Logo
শিরোনাম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

জামালপুর প্রতিনিধি :

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নিলাক্ষিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়ার (পিরামিড বিএসসি) অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থী অভিভাবকরা। মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয় মাঠে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধনে সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়াকে চরিত্রহীন, দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে তার শাস্তি ও অপসারনের দাবি জানানো হয়। শিক্ষার্থী অভিভাবকদের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক সালেহ আহম্মেদ ময়না,কালু মিয়া,খাদর আলী,হাবিবুর রহমান ও ইউসুফ আলী সরকার প্রমূখ। 

মানববন্ধনে বক্তব্য কালে শিক্ষার্থী অভিভাবক হাবিবুর রহমান বলেন,নিলাক্ষিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়ার বিরুদ্ধে সীমাহীন অভিযোগ রয়েছে। স্ত্রী সন্তান থাকার পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বী এক ছাত্রীকে বাগিয়ে বিয়ে করেছিলেন তিনি। নারী নির্যাতন মামলায় দুইবার জেলও খেটেছেন। শিক্ষার্থী অভিভাবকদের সাথে সব সময় অশালীন আচরন করেন এই শিক্ষক। তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। আমরা এই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের অপসারণ চাই। 

অভিভাবক খাদর আলী বলেন, বিদ্যালয়ের সামনেই পিরামিড মিয়ার বাড়ি। যে কারনে সে সব সময় প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে অসদাচরণ করেন। বিদ্যালয়ের পাশেই তার নিজের একটি লাইব্রেরী রয়েছে। তার লাইব্রেরী থেকে শিক্ষার্থীরা যদি খাতা কলম না কিনে তাহলে ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অসাদাচরন করেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। এছাড়া তার অপসারণের জন্য বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কর্মচারী সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। 

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী সরকার বলেন, পিরামিড বিএসসির কাছে প্রাইভেট না পড়লে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম দেওয়া এমনকি ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। তার দোকান থেকে বেশি দামে শিক্ষার্থীদের খাতা কলম কিনতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া এই শিক্ষক সকলের সাথে খারাপ আচরণ করেন। তাই এলাকাবাসীর দাবি এই দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের অপসারণ। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়া বলেন,আমার একটি দোকান রয়েছে সেটিতে আমি অবসর সময়ে বসি। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। 

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সুজা উদ্দিন বলেন, সহকারী শিক্ষক পিরামিড মিয়ার বিরুদ্ধে মানবন্ধনের বিষয়টি বিদ্যালয়ের সভাপতির মাধ্যমে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে নিলাক্ষিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাত্তার বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা আহবান করা হবে। সভায় সকলের সিদ্ধান্তমতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



ধামরাইয়ে সরিষার বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি।

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মোঃ মাহবুবুল আলম রিপন,ধামরাই,ঢাকা :


ঢাকার ধামরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন জোরেই এবার সরিষার আবাদ হয়েছে, যতদূর চোখ যায় শুধু সরিষা আর সরিষা।

এবার ১৬ টি ইউনিয়ন এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরিষা আবাদ হয়েছে ধামরাই সদর ইউনিয়ন, সোমভাগ ইউনিয়ন, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন  কুল্লা ইউনিয়ন, কুশুরা ইউনিয়ন সূতিপাড়া ইউনিয়ন, আমতা ইউনিয়ন, বালিয়া ইউনিয়ন, নান্নার ইউনিয়ন ও সুয়াপুর ইউনিয়ন এ সবচেয়ে বেশি সরিষার আবাদ হয়েছে। 

সরিষা চাষি কালাম মিয়া বলেন এবার আমি ৫ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলন হবে বলে আশা করি, তিনি জানান যে অনন্য ফসলের তুলনায় সরিষা আবাদে খরচ কম সার বিষ লাগে না বললেই চলে, যখন সরিষা রোপণ করি তখন ২ টা চাষ করি এবং সাথে হালকা কিছু সার দিয়ে সারিষা রোপন করি


যখন সরিষার গাছ গুলো একটু বড় হয় তখন একবার ৫ বিঘা জমিতে একমণ সার দিয়েছি তারপর আর কোন সার বিষ দিয়ে দিতে হয়নি, আল্লাহ তালা যদি আবহাওয়ার ঠিক রাখে বৃষ্টি পাত না হয় তাহলে এবার অনেক ভালো সরিষা হবে বলে মনে করি, তিনি জানায় প্রতি বিঘা জমিতে প্রিয় ৪ মণ সরিষা হয়ে থাকে, আশা করি এবার ভালো দামে সরিষা বিক্রি করতে পারবো। 

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফ হাসান বলেন এবার ৬২০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অবশ্যই সরিষার ফলন ভালো হবে বলে মনে করি। এখন বর্তমানে সরিষার যে দাম আছে এই দাম থাকলে কৃষক লাভবান হবে। কৃষকের যে পরামর্শের জন্য আমার কাছে আসলে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি আমি।


