Logo
শিরোনাম

হাত-পায়ে ঝি ঝি কেন ধরে ?

প্রকাশিত:Monday ০৫ December ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বেশ কিছুক্ষণ এক ভঙ্গিমায় থাকলে বা হাত-পায়ে চাপ পড়লে ঝিঁঝি ধরার সমস্যা হয়। এ সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। এক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে হাত-পা নাড়ানো কষ্টকর হয়ে ওঠে, অবশবোধ হয় ও যন্ত্রণা করে। তবে কেন এমনটি হয়?

আসলে দীর্ঘক্ষণ এক ভঙ্গিতে থাকলে এমনটি ঘটে। এক্ষেত্রে হাত-পায়ের পেশিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে যে স্নায়ু, তার উপরে চাপ পড়ে বলেই এমনটি ঘটে। তখন হাত-পায়ে শক্তি পাওয়া যায় না। যদি পায়ে ঝিঁঝি ধরার পরেও একইভাবে যদি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা হয় তাহলে পায়ের কয়েকটি অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। তখন ঝিঁঝি’র অনুভূতি আরও বাড়ে।

দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকলে ঝিঁঝি ধরে যায়। তখন মাথা এপাশ ওপাশ দোলালে সাধারণত শরীরের সব স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এতে ধীরে ধীরে ঝিঁঝি ঠিক হয়ে যায়।

ঝিঁঝি লাগলে যদিও হাঁটতে কষ্ট হয়, তাই কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকুন ও হাঁটার চেষ্টা করুন। পায়ে ঝিঁঝি ধরলে পেশিতে সঙ্কোচনের কারণেই এমনটি হয়। দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ঝিঁঝি ঠিক হয়ে যাবে।

সূত্র : হেলথলাইন


আরও খবর



আইজিপি ব্যাজ’ পেলেন ধামরাইয়ের কৃতী সন্তান এডিঃ এসপি শহিদুল ইসলাম

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Thursday ০২ February 2০২3 |
Image

মাহবুবুল আলম রিপনঃ


 প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পেয়েছেন ঢাকার ধামরাইয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আওলাদ হোসেনের ছেলে বর্তমান ঢাকা জেলা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম।

বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্র্যাউন্ডে পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার এই ব্যাজ পরিয়ে দেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এ সময় তিনি ব্যাজপ্রাপ্তদের হাতে সনদও তুলে দেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা বিধান, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড, মামলার রহস্য উদঘাটন, ভালো পুলিশিং, সরকারি ও ব্যক্তিগত কাজের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি বাড়ানোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদানের ভিত্তিতে পদকের জন্য যোগ্য কর্মকর্তা ও সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়। এই পুরস্কার তাদের জনসেবার কাজে আরও উৎসাহিত করবে।

শহিদুল ইসলাম ৩০তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১২ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি কৃতিত্বের সাথে ঢাকা জেলা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে কর্মরত রয়েছেন।

তিনি যাদবপুর বিএম হাই স্কুল এন্ড কলেজে পড়াশুনা করেছেন, পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বিবিএ ও এমবিএ সম্পূর্ণ করেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অফ পুলিশ সাইন্স (এমপিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি সবসময় অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।এই শীতেও তিনি নিজ উদ্যোগে তিনশত অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। তিনি সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করেন।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম সময় নিউজকে জানান, কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার এ প্রাপ্তিতে পেশাদারিত্ব ও কর্ম উদ্দীপনা আরো বাড়িয়ে দিবে।


আরও খবর



দেশের সকল জেলা হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু করা হবে

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন, "দেশের সরকারি হাসপাতালের সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে ঢাকাসহ সকল জেলা সদর হাস্পাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। এর আগে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেবা চালু করা হয়েছে। আজ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও এই ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেবা ব্যাবস্থা উদবোধন করা হলো। এর ফলে এখন থেকে এই জায়গাতেই একজন রোগী সব রকম সেবা ঝামেলামুক্ত থেকেই পেয়ে যাবেন। এর পাশাপাশি, এখানে ৫০০ বেড থেকে নতুন করে উর্দ্ধমূখী সম্প্রসারণ করে এই হাসপাতালে আজ থেকে প্রায় ১৩৫০ বেডের সেবা কার্যক্রম শুরু করা হলো। এখানে নানারকম টেস্ট সুবিধা, আইসিইউ, এসডিইউ সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র এই সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে এখন থেকে আর কোন রোগীকে ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হবে না। রোগীরা এই হাসপাতালে এখন থেকে উন্নত বেডে চিকিৎসা নিতে পারবে।"

