Logo
শিরোনাম

হাঁটলে আয়ু বাড়বে

প্রকাশিত:Tuesday ৩০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকতে এবং শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত হাঁটার বিকল্প নেই। কেবল শরীর নয়, মন সতেজ রাখতেও এর তুলনা হয় না। এছাড়া যারা ওজন কমানো নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, তাদের জন্যও হাঁটার কোনো বিকল্প নেই।

প্রতি সপ্তাহে মাত্র ৭৫ মিনিটের হাঁটা ২০ মাস পর্যন্ত আয়ু বাড়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট ও ব্রিগহ্যাম উওমেন হাসপাতালের একটি যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষকদের মতে, যদি কেউ প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত ছোটখাটো শারীরিক পরিশ্রম করেন- যেমন ৭৫ মিনিট হাঁটেন- তাহলে তিনি ৪০ বছরের পর অন্যদের তুলনায় ন্যূনতম ২০ মাস বেশি আয়ু পেতে সক্ষম।

গবেষণায় সাড়ে ছয় লাখ মানুষের ১০ বছরের স্বাস্থ্য রেকর্ড নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এদের মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার মানুষ উল্লিখিত বর্ধিত আয়ু শেষ হওয়ার আগে মারা যান।

তবে স্বাভাবিক ওজনের ব্যক্তিদের জন্য এ হাঁটা আরও উপকারি হতে পারে বলে গবেষণায় জানা যায়। তারা সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে ৭ বছর দুই মাস পর্যন্ত আয়ু বাড়াতে সক্ষম।

গবেষণা বলছে, যারা গতিতে হাঁটে তাদের আয়ু গড়ে ২০ শতাংশ বাড়ে, তাদের থেকে যারা সেভাবে কম গতিতে হাঁটেন। এছাড়াও পায়ের পেশী ভালো থাকে। 

নিয়মিত হাঁটলে কোলেস্ট্রল নিয়ন্ত্রণে থাকে। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডায়াবেটিস ও স্থুলতা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে। পাশাপাশি হার্ট, উচ্চ রক্তচাপ এমনকি ক্যানসারের মতো রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে নিয়মিত হাঁটার অভ্যেস। কেন আমাদের আরো বেশি হাঁটা প্রয়োজন এবং জেনে নিন হাঁটার উপকারিতা-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

হাঁটলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে রক্তের গ্লুকোজ কমে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। সম্প্রতি গবেষকদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আপনি যত বেশি হাঁটবেন, তত আপনার ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা কম হবে। যিনি সপ্তাহে ৫ দিন প্রতিদিন ১০,০০০ স্টেপ হাঁটেন, তিনি ডায়াবেটিস থেকে তত দূরে থাকেন যিনি প্রতিদিন ৩,০০০ স্টেপ হাঁটেন।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন নিয়ম করে ৩০ মিনিট হাঁটা ও ব্যায়াম করতে হবে। স্তন, প্রোস্টেট, ফুসফুস, কোলন ও কিডনির ক্যানসার প্রতিরোধ নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

জয়েন্টে ব্যথার উপশম করে

গাঁটে গাঁটে ব্যথা বা জয়েন্ট পেইনে ভুগলে কিন্তু হাঁটার কোনও বিকল্প খোঁজা দায়। জয়েন্টে ব্যথার উপশমই শুধু নয়, এক গবেষণা বলছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হাঁটার গুণাগুণ প্রচুর।

হার্ট ভালো থাকে

নিয়মিত হাঁটলে রক্তনালীর দেওয়ারগুলিতে চর্বি কম জমে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়াও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজ দেয় হাঁটার অভ্যাস। এতে কমে যায় স্ট্রোকের সম্ভাবনা।

বাড়তি মেদ ঝরায়

ডায়টেশিয়ানদের মতে, প্রতি সপ্তাহে ২৫০ মিনিট ধরে হাঁটা উচিত। অর্থাৎ প্রতি দিনের নিরিখে আধ ঘণ্টার একটু বেশি। দীর্ঘক্ষণ হাঁটলে ক্যালোরি বার্নে সুবিধা হয়। আর তারফলেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য হয়।

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকে

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাওয়া দাওয়ার নিয়মের পাশাপাশি দরকার নির্দিষ্ট সময় মেনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাঁটা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্লাড প্রেশারের সমস্যা কমাতে ৩০ মিনিট নিয়ম করে রোজ হাঁটলে তা উপকার দেবে।

