Logo
শিরোনাম

হজ ব্যবস্থাপনায় আসছে পরিবর্তন

প্রকাশিত:Saturday ১২ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিবন্ধন করা প্রত্যেক হজযাত্রীর এখন থেকে আলাদা ‘হেলথ প্রোফাইল’ তৈরি করবে সরকার। এতে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীর রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কিত সব ধরনের তথ্য থাকবে। যা পাওয়া যাবে অনলাইনে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেবেন বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা। এ ধরনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তথ্য ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে হজ এবং ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এমনকি প্রাক-নিবন্ধনে দেওয়া হজযাত্রীদের ট্র্যাকিং নম্বরের মাধ্যমে বাংলাদেশে বসেই সৌদি আরবে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীর তাৎক্ষণিক অবস্থান ও সার্বিক তথ্য জানা যাবে।

উল্লিখিত বিষয়সহ হজ ও ওমরাহ সংক্রান্ত যাবতীয় নতুন তথ্য জাতিকে জানাতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় হজ-ওমরাহ সম্মেলন। আগামী ১৭-১৯ নভেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হবে এ মেলা। এজেন্সি মালিকদের সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) আয়োজনে এই সম্মেলনের প্রথম দিন সকাল ১০টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সম্মেলনে আলোচনা সভা, সেমিনার এবং হজ ও ওমরাহ মেলা থাকবে।

মেলায় কয়েক শ স্টলে এজেন্সি মালিকরা নিজ নিজ এজেন্সির সুযোগ-সুবিধা সংবলিত হজ ও ওমরাহ প্যাকেজ প্রকাশ করবেন। হজ ও ওমরায় যেতে আগ্রহী ব্যক্তিরা সুবিধামতো প্যাকেজ বুকিং দিয়ে মেলায় তাৎক্ষণিক নিবন্ধন করতে পারবেন। এ জন্য মেলায় ব্যাংক ও আইটি সেবাসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও থাকবে। 

হাব সভাপতি বলেন, হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত হজ ও ওমরাহ গমনেচ্ছুক ব্যক্তিদের কম টাকা নেওয়াসহ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখান এক ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী দালাল। তাদের খপ্পরে পড়ে অনেক সময় প্রতারণার শিকার হন অনেক হজ ও ওমরাহযাত্রী। এসব ফড়িয়া ও দালালদের ঠেকাতে এবং হজযাত্রী ও এজেন্সি মালিকদের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করতেই মূলত এই মেলার আয়োজন।

এই মেলায় এজেন্সি মালিকরা নিজেদের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা সংবলিত নানা ধরনের হজ ও ওমরাহ প্যাকেজ ঘোষণা করবেন। এজেন্সি মালিকদের এক বা একাধিক স্টলও থাকবে মেলায়। এসব প্যাকেজের তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণ করে যে কোনো ব্যক্তি হজ বা ওমরাহে যেতে তাৎক্ষণিক নিবন্ধন করতে পারবেন। এ ছাড়া হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় আরও কী ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বা আনা হবে সেসবেরও যাবতীয় তথ্য মিলবে ওই মেলায়।

এই আয়োজনে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সেমিনার, উদ্ভাবনী বিষয়ে প্রদর্শন করা হবে। হজ এজেন্সিগুলোকে বাংলাদেশ ও সৌদি পর্বের আইটি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মেলায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রকে ছয়টি জোনে ভাগ করা হবে।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

 শফিউল আলম,স্টাফ রিপোর্টার :

সুনামগঞ্জের  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে  ফতেপুর ইউনিয়নের ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুরে শীতার্ত ও মাদ্রাসা

 শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল

 বিতরণ করা হয়েছে। ১৭জানুয়ারি মঙ্গলবার এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা সম্পন্ন হয়। শীতার্তের সাহায্যে এগিয়ে আসায়, উপকারভোগী মৌলভী নুরুল হক সহ সবাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাদি উর রহিম জাদিদ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।প্রকাশ ১৬ জানুয়ারি সোমবার দুপুরে  

ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর  এর আয়োজনে এশিয়ান নারী ও শিশু

অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী'র

সুনামগঞ্জ আগমন উপলক্ষে মাদ্রাসার মুহতামীম সাংবাদিক মাওলানা 

শফিউল আলম এর সভাপতিত্বে ও সমাজকর্মী এন এইচ লালনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলীসহ  জামালগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ কে  সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এদিকে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচনে নবনির্বাচিত সভাপতি একে মিলন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ এবং সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান সজীব কে ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয। এসময় এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশু বন্ধু মোহাম্মদ আলী বলেন ডিজিটাল নূরানী মাদ্রাসা অনন্তপুর কে স্মার্ট মাদ্রাসা হিসেবে তৈরি করতে আমি সর্বান্তক চেষ্টা করব এবং শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া স্কুলের শিশুদের পাঠদানে সহায়তার জন্য এখানে দুই  টাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করব ইনশাল্লাহ। এ কাজে সহায়তার জন্য সকলকে আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান শেষে সময় কম থাকায়  কয়েক জন কে শীতবস্ত্র দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন  বিশিষ্ট মুরব্বি মোহাম্মদ আলী, শাহ শাহিন আলম,আব্দুল আউয়াল প্রমূখ। 

