Logo
শিরোনাম

ইটনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশং ডে-২০২২ উদযাপন 

প্রকাশিত:Saturday ২৯ October ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মোজাহিদ সরকার, ইটনা, কিশোরগঞ্জ:

কমিউনিটি পুলিশংয়ের মূলমন্ত্র শান্ত-শৃঙ্খলা সর্বত্র ” এই প্রতিপাদ্যে উদযাপিত হলো কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২২। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের শেষ শনিবার জনগণকে সাথে নিয়ে এ দিবসটি পালন করে থাকে বাংলাদেশ পুলিশ।

২৯ অক্টোবর (শনিবার) কিশোরগঞ্জের ইটনায় থানা পুলিশের আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশং ডে-২০২২ উদযাপন করা হয়েছে। সকাল ১১টায় থানা'র সামন থেকে এক বিশাল র‌্যালি নিয়ে বাজারে বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে ইটনা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অডিটেরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারের গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে বেলা ১২টায় পায়রা উড়িয়ে কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে এক আলোচনা সভা শুরু হয়।

ইটনা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মোল্লা'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান।

আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম ঠাকুর, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আমন্ত্রিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির ইটনা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্যবৃন্দ। আলোচনা সভা পরিচালনায় ছিলেন ইটনা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আহসান হাবীব।

প্রধান অতিথি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান বলেন, আজকের এই দিনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমান এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিহত পুলিশ সদস্যদের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে প্রথম পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যে গুলিটা বাহির হয়েছিল সেটা কিন্তু পুলিশ সদস্যদের বন্দুক থেকেই বাহির হয়েছিল। কমিউনিটি পুলিশিং তৈরির পর পুলিশের সেবার মান উন্নয়ন হয়েছে। “পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ” এটার অর্থ হলো সব জনতা পুলিশ না শুধুমাত্র সেই জনতাই পুলিশ যে নিজে সচেতন এবং নিজের দায়িত্ব থেকে সমাজে সমস্যা গুলো সমাধানের পথ খুঁজে, যে জনতা মনে করে সমাজ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের ইটনা থানা পুলিশ সংখ্যা এবং জনসংখ্যার যদি তুলনা করি তাহলে দেখা যাবে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মানুষের জন্য একজন পুলিশ। আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি অন্যান্য থানায় মাসে শতাধিক মামলা হয় কিন্তু আমাদের থানায় মাসে চার থেকে পাঁচটা বেশি মামলা হয় না এবং সেইগুলো খুব সামান্য বিষয় নিয়ে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে না।

আলোচনা সভার সভাপতি ইটনা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, কমিউনিটি পুলিশ সমাজ কর্তৃক একটি পুলিশী ব্যবস্থা। সমাজের সকল ধরণের অপরাধ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পুলিশী কার্যক্রম সমাজের সকল পেশার সমাজ সচেতন জনগোষ্টীকে সক্রিয়ভাবে সহায়ক শক্তি হিসেবে সম্পৃক্ত করাই কমিউনিটি পুলিশের লক্ষ্য। অপরাধ প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা ও সামাজিক ন্যয় বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে পুলিশ ও প্রশাসনকে কমিউনিটি সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করবে। এক কথায় কমিউনিটি বা সমাজ যে পুলিশী ব্যবস্থা গড়ে তোলে থাকেই কমিউনিটি পুলিশ বলা হয়।


আরও খবর



মোংলায় বিশ্বের দীর্ঘতম বিলাসবহুল রিভার ক্রুজ ‘গঙ্গা বিলাস

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি :                 

ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসী থেকে বাংলাদেশ হয়ে আসাম পর্যন্ত ৩২০০ কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দেয়া বিশ্বের দীর্ঘতম বিলাসবহুল রিভার ক্রুজ ‘গঙ্গা বিলাস’ দুপুরে মোংলায় এসে পৌঁছেছে। গত ১৩ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্ধোধনের ২২ দিন পর সুন্দরবনের আংন্টিহারা রুট দিয়ে মোংলায় এসেছে প্রমোদ তরীটি। বিলাসবহুল রিভার ক্রুজটি আজ শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ২ টা নাগাদ মোংলা বন্দর জেটিতে নোঙ্গর করলে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিদেশী পর্যটকদের অভ্যর্থনা জানান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চেীধুরী। এসময়ে ভারতীয় হাই কমিশনার প্রনয় ভার্মা,  নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মীর এরশাদ আলী, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক সহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩২০০ কিলোমিটার নৌপথে ৫০ দিনের যাত্রায় বিলাসবহুল রিভার ক্রুজ গঙ্গা বিলাসের পর্যটকরা দুই দেশের ২৭টি নদ-নদী পাড়ি দিয়ে ৫০টি ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও বিশ্বঐতিহ্য স্থান (ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড) ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন। দৈর্ঘ্য ৬২.৫ মিটার এবং প্রস্থ ১২.৮ মিটার ও ১.৩৫ মিটার ড্রাফটের প্রমোদ তরীটিতে ১৮টি অত্যাধুনিক স্যুইটসহ একসাথে ৮০ জন পর্যটককের ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। রেস্টুরেন্ট, স্পা, সুইমিংপুল, সানডেকের ব্যবস্থাসহ রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের সব রকম সুযোগ-সুবিধা। উদ্ধোধনী যাত্রায় সুইস ও জার্মানসহ ৩০ জন পর্যটক নিয়ে মোংলায় এসেছে প্রমোদতরী গঙ্গা বিলাস।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নৌপথ অতিক্রম ও বানিজ্য প্রটোকল চুক্তির আওতায় বিশ্বের দীর্ঘতম বিলাসবহুল রিভার ক্রুজ গঙ্গা বিলাস প্রমোদতরীটি বাংলাদেশের সুন্দরবনের আংন্টিহারা- বাগেরহাট- বরিশাল- আরিচা- সিরাজগঞ্জ- দৈখাওয়া নৌপথ অতিক্রম করে ভারতের আসামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আরও খবর



সরকারি কোয়ার্টার থেকে কৃষি কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ০৫ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে সরকারি কোয়ার্টার থেকে মো. শরিফুল ইসলাম  নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।  নিহত শরিফুল ইসলাম সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রবিবার বিকেল  সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের গোডাউন ঘাট এলাকার কৃষি কর্মকর্তার কোয়ার্টারে ঘটনাটি ঘটে। নিহত শরিফুল ইসলাম ঢাকা জেলার ধামরাই  উপজেলার আমরাইল গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।

সিরাজদিখান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু সাহেব শুভ্র জানান, আমি পৌনে ৩টার দিকে মুঠোফোনে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি সে গলায় গামছা পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরবর্তীতে আমি থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ নামিয়ে নিয়ে যায়।

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আশা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে  পাঠানো হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



গরুবাহী ভুটভুটি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে একজন নিহত

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় গরুবাহী ভুটভুটি ও মোটরসাইকেল এর মুখোমুখি সংঘর্ষে দূর্ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে। এদূর্ঘটনায় নিহতের মামা গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মর্মান্তিক এ দূর্ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল সারে ১০ টারদিকে নওগাঁর বদলগাছী

উপজেলার মাতাজী টু হাপানিয়া রাস্তার ভুবনের মোড় নামক স্থানে।

নিহত ভাগ্নে হলেন, নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার সারতা 'চাতরাপাড়া' গ্রামের রুবেল হোসেন ওরফে ওপেন এর ছেলে জাহিদুল ইসলাম জালাল (২১)। 

আহত হলেন, নিহতের মামা মহাদেবপুর উপজেলার ভরট্ট গ্রামের কবির ওরফে আনিস। দূর্ঘটনার পরই গুরুতর জখম অবস্থায় মামা কবির ওরফে আনিসকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন স্থানিয়রা। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী (রামেক) হাসপাতালে রেফার্ড করেছেন।

