Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

জঙ্গি হামলার হুমকি, ভেস্তে যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ক্রীড়া ডেস্ক:


বাংলাদেশ সময় আগামী ২ জুন আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর।


 রেকর্ডসংখক ২০ দলের অংশগ্রহণের এই বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।


আগামী ৯ জুন নিউইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামে বিশ্ব আসরে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ ভারত-পাকিস্তান লড়াই। কিন্তু বিশ্বকাপের এ ম্যাচে হামলার হুমকি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন প্রো-আইএসআইএস গ্রুপ।


ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে জঙ্গি হামলার কথা জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে জঙ্গি সংগঠনটি। ভিডিওটিতে জঙ্গি এ হামলার নাম বলা হচ্ছে ‘লোন উলফ’। যে কেউ এই হামলা চালাতে পারে বলে উল্লেখ্য করা হয়েছে প্রকাশিত ভিডিওতে।


হুমকি পাওয়ার পরপরই সতর্ক নিউইয়র্ক পুলিশ। হুমকিটিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাসাউ কাউন্টির পুলিশ কমিশনার প্যাট্রিক রাইডার।


 স্থানীয় গণমাধ্যমে তিনি বলেন, একটি ভিডিও বার্তায় জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘লোন উলফ’ হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। যেখানে এত বড় একটা ম্যাচ এবং প্রচুর দর্শক আসবেন, সেখানে কোনও কিছুই হালকাভাবে নেওয়া যায় না।



রাউডার জানান, এ ধরনের হুমকি প্রথম নন। এর আগে চলতি বছর এপ্রিলে থেকে আরেক জঙ্গি সংগঠন আইএস-খোরাসান একই রকম হামলার হুমকি দিচ্ছে। তবে কোথায় বা কী ধরনের হামলা করা হবে সে বিষয়ে পরিস্কার তথ্য ছিল না।


তবে এবারই প্রথম নির্দিষ্ট করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হামলার কথা বলা হচ্ছে। এর আগে দুই মহারথীর লড়াইয়ের ভেন্যু নাসাউ স্টেডিয়ামের উপর দিয়ে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। 


সেখানে লেখা ছিল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের তারিখ ‘৯/৬/২০২৪’। এরপরই নড়চড়ে বসে নিউইয়র্ক প্রশাসন।


নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আলাদা করে মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সংশয় তৈরি হয়নি। তবে আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি।



 নিউইয়র্কের মানুষ এবং বাইরে থেকে যারা ওই ম্যাচ দেখতে আসবেন তারা যাতে সুরক্ষিত থাকেন তার ব্যবস্থা গ্রহণ করব আমরা।’


আরও খবর



বাতিল হতে পারে বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি : ঢাবি সিনেটে প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের পিএইচডি ডিগ্রি বাতিলের জন্য সিনেটে প্রস্তাব করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যরা।


বুধবার (২৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বৈঠকে সিনেটের অন্তত তিনজন সদস্য এ প্রস্তাব দেন। 



সিনেট সদস্য বলেন, বেনজীর আহমেদ ভর্তির যোগ্যতা পূরণ না করলেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পেয়েছেন।



বেনজীরের পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ডিগ্রি পাওয়ার পর তিনি তার নামের শুরুতে ‘ড.’ ব্যবহার শুরু করেন। 


তবে বেনজীরের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা ছিল না। তাকে ভর্তির জন্য অনিয়ম করে যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হয়েছিল।



বেনজীর বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এই প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য প্রয়োজন স্নাতক ডিগ্রি। 



এই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে, যা বেনজীরের ছিল না।


সিনেট সদস্য রণজিৎ কুমার সাহা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বেনজীরের ডিগ্রি বাতিলের প্রস্তাব করেন।






আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ গরবাসী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। দিনে রাতে সর্বত্র মশার দাপটে অতিষ্ঠ নগরবাসী। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, রেস্টুরেন্ট, গণপরিবহণসহ মশার উৎপাত সহ্য করতে হচ্ছে নাগরিকদের। এমনকি গণভবনেও মশার উৎপাত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মশক নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেও এর সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দুই সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেই খাল পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। এতে ময়লা-আবর্জনাতে জন্ম নেওয়া মশা উড়ে বাসাবাড়িতে চলে যাচ্ছে। শীতকালীন সময়ে দেশের খাল ও জলাশয়গুলো শুকনা থাকে। বিশেষ করে কচুরিপানা ও পানিতে ভাসমান বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা থাকা মশাগুলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করছেন তারা। তাছাড়া এ সময়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। তবে এডিস মশা নিয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

তবে তাদের এ দাবির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ ডক্টর কবিরুল বাশার যায়যায়দিনকে বলেছেন, খাল পরিষ্কারের কারণে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে এ ঠিক না। খাল পরিষ্কার করলে সেখানে সাথে সাথে লার্ভি সাইট (মশার ডিম ধ্বংস করার ওষুধ) প্রয়োগ করার কথা।

মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রতি বছরই এই সময় প্রাকৃতিকভাবে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। পচা পানিতে এ মশার বংশ বিস্তার করে। এ সময় পানিতে অর্গানিক কমপাউন্ড বেড়ে যায়। এটা মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

মশক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে কবিরুল বাশার বলেন, প্রতি সাত দিন অন্তর অন্তর এডাল্টি সাইট ও লার্ভি সাইট প্রয়োগ করেত হবে। নিয়মিত জলাশয় ও পানি জমে থাকার স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে। তবে একবার ওষুধ দিয়ে আবার ১০-১৫ দিন পর দিলে হবে না। মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে প্রতি সাত দিন পরপরই ওষুধ প্রয়োগ করার পরামর্শ দেন এ কীটতত্ত্ববিদ।

এদিকে, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহর এলাকার মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলতি সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ সভায় মশক নিধনে সিটি করপোরেশনগুলোর গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, প্রতিদিনই সকাল-সন্ধ্যা মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। বেশ কয়েক দফায় মশার ওষুধ পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিজেদের সুরক্ষার জন্য বাসাবাড়ির আঙিনাসহ সর্বত্রই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, করোনার মধ্যে লকডাউনেও পাঁচবার চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেছে সংস্থাটি। এজন্য এ বছর এডিসের প্রকোপ গতবারের মতো ছিল না। তেমনি কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি মিক্সড বেস্নায়ার কেনা হচ্ছে। এগুলো দিয়ে ওষুধ ছিটানো শুরু হলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) গুলশান, বনানী, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, উত্তরা, তেজগাঁও, ভাসানটেক, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।

উত্তরা এলাকার বাসিন্দা লুৎফুন্নাহার জানান, দিনে রাতে মশার অত্যাচারে ঘরে থাকা দায়। দিনের বেলায়ও মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হয়। সিটি করপোরেশনের ওষুধ ছিটানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ওষুধ দিলে বাইরের মশা ঘরে চলে আসে।

হাতিরঝিলে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদেরও পড়তে হয় মশার বিড়ম্বনায়। ঝিলের পাড়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বসে অবসর সময় কাটাতে আসা নগরবাসীকে সহ্য করতে হয় মশার কামড়। বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টর কর্মচারীরা জানিয়েছেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা মানুষজন মশার কামড়ে রেস্টুরেন্টেও টিকতে পারে না। তাই প্রতিটি টেবিলের নিচে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তারা।

ঝিলের পাড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শাকিল আহমেদ জানান, এখানে এক মিনিটও টিকা দায়। এত মশা আগে কখনোই দেখিনি। দলবেঁধে মশা এসে নাকে-মুখে লাগে।

