Logo
শিরোনাম

ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মোঃ মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জঃ

বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের বর্ধিত সভাপতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

১৩ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুরে ইটনা উপজেলা আ.লীগ কার্যালয়ে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইটনা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরি কামরুল হাসান।ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিমল কুমার সাহার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু। 

ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক বজলু মিয়ার পরিচালনায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ইটনা উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন ঠাকুর (খসরু),শহর কৃষকলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন,জেলা কৃষকলীগের সম্পাদক এস এম আলমগীর,ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি আবু বক্কর,শরিয়ত উল্লা,ইটনা সদর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মো:শাহজাহান প্রমুখ।

বর্ধিত সভায় ইটনা উপজেলা কৃষকলীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রতিটি ইউনিয়ন সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।


আরও খবর



বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় বীরদের স্মরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এ মাসেই বাঙ্গালি জাতি অর্জন করে কাঙ্ক্ষিত বিজয়।

১ ডিসেম্বর রাত বারোটা এক মিনিটে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে মোমবাতি প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে জাতীয় বীরদের স্মরণ করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা। এসময় মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন তারা।

বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।


আরও খবর



পদ্মা ও মেঘনা নদীর নামেই নতুন দুই বিভাগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

বৃহত্তর ফরিদপুরের জেলাগুলো নিয়ে ‘পদ্মা’ আর কুমিল্লা ও আশপাশের জেলাগুলো নিয়ে ‘মেঘনা’ নামে নতুন দুটি প্রশাসনিক বিভাগ হচ্ছে, এমন ঘোষণা আগেই দিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকেরা। এটি হলে দেশে প্রশাসনিক বিভাগের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টি।

আগামী রোববার প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস–সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভা রয়েছে। এই সভার আলোচ্যসূচিতে নতুন দুটি বিভাগ অনুমোদনের প্রস্তাব ওঠার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব সভা অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, থানা গঠন বা স্থাপনের প্রস্তাব সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে অনুমোদিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নিকারের সদস্য হিসেবে থাকেন সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও সচিব।

বর্তমানে দেশে আটটি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে। এগুলো হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর উপহার-সোলার প্যানেল-দুর্গম পার্বত্যঞ্চলকে আলোকিত করেছে

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

-মো. রেজুয়ান খান :

বাংলাদেশের ১৩ হাজার ২৯৫ বর্গ কি.মি. প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ জুড়ে তিন পার্বত্য জেলা অবস্থিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার এই তিন পার্বত্য জেলার উন্নয়ন এবং এর অধিবাসীদের ভাগ্যোন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মনোভাব এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে একই বন্ধনে আবদ্ধ করতে ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করেছিলেন। এরপর থেকেই সরকার অব্যাহতভাবে পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়ন সহায়ক পরিবেশ এবং ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকার বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত মানুষের দিকটি বিশেষ বিবেচনায় রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম পার্বত্য এলাকার চল্লিশ হাজার পরিবারকে সোলার হোম সিস্টেম এবং বিভিন্ন পাড়াকেন্দ্র, স্টুডেন্টস হোস্টেল, অনাথ আশ্রমগুলোতে ২ হাজার ৫০০টি সোলার কমিউনিটি সিস্টেম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ ও স্থাপনের কাজ চলছে। সোলার প্যানেল হতে উৎপাদিত বিদ্যুতের মাধ্যমে পাহাড়ি দুর্গম এলাকাগুলো বিদুতের আলোয় আলোকিত হচ্ছে। যার ফলে তিন পার্বত্য জেলার দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান পূর্বের তুলনায় অধিকাংশক্ষেত্রে আধুনিক ও ইতিবাচক অবস্থা বিরাজ করছে।


