বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম। তিনি বলেন, স্থগিত উপজেলাগুলোর ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।


 উপকূলীয় এলাকাগুলোয় ভোট হবে ৯ জুন। আর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলায় ভোট হবে চতুর্থ ধাপের ভোটের দিন অর্থাৎ ৫ জুন। 


মামলার কারণে স্থগিত কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলারও ভোট হবে একই দিনে। সব মিলিয়ে চতুর্থ ধাপে ভোট হবে ৫৭ উপজেলায়।



৯ জুন যেসব উপজেলায় ভোট হবে, সেগুলো হচ্ছে—বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝারা; পটুয়াখালীর সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া; বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা; রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বাঘাইছড়ি ও নেত্রকোনার খালিয়াজুরী।  



আরও খবর



প্রাথমিক তদন্ত: বেনজীর পরিবারের সাড়ে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



 বিডি টুডেস ডেস্ক:


পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই কন্যার স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সাড়ে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ‍অনুসন্ধান টিম। প্রাথমিকভাবে এসব সম্পদের কোনো উৎস পায়নি তারা।


অবৈধ এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট এবং বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রাখা বিপুল পরিমাণ অর্থ। অনুসন্ধানের স্বার্থে এখনই এসব সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করতে চাচ্ছে না দুদক। বেনজীর পরিবারের স্থাবর ও অস্থাবর এসব সম্পদের দালিলিক তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে তারা।



অনুসন্ধান টিম প্রাথমিকভাবে বেনজীর আহমেদের নামে নয় কোটি ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৫ টাকা, তার স্ত্রী জীসান মীর্জার নামে ২১ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৩ টাকা, জ্যেষ্ঠ কন্যা ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীরের নামে আট কোটি ১০ লাখ ৮৯ হাজার ৬৯৬ টাকা এবং মেজো কন্যা তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে চার কোটি ৭৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮ টাকা থাকার কথা জানতে পেরেছে। আপাতত এ তথ্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছে অনুসন্ধান টিম।


প্রাথমিক এ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণ চেয়ে ইতোমধ্যে আলাদা নোটিশ দিয়েছে দুদক।


মঙ্গলবার (২ জুলাই) সম্পদের নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন বলেন, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানকারী টিম প্রাথমিক অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে। 



এজন্য তাদের নামে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারা মোতাবেক আলাদা আলাদা সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে।



তিনি বলেন, প্রাথমিক প্রমাণ ছাড়াও অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে দেশে-বিদেশে আরও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর পক্ষে প্রমাণ ও দলিল সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।



আরও খবর



লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি::


আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎসাহের সাথে ফলনের জন্যে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার-বীজ কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকেন। কিন্ত লক্ষ্মীপুরের কমলনগর কৃষি অফিস সেই সার-বীজ নিয়ে নয়-ছয় করছে।

জানা যায়, ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন কৃষি অফিস থেকে মোট ৫৫ জনের একটি তালিকা পেয়েছেন। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই প্রণোদনা পাননি। তালিকাভূক্ত ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ উল্যাহ অভিযোগ করেন তার নাম থাকলেও তিনি কোন সার-বীজ পাননি।পরে তিনি অফিসে গিয়ে তালিকা চেক করলে জানতে পারেন অন্য একজন স্বাক্ষর দিযে তার সার-বীজ নিযে গেছে।

একই এলাকার হেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকায় নাম থাকলেও দেয়া হয় না সঠিকভাবে সার-বীজ এবং তিনিও পাননি। ১৪ জুলাই ২০২৪, সকালে অফিসে গেলে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আসিফ রেজা জানান, আপনাদের বরাদ্দকৃত প্রণোদনা শেষ হয়ে গেছে, আবার আসলে পাবেন। 

