Logo
শিরোনাম

ইলিশের নামে বিক্রি হচ্ছে ‘সার্ডিন

প্রকাশিত:Monday ২৫ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বাজার থেকে প্রকৃত ইলিশ কিনেই যেন প্রবাসীরা ঘরে ফিরতে পারেন তার জন্য হতে হবে একটু সাবধান ও সচেতন। কারণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ছেয়ে গেছে নকল ইলিশে।

গোটা যুক্তরাষ্ট্রেই বাংলাদেশি গ্রোসারিগুলোতেই ইলিশের নামে একই আদলের মাছ ‘সার্ডিন’ ও ‘চৌক্কা’ বিক্রি করা হচ্ছে। ইলিশের নামে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি দাম নিয়ে একটি অসাধু চক্র এই ভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি করছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে দুই শতাধিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ঈদের পরই বাংলা বর্ষবরণ কর্মসূচি পালন করবেন।

এদিকে, প্রবাসী ক্রেতাদের অভিযোগ, নিউ ইয়র্কের বাজার থেকে ইলিশ মাছ কিনে নিয়ে রান্না করার পরও তারা ইলিশের সেই ঘ্রাণ বা স্বাদ পাচ্ছেন না। এই মাছগুলো দেখতে ইলিশের মত হলেও এগুলোতে খুব বেশি কাটা। আর ভাজলে তাতে ইলিশের মতো তেলও বের হয় না।

যুক্তরাষ্ট্রে পবিত্র রমজানের কারণে প্রায় ৩৫টি অঙ্গরাজ্যে বসবাসকারী লাখ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবারও যথাসময়ে বাংলা বর্ষবরণের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। প্রতিবছর এপ্রিলে বর্ষবরণের আনন্দে প্রবাসীরা মেতে উঠলেও এবার সে উৎসব থেকে সকলেই বঞ্চিত হয়েছেন। তবে রোজার পরই ঈদ আনন্দ ও বাংলা বর্ষবরণ জমজমাটভাবে পালনের চিন্তা করছেন প্রবাসীরা।

নিউ ইয়র্কের ৫টি বৃহৎ পৌরসভা ব্রঙ্কস, কুইন্স, জামাইকা, ম্যানহাটন ও ব্রুকলিনের প্রায় অর্ধশত বাংলাদেশি মালিকানাধীন গ্রোসারিগুলো থেকে ইলিশ মাছ কিনে নিয়মিত প্রতারিত হচ্ছেন প্রবাসী ক্রেতারা। এসব এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা ইলিশের দামে দেদারছে বিক্রি করেছে সার্ডিন মাছ। কিন্তু প্রবাসী ক্রেতারা বিশেষ করে বাইরের অঙ্গরাজ্যের ক্রেতারা কেউ কোন প্রতিবাদ করছেন না। কারন অনেকেই জানেন না কোথায় এবং কীভাবে অভিযোগ করতে হয়।

এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের জনবহুল ও বাংলাদেশি অধুষ্যিত নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, পেনসিলভানিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, ইলিনয়স, কলারাডো, ডেলাওয়ার, জর্জিয়া, কানসাস, ম্যারিল্যান্ড, মিশিগান, সাউথ ক্যারোলিনা, ওয়াশিংটন ডিসি ও কেন্টাকির বাংলাদেশি মালিকানাধীন গ্রোসারিগুলোতে নকল ইলিশ বিক্রির প্রতারক চক্রটি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আসল ইলিশের দামও হাঁকাচ্ছেন তারা। তবে মাছ বিক্রেতারা ইলিশ বলে যে মাছ বিক্রি করছে, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে ‘সার্ডিন’, ও ‘চৌক্কা’। এগুলো দেখতে ইলিশের মতো হলেও এতে ইলিশের স্বাদ-গন্ধ কিছুই নেই।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ‘সার্ডিন’ দেখতে আকারে জাটকার মতো হলেও ‘চৌক্কা’ মাছ আকারে বেশ বড়। এটি লম্বায় ইলিশের অনেকটাই কাছাকাছি। তবে ইলিশের চেয়ে চওড়ায় কম। আর ইলিশের চেয়ে সার্ডিন ও চৌক্কার চোখের আকার বড়। অনেকেই তাই ইলিশের মত দেখতে এসব মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, ‘সার্ডিন’ দেখতে আকারে জাটকার মতো হলেও ‘চৌক্কা’ মাছ আকারে বেশ বড়। এটি লম্বায় ইলিশের অনেকটাই কাছাকাছি। তবে ইলিশের চেয়ে চওড়ায় কম। আর ইলিশের চেয়ে সার্ডিন ও চৌক্কার চোখের আকার বড়। অনেকেই তাই ইলিশের মত দেখতে এসব মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশের নদীকেন্দ্র ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে ‘সার্ডিন ও চৌক্কা সমুদ্রের মাছ হলেও অনেক সময় নদীর মোহনায় চলে আসে। জেলেদের জালে ইলিশের সঙ্গে এসব মাছও ধরা পড়ে। চেহারায় কিছুটা সাদৃশ্য থাকায় অনেকেই মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে ভালো করে খেয়াল করলে পার্থক্য বোঝা যায়।’