দুর্গম ও প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে গ্রীড লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুত সুবিধা পৌঁছানো অত্যন্ত দুষ্কর ও ব্যয়বহুল। তাই এসব এলাকায় এ যাবৎকাল আলো ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা প্রক্রিয়ার একমাত্র উৎস ছিলো কেরোসিন বাতি বা ডিজেল জেনারেটর, যা ছিল ব্যয়বহুল। অস্বচ্ছল মানুষের কাছে বিদ্যুতের আলো পাওয়া ছিল সোনার হরিণ পাওয়ার মতো। সরকার এসব প্রান্তিক অস্বচ্ছল মানুষের জন্য বিদ্যুতের আলোর ব্যবস্থা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যাবলীর অধিকাংশই পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে হয়ে থাকে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জীবনমানের পরিবর্তনে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। পার্বত্য অঞ্চলের সকল উন্নয়ন কাজে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রশংসা ও সাফল্যের দাবি রাখে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সোলার ফটোভোল্টাইক সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে পেরেছে। ফটোভোল্টাইক সোলার প্যানেল সরাসরি সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুত তৈরি করে। এটা শক্তির সোর্স হিসেবে সূর্যের আলোকে শোষণ করে। ফটোভোল্টাইক (পিভি) মডিউল হলো একটি প্যাকেজযুক্ত বিভিন্ন ভোল্টেজ এবং ওয়াটেজেজে পাওয়া ফটোভোল্টাইক সৌর কোষগুলোর সংযুক্ত সমাবেশ।

মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ অপরিহার্য ও প্রয়োজনীয় উপকরণ। জাতীয় গ্রীড হতে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। আগামি দুই যুগের মধ্যেও পার্বত্য তিন জেলার দুর্গম অঞ্চলে জাতীয় গ্রীড থেকে বিদ্যুত সরবরাহ করা সম্ভব হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। তাই সরকার দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সোলার হোম সিস্টেম ও সোলার কমিউনিটি সিস্টেম বিতরণ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ইতোমধ্যে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এ তিনটি পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলার দুর্গম স্থানসমূহে বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য সোলার হোম সিস্টেম এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়াকেন্দ্র, স্টুডেন্টস হোস্টেল, অনাথ আশ্রম ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সোলার কমিউনিটি সিস্টেম চালু করেছে। 

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষজন পাহাড়ের উপর যুগ যুগ ধরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাসে অভ্যস্ত। প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকায় সেখানকার অধিবাসীরা ছোটো ছোটো গ্রামে পাড়া গড়ে তুলে বসবাস করে আসছে। প্রতিটি পাড়ায় ২০ থেকে ১০০ পরিবার বাস করে। সরকারের দেওয়া মৌলসেবাগুলো সহজলভ্য ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী জনগণের কাছে সহজেই পৌঁছে যায়। তবে পাহাড়ের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষগুলোর কাছে এসব সেবা অনেক সময় পৌঁছানো দুষ্কর হয়ে পড়ে। তাই সরকার পার্বত্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত দরিদ্র জনসাধারণের মাঝে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে অফ গ্রীডে ফটোভোল্টাইক সিস্টেমে বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা নিয়েছে।  

