Logo
শিরোনাম

জনগন আর শেয়ালের কাছে মুরগি আদি দেবে না ..মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন জনগন আর শেয়ালের কাছে মুরগি আদি দেবে না। আওয়ামীলীগই এক সময় তত্বাবধায়ক সরকার চেয়ে আন্দোলন করেছিলো। এখন তারাই সংবিধান দেখায়। জনগন আর ভুল করবে না। এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি আর ঘরে ফিরবে না। বিএনপির সঙ্গে এই দেশের অধিকার বঞ্চিত জনগনরা আছে।

রবিবার ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী বিভাগীয় তারুন্যের রোড মার্চ কর্মসূচি চলাকালে বগুড়া থেকে রাজশাহীতে রোড মার্চ যাওয়ার পথে নওগাঁয় সংক্ষিপ্ত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তির মাধ্যমে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে হবে। অন্যথায় যে কোন পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী থাকবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মামলা। তারা মামলা ও জেলের মাধ্যমে বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে চায়। এ সময় বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও যুবদলের সভাপতি বক্তব্য রাখেন।

এসময় জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দরা সমাবেশস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরে মির্জা ফখরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা জেলার মান্দা থানার দিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। উল্লেখ্য, বিএনপি'র রোড মার্চ উপলক্ষে নওগাঁ টু রাজশাহী মহা-সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে হাজার হাজার লোকজন সড়কের দু' ধারে দাঁড়িয়ে হাত নেরে অভিন্দন জানান। এছাড়াও নওগাঁ জেলার মধ্যমনি হিসেবে পরিচিত তে-মাথা চৌমাশিয়া (নওহাটামোড়)  বাজারে আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী জাতীয় জনি তার হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে বাজারের এক প্রান্তে ও বুলেট তার হাজারো নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে একই বাজারের অপরপ্রান্তে অবস্থান নেয়। রোর্ড মার্চ বাজার পৌছালে হাজারো নেতা-কর্মীরা হাতে হাতে ব্যানার নিয়ে সড়কের দু' ধারে অবস্থান নিয়ে হাত নাড়িয়ে ও বিভিন্ন শ্লোগানে শুভেচ্ছা জানান। তবে একই বাজারে দু পক্ষের পূর্থক দুটি স্থানে অবস্থান করায় সেখানে কোন বক্তব্য দেন নি বিএনপি মহাসচিব।


আরও খবর



করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে   ডিজিটাল ডেস্ক:


ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি। আগের মতো করমুক্ত আয়কর সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 


আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশের সময় তিনি এ প্রস্তাব করেন। 


এতে নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।



এছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৪ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং একইসঙ্গে কোনো প্রতিবন্ধীর পিতা-মামা বা আইনানুগ অভিভাবকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকার করার কথাও বলা হয়েছে।


প্রস্তাবে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়। তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।



প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকার ওপর কোনো কর দিতে হবে না। পরবর্তী ১ লাখ টাকার ওপর ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার ওপর ২০ শতাংশ ও বাকি আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।


আরও খবর



টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারতে লোকসভা নির্বাচেনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। শনিবার (০১ জুন) সপ্তম ধাপে ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে।

আগামী ৪ জুন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবে দেশটির নির্বাচন কমিশন। তবে এরইমধ্যে বুথফেরত ফলাফল ঘোষণা করেছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। এতে বলা হয়েছে, এবার হ্যাটট্রিক করতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

নির্বাচনে দেশটির বড় দুটি জোটের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। এ দুটি হলো ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট।


বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এবার ভোটের ৩৫৩ থেকে ৩৮৩ আসন পেতে পারে। একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেতে পারে ১৫২ আসন থেকে ১৮২ আসন। ভারতের কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ২৭২ আসন।

তাই ম্যাজিক সংখ্যা থেকেও বিজেপির আসন প্রাপ্তির সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি বলে আভাস দিচ্ছে একাধিক সমীক্ষা।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার, এবিপি আনন্দের যৌথ বুথ ফেরত মত বলছে, বিজেপি এবার এককভাবে ৩১৫ আসন পাবে। আর কংগ্রেস পাবে ৭৪টি আসন।

শনিবার (১ জুন) সাত দফার ভোট গ্রহণের শেষ দফা ভোট পর্ব শেষ হতেই এক এক করে দেশটির গণমাধ্যম গুলো বুথ ফেরত ফলাফল প্রকাশ করতে শুরু করে। আর সেখানে এমন আভাস পেয়ে কার্যত খুশি মোদির দল।

তবে এটাও সত্যি যে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪০০ আসনের বেশি আসন পেয়ে বিজেপি সরকার গড়বে বলে যে দাবি করেছিলেন- সেই দাবি কিন্তু বুথ ফেরত সমীক্ষার আভাস পুরোপুরে খারিজ করে দিয়েছে।


দেশটির অধিকাংশ সমীক্ষক সংস্থার আভাস বলছে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানে বিজেপি তাদের অবস্থান ধরে রাখবে। অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতের কেরালাও বিজেপি এবার খাতা খুলতে পারে। একই সঙ্গে মমতার রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গেও তৃণমূলের চেয়ে বেশি আসন প্রাপ্তির সম্ভাবনাও দেখাচ্ছে সমীক্ষা।

দেশটির তিনটি বড় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার, অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া, টুডেজ টানক্য-এর সমীক্ষার গড় হিসেব করলে মমতার রাজ্যে মোদির দল এবার ২৫টিরও বেশি আসন পেতে পারে।

আর তৃণমূলের ঝুলিতে যেতে পারে ১৫টি আসন। ৪২ আসনের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি গেলবার ১৮টি আসন, তৃণমূল ২২ টি আর কংগ্রেস ২টা আসন পেয়েছিল। সে হিসেবে তৃণমূল এবার ৭টি আসন হারাতে চলেছে।


আরও খবর



১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ৪৯.২৬ শতাংশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে সরকার।



গত অর্থবছরের (২০২২-২৩) একই সময়ে সংশোধিত এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৫০ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং তার আগের অর্থবছরে এ হার ছিল ৫৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ।


সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


আইএমইডির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপি বরাদ্দের ৪৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করেছে সরকার। 


এ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। ফলে দুই মাসে খরচের টার্গেট ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। এ সময়ে গত তিন অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে।


আইএমইডি জানায়, একই সময়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫০ দশমিক ৩৩, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৪ দশমিক ৫৭, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪৯ দশমিক শূন্য ৯ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।



গত ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়নে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এগিয়ে রয়েছে, বাস্তবায়ন হার ৯৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ৮৩ দশমিক ১৪ শতাংশ, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৬৭ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগ ৬৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও বেসরকারি বিমান ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


কৃষি মন্ত্রণালয় ৫৮ দশমিক ৮১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে। তবে, সবচেয়ে বেহালদশা দেখা গেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে। এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ১৭ শতাংশ। এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এডিপি বাস্তবায়ন হার মাত্র ২২ দশমিক ৮৮ শতাংশ।



আরও খবর



ফের ৫ দিনের রিমান্ডে শিমুল-তানভীর-শিলাস্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


ফের ৫ দিনের রিমান্ডে শিমুল-তানভীর-শিলাস্তি

ভারতে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।


 আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমান। 



প্রথম দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে এদিন দুপুরে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য তাদের ফের ৮ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফজুর। 


শুনানি শেষে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


গত বৃহস্পতিবার তিন আসামিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে গত ২৪ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি তাদের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


আরও খবর



মতিউরের বিরুদ্ধে দূর্নীতি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।


রোববার (২৩ জুন) দুদকের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুদক জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করে কাজ শুরু করেছে কমিশন। আগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখবে তারা। 



তার সম্পদের বিষয়ে সব কিছুই তদন্ত করে দেখবে কমিশন। মতিউরের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয় গত ৪ জুন। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


এর আগে আজই এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


তার ছেলের কারণে মতিউর রহমান কিছুদিন ধরে আলোচনায় আছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক।



 সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হইছে। 


১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে বলা হয় এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।


এর পর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে।


এদিকে আজই অর্থ মন্ত্রণালয় মতিউর রহমানের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। 



তবে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



আরও খবর