Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

হাবিপ্রবি শিক্ষক হয়ে স্বপ্নপূরণ নোবিপ্রবির রায়হান সজীবের

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

সম্প্রতি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগে প্রভাষক পদে   নিযুক্ত  হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কৃষি  বিভাগের তৃতীয় ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ রায়হান সজীব।

কেমন ছিলো তার জার্নি?সেসবই জানবো আজ।মোঃ রায়হান সজীবকে নিয়ে ফিচার লিখেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ সিনান তালুকদার। আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ।

কৃষিতে আসার গল্পটা কেমন  ছিলো জানতে চাইলে তিনি জানান, কৃষির সাথে হৃদ্যতা অনেকটা পারিবারিক, বাবা কৃষি কাজ করতেন। পড়াশোনার ফাঁকে মাঝে মাঝেই বাবার কাজে হাত লাগাতেন।কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি নিয়ে পড়বেন এমন কোনো পরিকল্পনা ছিলো না। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'উপকূলীয় কৃষি' বিভাগে ভর্তি হন,যা পরবর্তীতে "কৃষি" বিভাগে রূপান্তর হয়।


ছোটবেলা থেকেই শিক্ষক  হওয়ার ইচ্ছে ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, ছোটোবেলায় শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ছিলো কেবল পরীক্ষার খাতার 'জীবনের লক্ষ্য' প্রবন্ধে৷ কিন্তু সত্যিকারে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নের বুনন শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টারে। মনের মধ্যে আর একটি স্বপ্ন লুকায়িত ছিলো, সেটি হলো পুলিশ অফিসার হওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার জার্নি টা কেমন ছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন,

"আমাদের সময়ে মফস্বল থেকে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের জায়গা করাটা এতো সহজ ছিলো না। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর শুরু থেকেই ভালো করার নিমিত্তে নিয়মিত ক্লাস, ল্যাব এবং পড়াশোনা করতাম। এরই ফলশ্রুতিতে প্রথম সেমিস্টারে প্রথম হই।প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করতে থাকি। সর্বশেষ নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় হয়ে স্নাতক কোর্স শেষ করি।

শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের 'কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা' বিভাগে ভর্তি হই। এখানেও আলহামদুলিল্লাহ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স শেষ করি।  যদিও কোভিড- ১৯ এর কারণে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ১ বছরের বেশি সময় লাগে স্নাতকোত্তর কোর্স শেষ করতে। চারটি গবেষণা প্রকল্পে বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে কাজ করি প্রায় ২.৫ বছর। নিজের স্নাতকোত্তরের কাজ সহ স্যারদের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশ করি এবং অনলাইন, অফলাইনে বিভিন্ন কোর্স এবং ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহন করি। হাবিপ্রবিতে যুক্ত হওয়ার পূর্বে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক মাস শিক্ষকতা করি।

তার এই সফলতায় পরিবার ও পরিবারের বাইরের মানুষের   ভূমিকা জানতে চাইলে তিনি বলেন-

"প্রত্যেক সফল মানুষের সফলতায় বাবা-মা'র অবদান অনস্বীকার্য, ঠিক আমার ক্ষেত্রেও ভিন্ন নয়। আমার সফলতার পেছনে আর একজন ব্যক্তির ভূমিকা অনস্বীকার্য, তিনি হচ্ছেন আমার বড় বোন।সবসময় তারা পেছন থেকে সাহস যুগিয়েছ।পরিবারের বাইরেও আমার জীবনে বেশ কিছু মানুষের প্রভাব রয়েছে, আমার এই ছোট্ট জীবনে অসংখ্য মানুষের স্নেহ, ভালোবাসা, সহযোগিতা পেয়েছি। পুরো ছাত্র জীবনে আমি সবসময় শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের মেধা মননের সংস্পর্শে আজকের এই আমি। বন্ধুদের কথা বলতে গেলে শেষ হবে না, তারা সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ভালো কিছু করার। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


ভবিষ্যতে শিক্ষকতা সেক্টর থেকে আর কি কি করার ইচ্ছে আছে জানতে চাইলে তিনি জানান,তার প্রথম প্রাধান্য হচ্ছে নিজেকে একজন ভালো শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা। কৃষি সেক্টরে তিনি একজন ভালো গবেষক হতে চান ।দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে।

অনুজদের জন্য(যারা কৃষি নিয়ে পড়ছেন)কিছু  পরামর্শ চাইলে তিনি  বলেন,

"আমার প্রিয় অনুজদের উদ্দেশ্য একটি উক্তি দিয়েই শুরু করি: The secret of success is constancy of purpose- Benjamin Disraeli 