 অতঃপর  ১৭ জানুয়ারি সকালে বস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।


আরও খবর



কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দুই মেয়াদে এ পদে থাকায় তিনি আর রাষ্ট্রপতি হতে পারছেন না। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে। সে কারণে খুব শিগগিরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে সংবিধানে। সে অনুযায়ী আগামী ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এদিকে সময় যত এগিয়ে আসছে এ পদটি নিয়ে আলোচনাও তত বাড়ছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। কারণ, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করবে, তিনিই সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। সরকারের প্রধান প্রধানমন্ত্রী এবং তিনিই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। বাংলাদেশ বর্তমানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সরকার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপশক্তির দ্বারা সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। এরই মধ্যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি ও কোনো কোনো রাজনৈতিক দল আপত্তি তুলেছে। নির্বাচনের সময় বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে দলগুলো। এ পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংকটমুক্ত হওয়া অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে একজন দক্ষ, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে আওয়ামী লীগ।

বিশেষ করে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে নতুন রাষ্ট্রপতির সময়ে। সেজন্যই রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি- এ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রের শীর্ষ পদটির জন্য অনেকের নামও শোনা যাচ্ছে।

দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এছাড়া রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান মন্ত্রিসভার দুই সদস্য। এছাড়া সাবেক একজন মন্ত্রীও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে পারেন বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা সদস্যের নামও রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যও। তবে কে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন এবং কাকে রাষ্ট্রপতি করা হবে- সেটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, সামনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কোনো সংকট তৈরি হলে সাহসিকতা, দক্ষতা ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে যিনি সংকট থেকে উত্তরণে অবস্থান নিতে পারবেন, তেমন কাউকেই এ পদে বসাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেক কিছু বিবেচনা করেই রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদটিতে আওয়ামী লীগ কাকে নির্বাচিত করবে তা দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে। তিনি সার্বিক বিষয়গুলো বিবেচনা করেই সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তিকে এই পদে নির্বাচিত করবেন। তিনি বিশ্বস্ত, দলের আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ ও অনুগত ব্যক্তিকেই বিবেচনা করবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে। তফসিল ঘোষণাসহ এ নির্বাচন পরিচালনা করে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আওয়ামী লীগ যাকে মনোনীত করবে তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

এছাড়া রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এখন পর্যন্ত যাদের নাম আলোচনায় এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের টানা তিনবারের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি কে হবেন- এ নিয়ে আওয়ামী লীগের থিংক-ট্যাংকের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন ব্যক্তির মতামত নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

নতুন বছরের শুরুতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে আইনমন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। গত ৪ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘যেহেতু তিনি (বর্তমান রাষ্ট্রপতি) দুই মেয়াদ থেকেছেন, সংবিধান অনুযায়ী আর থাকতে পারেন না। সেহেতু আমরা নতুন রাষ্ট্রপতি দেখব।’ মো. আবদুল হামিদকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হলে সংবিধান পাল্টাতে হবে- এ কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সংবিধান পাল্টানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।’

ফলে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তৃতীয় মেয়াদের জন্য মো. আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন না- এটা নিশ্চিত। আর আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামেও জোরেশোরে আলোচনা হচ্ছে নতুন রাষ্ট্রপতি কাকে করা হতে পারে- তা নিয়ে। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাও এ বিষয়টি ফোরামে উল্লেখ করেননি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, সবকিছু বিবেচনা করে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন

প্রকাশিত:Monday ০৬ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ মালয়েশিয়ার নতুন সরকার আসায় দেশটিতে কর্মী পাঠানো প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে জানিয়ে বলেন, এ সরকার কিন্তু নতুন সরকার। আগের সরকারের সঙ্গে আমাদের যা কিছু কথা হয়েছে, এখন কিন্তু বিরাট একটা পরিবর্তন আসবে। এ জিনিসটা তিনি (মালয়েশিয়ার মন্ত্রী) আশ্বস্ত করেছেন।

ইমরান আহমদ বলেন, এমওইউ পরিবর্তন করার কথা আসছে। প্রয়োজন হলে আরও কিছু পরিবর্তন আসবে অথবা যাতে আরও বেশি সহজ হয়ে যায়।

