Logo
শিরোনাম

হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন হবে ঢাকায়

প্রকাশিত:Monday ১৪ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

হজযাত্রীদের শতভাগ ইমিগ্রেশন ও লাগেজ তল্লাশির কাজ ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে। এ ছাড়া সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুদেশের চুক্তি সই হয়েছে।

বাংলাদেশ সফররত সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী নাসের বিন আবদুল আজিজ আল দাউদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ চুক্তি সই হয়। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনার পর আমরা দুটি এমওইউ সই করেছি। একটি হলো নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি, আরেকটি হলো রুট-টু-মক্কা সার্ভিস এগ্রিমেন্ট।

তিনি বলেন, প্রথমটিতে দুদেশের নিরাপত্তা আরো কীভাবে উন্নতি করা যায়, সে বিষয়টি মাথায় আছে। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় এর মধ্যে রয়েছে। রুট-টু-মক্কার মধ্যে রয়েছে আমাদের হজযাত্রীদের আরো কীভাবে সহযোগিতা দেওয়া যায়। এখান থেকে ইমিগ্রেশন ও সবকিছু ঠিকঠাক করে তারা উড়োজাহাজে উঠে যাবে। এ সুবিধাগুলো আগে পরীক্ষামূলকভাবে ছিল।

মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে ইমিগ্রেশন, ব্যাগেজ চেকিং সবকিছু বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে হয়ে যাবে। এটাই হলো রুট-টু-মক্কা সার্ভিস এগ্রিমেন্টের বিষয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যু আলোচনায় এসেছে। আমাদের দুদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে প্রশিক্ষণ এবং পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান। ভাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ, দুদেশের সম্পর্ক আরো উন্নত করা যায়, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে শ্রমিকরা যেখানে যাচ্ছে, দক্ষ শ্রমিকদের সেখানে পাঠানোর জন্য তারা অনুরোধ জানিয়েছেন। দক্ষ শ্রমিক পাঠালে তারা আরো ভালো সুবিধা পাবেন বলে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আরো বলেছি, কীভাবে ভিসা আরো সহজ করা যায়। বাংলাদেশ থেকে প্রচুর হজ ও ওমরাহযাত্রী, ব্যবসায় ও চাকরির জন্য প্রতিনিয়ত সৌদি আরব যাচ্ছেন। তারা যে স্কলারশিপ দিচ্ছেন, সেটা আরো কীভাবে সহজ করা যায় সেটা নিয়ে এবং বিজনেস ভিসাটা আরো কীভাবে সহজ করা যায় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে।

নতুন করে শ্রমিক নেওয়া ও সৌদি আরব থেকে এলএনজি আনার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, এলএনজির কোনো বিষয় আলোচনায় আসেনি। শ্রমিকদের ই-পাসপোর্ট তাড়াতাড়ি দেওয়ার বিষয়ে তারা অনুরোধ করেছেন। আমরা বলেছি আমরা তাড়াতাড়িই করব, কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি এ অসুবিধাগুলো আছে।


আরও খবর



রৌমারীতে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে পেটানোর অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : 

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুল ইসলামকে (৩৬) পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বারবান্ধা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নির্যাতনের শিকার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনার আগের দিন রোববার (২৯ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন ওই সভাপতি।  

অভিযুক্ত আবুল কাশেম (৪৮) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারবান্ধা গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।  তিনি উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়া একই ইউনিয়নের বারবান্ধা গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে রঞ্জু মিয়াকে (৪০) আসামী করা হয়েছে। রঞ্জু মিয়া ওই প্রধান শিক্ষকের সম্পর্কে ভাতিজা। ভুক্তভোগি সভাপতি মনিরুল ইসলাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর বারবান্ধা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।

নির্যাতনের শিকার বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ২০২১-২২ইং অর্থ বছরে উপজেলার উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে বিদ্যালয় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ২লাখ ৭৫হাজার ৫০২টাকা যৌথ হিসাব নাম্বারে জমা হয়। তৎকালীন সভাপতি আইয়ুব আলীর মেয়াদ শেষ হলে গত বছর  মনিরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে প্রধান শিক্ষকসহ ব্যাংকে যৌথ হিসাব খুলতে যান সভাপতি মনিরুল ইসলাম। এ সময় তিনি দেখেন ব্যাংকে জমানো কোনো টাকা নেই। সন্দেহ হলে খেঁাজ নিয়ে জানতে পান তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলীর স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম।