আজ বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি এন্ড ক্যাজুয়াল্টি (ওএসইসি) সার্ভিস এর উদবোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কর্মরত স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্সদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসময় বলেন, এই সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের শুধু উর্দ্ধমূখী সম্প্রসারণ করার কাজেই সরকারের ৯২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ৭৫ হাজার স্কয়ার ফিটের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১২ টি নতুন অপারেশন থিয়েটার সহ শতশত বেড বৃদ্ধি করা হলো। কিন্তু এগুলোতে যদি সেবা দিতে কাজ করাই না হয়, মানুষকে সেবা দিতে নৈতিকতা কাজ না করে তাহলে সরকারের সব প্রচেষ্টা নষ্ট হবে। কোন যন্ত্র নষ্ট হলে তা যদি ঠিক না করে ফেলে রেখে রোগীদের বাইরে চিকিৎসা নিতে পাঠানো হয় সেটা নৈতিক অপরাধ হবে। এজন্য যন্ত্র নষ্ট হলে তা মেরামত করতে হবে, মেরামত না হলে নতুন করে কিনতে হবে, কিন্তু সরকারি সেবা নিতে আসা অসহায় রোগীদের নিজেদের সরকারি হাসপাতালে সেবা না দিয়ে বেসরকারি কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে পাঠানো যাবে না।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড মুহ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, চিকিৎসা সেবা দিয়ে আপনারা সরাসরি মানুষের দোয়া পান, মানুষের ভালোবাসা লাভ করতে পারেন যা অন্য কোন পেশায় চাকরি করে পাওয়া অসম্ভব। কাজেই এই দোয়ার কাজটি আরো দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে। কোন অসহায় মানুষ যেনো সরকারি হাসপাতালে এসে সেবা না পেয়ে মনে কষ্ট নিয়ে ফিরে চলে না যান সেটি আপনাদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। আর ভালো কাজ করলে আপনাদের জন্য সরকার সব সুযোগ সুবিধা আরো বৃদ্ধি করবে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মুহ. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল) নাজমুল হক, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটু মিয়া, স্বাচিপ এর সভাপতি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মিলন,  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর আহমেদুল কবীর, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব কাজী সফিকুল আজম, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবিএম মাসুদুল আলম, পরিচালক খলিলুর রহমান সহ অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও

আব্দুল জলিলের কবরে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলী

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

ঐতিহ্যবাহী নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের নব গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও উত্তরবঙ্গের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জননেতা মরহুম আব্দুল জলিল এর কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়েছে। 

সোমবার প্রথমেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত অনুপ্রেরণার বাতিঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এরপর উত্তরবঙ্গের কৃতিসন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের বাতিঘর নওগাঁর মরহুম জননেতা আব্দুল জলিলের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এসময় সেখানে মরহুমের কবর জিয়ারতের পর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব এর নতুন কমিটির সভাপতি কায়েস উদ্দিন, সহ-সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, মীর মোশারফ হোসেন জুয়েল, সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক খন্দকার আব্দুর রউফ পাভেল, একে সাজু, অর্থ সম্পাদক হারুনুর রশিদ চৌধুরী রানা, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ রিপন, প্রচার সম্পাদক লোকমান আলীসহ ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকল সদস্য সহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮জানুয়ারী নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের আগামী এক বছরের জন্য একটি নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।


আরও খবর



মানবতার আরেক নাম, ডা. ফেরদৌস খন্দকার

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকার।নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলে অনেক চিকিৎসক চেম্বার বন্ধ রাখেন। কিন্তু সেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন ডা. ফেরদৌস। দুঃসময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ডা. ফেরদৌস। চেম্বার খোলা রেখে করোনা আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন। মনস্থির করলেন নিজের মাতৃভূমিতে এসে নিজেকে বিলিয়ে দিবেন দেশের মানুষের স্বার্থে।

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন (ইউএসএ) ইনক'র সভাপতি মানবিক মানুষ ডা. ফেরদৌস খন্দকার , তার মুল লক্ষ্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলকে বিশ্ব বাসির কাছে পরিচিত করে দেওয়া এবং স্কুল কলেজ এর ছাত্র, ছাত্রীদের মাঝে তার মূল্যায়ন গড়ে তোলা তিনি বলেন দেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত- একটি পক্ষ স্বাধীনতার পক্ষে আর একটি স্বাধীনতা বিরোধী, তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ, জন্মভূমি এবং স্বাধীনতার পক্ষে থাকবে নাকি ভুল সিদ্ধান্ত নিবে। 