পরবর্তীতে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে, আরেক উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আরিফ সহ তালিকা চেক করলে দেখা যায়, প্রণোদনার সার-বীজ মজুদ না থাকলেও, স্বাক্ষর দেয়ার জায়গা খালি রয়েছে। নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কিছুদিন আগে আমি এবং স্বপন নামে একজন লাইনে দাড়িয়ে দেখতে স্বপনের নামের পাশে কৃষি অফিসার আসিফ রেজা নিজেই স্বাক্ষর করেছেন। কিছুক্ষণ পরে স্বপন প্রণোদনার সার-বীজ চাইলে তাৎক্ষণিক তিনি বলেন আপনি এইমাত্রই নিয়েছেন। পরে আমি আসিফ রেজাকে বললাম, উনি নেননি, আপনিতো নিজেই এখন তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন।

অভিযুক্ত অফিসার আসিফ রেজার কাছে এসব বিষয় সম্পর্কে চানতে চাইলে, তিনি বলেন- কেউ একজন স্বাক্ষর দিয়ে মোহাম্মদ উল্যাহর প্রণোদনার সার-বীজ উত্তোলন করে নিয়ে গেছে, হেলাল উদ্দিনের বিষয়ে বলেন, অসুবিধা নাই উনাকে সার-বীজ ব্যবস্থা করে দিবো। তালিকার স্বাক্ষর না থাকা, সার-বীজ নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, তিনি এ বিষয়ে কোন যথাযথ কোন উত্তর দেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার শাহীন রানার কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন- যদি কোন কারণে কৃষক সার-বীজ না পেয়ে থাকে দবে পেয়ে যাবে। অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি কোন যথাযথ উত্তর দেননি। 

আরও খবর



দিল্লিতে ৮৮ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মৌসুমী বৃষ্টিতে অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে সেখানে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

দেশটির আবহাওয়া বিভাগ শুক্রবার (২৮ জুন) জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে আজ সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা ১৯৩৬ সালের পর একদিনে (২৪ ঘণ্টায়) সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। ৮৮ বছর আগে ১৯৩৬ সালে ২৩৫ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল।

সাধারণত জুন মাসে দিল্লিতে গড়ে ৮০ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

এই অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত দিল্লির শহরের বাসিন্দাদের জন্য বয়ে এনেছে অসহনীয় দুর্ভোগ। যারা অফিস বা কাজের জন্য বের হয়েছিলেন তারা জলাবদ্ধতা এবং ট্রাফিক জ্যামের কবলে পড়েছেন।

তবে এই বৃষ্টিপাত আবার দিল্লিবাসীর জন্য আশীর্বাদ হিসেবেও এসেছে। কারণ সেখানে গত দুই মাস ধরে অসহনীয় তাপমাত্রা বিরাজ করছিল। আজ শুক্রবার দিল্লির তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সাধারণ থেকে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি কম।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এই বৃষ্টিপাত আবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য কতটা অপ্রস্তুত দিল্লি।

গত ১৮ জুন দিল্লির মেয়র শেলি ওবে দাবি করেছিলেন, বর্ষা মৌসুমের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন। কিন্তু মৌসুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিপাতেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে গেছে।

বৃষ্টির পরিমাণ এতই বেশি ছিল যে কোথাও কোথাও ৩ ফুট পর্যন্ত পানি জমেছে। এছাড়া নদিয়ার অবস্থাও এমন নাজুকই বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।


আরও খবর



নওগাঁয় পথচারী বাঁচাতে গিয়ে জীবন দিলো মোটরসাইকেল চালক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টারঃ