তোমরা তোমাদের যে লক্ষ্য ঠিক করেছো সেটা পূরণ করার জন্য মিশনে নেমে যাও এবং সেই অনুযায়ী কাজ করো। প্রতিনিয়ত নিজেকে উন্নত করো। শিক্ষকতার স্বপ্ন হোক কিংবা অন্যান্য সরকারি চাকরি বা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে গমন বা উদ্যেক্তা হওয়া। উদ্দেশ্য যেটাই হোক ,কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিশ্রম করো,সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

 তার অন্যতম শখ হচ্ছে গাছ লাগানো।তবে ইদানীং পাখি পুষতেও শুরু করেছেন।অবসর সময়ে ঘুড়াঘুড়ি, আড্ডা, নতুন কিছু এক্সপ্লোর করা, গান শোনা, বই পড়া, সোশাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারা, বিশেষ করে দাবা খেলতে পছন্দ করেন।রায়হান সজীবের পছন্দের রং  কালো এবং সাদা।


আরও খবর



মহা কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৪৮তম প্রয়াণ দিবস আজ।


 ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন আলিপুর জেনারেল হাসপাতালে অর্থাভাবে তিনি মারা যান।


ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি মধুসূদন ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।


মধুসূদন সাত বছর বয়সে কলকাতা যান। খিদিরপুর স্কুলে দুই বছর পড়ার পর ১৮৩৩ সালে কবি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। 


বাংলা, ফরাসী ও সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৪৪ সাল থেকে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতার বিশব কলেজে অধ্যায়ন করেন। 


সেখানে তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভুক্ত হাইস্কুলে শিক্ষাকতা করেন। মাদ্রাজ থেকে প্রকাশিত পত্রিকা মাদ্রাজ স্পেক্টেটর এর সহকারি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। 


১৮৬২ সালের ৯ জুন ব্যারিষ্টারি পড়ার জন্য তিনি বিলেত যান। ১৮৬৬ সালে তিনি ব্যারিষ্টারি পাশ করেন। মাইকেল মধুসূদন বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যেও অসামান্য অবদান রাখায় বিশ্ববাসী এই ধীমান কবিকে মনে রেখেছে কৃতজ্ঞচিত্তে।


যদিও তার প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘The Captive Ladie’ কে ইংরেজরা তখন সাদরে গ্রহণ করেনি। পাশ্চত্যের প্রতি আর্কষিত মধুসূদন ১৮৪৩ সালে খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়ে ‘মাইকেল’ উপাধি ধারণ করেন।


 তিনি ইংরেজদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এটি রচনা করলে গ্রন্থটি তৎকালীন ইংরেজ সাহিত্যিকদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। মধুসূদন থাকলে তাদের সাহিত্যকর্ম স্থান পাবে না এই সংশয় তাদের মাঝে প্রকটভাবে দানা বাধতে থাকে। 


ইংরেজি সাহিত্যে তার কীর্তির যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়ায় তিনি মনক্ষুন্ন হয়ে পড়েন। তখনই বুঝতে পারেন শেকড় ভোলার জ্বালা।


ইংরেজি সাহিত্য থেকে ছিটকে পড়ে বন্ধু মহলের পরামর্শে মধুসূদন বাংলাভাষায় সাহিত্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। 


তিনি বাংলা সাহিত্যে উপহার দেন শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য, কৃষ্ণকুমারী, মেঘনাদবদ কাব্য, ব্রজঙ্গনা কাব্য, বীরঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশদপদী কবিতাবলী, হেক্টরবধ এর মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।


মধুসূদন দত্ত নাট্যকার হিসেবেই প্রথম বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে পদার্পণ করেন। ১৮৫৯ সালে তিনি রচনা করেন ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটক। এটিই প্রকৃত অর্থে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক নাটক। 


১৮৬০ সালে রচনা করেন দুটি প্রহসন : ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ এবং পূর্ণাঙ্গ পদ্মাবতী নাটক। পদ্মাবতী নাটকেই তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। 


একের পর এক রচনা করেন ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ (১৮৬১) নামে মহাকাব্য, ‘ব্রজাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬১), ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটক (১৮৬১), ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্য (১৮৬২), চতুর্দশপদী কবিতা (১৮৬৬)।