মানসিক সুস্থতা ভালো থাকে

অফিসে বা কাজে হেঁটে যাওয়া অনেক ভালো একটি উপায়। সকালে হাঁটার অভ্যাসের পাশাপাশি কাজের জায়গায় গিয়ে আপনাকে মানসিকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করবে।‘ইট দিস ডট কম’ ওয়েবসাইটের এক গবেষণায় অ্যাংলিয়াস নরউইচ মেডিকেল স্কুলের প্রধান গবেষক অ্যাডাম মার্টিন বলেন, যারা গাড়িতে যাতায়াত করেন, তাদের মানসিক সুস্থতা বেশি খারাপ হয়। আর যারা বেশি হাঁটেন, তাদের মানসিক সুস্থতা ততই ভালো হয়।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রভাব পড়ে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। কমে যায় স্মৃতি শক্তি। তাই স্মৃতি শক্তি ভাল রাখতে নিয়মিত হাঁটার অভ্যেস করুন। নিজেকে সুস্থ রাখুন।

হাঁটার সময় যেসব কৌশল মেনে চলবেন

জার্নাল অব হ্যাপিনেস স্টাডিজের একটি গবেষণায় তারা একদল স্বেচ্ছাসেবককে হাঁটার সময় তাদের সামনে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে তিনটি কৌশল মেনে চলতে বলেন। প্রথমটি হচ্ছে— তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভালোবাসা-দয়া রাখা; দ্বিতীয়টি হচ্ছে— পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা এবং তৃতীয়টি হচ্ছে— কৌশলে বলা হয় অন্যান্য লোকদের বাহ্যিক উপস্থিতি এবং চেহারা বিবেচনা করতে। গবেষণাটিতে দেখা যায়, এ কৌশলগুলো অবলম্বন করার ফলে তারা কম উদ্বেগ, আরও সুখী, আরও সংযুক্ত, আরও যত্নশীল এবং আরও সহানুভূতি অনুভব করে।

হাঁটার মাঝে মাঝে শ্বাস প্রশ্বাস ঠিক রাখতে লম্বা ও গভীর দম নিন ও ছাড়ুন। নাক দিয়ে দম নিয়ে, মুখ দিয়ে ধীরে ছাড়ুন। এতে আপনার শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও আরো হাঁটার শক্তি পাবে।

হাঁটার ১০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। সারাদিন এক ঘন্টা পর পর এক গ্লাস করে পানি খেলে হাঁটার সময় পানিশুন্যতা হবে না। হাঁটার সময় প্রতি ২০ মিনিটে এক কাপ করে পানি খাবেন। হাঁটার শেষে এক থেকে দুই গ্লাস পানি খাবেন।

প্রতিদিন যত বেশি হাঁটবেন, মনে হবে আপনি ততই বেশি ভাল আছেন। ভাল থাকার ব্যাপারে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। শরীরকে যথাযথভাবে কর্মক্ষম রাখার জন্যে এবং আয়ু বাড়াতে নিয়মিত হাঁটুন।


আরও খবর



ধামরাই মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে তিন শতাদিক কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার) :

ঢাকার ধামরাইয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে তিন শতাদিক কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ধামরাই সিটি সেন্টারে। 

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার কমিশন ধামরাই উপজেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান। 

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় সংসদ সদস্য ঢাকা ২০ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমেদ। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক আইয়ুব,  ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদ খালেদ মাসুদ খান লাল্টু, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোরছালিন সরদার, অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ধামরাই উপজেলা মানবাধিকার কমিশন সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সহ উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের সকল সদস্য গণ।


আরও খবর



বিদ্যুতের দাম ১৫% বাড়ানোর সুপারিশ

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

জহীরুল কবির আমজাদ : গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণশুনানিতে এ সুপারিশ করে বিইআরসির কারিগরি কমিটি। 

পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) জানিয়েছে, গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম না বাড়লে তাদের ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা ক্ষতি হবে। একইভাবে পিডিবি ২৩৪ কোটি, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ হাজার ৫৫১ কোটি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ১ হাজার ৪০২ কোটি টাকা, নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বলছে, তাদের ৫৩৫ কোটি টাকা লোকসান হবে। ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিও (ওজোপাডিকো) তাদের ক্ষতির কথা জানিয়েছে।

গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিইআরসি। এরপর বিদ্যুতের খুচরা মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। সবগুলো প্রতিষ্ঠান বলছে পাইকারি দাম বৃদ্ধির পর খুচরা দাম না বাড়ালে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। সেসব আবেদন কারিগরি কমিটিতে মূল্যায়ন শেষে তা গণশুনানিতে আসে।

সবশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক বা খুচরাপর্যায়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ January ২০২৩ |
Image

 শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার :

সুনামগঞ্জের  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে  ফতেপুর ইউনিয়নের ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুরে শীতার্ত ও মাদ্রাসা

 শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল

 বিতরণ করা হয়েছে। ১৭জানুয়ারি মঙ্গলবার এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা সম্পন্ন হয়। শীতার্তের সাহায্যে এগিয়ে আসায়, উপকারভোগী মৌলভী নুরুল হক সহ সবাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাদি উর রহিম জাদিদ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।প্রকাশ ১৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে  

ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর  এর আয়োজনে এশিয়ান নারী ও শিশু

অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী'র

সুনামগঞ্জ আগমন উপলক্ষে মাদ্রাসার মুহতামীম সাংবাদিক মাওলানা 

শফিউল আলম এর সভাপতিত্বে ও সমাজকর্মী এন এইচ লালনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলীসহ  জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ কে  সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এদিকে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে নবনির্বাচিত সভাপতি একে মিলন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ এবং সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান সজীব কে ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয। এসময় এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী বলেন ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর কে স্মার্ট মাদ্রাসা হিসেবে তৈরি করতে আমি সর্বান্তক চেষ্টা করব এবং শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া স্কুলের শিশুদের পাঠদানে সহায়তার জন্য এখানে দুই  টাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করব ইনশাল্লাহ। এ কাজে সহায়তার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সময় কম থাকায়  কয়েক জন কে শীতবস্ত্র দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন  বিশিষ্ট মুরব্বি মোহাম্মদ আলী, শাহ শাহিন আলম,আব্দুল আউয়াল প্রমূখ। 

 অতঃপর  ১৭ জানুয়ারি সকালে বস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।


আরও খবর



গজারিয়ায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Wednesday ০৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ২৬ January ২০২৩ |
Image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মানবতার সেবা নিয়ে অবিরত কাজ করে যাচ্ছে "মানুষ মানুষের জন্যে ছোটদের ফাউন্ডেশন"। ২০২০ সাল থেকে পথচলা অরাজনৈতিক  এই সংগঠনটি অসহায় দুস্তদের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছে সবসময়। পাশাপাশি যুবকদেরকে মাদক ইভটিজিং ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দুরে রেখে কল্যানমুলক কাজ করতে উৎসাহিত করছে ছোটদের এই সংগঠনটি।মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া উপজেলা বালুয়াকান্দি  ইউনিয়নে

 ছোটদের ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী ও শীতার্ত মানুষের মাঝে  (৩০০) তিনশত কম্বল বিতরন করা হয়েছে।  বুধবার সকাল ১১ টায় বোরহান উদ্দিনের বাসভবনে অসহায় মানুষের মাঝে এই কম্বল বিতরন করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বোরহান উদ্দিন ভূইয়া। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন ভূইয়া,নাসির উদ্দিন ভূইয়া জাহিদুজ্জামান জুয়েল, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দেওয়ান মোঃ হারুন অর রশীদ, মোহাম্মদ জুবায়ের। এছাড়াও অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন  সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক-ইফরাত আলম রিমন, সভাপতি ফুহাদ রহমান জিসান, সাধারণ সম্পাদক মিম বায়েজিদ রাব্বি, সিনিয়র সভাপতি তানভীর আহমেদ, সহসভাপতি ফয়সাল দেওয়ান, কোষাধ্যক্ষ জুয়েল মিয়াসহ সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার ইসলাম সাকিব। উল্লেখ্য, শীতবস্ত্র বিতরণের পূর্বে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ সংগঠনের সকল সদস্যদের সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষে আলোচনা সভায় সকল বিত্তবানদের মানবিক কল্যানে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে সংগঠনটির পাশে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান উপস্থিত সকলে।


আরও খবর



আফগানিস্তানে তুষারপাতে মৃত্যু বেড়ে ১২৪

প্রকাশিত:Wednesday ২৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ২৭ January ২০২৩ |
Image

গত ১৫ দিনে আফগানিস্তানে ভয়াবহ শীতকালীন তুষারপাত ও তীব্র ঠান্ডায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক'শ ২৪ জনে।

টানা ১৫ দিনের তীব্র ঠান্ডায় আরো প্রায় ৭০ হাজার গাবাদিপশু মারা গেছে। চলমান পরিস্থিতিতেও সরকারি নির্দেশে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ আব্বাস আখুন্দ। তিনি বলেন, ভারি তুষারপাতের কারণে আফগানিস্তানের অনেক এলাকা সম্পূর্ণরূপে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দুর্গতদের উদ্ধারে ওইসব অঞ্চলে সামরিক হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও বেশিরভাগ পাহাড়ি এলাকায় হেলিকপ্টার অবতরণ করতে পারছে না। আগামী ১০ দিনে আবহাওয়ার উন্নতি অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়বে বলে আশা করছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।


আরও খবর