এর প্রতিকার চেয়ে রোববার (২৯জানুয়ারি) সভাপতি বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। পরদিন (সোমবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই সভাপতি বারবান্ধা বাজার এলাকায় গেলে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ ভাতিজা রঞ্জু মিয়া তঁাকে এলোপাথারী মারধর করেন। এসময় স্থানীয়রা সভাপতিকে উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ওইদিন (সোমবার) রাতে মারধরের শিকার সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলী বলেন, আমি এক বছর ধরে অসুস্থ্য। সরকারি বরাদ্দের টাকা উত্তোলনের বিষয়ে কিছুই জানিনা এবং আমাকে জানানোও হয়নি। আমার স্বাক্ষর জাল করে সমস্ত টাকা আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার অসুস্থ্যতার খবর শুনেও একবারের জন্য দেখতে আসেননি ওই প্রধান শিক্ষক।

রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি ফিরোজ মিয়া বলেন, তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলীর স্বাক্ষর জাল করে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাত করেন ওই প্রধান শিক্ষক। এনিয়ে সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন তিনি। এর জের প্রধান শিক্ষক ও তঁার ভাতিজা রঞ্জু মিয়া মিলে সভাপতির উপর হামলা চালান।

সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। তিনি বলেন, তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলী অসুস্থ্যতার কারণে সব কিছু ভুলে গেছেন। তঁার স্বাক্ষরেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সভাপতি মনিরুল ইসলামকে পেটানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমার ভাতিজা রঞ্জু মিয়ার সাথে ঘটেছে। আমি এর সাথে জড়িত নই।  

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মারধরের ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ভর্তি হয়েছেন। তঁার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছেলা, ফোলা ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম সরোয়ার রাব্বী বলেন, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষাকর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রৌমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে সুপারিশ করা হবে।

অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে রৌমারী থানার ওসি রুপ কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



মৃত্যুর পরও অমর সারাহ ইসলাম

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Sunday ০৫ February ২০২৩ |
Image
রোকসানা মনোয়ার :সারাহ ইসলাম, বয়স মাত্র ২০। দশ মাস বয়সে তার ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে দীর্ঘ ১৯ বছর সংগ্রাম করেছেন তার বাবা মা। দেশে বিদেশে নানা রকম চিকিৎসাতেও কোন কাজ হয়নি। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন; সদ্য জীবন শুরু করা ফুটফুটে এই মেয়েটি। বাবা মাকে সারাহ অনুরোধ করেছিলেন; মৃত্যুর পর তার দেহটি যাতে মানুষের কল্যানে দান করা হয়।
বুধবার রাত ১০টায় সারাহ মারা যান। তার দুটি কিডনী ও চোখের দুটি কর্নিয়া সরিয়ে নিয়ে প্রায় সাথে সাথেই চারজন মানুষের দেহে প্রতিস্থাপন করেন ডাক্তাররা। রাত ১০টা থেকে টানা ভোর পর্যন্ত চলেছে এই অস্ত্রপচার। চারজন রোগীই সুস্থ আছেন। এটি হয়তো দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার এগিয়ে যাওয়ার চিত্র। কিন্তু আমি বিস্মিত অন্য কারনে।
মৃত্যুর মতো একটি কঠিন সত্যকে মেনে নিয়ে; এমন আত্মত্যাগের জীবন গড়তে কে তোমাকে শেখালো মা ? এই সার্থপর সমাজ, চারপাশে লোভের-লাভের এতো এতো প্রতিযোগিতা; এই নষ্ট সময়ে তুমি এক তরতাজা ফুল।
স্যালুট তোমাকে মা। স্যালুট তোমার মতো বীরকন্যার জন্মদাত্রী মাকেও। যে কিনা এমন একটা পবিত্র সৌরভের জন্ম দিয়েছে।

মৃত্যুতেও অমর একজন সারাহ ইসলাম । দূরারোগ্য রোগের সাথে লড়াই করে নিজে হার মানলেও, কিডনি ও কর্নিয়া দান করে নতুন জীবন দিয়েছেন চারজনকে। সারাহর অঙ্গ নেয়া চার রোগীই এখন সুস্থ আছেন। সাহসিকা সারাহর গল্প জানালেন তার মা ।

পাঁচ বছর যাবত বোনের চিকিৎসা খরচ জোগাতে গিয়ে যখন প্রায় নি:স্ব শাহাজাদা আহমেদের পরিবার তখন সারাহ ইসলাম এসেছেন জীবনের বাক বদলকারী হিসেবে। শাহাজাদা ফিরে পেয়েছেন তার বোনকে আর দশ বছরের ছোট্ট সন্তানের কাছে তার মাকে ফিরিয়ে দিয়েছে সারাহর দান করা কিডনী।