গুলশান গুদারাঘাট এলাকার এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা জানান, মশার জ্বালায় কোথাও দাঁড়াতে পারি না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মশা এমনভাবে কামড় দেয় যেন শরীরে পিঁপড়া কামড়াচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড এলাকার আনিসুর রহমান জানান, রাতে তো আছেই দিনেও মশার অত্যাচারে টিকা যায় না। ক'দিন আগেও মশার ওষুধ দিয়েছে। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

ধানমন্ডি ১৫ নম্বর এলাকার আবু বকর জানান, এই সময়টা প্রতি বছরই মশার উপদ্রব বাড়ে। সিটি করপোরেশনের ওপর ভরসা না পেয়ে নিজেরাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

তাছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, পান্থপথ, মগবাজার, পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল, কমলাপুর, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, মাতুয়াইল, ধনিয়া, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মানিকনগরসহ প্রায় সব এলাকায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান বলেন, সম্প্রতি আমরা ওয়াসা থেকে খালগুলো বুঝে পেয়েছি। এগুলো আমরা পরিষ্কার করছি। এসব খাল থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হচ্ছে। এসব খাল ও কচুরিপানায় যেসব মশা থাকত তার একটি অংশ কিন্তু উড়ে লোকালয়ে যাচ্ছে। এটাও মশা বৃদ্ধি পাওয়ার একটা কারণ। তাছাড়া শীতের মৌসুমে ঋতুগত কারণে মশা বেড়েছে। কারণ এডিস যেমন পরিষ্কার জমা পানিতে হয়, তেমনি কিউলেক্স মশা নোংরা, অপরিষ্কার পানিতে হয়। শীতকালে এখন যে মশা সেটি মূলত কিউলেক্স মশা। অনেক জলাশয় শীতকালে শুকিয়ে যাওয়ায় সেখানে কিউলেক্স মশা জমছে। আবার বর্ষাকালে জলাশয়ের পানি যেমন বহমান থাকে শীতকালে কিন্তু তেমন না। তাই মশা বেড়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চিলমারীতে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image
চিলমারী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি::

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পানিতে ডুবে লাবনী নামের (১৪) এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিরার (১৪ই জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার, রমনা ইউনিয়নের শরীফের হাট (খন্দকার পাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত লাবনী শরীফের হাট (খন্দকার পাড়া) এলাকার লাল মিয়ার মেয়ে। ৪ ভাই বোনের মধ্যে লাবনী সবার আদরের ছোট বোন ছিলেন। জানা গেছে, আজকে দুপুরে পরিবারের অগোচরে শিশু লাবনী কলা গাছের ভুরায় (ভেলায়) চরে দাদার বাসা যাওয়ার সময় পানিতে পড়ে যায়।পরবর্তীতে তাকে সব জায়গায় খুঁজে না পাওয়ায়, আত্মীয়-স্বজনরা খোঁজা-খুঁজির এক পর্যায়ে, স্থানীয় আব্দুল খালেক দুপুর ২টার সময় শিশু লাবনীর লাশ পানিতে ভাসতে দেখে এবং তার বাবা মাকে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করেন। পরে বাদ আসর শরীফের হাট সুইচ গেট সংলগ্ন বাঁধের রাস্তায় তাকে দাফন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ৪নং রমনা মডেল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর জানতে পেরেছি। কলা গাছের ভুরায় (ভেলায়) চরে দাদার বাড়ি যাওয়ার সময় পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পরে তাকে দাফন করা হয়েছে বলে জানা তিনি।

আরও খবর



আইএমএফ’র ঋণের তৃতীয় কিস্তি অনুমোদন হতে পারে আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস  ডিজিটাল ডেস্ক


আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পরিষদের বৈঠক বসছে আজ সোমবার। বাংলাদেশ সময় সোমবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে আইএমএফ-এর সদর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।



বৈঠকে বাংলাদেশের অনুকূলে ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের প্রস্তাবটি উত্থাপন হবে। এটি চূড়ান্ত অনুমোদন হলে পরবর্তী এক-দুদিনের মধ্যে অর্থ ছাড় হতে পারে।