মধুসূদনের শেষ জীবন চরম দুঃখ ও দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। আইন ব্যবসায় তিনি তেমন সাফল্য লাভ করতে পারেননি। তা ছাড়া অমিতব্যয়ী স্বভাবের জন্য তিনি ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েন। 


সাগরদাঁড়ির মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি ও গবেষক খন্দকার খসরু পারভেজ বলেন, করোনার কারণে কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালনে এবার উন্মুক্ত কর্মসূচি নেওয়া সম্ভব হয়নি। 


তবে আজ সকালে সাগরদাঁড়ির মধুপল্লীতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ এবং সন্ধ্যায় কবির সাহিত্যকর্ম ও জীবনীভিত্তিক ভার্চুয়াল আলোচনা, মধুসূদনের কবিতা থেকে আবৃত্তির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




প্রধানমন্ত্রী চীন যাচ্ছেন ৮ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


আগামী ৮ জুলাই চীন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


তিনদিনব্যাপী এ সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্রিকসে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।



পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আজ সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।


এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ সফররত চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও সাক্ষাত করেন।



 সাক্ষাতকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী চীনের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে রপ্তানি বৃদ্ধি, ওষুধ, সিরামিক, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্র প্রসার, চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।



 পাশাপাশি দেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে চীনের কার্যকর ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।



লিউ জিয়ানচাও সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীন সফরে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো নির্মাণে আরও সহযোগিতা দিতে চীন প্রস্তুত।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




২১০০ সালে বিশ্বব্যাপী লোকসংখ্যা হবে ১০২০ কোটি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিশ্বব্যাপী বাড়ছে জনসংখ্যা। বর্তমানে সারা বিশ্বে ৮২০ কোটি মানুষ বসবাস করলেও কয়েক দশকেই ভয়াবহভাবে পালটে যেতে পারে দৃশ্যপট। আগামী ৬০ বছরের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার চূড়ায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড পপুলেশন প্রসপেক্টাস-২০২৪ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৮০-এর দশকের মাঝামাঝি শীর্ষে ওঠা জনসংখ্যার পরিমাণ হবে এক হাজার ৩০ কোটি। তবে এর পরই এ সংখ্যা উলে­খযোগ্য হারে কমতে থাকবে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ। শতাব্দী শেষে জনসংখ্যা কমে দাঁড়াবে এক হাজার ২০ কোটিতে। ২১০০ সাল পর্যন্ত এ স্তর বিদ্যমান থাকবে।

২০২২ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০৮০-এর দশক নাগাদ জনসংখ্যা বৃদ্ধি শীর্ষে পৌঁছাবে। ওই সময় বিশ্বে মানুষ হবে এক হাজার ৪০ কোটি। ২১০০ সাল পর্যন্ত একই স্তর বিদ্যমান থাকবে। প্রতিবেদনের আগের সংস্করণগুলোয় জনসংখ্যা বৃদ্ধির এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। তবে এখন সংশোধিত তথ্য বলছে, চলতি শতকের শেষ নাগাদ এ পূর্বাভাসের তুলনায় ২০ কোটি মানুষ কম থাকবে।

নতুন প্রতিবেদন সম্পর্কে জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল লি জুনহুয়া বলেছেন, জনসংখ্যার বিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে। আগে উচ্চ জন্মহারের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল এমন কিছু দেশে জন্মহার তার চেয়ে কম দেখা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী নারীরা নব্বইয়ের দশকের তুলনায় এখন গড়ে এক সন্তানের কম জন্ম দিচ্ছেন বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

আরও বলা হয়েছে, অর্ধেকের বেশি দেশে নারীদের জীবিত সন্তান জন্মদানের হার ২ দশমিক ১ শতাংশের নিচে নেমেছে। অন্যদিকে চীন, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও স্পেনসহ এক-পঞ্চমাংশ দেশে নারীপ্রতি জীবিত সন্তান জন্মর হার ১ দশমিক ৪ শতাংশ। যাকে জাতিসংঘ বলছে, অতিনিম্ন জন্মহার

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লিখিত ৬৩টি দেশে বর্তমানে বিশ্বের ২৮ শতাংশ মানুষের বসবাস। এর মধ্যে রয়েছে চীন, জার্মানি ও জাপান। এ দেশগুলো এরই মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির শীর্ষ স্তর ছুঁয়েছে। ২০২০ সালের শীর্ষ স্তরের তুলনায় ২১০০ সাল নাগাদ ইউরোপের জনসংখ্যা ২১ শতাংশ কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। এটি যে কোনো মহাদেশের হিসাবে বড় ধরনের পতন। জনসংখ্যার এ পতনকে পুরোপুরি নেতিবাচকভাবেও দেখছেন না অনেকে।

তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট কিছুটা প্রশমিত হতে পারে। জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে কার্বন নিঃসরণ করে এমন কার্যকলাপ কমতে পারে। এছাড়া খাদ্য উৎপাদন, বাসস্থান ও কর্মসংস্থানের জন্য বন উজাড়ের মতো ঘটনাও কমবে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বর্তমানে বছরে প্রতিটি মানুষ গড়ে ৪ দশমিক ৩ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে অবদান রাখে। কিন্তু কার্বন নিঃসরণে অনেক বেশি অবদান রাখলেও পশ্চিমা দেশগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয় না।

জুনহুয়া বলেছেন, বৈশ্বিক জনসংখ্যার শীর্ষ স্তর পূর্বাভাসের আগে অতিক্রম করা একটি আশাব্যঞ্জক বিষয়। এ কারণে জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় পরিবেশের ওপর চাপ কমতে পারে।

তবে এটিও মনে রাখতে হবে, কর্মক্ষম জনসংখ্যার পতন ও বয়স্কদের সংখ্যা বাড়লে তা পাবলিক ফাইন্যান্সের মতো নতুন চাপ তৈরি করবে। এ বিষয়ে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের অধ্যাপক চার্লস গুডহার্ট বলেছেন, সমস্যা হলো কম কর্মী মানে কম প্রবৃদ্ধি ও কম কর। এছাড়া বয়স্কদের জন্য আরও যত্ন, ওষুধ ও সেবামূলক সহায়তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, যদি ওষুধ ও চিকিৎসাবিজ্ঞান বয়স্কদের রোগের মোকাবিলা করতে না পারে তাহলে সমাজে অনেক বেশি বৃদ্ধ থাকবেন যাদের দেখাশোনা করার জন্য খুব কম যুবক থাকবে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছে এমন দেশগুলোকে উৎপাদনশীলতা ও কর্মজীবন প্রসারিত করতে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছে সংস্থাটি।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠান শুক্রবার, ব্যয় ৫ কোটির বেশি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

 


বিডি টুডেস রিপোর্ট:



পদ্মা বহুমুখী সেতুর সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে আগামী শুক্রবার (৫ জুলাই)। 



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এই অনুষ্ঠান আয়োজনে যে ব্যয় হবে তা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।



বুধবার (৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


সমাপনী অনুষ্ঠানের বাজেট কত, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সচিব বলেন, বাজেট ৫ কোটি টাকার ওপরে। ৫ কোটি টাকার কম হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অনুমোদন করতে পারেন। খরচ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত খরচ বলা সম্ভব না।


তিনি বলেন, গত দুই বছরে পদ্মা সেতু দিয়ে ১ কোটি ২৭ লাখ যানবাহন চলাচল করেছে। ২৯ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। প্রতিদিন গড়ে যান চলাচল করেছে প্রায় ১৯ হাজার। প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা।


সচিব বলেন, আমরা সবাই জানি ২০২২ সালের ২৫ জুন আমাদের গর্বের, অহংকারের পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই পদ্মা বহুমুখী সেতুর নির্মাণের মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে। এই সমাপ্তি উপলক্ষে মাওয়া প্রান্তে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।


আগামী ৫ জুলাই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে জানিয়ে সচবি বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যেখানে হয়েছিল সেখানেই সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।


তিনি আরও বলেন, এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে যে কার্যক্রমগুলো নেওয়া হবে, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে তা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের সময় কম, সে কারণে ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে করা সম্ভব হবে না।



 সে জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজটি করার জন্য বিষয়টি এখানে উত্থাপন করা হয়েছে এবং মন্ত্রিসভা কমিটি সেটি অনুমোদন দিয়েছে।




আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বিএনপির তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিতে প্রথম দফায় তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।



বুধবার দুপুরে দলের অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


যুগপৎ আন্দোলন করেছেন আপনারা ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছেন তারা অনেকে বিবৃতি দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, তার মুক্তির কথা বলেছেন।’


নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপিসহ দলের অঙ্গসংগঠনের এ যৌথ সভা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মীর সরাফত আলী সপু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাইয়েদুল আলম বাবুল, মাহবুবুল হক নান্নু, মনির হোসেন, বেনজীর আহমেদ টিটো, নজরুল ইসলাম আজাদ, তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর