Logo
শিরোনাম

‘গরুর মাংস’ বিতর্কে অভিনেত্রীকে বয়কটের ডাক

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলাদেশের একটি রান্নার শোতে এসে গরুর মাংস রান্না শিখে বিপাকে ভারতের নির্মাতা ও অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। 



এই মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল রান্নার শোয়ের একটি ভিডিও। সামাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে। তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন তিনি। এমনকি ‘জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা’র হুমকিও শুনতে হচ্ছে তাকে। 



বিতর্কের মুখে পড়ে গোমাংস রান্না নিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সুদীপা। তবে ক্ষমা চাওয়ার পরেও গোমাংসকাণ্ডে তার বিরুদ্ধে উঠেছে বয়কটের ডাক।



বিনোদন জগতের জনপ্রিয় নাম সুদীপা। রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘জি বাংলা রান্নাঘর’র সঞ্চালনা করে খ্যাতি পেয়েছেন। বাংলাদেশেও আছে তার জনপ্রিয়তা। তাই ঈদ উপলক্ষে একটি রান্নার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি।



অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী তারিন জাহানের সঙ্গে দেখা গেছে সুদীপাকে। সেখানে দুজনে মিলে রান্না করেন গরুর মাংসের কোফতা। আর এতেই পশ্চিমবঙ্গের নেটিজেনদের রোষানলে পড়েছেন তিনি। অনবরত হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে।



 এমনকি তার পাঁচ বছরের ছেলে আদিদেব চ্যাটার্জিকেও অপহরণ করার হুমকি পাচ্ছেন।


এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সুদীপা বলেন, আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বারবার। যারা এটা নিয়ে ট্রল করছেন, তাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষ ভিডিওটা দেখেননি, আমি নিশ্চিত। আমি গরুর মাংস খাওয়া তো দূর অস্ত, রান্নাও করিনি। এমনকি ছুঁইওনি। 



দ্বিতীয়ত, তারিন জাহান নিজে রান্নাটা করেছেন। ভিডিওগুলো এখনও অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। যে কেউ চাইলে দেখে নিতে পারেন। কোথাও দেখতে পাবেন না যে আমি গরুর মাংস স্পর্শ পর্যন্ত করেছি।



ভিডিওতে তারিনকেই মাংস রান্না করতে দেখা গিয়েছে, তবে রান্না শেষে হাতার মাধ্যমে গরুর মাংসের কোফতা পরিবেশনে তারিনকে সাহায্য করেন সুদীপা। আর সেই ভিডিও প্রকাশ হতেই দুই বাংলায় ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছেন তারিন ও সুদীপা। 



শিগগিরই মানসী সিনহার সিনেমার শুটিংয়ে কলকাতায় যাবেন তারিন। তাকে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই হুমকি দিচ্ছেন, সেই নিয়েও উদ্বিগ্ন তারিন। এবার মুখ খুললেন তারিনও।


ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে তারিন বলেন, কোন পর্বে কী পদ রান্না হবে তার, চিত্রনাট্য আগে থেকেই ঠিক করা হয়ে যায়। এই রান্নার অনুষ্ঠানকে ঘিরে যত বিতর্ক। আর আমি এই বিতর্কে না চাইতেও জড়িয়ে পড়লাম।



 ঈদের সময় দর্শকের কথা মাথায় রেখে গরুর মাংসের একটি পদ চূড়ান্ত করা হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা দর্শকদের জন্য ওই রান্না দেখিয়েছিলাম। আমি কিন্তু ওই অনুষ্ঠানে সুদীপাদিকে গরুর মাংস খেতে বলেছি বা আমি গরুর মাংস খাওয়াব বলেছি, এমন নয়। আমরা খাওয়া তো দূর, ছুঁয়েও দেখিনি। ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও যে কেউ দেখতে পারেন।


ভাইরাল ভিডিওতে তারিনকে বলতে দেখা যায়, তুমি যেহেতু গেস্ট, আমি হোস্ট হিসেবে তোমাকে রান্না করে খাওয়াব। ইনফ্যাক্ট দর্শকদের রান্না করে দেখাব গরুর মাংসের কোফতা।


তারিন বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, বকরি ঈদে আমরা গরুর মাংসের পদ রান্না করি। কিন্তু একজন অতিথিকে ঈদের সময় তো বলতে পারব না, আমি তোমাকে খাওয়াব না! তাই ‘খাওয়াব না’ কথাটা বলিনি। আবার ‘গোমাংস খাওয়াব’ও বলিনি।


আরও খবর



সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গিরা তৎপর: র‍্যাব ডিজি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জঙ্গিরা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

সোমবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

র‍্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গি তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব অনেক আধুনিক হয়েছে। একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে র‌্যাবের।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগের পাশাপাশি জঙ্গিরা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডেও তৎপর। পলাতক জঙ্গিদের নজরদারি মধ্যে রাখা হয়েছে।