প্রস্তাবটি ওই বৈঠকে অনুমোদন হতে পারে বলে আগেই জানিয়েছিল বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া আইএমএফ মিশন।


ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আইএমএফ-এর দেওয়া শর্ত বাস্তবায়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি দেখতে ২৪ এপ্রিল ঢাকায় আসে সংস্থাটির একটি মিশন। 


তারা ৮ মে পর্যন্ত অবস্থান করে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে। এতে শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চায় তারা।



প্রতিনিধিদলটি ঢাকা ত্যাগের আগে এমন বার্তা দিয়ে যায়, শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতিতে তারা খুশি। ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে তারা প্রতিবেদনে সুপারিশ করবেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্বাহী পরিষদ ঋণের অর্থ ছাড়ের প্রস্তাবটি অনুমোদন করবে।


বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদন হলে মঙ্গল বা বুধবার ঋণের অর্থ পাওয়া যাবে। এবার তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। টাকার বড় ধরণের অবমূল্যায়নের কারণে কিস্তির অর্থও বেড়েছে।


এর আগে গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইএমএফ বাংলাদেশের অনুকূলে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর মধ্যে দুটি কিস্তিতে ১১৬ কোটি ডলার ছাড় করা হয়েছে। এখন তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি ডলার ছাড় করার পর্যায়ে রয়েছে।


ঋণের চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে চলতি বছরের নভম্বরের শেষদিকে আরও একটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে। ডিসেম্বরে ঋণের চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড় হওয়ার কথা রয়েছে।




আরও খবর



ইউক্রেনে যাচ্ছে ইসরায়েলের সমরাস্ত্র

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

৩০ বছরেরও বেশি সময় আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৮টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম কিনেছিল ইসরাইল। এই সিস্টেমগুলোর সবই এম ৯০১ পিএসি-২ ব্যাটারি মডেলের। গত এপ্রিল মাসে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয়, পুরোনো হয়ে যাওয়ায় এই সমরাস্ত্রগুলো আর ব্যবহার করবে না দেশটির সেনাবাহিনী। এগুলোর স্থানে আনা হবে নতুন আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর এই প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেমগুলো ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রদানের জন্য অনুরোধ জানায় কিয়েভ। এই ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইউক্রেনের মধ্যে সম্প্রতি কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এ নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, পুরোনো এই ৮টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাবে ইসরাইল, তারপর সেখান থেকে সেগুলো ইউক্রেনে পাঠানো হবে।


সোমবার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এ ব্যাপারে হুঁশিয়ার করেন ভাসিলি নেবেনজিয়া। তিনি বলেন, ইউক্রেনে যে কেউ যত শক্তিশালী অস্ত্রেই পাঠাক না কেন তা ধ্বংস হবে। গত দুই বছরে ইউক্রেনে অনেক শক্তিশালী অস্ত্র পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। সেগুলোর প্রায় সবই ধ্বংস হয়েছে।


ভাসিলি নেবেনজিয়া আরও বলেন, আর একটি কথা আমি বলব। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের বাইরে কোনো নতুন রাষ্ট্র যদি ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দেয়, সে ক্ষেত্রে তার পরিণতি গুরুতর হবে।

 

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ সেনাবাহিনী। সেই অভিযান এখনও চলছে। এই অভিযানের শুরু থেকে ইউক্রেনকে সামরিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারিসহ রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক পদক্ষেপও নিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরাইল এই ইস্যুতে এ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো পক্ষ অবলম্বনের ঘোষণা দেয়নি। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপও গ্রহণ করেনি।

এ পর্যন্ত ইউক্রেনে কয়েক দফা সহায়তা পাঠিয়েছে ইসরাইল, তবে সেসব সহায়তার সবই ছিল খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য মানবিক ত্রাণ। গত বছর ইসরাইলের কাছে আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি, তবে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।


আরও খবর