সড়ক দূর্ঘটনায় ভাগ্নে নিহত ও মামা আহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছি থানার অফিসার  ইনচার্জ  আতিয়ার রহমান জানান, মামা ও ভাগ্নে একটি মোটরসাইকেল যোগে মাতাজীহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌছালে অপরদিক থেকে আসা গরুবাহী একটি ভুটভুটির সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দূর্ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী ভাগ্নের মৃত্যু হয় এবং মামাকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন স্থানিয়রা। খবর পেয়ে দূর্ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



লালদীঘি ময়দানে গণহত্যার ৩৫ বছর

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

অসাংবিধানিক উপায়ে সরকার উৎখাতের চেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

লালদীঘি ময়দানে গণহত্যার ৩৫ বছর উপলক্ষে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তারা এ মন্তব্য করেন। কোর্ট হিল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তারা গণহত্যার নির্দেশদাতা দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জেসি মণ্ডলকে দেশে এনে রায় কার্যকর করার দাবি জানান। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি লালদীঘি ময়দানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনায় সমাবেশে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও পুলিশের গুলিতে প্রাণ দেন ২৪ জন। এই গণহত্যার মামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।


আরও খবর



নেত্রকোনা এতিমখানায় শিশুদের নিয়ে পিঠা উৎসব

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি :পারিবারিক আনন্দ উপলব্ধি করতে ও শীতের পিঠা উপভোগ করতে নেত্রকোনায় সরকারি শিশু পরিবার (বালক) সকল শিশুদের নিয়ে শীতকালীন পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের সকল শিশুই এতিম ও দরিদ্র পরিবারের, স্থানীয়দের কাছে সরকারি শিশু পরিবার এতিমখানা নামে পরিচিত। 

রবিবার সন্ধ্যায় জেলার সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের কুমড়ি গ্রামে অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার (বালক) কর্তৃপক্ষ এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে। এতে করে এখানে অবস্থানরত একশত শিশু আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে পড়ে।


তারা নিজেরাই গান নাচ করে আনন্দ করে। ছোট বড় প্রতিটি শিশু তাদের নিজ পরিবারে থাকার আনন্দ উপলব্ধি করে। নিজেরা হাতে তৈরি করে নেত্রকোনা অঞ্চলের প্রায় ২০ রকমের বাহারী পিঠা। 

একইসাথে হারিয়ে যাওয়া দুধপুলি, পাটি সাপটা, চিতইসহ,পুলি পিঠা নানা ধরনের পিঠার সাথে পরিচিতিও হয় তারা। এই পিঠা গুলো সাথে নেত্রকোনা অঞ্চলের জামাই পিঠা নামে পরিচিত পিঠাও ছিল। 

চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র সিয়াম জানায়, আমি চতুর্থ  শ্রেণিতে পড়ি। আমি বাড়ির চেয়ে এখানে থাকতে বেশি পছন্দ করি। আমি বাড়িতে গেলে তেমন বেশি ভালো লাগে না, এখানে থাকলে আমি আনন্দ করতে পারি সবার সাথে মজা করতে পারি এখানে যারা আছে সকলে আমাদের ভাই। আমরা এখানে প্রতিবছর এ ধরনের অনেক উৎসব পালন করে থাকি। 

অন্য একজন শিশু জানায়, স্যার আমাদের জন্যই শীতকালীন পিঠা উৎসব এর আয়োজন করেছেন। তিনি প্রায় ২০ ধরনের পিঠার ব্যবস্থা করেছেন এর মধ্যে অনেক পিঠারি নাম আমরা জানি না। এই পিঠা উৎসবে, আমরা বাড়ির মতো পিঠা খাওয়ার আনন্দ পাচ্ছি এবং সব ধরনের পিঠার নাম জানতে পারছি। 

অন্যদিকে শিশুদেরকে আনন্দ দিতে এবং পারিবারিক শিক্ষায় বড় করে তুলতে এমন আয়োজন বলে জানিয়েছেন নিবাসের তত্ত্বাবধায়ক। 


আরও খবর