Logo
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার (২৭ মে) দলটির সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আবহাওয়া ভালো হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যাবে।

দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি রোববার রাত ৮টার দিকে উপকূলে আঘাত করে।

এই ঝড়ের প্রভাবে গতকাল থেকে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, ভোলা, চট্টগ্রামে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বরিশালের রূপাতলীতে দেয়াল চাপায় মারা গেছেন দুজন।

সোমবার (২৭ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকায় দেয়াল চাপায় মারা যান সাইফুল ইসলাম হৃদয় নামের এক পথচারী।


আরও খবর



গ্রামীণফোনকে শোকজ, জরিমানা হতে পারে ৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


কল ড্রপ ইস্যুতে মোবাইল অপারেটরদের আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় সরকার। এ ব্যাপারে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।



 ইতোমধ্যে কল ড্রপ সমস্যা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় শোকজ করা হয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে। সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ২ কোটি টাকা হতে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হতে পারে প্রতিষ্ঠানটিকে।


বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে জিপিটি প্ল্যাটফর্ম ‘জি-ব্রেইন’ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পেকট্রাম বরাদ্দের তুলনায় ইউটিলাইজেশন কম। গ্রামীণফোন বারবার বলে টাওয়ার কম। কিন্তু টাওয়ার যা আছে, তাতে বিটিআরসি যতটুকু স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়েছে, সেটা কেন ব্যবহার করছে না? 



কারণ ওই স্পেকট্রাম ইউটিলাইজ করতে গেলে আরও কিছু টেকনোলজি এবং ফাইন্যান্সের বিষয় আছে, যেটা তাদের প্রতিশ্রুতি ছিল। কেন তারা সেটা করল না? এ কারণে আমরা তাদের শোকজ করেছি। তারা সদুত্তর দিতে না পারলে এক কোটি থেকে তিনশ কোটি টাকা জরিমানা করা হতে পারে।’



এর আগে, গত ৩০ জুন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক।


বৈঠকে তিনি বলেন, কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাবো।


আরও খবর



রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি::




রাজবাড়ীতে গতকাল রাতে দায়িত্ব পালনকালে ব্যাটারী চালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মোঃ মিজানুর রহমান। তার বাড়ী ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার কাপুরিয়া সদরদী গ্রামে। সে রাজবাড়ী সদর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

রোববার (১৪ জুলাই) জেলা পুলিশের এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার জি.এম. আবুল কালাম আজাদ।

শোক বার্তা থেকে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে মিজানুর রহমান মোবাইল ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটিকালিন রাত ১২ টা ১০ মিনিটে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের বাগমারা এলাকায় একটি ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক তাকে ধাক্কা দেয়। এসময় তিনি পিচ ঢালা রাস্তায় পড়ে মাথায় গুরুতর  আঘাত পান। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইফতেখারুল আলম প্রধান জানান, কনস্টেবল মিজানুরের মরদেহ ঢাকা থেকেই তার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন করা হবে।


আরও খবর



প্রাথমিক তদন্ত: বেনজীর পরিবারের সাড়ে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



 বিডি টুডেস ডেস্ক:


পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই কন্যার স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সাড়ে ৪৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ‍অনুসন্ধান টিম। প্রাথমিকভাবে এসব সম্পদের কোনো উৎস পায়নি তারা।


অবৈধ এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে ঢাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট এবং বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রাখা বিপুল পরিমাণ অর্থ। অনুসন্ধানের স্বার্থে এখনই এসব সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করতে চাচ্ছে না দুদক। বেনজীর পরিবারের স্থাবর ও অস্থাবর এসব সম্পদের দালিলিক তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে তারা।



অনুসন্ধান টিম প্রাথমিকভাবে বেনজীর আহমেদের নামে নয় কোটি ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৫ টাকা, তার স্ত্রী জীসান মীর্জার নামে ২১ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৩ টাকা, জ্যেষ্ঠ কন্যা ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীরের নামে আট কোটি ১০ লাখ ৮৯ হাজার ৬৯৬ টাকা এবং মেজো কন্যা তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে চার কোটি ৭৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮ টাকা থাকার কথা জানতে পেরেছে। আপাতত এ তথ্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছে অনুসন্ধান টিম।


প্রাথমিক এ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণ চেয়ে ইতোমধ্যে আলাদা নোটিশ দিয়েছে দুদক।


মঙ্গলবার (২ জুলাই) সম্পদের নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন বলেন, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানকারী টিম প্রাথমিক অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে। 



এজন্য তাদের নামে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারা মোতাবেক আলাদা আলাদা সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে।



তিনি বলেন, প্রাথমিক প্রমাণ ছাড়াও অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে দেশে-বিদেশে আরও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর পক্ষে প্রমাণ ও দলিল সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।