আরও খবর



মানবতার আরেক নাম, ডা. ফেরদৌস খন্দকার

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকার।নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলে অনেক চিকিৎসক চেম্বার বন্ধ রাখেন। কিন্তু সেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন ডা. ফেরদৌস। দুঃসময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ডা. ফেরদৌস। চেম্বার খোলা রেখে করোনা আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন। মনস্থির করলেন নিজের মাতৃভূমিতে এসে নিজেকে বিলিয়ে দিবেন দেশের মানুষের স্বার্থে।

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন (ইউএসএ) ইনক'র সভাপতি মানবিক মানুষ ডা. ফেরদৌস খন্দকার , তার মুল লক্ষ্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলকে বিশ্ব বাসির কাছে পরিচিত করে দেওয়া এবং স্কুল কলেজ এর ছাত্র, ছাত্রীদের মাঝে তার মূল্যায়ন গড়ে তোলা তিনি বলেন দেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত- একটি পক্ষ স্বাধীনতার পক্ষে আর একটি স্বাধীনতা বিরোধী, তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ, জন্মভূমি এবং স্বাধীনতার পক্ষে থাকবে নাকি ভুল সিদ্ধান্ত নিবে। 

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার নামে তিনি দেশে বিদেশে নানা রকম মানব কল্যাণ মূলক কাজ করে থাকেন ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার ।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ডা. ফেরদৌস খন্দকার। জন্মগ্রহণ করেছেন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে। বাবা ফয়েজ আহমেদ খন্দকার বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। মা আনোয়ারা বেগম খন্দকার গৃহিনী। তিন ভাইবোনের মধ্যে ডা. ফেরদৌস বড়।
ডাক্তার ফেরদৌসের মায়ের পরিবার দেবিদ্বারের পাশের মুরাদনগরের কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার নানা সামরিক বাহিনীতে অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন। সহজ-সরল মানুষ। উনার ছয় ছেলে, এক মেয়ে। তার প্রথম ছেলে খুরশিদ আনোয়ার সাহেব, উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ওই সময় সেই এলাকার মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার ছিলেন তিনি। পরে ফার্মাসিস্ট হয়ে বিদেশে চলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় জনও মুক্তিযোদ্ধা, অ্যাকাউন্টেন্ট।
ছোটবেলা থেকেই স্বেচ্ছাসেবী কাজ করতে পছন্দ করতেন ডাক্তার ফেরদৌস। গ্রামে এবং নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা স্বেচ্ছাসেবী কাজের সাথে জড়িত ছিলেন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।  তিনি ১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নিশিপসহ মেডিসিনে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তারপর পরিবার সহ পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানকার নিউইয়র্ক মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশিক্ষণসহ চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ডাক্তার ফেরদৌস। পাশাপাশি জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। 

 ডাক্তার ফেরদৌস কোন কাজকেই ছোট মনে করেননি। একসময় আমেরিকায় ট্যাক্সি ক্যাব চালিয়েছেন।   এমনও অনেক দিন গেছে টানা ১৯ ঘন্টা তিনি ট্যাক্সি চালিয়েছেন।  দশজন সাধারণ অভিবাসীর মতই তিনি ঘুরেছিলেন এই শহরে ভাগ্যের অন্বষনে। যুক্তরাষ্ট্রে ডাক্তারী পেশার জন্য প্রাকটিস সনদ পরিক্ষার খরচ যুগিয়েছিলেন এবং শেষ দিকে এসে যখন এই ডাক্তারী অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলেন, সেটার ভাড়া আর কর্মচারীদের বেতন তুলে চলতেন।


লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়কে বেছে নিয়েছেন ডাক্তার ফেরদৌস। নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ডাক্তার ফেরদৌস হয়ে উঠলেন সফলদের একজন। 
তিনি জ্যাকসন হাইটসের ব্যস্ততম ৩৭ স্ট্রিটে ওয়েস্টার্ন কেয়ার মেডিকেল কেয়ার পিসি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন সমমনাদের নিয়ে। সেখানে দেশি বিদেশি ৭ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মূর্তমান বিশ্বস্ততার প্রতিক হয়ে উঠলেন ডাক্তার ফেরদৌস।

 

একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশী, ভারতীয় এবং পাকিস্থানী নাগরিকদের মধ্যে যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়েছেন । নিউইয়র্কের অলাভজনক সংস্থা দি অপটিমিস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তিনি। রোগিদের আস্থা আর তাদের প্রতি সেবাকে আরো বিস্তৃত করতে নতুন একটি মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন ফেরদৌস খন্দকার। জ্যাকসান হাইটস এর ৭০-৩৮ ব্রডওয়েতে এই চিকিৎসা কেন্দ্রটি অবস্থিত। মানুষজন বিক্ষিপ্তভাবে এদিক সেদিক না গিয়ে যাতে এক ছাদের নিছে সেবা পায় সেজন্যই তার এই প্রচেষ্টা। 

 

ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখার পাশাপাশি, ফেসবুক এবং ইউটিউবে নিয়মিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি চান মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞানের পরিধি বিস্তার হোক।
বিদেশে থাকলেও স্বদেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করলেন। মেডিকেলের শিক্ষার্থী হিসেবে সেনাবাহিনীর বৃত্তি পেয়েছিলেন। অর্থ-বিত্তে সাফল্যে পৌঁছার শুরুতেই তিনি সেই বৃত্তি ফেরত দিয়েছেন। নানাভাবে তাঁর দায় পরিশোধের উদ্যোগের কথা জানালেন। নিজের অর্থ ব্যয়ে গ্রামে হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রম করছেন। এসব কাজ করতে গিয়ে নানা বাধাবিপত্তির মোকাবিলা করেছেন।