ফটোভোল্টাইক সোলার সিস্টেমে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করার জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪০ হাজার উপকারভোগী পরিবারকে বাছাই করা হয়েছে। এছাড়া দুর্গম এলাকার ২ হাজার ৫০০টি ফটোভোল্টাইক কমিউনিটি সিস্টেমের মাধ্যমে পাড়া কেন্দ্র, স্টুডেন্ট হোস্টেল, অনাথ আশ্রম কেন্দ্র, এতিমখানাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রদানের কাজও শুরু করেছে সরকার। সরকারের এ প্রকল্পের শিরোনাম ‌‘পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ (দ্বিতীয় পর্যায়) নামকরণ করা হয়। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে মোট ২১৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৩ মেয়াদের মধ্যে বাস্তবায়ন কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১০ হাজার ৮৯০ টি পরিবারকে সোলার হোম সিস্টেম এবং ২ হাজার ৮১৪টি সোলার কমিউনিটি সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়া কেন্দ্র, দুর্গম এলাকার স্টুডেন্ট হোস্টেল, অনাথ আশ্রম কেন্দ্র, এতিমখানাগুলোতে বিতরণ ও স্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে ১ দশমিক ৮০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদিত ও ব্যবহৃত হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার রাঙ্গামাটি জেলায় বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়ার সংখ্যা ৬৩৯টি যার মধ্যে বিদ্যুৎ বঞ্চিত পরিবারের সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৪৩টি। ইতোমধ্যে সোলার হোম সিস্টেমের আওতায় রাঙ্গামাটি জেলার ৩ হাজার ৬৪৩টি পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়ার সংখ্যা ৪৫৪টি যার মধ্যে ১৬ হাজার ১০৭টি বিদ্যুৎ বঞ্চিত পরিবারকে উপকারভোগী পরিবার হিসেবে বাছাই করা হয়েছে। ইতোমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলায় স্থাপিত সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে ৩ হাজার ১০৭টি উপকারভোগী পরিবারকে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। বান্দরবান জেলার দুর্গম এলাকার বিদ্যুৎ বঞ্চিত পাড়ার সংখ্যা ১ হাজার ৮৮১টি। যার মধ্যে বিদ্যুৎ সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত পরিবারের সংখ্যা ১৮ হাজার ৩৬০টি। ইতোমধ্যে বান্দরবান জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৪ হাজার ৩৬০টি পরিবারকে সোলার হোম সিস্টেমের আওতায় বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।


গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকা রেমাক্রী ইউনিয়নে ‘পার্বত্য চট্টগামের প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ-২য় পর্যায়’ প্রকল্পের আওতায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের সোলার প্যানেল সিস্টেমের বিদ্যুৎ সরঞ্জাম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ হাজার ৩২৭টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। শুধু তাই না সরঞ্জামগুলো স্থাপনের জন্য প্রত্যেককে সোলার প্যানেল সিস্টেম ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানসহ নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উপকরণ বিতরণ করেন। প্রতিটি সোলার প্যানেল থেকে উপকারভোগীরা ১০০ ওয়াট পিক আওয়ার বিদ্যুৎ পাবেন। সোলার প্যানেল সরঞ্জামগুলোর মাধ্যমে ৪টি এলইডি বাল্ব, ১টি সিলিং ফ্যান, ১টি টিভি, ১টি চার্জ কন্ট্রোলার চালানো যাবে। যা সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারভোগীরা কমপক্ষে ২০ বছর পর্যন্ত সৌর বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন।

পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকাগুলো বিদ্যুতায়নের জন্য সোলার প্যানেল বা সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হলো সবচেয়ে ভালো উপায়, নির্ভরযোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব। পার্বত্য জনপদে সোলার প্যানেল বিতরণ ও স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার পার্বত্যঞ্চলকে আলোকিত করেছেন। উন্নত ও সমৃদ্ধশালী পার্বত্য অঞ্চল গড়ার মানসে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে।


লেখক: তথ্য ও জনসংযোগ অফিসার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



স্ত্রীর মর্যাদা পেতে স্বামীর বাড়িতে ৩ দিন ধরে যুবতীর অনশন

প্রকাশিত:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে স্বামীর বাড়িতে তিন দিন ধরে অনশন করছেন নমিতা রাণী রায় নামে এক যুবতী। নমিতা রাণী রায় লালমনিরহাট জেলা শহরের দ্বীনবন্ধুটারী এলাকার রায়ের মেয়ে।

রবিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের ভাদাই দক্ষিনপাড়া গ্রামে এই অনশনের চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।

বিয়ের দেড় মাস অতিবাহিত হলেও আইন ও হিন্দু আচার অনুসারে স্ত্রীকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না তার স্বামী ও স্বামীর পরিবার। তাই এই অনশন করছেন নমিতা রাণী।