রিক্যালিব্রেশন নিয়ে আলোচনার বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জানান, রিক্যালিব্রেশনে ওনারা কোনো জাত বিচার করবে না। যারা আছে ওখানে ওনারা যদি এপ্লাই করে ফিস দিয়ে, তারা তাদের লিগ্যাল করে নেবে। এছাড়া ২০১৬ তে রিহিয়ারিং স্কিম ছিল, ওটা পাঁচ বছরের ছিল। ওটার ডেট এক্সপায়ার্ড হয়ে গেছে তারাও রিক্যালিব্রেশন হতে পারবে।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনতে চাই। আগামী দিনে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বসবে। আমরা আগের করা সমঝোতা চুক্তি নিয়ে কথা বলেছি। প্রতিনিধিরা যাচাই-বাছাই করবেন যে এমওইউতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন আছে কিনা? আজকের আলোচনার একটা বড় অংশই ছিল এই চুক্তি। মালয়েশিয়া সরকার এ প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে চায় যেন মূল লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়।

সাইফুদ্দিন বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, চাহিদা পূরণ করা, ব্যয় কমানো, বিদেশি কর্মীদের সম্মান রক্ষা করা। যদি বর্তমান প্রক্রিয়ায় সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো না যায়, আমরা পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত। সেজন্য আমরা আলোচনায় বসব।

দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে জানিয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে ১৫ লাখ বিদেশি কর্মী আছে। এর মধ্যে সাড়ে চার লাখ বাংলাদেশি কর্মী। সেই কারণেই বাংলাদেশ ১৫টি সোর্স কান্ট্রির মধ্যে প্রথম স্থানে আছে।


আরও খবর



নওগাঁয় খাদ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনা সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যায়ের পথে কাজ করে যাচ্ছেন। সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নে তিনি নিবেদিত প্রাণ বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

তিনি সোমবার ১৬ জানুয়ারী সকালে ২য় পর্যায়ে সারাদেশে ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নওগাঁর নিয়ামতপুরে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালিতে যুক্ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য  ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেত্রীত্বে সারা দেশে মডেল মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। তিনি সকল ধর্মের উন্নয়নে কাজ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। পৃথিবীর অনেক শক্তিশালী দেশের চেয়েও এখন বাংলাদেশের জিডিপি ও এসডিজির অগ্রগতি ভালো। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেত্রীত্বে বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অবকাঠামো ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পাশাপাশি দেশরত্ন শেখ হাসিনা ধর্মীয় ও নৈতিক উন্নয়নের দিকেও নজর দিয়েছেন। 

পিতার দেখানো পথ ধরে তিনি সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।

আর সে ধারাবাহিকতায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,আধুনিক সুযোগ-সুবিধা-সংবলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্ব যাত্রীদের নিবন্ধন ও অটিজম সেন্টার, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেট সহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, গণশিক্ষা কেন্দ্র, ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে। এ ছাড়াও ইমাম-মুয়াজ্জিনের প্রশিক্ষণ-আবাসন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিং-সুবিধা রাখা হয়েছে।

মডেল মসজিদগুলোতে দ্বিনি দাওয়াত কার্যক্রম ও ইসলামি সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, যৌতুক, নারীর প্রতি সহিংসতাসহ বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধি রোধে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

নওগাঁ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আল মামুন হক, নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফারুক সুফিয়ান, উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং ইসলামী ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। 


আরও খবর



পাখির মতো গুলি করে আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে : আযম খান

প্রকাশিত:Sunday ০৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ;


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমদ আযম খান বলেছেন, আমাদের হয় আন্দোলন করতে হবে, না হয় মরতে হবে। আমাদের বিকল্প কিছু নেই।  পাখির মতো গুলি করে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে।


আজ দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের রেস্টুরেন্টে বিএনপির ঘোষিত যুগপৎ আন্দোলনের ১০ দফা দাবী ও রাষ্ট্র কাঠামোর মেরামতের রূপরেখা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি আরও বলেন, গতকালকে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি'কে ডাক দিয়েছি নির্বাচনের জন্য, হাসি পায় তাদের কথা শুনে! আমরাতো গত ১৪ যাবদ লড়াই করছি নির্বাচনে যাওয়ার জন্য ভোট লুটের জন্য না।


তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী কখনো আপোষ করেননি যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে গিয়েছেন তাদের সঙ্গে। শুধু নেত্রীই মুক্ত হবে না যদি আমরা নির্দলীয় নির্বাচন করতে না পারি আমাদের নেতা তারেক রহমান নির্বাসনে থাকতে হবে এবং দেশে গণতন্ত্র থাকবে না। আমরা যদি দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য আন্দোলন না করি তাহলে বাঁচানো সম্ভব নয়। 


এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য-৪ আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, কাজী মনিরুজ্জামানসহ প্রমুখ।


আরও খবর