জানা যায়, পরিপূর্ণ ইলিশ লম্বায় ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। সার্ডিন ও চৌক্কা আকারে ইলিশের ধারে-কাছে যেতে পারে না। সাগরে সারা বছরই কম-বেশি সার্ডিন ও চৌক্কা ধরা পড়ে। বিদেশ থেকেও আমদানি হয় সার্ডিন। তবে নববর্ষের আগে বেশি আমদানি হয়। তবে অনেক ধরনের মাছ একসঙ্গে আমদানি হয় বলে কী পরিমাণ সার্ডিন আসে সেই পরিসংখ্যান নেই।


আরও খবর



কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :করোনায় কমছে মানুষের আয়-রোজগার। আর এর বিপরীতে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। অবশ্য এই চিত্র আমাদের জন্য অতি পুরনো। তবে চলমান করোনার কারণে এই হ্রাস বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে অনেকটাই। জানা গেছে, সম্প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বেড়েছে সাত ভাগ। বিশেষ করে মোটা ও মাঝারি চালের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশের বেশী।

দেশের আশিভাগ মানুষ নিত্যদিন যে ৩৭ টি পণ্য ব্যবহার করে, এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির ফলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়েছে। কঠিন হয়ে ওঠেছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন। দেশের জনসংখ্যা প্রধানত দরিদ্র, মধ্যবিত্ত আর ধনী এই তিন ভাগে বিভক্ত। সবার আয় সমান নয়, ব্যয় করার ইচ্ছা ও সামর্থ্যও সবার সমান নয়। সাধারণ মানুষ তার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনৈতিক সামর্থ্য দ্বারা; আর ধনীরা তাদের সামর্থ্য দ্বারা ইচ্ছা তৈরি করে।

বাংলাদেশে মূলত কৃষক-শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যাই বেশী। জরিপের তথ্য হচ্ছে, দেশে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি ৮২ লাখ। আর মোট শ্রমশক্তির ৮৮ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ছয় কোটি শ্রমজীবীই আবার অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। যাদের চাকরি আয় কোন কিছুতেই স্থায়িত্ব নেই। এর মধ্যে কৃষিকাজে যুক্ত দুই কোটি ৮০ লাখের মতো।

 দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় দশ শতাংশের মতো মানুষ আছে, যারা ধনী বা উচ্চবিত্ত। যাদের হাতে আছে দেশের মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। আর উচ্চ মধ্যবিত্ত ১৩ শতাংশের হাতে আয়ের সাড়ে ২১ শতাংশ, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৩৭ শতাংশের হাতে ২৬ শতাংশ আয় এবং ৪০ শতাংশ দরিদ্রের হাতে আছে আয়ের মাত্র সাত দশমিক ৬৩ শতাংশ। বিশেষ করে এই ৪০ শতাংশ দরিদ্রের অবস্থা এখন খুবই করুণ। অন্য সবার মতো এই শ্রেণীর মানুষের আয় কমে গেছে। বেড়েছে ব্যয়। আর এই অবস্থায় প্রথম সংকোচন আসে খাদ্যে। সুষম খাদ্য তো দূরের কথা, অনেক সময় কোন খাদ্যই জোগাড় করতে পারছেনা তারা। যে কারণে তাদের মধ্যে বাড়ে অপুষ্টি। যার বিরূপ প্রভাব পড়ে নারী ও শিশুর জীবনে। অথচ পুষ্টির অভাব থাকলে শিশুদের মেধার বিকাশ হয় না। আর চলতি করোনাকালে মানুষের শরীরে যথাযথ পুষ্টির যোগান দেয়া জরুরি।