অনেকে মনে করেছিল বাংলাদেশ আফগানিস্তানে পরিণত হবে: এসবি প্রধান

এ সময় বাংলাদেশে আর কখনই জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না জানিয়ে হারুন অর রশিদ বলেন, ভবিষ্যতে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ একটি নিরাপদ দেশ।


উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা স্তম্ভিত করেছিল গোটা দেশকে। জঙ্গিরা ১৮ জন বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে হত্যা করে।


নারকীয় ওই হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। পরে সেনা অভিযানে হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরীসহ আট জঙ্গি নিহত হয়।


জঙ্গিদের ভয়াবহ ওই হামলার ঘটনায় করা মামলায় ২০১৯ সালে ৭ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। 


পরে গত বছর গেল বছর ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। কিন্তু এখনও সেই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়নি।


আরও খবর

সপ্তাহ জুড়ে ভারী বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কোরবানির মাংস দেড় হাজারের উপরে ভাগ করা হয়

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামে ঈদ উল আজহা উপলক্ষে দেশের অন্যতম কোরবানির মাঠে ১৫৬টি খাসি ৭০টি গরু কোরবানী করা হয়েছে।


 কোরবানির মাংসের বন্টন হয়েছে ১৫শ ৫৫টি। আাড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী কোরবানির মাঠ দেশের বৃহত্তম কোরবানির মাঠ বলে বলে দাবী করেন অনেকে।  


উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামের কোরবানির মাঠটি দুটি ঈদগাহ ও সাতটি মসজিদ সমাজ নিয়ে গঠিত। এ কোরবানির সমাজের এ বছর ১৫৬টি খাসি ও ৭০টি গরু কোরবানি করা হয়েছে। 


জানা যায়, বৈলাজান কোরবানির মাঠে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় পশু জবাই, মাংস তৈরির কাজ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ উপলক্ষে মাঠে বিরাজ করে আনন্দ ঘন পরিবেশ। 


যার যার কোরবানিকৃত পশুর মাংস বানাতে নিজেরাই ব্যস্ত  হয়ে পরে। মাঠে এক পাশে বসে দোকান। ছোট ছেলে মেয়েরা আনন্দ উল্লাস করে থাকে। এ কোরবানির মাঠে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী নিয়ম।



 এখানে পশু জবাই করার পর তা তিন ভাগের একভাগ মাংস জমা রাখতে হয়। যেখানে জমা রাখা হয় তাকে বলা হয় পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতে দায়িত্বে থাকা সেচ্ছাসেবীরা কোরবানি সমাজের ১৫৫৫টি খানার মধ্যে তা সমান হারে বন্টন করে যার যার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।



পঞ্চায়েত সভাপতির দায়িত্ব থাকা ইউপি সদস্য মো. শাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমাদের এ কোরবানির মাঠ কবে থেকে শুরু হয়েছে তা আমরা বলতে পারব না। আমার দাদা বাবারা এই মাঠে কুরবানি করেছেন। আমার দাদা করেছে আমার বাবা করেছে আমরাও কোরবানি করছি।’ 


এ ব্যাপারে অন্যান্যরা বলেন, এই কোরবানির মাঠে আমাদের বাপ দাদারা ও কোরবানি করেছে। এটি আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃড় করে। এটি আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য।


আরও খবর



নওগাঁয় অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ব্যাটারি চালিত অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে অ-সাবধানতা বশত বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালক এক যুবকের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ পিষ্টের এঘটনাটি ঘটে বুধবার দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নওগাঁর মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার চেরাগপুর ইউপির বুজরুক বড়াইল গ্রামে। স্থানিয় সুত্র ও নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, বুজরুক বড়াইল গ্রামের আব্দুল খালেকের যুবক ছেলে মাহবুব আলম ওরফে মিঠু (২৭) চার্জার ব্যাটারি চালিত অটো রিকসা চালিয়ে যে অর্থ উপার্জন করতেন সেই অর্থদিয়ে তিনি তার সংসারের খরচ মিটাতেন। প্রতি দিনের মতো বুধবার ও সারাদিন অটো রিকসা চালিয়ে (ভাড়া মাড়ারপর) দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নিজ বাসায় ফেরার পর অটো রিকসাতে চার্জ বিদ্যুতের সংযোগ দিতেগিয়ে অ-সাবধানতা বশত তিনি বিদ্যুৎ পিষ্ট হলে এসময় তার পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়েগেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তার মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌছামাত্র তার নিজ গ্রাম সহ আশে-পাশের গ্রামের লোকজন সহ স্বজনদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছাঁয়া।

বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালকের মৃত্যুর সত্যতা প্রতিবেদককে রাতেই নিশ্চিত করেছেন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ির এস আই জিয়াউর রহমান।


আরও খবর



জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা জানালেন পেন্টাগন

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে গত মে মাসে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


 নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে পেন্টাগন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর বলছে, জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্র এবং আইনের শাসনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।



ব্রিফিংয়ে প্যাটের কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, ‘পেন্টাগন কীভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নির্দেশ করছে। কারণ বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজকে তার উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।



 মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভুল পথে এগোচ্ছে। পুলিশ এবং র‌্যাবের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এরইমধ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।



 এছাড়া বর্তমান সরকার যেকোনো উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে পেন্টাগন কী ভাবছে আমি কী তা জানতে পারি?’


এমন প্রশ্নের জবাবে পেন্টাগন মুখপাত্র বলেন, ‘হ্যাঁ- প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আজকের ব্রিফিং কক্ষে আপনাকে স্বাগতম। আপনি যেমন জানেন বা আপনি যে বিষয়টি উল্লেখ করলেন যে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর দুর্নীতির অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। 



এটি গত মে মাসে করা হয়েছিল। মূলত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং আইনের শাসনকে মজবুত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতিকে নিশ্চিত করেছে এবং পেন্টগন বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে।’


তিনি বলেন, আমি এ কথা বলে শেষ করতে চাই যে, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের একই স্বার্থ ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে অংশীদারিত্ব বজায় রয়েছে।


 বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল, সমুদ্রসীমা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে আমরা একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় রাখি।


আরও খবর



সিলেটে দ্বিতীয় দফা বন্যায় পানিবন্দি ৪ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক রিপোর্ট:


সিলেটে বন্যায় মহানগর ও জেলাজুড়ে প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সিলেট মহানগরে ১৫টি এলাকার ১০ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত।


জেলা প্রশাসন জানায়, মঙ্গলবার (১৮ জুন) পর্যন্ত সিলেটজুড়ে ৮৬৪টি গ্রাম ও এলাকা প্লাবিত। এসব গ্রাম ও এলাকার ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫০৭ জন মানুষ বন্যাআক্রান্ত। 



এর মধ্যে সিলেট মহানগরের ৪টি ওয়ার্ডোর ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ৬১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে মহানগরে ৮০টি। 



গত ২৭ মে সিলেটে আগাম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে জেলার সব উপজেলার সাড়ে ৭ লাখ মানুষ আক্রান্ত হন। সেই বন্যার পানি পুরোপুরি নামার আগেই শনিবার (১৫ জুন) আবার কবলিত সিলেট।


ঈদের দিন সোমবার ভোররাত থেকে সিলেটে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। সঙ্গে নেমে আসে পাহাড়ি ঢল। সকাল হতে না হতেই তলিয়ে যায় মহানগরের অনেক এলাকা। জেলার বিভিন্ন স্থানেও অবনতি হয় বন্যা পরিস্থিতির।


 সোমবার বিকালে বৃষ্টি থামলেও মঙ্গলবার (১৮ জুন) ভোররাত থেকে ফের শুরু হয় বৃষ্টি। উজানেও বৃষ্টিপাত হয় প্রচুর। ফলে হু হু করে বাড়তে থাকে।



মঙ্গলবার বিকাল ৬টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বয়ে চলছিল। কুশিয়ারা আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। 



এছাড়া সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার, সারি-গোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ০.২৮ সে.মি সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।


মহানগরের সব নিচু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত। বিশেষ করে শাহজালাল উপশহর প্রায় পুরোটাই পানির নিচে। অনেকের বাসার নিচতলায় গলা পর্যন্ত পানি। যতরপুর, মেন্দিবাগ, শিবগঞ্জ, রায়নগর, সোবহানীঘাট, কালিঘাট, কামালগড়, মাছিমপুর, তালতলা, জামতলা, কাজিরবাজার, মাদিনা মার্কেট, আখালিয়া ও মেজরটিলাসহ মহানগরের অধিকাংশ এলাকা বন্যা কবলিত।


এছাড়া মহানগরের মধ্যে অনেক প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি রয়েছে। এয়ারপোর্ট সড়ক, সিলেট-তাবিল সড়ক, দক্ষিণ সুরমার বঙ্গবীর রোডসহ বিভিন্ন সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান পানির নিচে।


গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জসহ কয়েকটি উপজেলার গ্রামীণ অনেক রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক কৃষিজমির ফসল তলিয়ে গেছে, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ।


সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টি ৭৬ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে।


জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পানিবন্দী লোকদের উদ্ধারের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তৎপরতা চালানো হচ্ছে। বন্যার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়গুলোতে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।



 প্রতিটি উপজেলায় ডেডিকেটেড অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ইউনিয়নভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।


আরও খবর