বছরে অন্তত চারবার দেশে আসেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার। নিজের এলাকার জন্য, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার তাড়না থেকেই আসেন তিনি। অর্থনৈতিকভাবে বেশ সফল হলেও ভ্রমণের সময় বাড়তি ব্যয় করেন না। বেঁচে যাওয়া সেই অর্থ বরং মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন। 


আরও খবর



পাকিস্তানজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

পাকিস্তান জুড়ে সোমবার সকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতোটাই ব্যাপক যে, রাজধানী ইসলামাবাদের পাশাপাশি লাহোর ও করাচির মতো বড় শহরসহ দেশের বিশাল অংশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে।

দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেম সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে ডাউন হয়ে গেলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক বিভ্রাট দেখা দেয়। ‘সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানানো হয়। এদিকে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রী খুররম দস্তগীর বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে ‘বড় ধরনের কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদ, করাচি, কোয়েটা, পেশোয়ার এবং লাহোরসহ পাকিস্তানের বিশাল অংশ বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে।


আরও খবর



পদত্যাগ করলেন জেলেনস্কির উপদেষ্টা

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রভাবশালী উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্তোভিচ পদত্যাগ করেছেন। রাশিয়ার চালানো একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ‘নেতিবাচক’ মন্তব্য করে সাধারণ ইউক্রেনীয় ও রাজনীতিবীদদের রোষানলে পড়েন তিনি। এর জেরেই প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

১৪ জানুয়ারি দানিপ্রোর একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। ইউক্রেন দাবি করে রাশিয়া এ হামলা চালিয়েছে। তবে রাশিয়া দাবি করে, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইউক্রেন। যেটির আঘাতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রটি আবাসিক ভবনের ওপর গিয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ আছেন আরো ২০ জন।

জেলেনস্কির উপদেষ্টা অলেক্সি আরেস্তোভিচ বলেছিলেন, ইউক্রেনের সেনাদের কারণেই হয়তো ওই আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে। তার এ মন্তব্যকে ভিত্তি করে রাশিয়ায় পরবর্তীতে এ ঘটনার জন্য ইউক্রেনকে পুরোপুরি দায়ী করে প্রচারণা চালানো হয়।

ওলেক্সি আরেস্তোভিচ যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেন এবং রাশিয়া দুই দেশেই বেশ পরিচিত হয়ে ওঠেছেন। কারণ ইউটিউবে যুদ্ধ নিয়ে নিয়মিত আপডেট দেন তিনি।

সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়ার পর আরেস্তোভিচ একটি বিবৃতিতে নিজের পদত্যাগ করার কথা জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আমি ভিকটিম ও তাদের পরিবার, দানিপ্রোর বাসিন্দা এবং বাকি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যারা দানিপ্রোর আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে আমার ভুল তথ্যের কারণে কষ্ট পেয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি।


আরও খবর



বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রকাশিত:Saturday ২১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ছুটির দিনটিতে মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বেলা গড়াতেই যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই মেলায়।

শুরুতে সকালের দিকে দর্শনার্থী কিছুটা কম থাকলেও বেলা গড়াতেই জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ। কেনাবেচাও হয়েছে গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মেলার অভ্যন্তরীণ প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলো কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। দেশীয় পোশাক, হস্তশিল্পজাত পণ্য, সাজসজ্জার সামগ্রী, পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক, মেলামিন, আসবাব ও কার্পেটসহ গৃহসজ্জার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ব্যাগ-জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ ও ইমিটেশন জুয়েলারি পণ্যের স্টলের সামনে ক্রেতাদের বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ব্লেজারসহ অন্যান্য শীতের কাপড়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ছাড়। এর ফলে বেড়েছে কেনাবেচা।

দর্শনার্থীরা বলছেন, মেলার সরকারি ছুটির দিন থাকায় লোকজন বেশি। ভিড় ঠেলে কেনাকাটা করতে হয়েছে। তবে সব কিছু একসঙ্গে পেয়ে ভালো লাগছে। মেলা ঘুরতে আসা একজন বলেন, একটু দূরে হওয়ায় মেলায় আসতে অসুবিধা হয়েছে। তবে মেলায় আসার পর পণ্য দেখে ও কম দামে কিনতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

বাণিজ্য মেলার পরিচালক ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে মেলা শুরু হয়েছে। মেলার আর্চওয়ের হিসেবে এমনিতে মেলায় প্রতিদিন ক্রেতা ও দর্শনার্থী সংখ্যা থাকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মতো। তবে আজকে (শুক্রবার) রেকর্ড পরিমাণ দর্শনার্থী হয়েছে। মেলায় এখন পর্যন্ত (বিকেল ৪টা) ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি কয়েক গুণ ছাড়িয়েছে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