Logo
শিরোনাম

হার্টে পেসমেকার বসাতে অপারেশন থিয়েটারে খালেদা জিয়া

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হার্টে পেসমেকার বসাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে।


এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৩ জুন) বিকেল ৫টার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।


এর আগে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হৃদ্‌যন্ত্রে পেসমেকার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড। তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন।


খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক রোববার বলেন, গতকাল রাতে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বৈঠকে তার শরীরে পেসমেকার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়। আজ আবার মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।


শুক্রবার (২১ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খালেদা জিয়া আর্থরাইটিস, হৃদ্‌রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।





আরও খবর



রাণীনগরে ১০হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করে ভস্মিভূত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর রাণীনগরের আবাদপুকুর হাটে অভিযান চালিয়ে ১০হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করে আগুনে ভস্মিভূত করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। 

কর্মকর্তা জানান,ওই হাটে নিষিদ্ধ কারেন্টজাল বিক্রি হচ্ছে,এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ১টা নাগাদ থানাপুলিশকে সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিষিদ্ধ কারেন্টজাল ক্রেতা-বিক্রেতারা জাল ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে প্রায় একলক্ষ ২০হাজার টাকার ১০হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ করা হয়। এর পর জনসম্মুখে আগুনে পুরে ভস্মিভূত করা হয়। এর আগে গত ২৬জুন একই হাটে অভিযান চালিয়ে ১২হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করে আগুনে ভস্মিভূত করা হয়েছে। এই কর্মকর্তা আরো জানান,দেশীয় প্রজাতির মাছের সুরক্ষায় এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলার স্কুলে গিয়ে যে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরাই হবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর।


শনিবার (৬ জুলাই) জাতির পিতার ছেলেবেলার গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন’ ও ‘এসো বঙ্গবন্ধুকে জানি’ শীর্ষক অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বো। আজকের ছোট শিশুরাই হবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর। শিশুরাই হবে আসল স্মার্ট, তারাই দেশ চালাবে। আমরা এক সময় চাঁদেও যাবো। তাই সবাইকে এখন থেকে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে, পড়াশোনা করতে হবে।


শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য ’৭৫- এর পর ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। মানুষের জানা উচিত, কিভাবে স্বাধীনতা পেলাম। স্বাধীনতার পরে যে কাজগুলো হয়েছে, সেগুলোও জানতে হবে।



অনুষ্ঠান শেষে সেখান থেকে টুঙ্গিপাড়া পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন শেখ হাসিনা। বিকালে জাতির জনকের সমাধিতে ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেওয়ার পর ঢাকায় ফিরবেন তিনি।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যে ৩৪ জন প্রার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই)। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ৩৪ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। 



প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি কেউ আবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৯৮টি ছোট-বড় রাজনৈতিক দল। 



পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চার হাজার ৫১৫ জন প্রার্থী।



এই নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে অংশ নিচ্ছেন মোট আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তারা হলেন–রুশনারা আলী, রূপা হক, টিউলিপ সিদ্দিক, আফসানা বেগম, রুমি চৌধুরী, রুফিয়া আশরাফ, নূরুল হক আলী ও নাজমুল হোসাইন। 



এদের মধ্যে রুশনারা আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে নির্বাচনি এলাকা থেকে, রূপা হক ইয়েলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকশন থেকে, টিউলিপ সিদ্দিক হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে এবং আফসানা বেগম পপলার অ্যান্ড লাইমহাউস এলাকা থেকে। 



এরা চারজনই বর্তমান পার্লামেন্টের সদস্য এবং পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়াতে মনোনয়ন পেয়েছেন।


এ ছাড়া লোবার পার্টি থেকে লড়ছেন–রুমি চৌধুরী উইথাম থেকে, রুফিয়া আশরাফ সাউথ নর্থ হ্যাম্পটনশায়ার থেকে, নুরুল হক আলী গর্ডন অ্যান্ড বুচান থেকে এবং নাজমুল হোসাইন ব্রিগ অ্যান্ড ইমিংহাম নির্বাচনি এলাকা থেকে।


ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি থেকে দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–আতিক রহমান ও সৈয়দ সাইদুজ্জামান। এদের মধ্যে আতিক রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নর্থ লন্ডনের টটেনহাম থেকে এবং সৈয়দ সাইদুজ্জামান ইলফোর্ড সাউথ থেকে।