পুষ্টিহীন শরীরে করোনা সহজে আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এই পুষ্টির যোগান দেয়ার পেছনে দুটি প্রতিবন্ধকতা। একটা হলো পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং অপরটি আয় কমে যাওয়া। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে পারিবারিক ব্যয় ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধিপায়। বিশেষত চাল, ডাল, চিনি, শিশু খাদ্য, ওষুধ, পরিবহণ ভাড়া ইত্যাদি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করা হয় সিন্ডিকেট করে। যার মারাত্মক প্রভাব পড়ে দরিদ্র মানুষের ওপর।

নতুন বছরের শুরু হয়েছিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বাড়তি দাম কার্যকরের মধ্য দিয়ে। দিন যত যাচ্ছে মুরগি,ডিম,ডাল,কাঁচা মরিচের দাম ততই বাড়ছে,যা সংসারের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, মাঠে শ্রমজীবি খেটে খাওয়া মানুষের।

সব মিলিয়ে সাধারণ জনগনের নাভিশ্বাস বেড়েই চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর কারনে। সরকার গ্যাস-বিদ্যুতের মতো সেবামূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। দুইদিকের চাপে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত।


চিনি,তৈল ও ইত্যাদি দাম বেড়েছিল তা কমানোর কোsনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এবং সরকার অনেক পণ্যের দাম নির্ধারণ করেছে তা-ও অনেক সময় মানা হচ্ছে না। মুল বাজারের থেকে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে গেলে দাম আরও বেশি দিতে হয়।

 

 


আরও খবর



সড়ক ভবন নয়, এযেন একটি দেশিও বিদেশি ফুল গাছের বাগান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁ সড়ক ভবনে দেশিও বিদেশি ফুল গাছের সমারহ।

নওগাঁ সড়ক ভবনের কার্যালয় বর্তমানে নানা ধরনের দেশি ও বিদেশি ফুলের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ভবনের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করার সময় চোখে পড়বে বিভিন্ন রঙ্গের বড় বড় গাঁদা ফুল থোকায় থোকায় ফুটে আছে। পাশেই সুন্দর অবকাঠামোর মাঝে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন দেশী, বিদেশী ফুল ও ওষুধী গাছের ভেষজ মিশ্রণ ফুল বাগান।

শুধু ফুল বাগানের সৃজন নয়, পুরো সড়ক ভবনের প্রাঙ্গন-ই যেন ছিমছাম সৌন্দর্য্যরে ছোঁয়া আর আবাসিক ভবনের বাইরের অংশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার প্রিয় দেশের পতাকার রঙ্গের আদলে মনকাড়া ছোঁয়াও রয়েছে সেই সাথেই বাগানের মাঝে শোভা পাচ্ছে ডোরাকাটা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি আর পুরো বাগান জুড়ে ফুল গাছের পাশাপাশি নানা রকমের শোভাবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির গাছও শোভা পাচ্ছে। যা দেখার মতো।

মনোরম বাগানে প্রবেশ করতেই দ্যামাস্ক গোলাপ, রংগন, জবা, ক্রিসমাস, বেরিসহ বিভিন্ন ফুল গাছের পাশে শোভা পাচ্ছে সুন্দর সুন্দর নাম ফলক। একবার বাগানে প্রবেশ করে পুরো বাগানটি অবলোকন করলেই চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারো। এছাড়া ফুলের সৌন্দর্য্য আর মিষ্টি গন্ধে সতেজ হয়ে উঠবে প্রান। প্রতিটি মানুষেরই এমন ফুল বাগান অন্তত একবার পরিদর্শন করা উচিত। বিশেষ করে ফুল বিষয়ে শিশুসহ সকল ধরনের মানুষেরই জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে এই বাগান পরিদর্শন করার কোন বিকল্প নেই। নওগাঁ সড়ক বিভাগের সড়ক ভবন প্রাঙ্গণে হৃদয়ের সবটুকু ভালোলাগা ও ফুলের প্রতি ভালোবাসার সবটুকু ঢেলে এমন ব্যতিক্রমী ফুল বাগানে সাজিয়েছেন, সওজ নওগাঁ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ও লেখক মোঃ সাজেদুর রহমান সাজেদ।

নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান সাজেদ বলেন, নওগাঁ সড়ক বিভাগে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন আমার উত্তরসুরী সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হামিদুল হক। তারই ধারাবাহিকতায় একটু একটু করে অফিস কম্পাউন্ডকে সাজানো শুরু করি আমি। আমি যেখানে কাজ করি সেখানেই সড়ক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অফিস ও বাসা সবকিছু পরিপাটি করার চেষ্টা করি। মানুষ সাধারনত পুরাতন ও জরাজীর্ণ সরকারী অফিস দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু সুন্দর পরিবেশ করতে পারলে সবার মন প্রফুল্ল থাকে। কাজের গতি পায়। মানুষের মন মানসিকতা পরিবর্তনেও পরিবেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। আর এ জন্য খুব বেশি অর্থেরও প্রয়োজন হয় না। সরকারি দপ্তর সম্পর্কে মানুষের ধারনা বদলানোর জন্যই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা। সরকারের স্বক্ষমতা বেড়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মানসিকতাও ইতিবাচকভাবে বদলে যাচ্ছে। আমরা যেখানে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটাই সেই অফিসকে সুন্দর রাখা নৈতিক দায়িত্ব। এতে করে যেমন একটি সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হয় তেমনি ভাবে ওই অফিসের সবকিছুতে স্বচ্ছতার পাশাপাশি কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় এবং মন মানসিকতার পরিবর্তনের পাশাপাশি সবকিছুতেই পরিচ্ছন্নতা ফিরে আসে বলেও মনে করেন তিনি।


আরও খবর



সেতু স্থানান্তর করার প্রতিবাদে দশমিনায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা,পটুয়াখালী :

পটুয়াখালীর দশমিনায় বরাদ্দকৃত সেতু স্থানান্তর করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিন আদমপুর গ্রামের অর্ধশতাধিক মানুষ প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রোকন উদ্দিন, হাফিজি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আব্দুল কাইয়ুম গাজি ও ইয়াকুব আলীসহ আরো অনেকে। বক্তব্যে বলেন, দক্ষিন আদমপুর খান বাড়ির সামনে বরাদ্দকৃত সেতু স্থানান্তর করার ষড়যন্ত্র করছে একটি কুচক্রি মহল। আমরা এখানেই ব্রীজ নির্মানের দাবী জানাই।

উল্লেখ্য- গত বছরের ৩১ অক্টোবর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ও বহরমপুর এলাকাবাসী দক্ষিন দাসপাড়া নতুন বাজার চৌমহনিতে সেতু নির্মানের দাবীতে মানবন্ধন করেছেন। 


আরও খবর



নারায়নগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি মাহাবুব, শ্রেষ্ঠ তদন্ত আহসান

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবির আমজাদ:  নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন ইনচার্জ মাহাবুব আলম ও শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আহসান উল্লাহ।

মাসব্যাপী বিভিন্ন মামলার তদন্ত, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার সহ বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার (১৭ই জানুয়ারি)  দূপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ ও শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসির নাম ঘোষণা করেন জেলা পুলিশ সুপার।

মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলার পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল পিপিএম (বার) শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুব আলম এবং শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসি হিসেবে একই থানার আহসান উল্লাহ এর নাম ঘোষণা করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব আমির খসরু,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাই লাও মারমা সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ।

 
 

আরও খবর



আইসিসির বর্ষসেরা ‘স্যার গ্যারি সোবার্স ট্রফি বাবরের

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটারের পুরস্কারের আগেই জিতেছেন বাবর আজম। এবার তিন ফরম্যাট মিলিয়ে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারও জিতে নিলেন তিনি।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ‘স্যার গ্যারি সোবার্স ট্রফি’র দখল নিলেন বাবর। গত বছর পাকিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই ট্রফি জিতেছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

তিন ফরম্যাট মিলিয়ে গত বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪৪টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন বাবর। ৫৪.১২ গড়ে করেন ২৫৯৮ রান। সেঞ্চুরি করেন ৮টি, হাফসেঞ্চুরি ১৫টি।

বাবরের সঙ্গে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারের দৌড়ে ছিলেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস, জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ও নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি। তাদের পেছনে ফেলে সেরা হয়েছেন বাবর।


আরও খবর