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার নামে তিনি দেশে বিদেশে নানা রকম মানব কল্যাণ মূলক কাজ করে থাকেন ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার ।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ডা. ফেরদৌস খন্দকার। জন্মগ্রহণ করেছেন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে। বাবা ফয়েজ আহমেদ খন্দকার বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। মা আনোয়ারা বেগম খন্দকার গৃহিনী। তিন ভাইবোনের মধ্যে ডা. ফেরদৌস বড়।
ডাক্তার ফেরদৌসের মায়ের পরিবার দেবিদ্বারের পাশের মুরাদনগরের কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার নানা সামরিক বাহিনীতে অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন। সহজ-সরল মানুষ। উনার ছয় ছেলে, এক মেয়ে। তার প্রথম ছেলে খুরশিদ আনোয়ার সাহেব, উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ওই সময় সেই এলাকার মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার ছিলেন তিনি। পরে ফার্মাসিস্ট হয়ে বিদেশে চলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় জনও মুক্তিযোদ্ধা, অ্যাকাউন্টেন্ট।
ছোটবেলা থেকেই স্বেচ্ছাসেবী কাজ করতে পছন্দ করতেন ডাক্তার ফেরদৌস। গ্রামে এবং নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা স্বেচ্ছাসেবী কাজের সাথে জড়িত ছিলেন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।  তিনি ১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নিশিপসহ মেডিসিনে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তারপর পরিবার সহ পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানকার নিউইয়র্ক মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশিক্ষণসহ চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ডাক্তার ফেরদৌস। পাশাপাশি জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। 

 ডাক্তার ফেরদৌস কোন কাজকেই ছোট মনে করেননি। একসময় আমেরিকায় ট্যাক্সি ক্যাব চালিয়েছেন।   এমনও অনেক দিন গেছে টানা ১৯ ঘন্টা তিনি ট্যাক্সি চালিয়েছেন।  দশজন সাধারণ অভিবাসীর মতই তিনি ঘুরেছিলেন এই শহরে ভাগ্যের অন্বষনে। যুক্তরাষ্ট্রে ডাক্তারী পেশার জন্য প্রাকটিস সনদ পরিক্ষার খরচ যুগিয়েছিলেন এবং শেষ দিকে এসে যখন এই ডাক্তারী অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলেন, সেটার ভাড়া আর কর্মচারীদের বেতন তুলে চলতেন।


লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়কে বেছে নিয়েছেন ডাক্তার ফেরদৌস। নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ডাক্তার ফেরদৌস হয়ে উঠলেন সফলদের একজন। 
তিনি জ্যাকসন হাইটসের ব্যস্ততম ৩৭ স্ট্রিটে ওয়েস্টার্ন কেয়ার মেডিকেল কেয়ার পিসি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন সমমনাদের নিয়ে। সেখানে দেশি বিদেশি ৭ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মূর্তমান বিশ্বস্ততার প্রতিক হয়ে উঠলেন ডাক্তার ফেরদৌস।

 

একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশী, ভারতীয় এবং পাকিস্থানী নাগরিকদের মধ্যে যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়েছেন । নিউইয়র্কের অলাভজনক সংস্থা দি অপটিমিস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তিনি। রোগিদের আস্থা আর তাদের প্রতি সেবাকে আরো বিস্তৃত করতে নতুন একটি মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন ফেরদৌস খন্দকার। জ্যাকসান হাইটস এর ৭০-৩৮ ব্রডওয়েতে এই চিকিৎসা কেন্দ্রটি অবস্থিত। মানুষজন বিক্ষিপ্তভাবে এদিক সেদিক না গিয়ে যাতে এক ছাদের নিছে সেবা পায় সেজন্যই তার এই প্রচেষ্টা। 

 

ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখার পাশাপাশি, ফেসবুক এবং ইউটিউবে নিয়মিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি চান মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞানের পরিধি বিস্তার হোক।
বিদেশে থাকলেও স্বদেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করলেন। মেডিকেলের শিক্ষার্থী হিসেবে সেনাবাহিনীর বৃত্তি পেয়েছিলেন। অর্থ-বিত্তে সাফল্যে পৌঁছার শুরুতেই তিনি সেই বৃত্তি ফেরত দিয়েছেন। নানাভাবে তাঁর দায় পরিশোধের উদ্যোগের কথা জানালেন। নিজের অর্থ ব্যয়ে গ্রামে হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রম করছেন। এসব কাজ করতে গিয়ে নানা বাধাবিপত্তির মোকাবিলা করেছেন।

বছরে অন্তত চারবার দেশে আসেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার। নিজের এলাকার জন্য, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার তাড়না থেকেই আসেন তিনি। অর্থনৈতিকভাবে বেশ সফল হলেও ভ্রমণের সময় বাড়তি ব্যয় করেন না। বেঁচে যাওয়া সেই অর্থ বরং মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন। 


আরও খবর



র‍্যাবের কারনে জঙ্গি নিমূল সম্ভব হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এম পি বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে যেসব শহীদদের কবর দেশের বাহিরে আছে। তাদের কবর দেশে এনে করব দেয়ার ইচ্ছে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। 

মঙ্গলবার দুপুরে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার শীতার্ত মানুষজনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) আয়োজনে এ শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সীমান্তে হত্যাকান্ড বন্ধ হচ্ছে না-এটা দু:খজনক। বিজিবি ও বিএসএফ তাদের সাধ্যমতে সীমান্তে হত্যাকান্ড বন্ধে চেষ্টা করছেন। 

অনুষ্ঠানে র‍্যাব'র মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন,  ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক টি এম মমিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ


আরও খবর