জানা গেছে, আদিতমারী উপজেলার ভাদাই দক্ষিনপাড়া গ্রামের বিপিন চন্দ্র রায়ের ছোট ছেলে অশোক চন্দ্র রায়ের সাথে গত অক্টোবর মাসে হিন্দু বিবাহ হিসেবে রেজিস্ট্রি হয় অশোক ও নমিতা দম্পতির। বিয়ের পর থেকেই অশোকের বড় ভাই গোপালের কুপরামর্শে ও পারিবারিক চাপে অশোক সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে নমিতা রাণী জানান।

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশনকারী নমিতা রাণী জানান, অশোকের পরিবার তাকে মেনে নিচ্ছে না বাড়ির বধূ হিসেবে। আমাকে তারা মারপিট করেছে এবং অশোকের বড় ভাই গোপাল রায় তাকে বিভিন্ন রকম হুমকিসহ অপবাদ দিচ্ছে।

এ বিষয়ে অশোকের ভাই গোপাল রায় বলেন, অনেক ভেজালে আছি দাদা। আমরা বিষয়টি আপোষ করার চেষ্টা করছি। 

এ বিষয়ে ভাদাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ কান্ত রায় বিদু চন্দ্র জানান, বিষয়টি আমি নিজে এবল আমার ভাদাই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যরা সমাধান করার চেষ্টা করছি।

এদিকে সওজ লালমনিরহাট এ কর্মরত প্রতারক অশোক তার ভািকে দিয়ে নানান টালবাহানা করছে।  অপরদিকে নমিতা রানী তার জীবন সংসার নিয়ে বিপাকে পড়েছে।  লালমনিরহাট পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আউয়াল জানান, মেয়েটির বিষয়ে জানি তার সাথে অশোকের বিয়ে হয়েছে। গোপালের নেতৃত্বে  স্থানীয় কয়েকজন কুচক্রী মহল বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে সমবায় দিবস উদ্যাপনে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবসে সরকারী বরাদ্দের টাকা পকেটস্থ করে সমবায় সমিতির নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে আজ শনিবার জাতীয় সমবায় দিবস পালনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর সমবায় দিবস পালনে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ অকপটে স্বীকার করলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদক জানান,উপজেলায় নিবন্ধিত সমিতি রয়েছেতিন ধরনের। যে সমিতির মুলধন বেশী সে সকল সমিতি থেকে ২ হাজার টাকা এবং যে সমিতির মুলধন কম তাদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেছে অফিস সহকারী পরিদর্শক মোঃ মাহাবুব আলম। মির্জাগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিসের অধীনে ১৭২টি সমবায় সমিতি রয়েছে। সমবায় দিবসে উপস্থিত অতিথিদেরকে সামান্য কিছু নাস্তা দিয়ে বাকী টাকা আত্মসাৎ করেছেন সমবায় অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম  ।  

উপজেলা সমবায় অফিসের অফিস সহকারী পরিদর্শক মোঃ মাহাবুব আলম বলেন, সমবায় দিবসের চিঠি বিতরণের সময় স্যারের কথায় সমবায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদকের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করেছি। 

উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম চাঁদা আদায়ের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, সমবায় দিবস পালনের জন্য মির্জাগঞ্জে উপজেলা সমবায় অফিসকে ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দিবসটি উদযাপনে ব্যয়ের চেয়ে সরকারী বরাদ্দ কম থাকায় তিনি সবার সাথে কথা বলে চাঁদা (সাহায্যে) আদায় করেছেন। সরকারি যে বরাদ্ধ পাওয়া গেছে তা দিয়ে দিবসের অনুষ্ঠান করা যায় না। বড় অনুষ্ঠান হওয়ায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদক আমাদের সাহায্য করেছেন। সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককের কাছ থেকে মাহাবুব আলম টাকা আদায় করেছেন, তিনি সব কিছু বলতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস মুঠো ফোনে বলেন, চাঁদা আদায় করে সরকারী দিবস পালনের কোন নিয়ম নেই। শুনেছি দিবসটি পালনে বরাদ্দ কম এসেছে। টাকা উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। 


আরও খবর