ছয়জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ওয়ার্কাস পার্টি থেকে। তারা হলেন–গোলাম টিপু (ইলফোর্ড সাউথ), প্রিন্স সাদিক চৌধুরী (বেডফোর্ড), মোহাম্মদ সাহেদ হোসেন (হাকনি সাউথ), ফয়সাল কবির (অলট্রিনচাম অ্যান্ড সেল), মোহাম্মদ বিলাল (ম্যানচেস্টার রুশোলম) ও হালিমা খান (স্টার্টফোর্ড অ্যান্ড বো)।



গ্রিন পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন–সাঈদ সিদ্দিকি (ইলফোর্ড সাউথ), সাঈদ শামসুজ্জামান শামস (ওল্ডহাম ওয়েস্ট অ্যান্ড রয়টন) ও শারমিন রহমান (লিচেস্টার সাউথ)।


যুক্তরাজ্যর পার্লামেন্ট নির্বাচনে রিফর্ম পার্টি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাজ ফরহাদ (ইলফোর্ড সাউথ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে রাবিনা খান (বেথনাল গ্রিন অ্যাণ্ড বো), স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি থেকে নাজ আনিস মিয়া (ডানফার্মার লাইন অ্যাণ্ড ডলার) এবং সোশালিস্ট পার্টি থেকে মুমতাজ খানম (ফক্সটোন) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।



এ ছাড়া ১১ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন। 


তারা হলেন–ওয়াইস ইসলাম (হলবর্ন অ্যান্ড সেন্ট প্যানক্রাস), আজমল মনসুর, সুমন আহমেদ ও সাম উদ্দিন (বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড স্টেপনে), এহতেশামুল হক (পপলার অ্যান্ড লাইম হাউস), ওমর ফারুক ও নিজাম আলী (স্ট্রাটফোর্ড অ্যান্ড বো), নূরজাহান বেগম (ইলফোর্ড সাউথ), হাবিব রহমান (নিউক্যাসল সেন্ট্রাল ওয়েস্ট), আবুল কালাম আজাদ (বেক্সহিল অ্যান্ড ব্যাটল) ও রাজা মিয়া (ওল্ডহাম ওয়েস্ট, চেদারটন অ্যান্ড রয়টন)।


আরও খবর



কোনও গোষ্ঠী কোটা আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে? সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাদের পক্ষেই আছে। এরপরে আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনও গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনকে উসকানি দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখায় সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়ছে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

দুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার মতো সকল কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে আবারও অনুরোধ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। এতে তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে বিএনপি-জামায়াত অপশক্তির অপরাজনীতি এবং ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই বিবৃতি বলে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের উপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এই আদেশের পরে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনও কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এরপরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই।

এই আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর জনগণ আস্থাহীন হয়ে পড়বে মন্তব্য করে তিনি বলেন, একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি না, কোমলমতি সকল শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তারাই আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে কোনও আন্দোলন হলেই বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা সেটাকে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে। এখন তারা কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ তাদের ওপর জনগণের কোনও আস্থা নেই। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করে লন্ডনে বিলাসী জীবনযাপন করছে। দেশের সাধারণ জনগণের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। এই দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের অপরাজনীতির কারণেই বার বার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বিএনপি। সরকারবিরোধী কোনও আন্দোলনেই তারা সফল হতে পারেনি। তাই যখনই অরাজনৈতিক আন্দোলন সংগঠিত হয় সেটাকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করে বিএনপি।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সর্বদা আন্তরিক। কোনও যৌক্তিক দাবি কখনোই আওয়ামী লীগের কাছে উপেক্ষিত হয়নি। আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি জনকল্যাণকর উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাবো আপনারা কারও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না।

বিবৃতিতে বলা হয়, চূড়ান্ত শুনানিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আরও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে এ বিষয়ে নিষ্পত্তি করবে। আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের বিষয়গুলো চূড়ান্ত শুনানিকালে আমলে নিয়ে বাস্তবসম্মত চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।

আমরা আন্দোলনকারীদেরকে ধৈর্য ধারণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে এ ধরনের সকল কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যার যার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আবারও অনুরোধ জানাচ্ছি, বিবৃতিতে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।


আরও খবর



কোটা বাতিলের দাবিতে ফের শাহবাগ উত্তাল, যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে ফের শাহবাগ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।



বুধবার (৩ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টায় শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগে আসেন।


এরপর তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।


এর আগে দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগে যান।



শিক্ষার্থীরা এ সময় ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’; আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’; ‘আঠারোর পরিপত্র, পুনর্বহাল করতে হবে’; ‘কোটাপ্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’; ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটাপ্রথার কবর দে’; ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’; ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’ স্লোগান দেন।


এ সময় পুলিশ সদস্যদের মোড়ের চারপাশে অবস্থান নিতে লক্ষ্য করা গেছে।




আরও খবর