আরও খবর



নওগাঁয় আমের ওজন নিয়ে রশি টানাটানি' ভোগান্তিতে চাষীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

দেশের আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আমচাষী সমিতি ও প্রশাসন এবং আম ব্যাবসায়ী সমিতির মধ্যে সৃষ্ট রশি টানাটানির মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ আম চাষীরা।

জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও আমের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারিগন বিভিন্ন আড়তে সেলটার নিয়ে বিগত কয়েক বছরের মত ৫২ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম হিসেবে ক্রয়-বিক্রয় চালিয়ে আসছিলো। এরই মধ্যে অন্যান্য বছরের মত এবারেও আমচাষী সমিতির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ১০/১২ কেজি আমের বিষয়ে আলোচনা সমালচনা শুরু হলে কয়েক দফায় উপজেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় আম চাষী ও আম ব্যাসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় মিটিং বসে। সর্ব শেষ গত ২৩ জুন মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী সাপাহারে এক সরকারী সফরে এলে বিষয়টি তার নজরেও আসে এবং তাৎক্ষনিক এক জরুরী সভায় তিনি উভয়ের লাভ লোকশানের কথা বিবেচনা করে ৪৮ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম ক্রয়-বিক্রয় এবং প্রতি কাঠায় কৃষকের নিকট থেকে ৭০ টাকা আদায় করার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। তারই ধারাবাকিতায় গত ২৫ জুন সাপাহার সদর ইউনিয় পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার নেতত্বে

বাজার মনিটরিং কমিটির এক বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে আম ব্যাবসায়ীর পক্ষে সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তীক সাহা ৪৮ কেজিতে ১মন আম ক্রয় করার জন্য ব্যাপারীদের নির্দেশ দেয়ার কথা স্বীকার করলেও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ৭০ টাকার বদলে ৮০টাকা আদায়ের ঘোষনা প্রদান করেন।

বৈঠক শেষে অজানা করণে ব্যাপারীগন বাজারে আম কেনা কার্যক্রম বন্ধ করে আড়তে বসে থেকে কালক্ষেপন করতে থাকেন। অপরদিকে সকাল ৭টা হতে বাজারে আসা হাজার হাজার আমচাষীগনও প্রচন্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে সারাটা দিন তাদের আম নিয়ে রাস্তায় বসে থাকেন। অবশেষে সন্ধার পর সারা দিন জিম্মি হয়ে বসে থাকা কিছু আমচাষী তাদের অতি প্রয়োজনে দু’একটি আড়তে বাধ্য হয়ে ৫০/৫২ কেজি হিসেবে প্রতি মন আম কম দামে বিক্রি করে তাদের প্রয়োজন মিটিয়েছেন। এছাড়া অধিকাংশ আমচাষীগন মনের রাতে তাদের আম বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আম বিক্রি না হওয়ায় বাসায় ফিরিয়ে নেয়া সাপাহার উপজেলার গোয়ালা গ্রামের আমচাষী, ফয়জুল ইসলাম, গৌরীপুরের রেজাউল, পিছলডাঙ্গার আব্দুল করিম, নিশ্চিন্তপুরের আবু সাঈদ এর সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভের সাথে জানান যে, আম বাড়ীতে নিয়ে পচে ফেলব তার পরেও ব্যাসায়ীদের অন্যায় দাবীর কাছে মাথা নোয়াবনা বা তাদের কাছে জিম্মি হবো না।

এদিকে ব্যাপারীগন ও তাদের পূর্বের নেয়া ৫০-৫২ কেজিতে মন ছাড়া আম ক্রয় করবে না বলে আম ক্রয়করা থেকে বিরত রয়েছেন। বর্তমানে সাধারণ আমচাষীগন সৃষ্ট সমস্যার মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন এবং এক প্রকার জিম্মি হয়ে ব্যাপারিদের কথা মত ৫০-৫২ কেজিতে মন ও তাদের নির্ধারণ করা দামেই আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, প্রশাসনিক ভাবে যে ৪৮ কেজি আম কেনা-বেচার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি জোরালোভাবে খতিয়ে দেখার জন্য তিনি বাজার মনিটরিং কমিটির উপর দায়িত্বভার অর্পন করেছেন বলেও জানিয়েছেন। অচিরেই এই সমস্যা নিরসনে তারা আমচাষী সমিতি ও আম ব্যাবসায়ী সমিতির দৃষ্টি আকর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। গত মঙ্গলবার হতে আজও চাষীদেরকে আমভর্তি পরিবহনের গাড়ির পশরা নিয়ে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা গেছে।


আরও খবর



টানা তিন দিন বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

আগামী তিন দিন দেশের সব বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঈদের দিনও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগসহ গোপালগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এ দিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এর পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি ভাব বিরাজমান থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।


আরও খবর