নওগাঁয় পথচারী মা ও শিশু সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে শ্যালো মেশিন চালিত স্টিয়ারিং ভুটভুটির চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই শিমুল হোসেন (৩২) নামের এক মোটরসাইকেল চালকের মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৬ টারদিকে নওগাঁ টু রাজশাহী মহাসড়কের মহাদেবপুর থানাধীন চৌমাশিয়া বাজার (চেংকুড়ি মোড়) নামক স্থানে। নিহত শিমুল হোসেন নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার মধ্য দূর্গাপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে নিহত সিমুল হোসেন আরো দু'জন কে সাথে নিয়ে একটি মোটরসাইকেল যোগে  হোটেলে ব্যবহারের জন্য কড়াই কিনতে নওগাঁ থেকে (চৌমাশিয়া) নওহাটা মোড় বাজারে আসছিলেন। চৌমাশিয়া (চেংকুড়ি) মোড় নামক স্থানে পৌছালে এসময় এক নারী তার শিশু সন্তান কে নিয়ে সড়ক পারাপার হচ্ছিল। মা ও শিশু সন্তান কে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও পথচারী মা ও শিশুকে আঘাত লেগে মোটরসাইকেল সড়কের উপর পড়ে এবং চালক শিমুল হোসেন সিটকে সড়কের উপর পড়লে নওহাটা থেকে হাট-চকগৌরীগামী দ্রুতগতীর একটি স্টিয়ারিং ভুটভুটি চাকায় পিষ্ট হয়ে দূর্ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিমুল হোসেন এর। স্থানিয়রা জানান, পথচারী মা ও মেয়ে শিশুকে জখম অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এছাড়া মোটরসাইকেলের অপর দু'জন আরোহী আহত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে নওহাটা মোড় ফাঁড়ি পুলিশ দ্রুত দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা সহ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী কাল দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাচ্ছেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image




বিডি টুডে  রিপোর্টঃ


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে আগামীকাল শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



 এ গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সফর উপলক্ষে আগামী দুইদিন নয়াদিল্লিতে অবস্থান করবেন তিনি। টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর। 



অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি জোটের টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর এটি হবে কোনো সরকার প্রধানের ভারতে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর।


জানা যায়, এই সফরে দুই দেশের চমৎকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও এগিয়ে নেওয়ার বার্তা থাকবে। সফরে গুরুত্ব পাবে অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে পারস্পারিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টি।


 পাশাপাশি আলোচনায় থাকবে ঋণ সহায়তা, সীমান্ত হত্যা ও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির মতো অমীমাংসিত ইস্যুগুলো। সফরকালে উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে বেশ কিছু চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। এছাড়া একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।



গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৫ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ভারতের রাজধানীতে এটি শেখ হাসিনার দ্বিতীয় সফর হবে। তিনি গত ৯ জুন নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 


প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট কাল শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।


 সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসভবনে সাক্ষাৎ করবেন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে শনিবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে লাল গালিচা বিছানো হবে। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হবে। 



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গার্ড অব অনারও পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি রাজঘাটে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন। সেখানে তিনি পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।


শেখ হাসিনা একইদিন নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক এবং প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনার জন্য হায়দরাবাদ হাউসে যাবেন। উভয়েই সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন। এরপর দুই প্রধানমন্ত্রী তাদের বিবৃতি দেবেন। তারা হায়দ্রাবাদ হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেবেন।


বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সচিবালয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। 



সন্ধ্যা ৬টায় প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে ভারতের রাজধানী ত্যাগ করবেন এবং রাত ৯টায় ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় দশকের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হবে দুই প্রধানমন্ত্রীর এবারের শীর্ষ বৈঠকে। 



সফরের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- আন্তঃসীমান্ত সংযোগ উদ্যোগ, তিস্তা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় বিনিয়োগ, মোংলা বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ বাণিজ্য। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়টিও উঠে আসতে পারে। 



মিয়ানমারের পরিস্থিতি, রোহিঙ্গা সংকট, ভারতের উত্তর পূর্ব রাজ্য মনিপুর সংকটসহ অঞ্চলে বাড়তে থাকা চীনের প্রভাবসহ সার্বিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ইস্যুও গুরুত্ব পাবে।


জানা গেছে, এই সফরে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের ঋণচুক্তি বাস্তবায়নে গতি আনতে নতুন রূপরেখা চুক্তি, যেকোনো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এমওইউ। 



এছাড়া যে চুক্তি বা সমঝোতার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তার কয়েকটি আবারও নবায়নের কথা রয়েছে।


আরও খবর