বলছি সেই ২০ বছরের সারাহর কথা। মাত্র দশ মাস বয়স থেকেই লড়েছেন টিউবেরাস স্কেলোসিসের মত দুরারোগ্য ব্যাধির সাথে।এবার ব্রেনে বাঁধা বেসেছিলো টিউমার। হয়তো বুঝতে পরেছিলেন লড়াইয়ে এবার ফিরে নাও আসতে পারেন। মৃত্যুর পরও নিজেকে বিলিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন সারাহ। মস্তিস্ক যখন আর সারা দিচ্ছিলো না তখন সারাহর দুই কিডনী আর চোখের কর্ণিয়া নতুন করে বাঁচার আশা যুগিয়েছে চার চারটা মানুষকে।

বড় আঁকিয়ে হবেন একদিন, এমন স্বপ্ন ছিলো সারাহর চোখে। জীবন তাকে সেই সময়টুকু না দিলেও মৃত্যুতেও থমকে যাননি সারাহ! এমন সাহসী আর মানবিক মেয়েই তো চেয়েছিলেন মা শবনম।

বিখ্যাত কেউ নন কিন্তু তারপরও এমন সিলিউট থেকে সারাহ ইসলামকে চিনে নিতে আর কষ্ট হয় না। তার এই দেখিয়ে যাওয়া পথে যেদিন এমন আরও অনেক মৃত্যুঞ্জয়ের কাহিনীযুক্ত হবে সেই দিনের অপেক্ষায় সারাহর পরিবার।




আরও খবর



নওগাঁয় পানিতে পড়ে দু' শিশুর মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু

প্রকাশিত:Friday ২০ January ২০23 | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় ডোবা (ছোট পুকুর) এর পানিতে পড়ে খাতিজা (৫) ও আবদুল্লা (৫) নামের দু' শিশুর মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে।পানিতে পড়ে দু' শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধায় নওগাঁ পৌরসভার দূর্গাপুর চকপিয়ার গ্রামে। 

নিহত শিশুরা হলেন, চকপিয়ার গ্রামের মুছার মেয়ে খাতিজা ও রহমানের ছেলে আবদুল্লা।

পানিতে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় নিহত শিশুদের পরিবার ও স্বজন সহ অত্র এলাকার লোকজনের মাঝে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে।

পানিতে পড়ে দুই শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি প্রতিবেদক কে নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)।


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে হেরোইনসহ মাদককারবারী গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হিরোইন ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারী নয়ন খান(৩৬) কে গ্রেফতার করেছে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ। উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) মৃত. ইউনুস আলী খানের পূত্র সে।

মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা বুধবার গভীর রাতে উপজেলার দেউলী গ্রামের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার পরবর্তীসময়ে জিজ্ঞাসাবাদে মাদক কারবারী নয়ন খানের স্বীকারোক্তির অনুযায়ী দেউলীর আবাসন প্রকল্পের একটি ঘর থেকে ৭ গ্রাম হিরোইন, ১৪ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি দেশীয় অস্ত্র (রামদা) উদ্ধার করে পুলিশ।

মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে একটি  অস্ত্র ও একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



৪৭কোটি টাকা আত্মসাৎ! বুড়িচংয়ের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো :

ব্যাংক থেকে ৪৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান  জাকির এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন জাহেরকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রানা বিল্ডার্সের কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে পাওয়া টেন্ডার কার্যাদেশের বিপরীতে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও দুদকের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে বলা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফ সাদেক জানান, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পোর্ট কানেকটিং রোডের টেন্ডার কার্যক্রমে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাপ্ত কার্যাদেশের বিপরীতে ঋণ নিয়ে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। কার্যাদেশের শর্ত অনুযায়ী কাজ শেষ না করে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি সাধনের তথ্য পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।

পরে ২০২২ সালের ১০ মে জাকির হোসেনসহ আট জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দুদক দুটি মামলা দায়ের করে। মামলা দুটির তদন্তকালে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে  কুমিল্লা শহরের নিজ বাসভবন থেকে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোর রাতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

দুদক জানায়, গ্রেফতার হওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্সের কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে সিটি করপোরেশনের কার্যাদেশ পান। তার বিপরীতে ইউসিবিএল ব্যাংকের কুমিল্লা শাখা থেকে ৪৭ কোটি টাকা ঋণ নেন। কিন্তু কাজের বিপরীতে প্রাপ্ত বিলের চেক নগদায়ন করে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন। অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের কাজটি অসমাপ্ত রেখে চলে যাওয়ায় জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পুনরায় টেন্ডার করে কাজটি সমাপ্ত করতে যেয়ে অতিরিক্ত সাত কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতি হয় 

দুদক আ‌রো জানায়, জা‌কির হো‌সেন ঠিকাদার এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ঢাকা- চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলায় অর্থ আত্মসাৎ, চেক জালিয়াতি সহ বিভিন্ন অপরাধে ২০টির অধিক মামলা রয়েছে।


আরও খবর