Logo
শিরোনাম

জনপ্রিয় হচ্ছে ই-সিম

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মোবাইল ফোনে নতুন প্রযুক্তির ই-সিম বা ভার্চুয়াল সিম জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। এই সিমের প্রতি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে যারা নতুন প্রযুক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তারা ই-সিমে আগ্রহী বেশি বলে জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা।

গ্রামীণফোনের পর ই-সিম রবি ও বাংলালিংক বাজারে ছাড়ার প্রযুক্তি নিয়েছে বলে জানা গেছে। ই-সিম ব্যবহারে সুবিধার পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। তার পরও ক্রেতারা বিশেষভাবে এই সিমের খোঁজ করছেন বলে জানিয়েছে অপারেটররা। নতুন নম্বরের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় নতুন নম্বরে ই-সিম বিক্রি করতে পারছে না গ্রামীণফোন।

জানা গেছে, ই-সিমের প্রতি মোবাইল গ্রাহকদের আগ্রহ রয়েছে। এই সিম জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। ৫ লাখের মতো ডিভাইসে গ্রামীণফোনের ই-সিম ব্যবহার হচ্ছে। গ্রামীণফোন সেন্টারে গেলে ই-সিম নেওয়া যাবে।

ই-সিম হলো ভার্চুয়াল বা অ্যাম্বেডেড সিম। এটা এমন এক ধরনের সিম, যেটা ব্যবহার করতে ফোনে কোনো ধরনের সিমকার্ড মোবাইল সেটে ঢোকাতে হয় না। এতে প্লাস্টিকের ব্যবহারও কম হয়। ই-সিম ব্যবহার করতে হলে পছন্দমতো যেকোনো অপারেটরের একটা প্ল্যান বেছে নিতে হবে। তারপর একটা মোবাইল নাম্বার বাছতে হবে না (পুরোনো নম্বরে করতে চাইলে নম্বর বাছতে হবে না)। বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন পদ্ধতি সম্পন্ন করে হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করতে হবে। সিম কিটে দেওয়া কিউআর কোড স্ক্যান করে তারপর মোবাইল সেট অনুযায়ী ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।

আইফোন, স্যামসাং, গুগল পিক্সেল ও মটোরোলার কয়েকটি মডেলের ফোনে ই-সিম ব্যবহার করা যাচ্ছে। এ ছাড়া আইপ্যাড প্রো, অ্যাপল ওয়াচের সব সিরিজ, স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্ট ওয়াচ ও হুয়াওয়ের স্মার্ট ওয়াচে ই-সিম ব্যবহার করা যাচ্ছে। অনেক ডিভাইসেই সিমকার্ড ও ই-সিম ব্যবহারের সুযোগ থাকে। কোনোগুলোতে শুধু ই-সিম ব্যবহারেরই সুযোগ থাকে। ফলে ফোন কেনার আগে বিষয়গুলো দেখে নেওয়া জরুরি।


আরও খবর



গাজীপুর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সাত বছর পর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হবে ১৯ নভেম্বর। এই সম্মেলনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

এই সম্মেলনের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থক মিলে কয়েক লাখ লোক জমায়েতের প্রস্তুতি রয়েছে। শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে নির্মাণ হয়েছে মঞ্চ ও প্যান্ডেল। ২০১৩ সালে গাজীপুরকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার দুই বছর পর গঠন করা হয় মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি। সাত বছর পর হতে যাওয়া সম্মেলনে নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সেখানে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের দেখতে চান তৃণমূল কর্মীরা।


আরও খবর



নওগাঁয় বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু, একজন আহত

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


নওগাঁয় পুকুরে জাল দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে শরিফুল ইসলাম (২৯) নামে এক যুবকের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। এসময় খোরশেদ আলী (৪৫) নামের অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত খোরশেদ আলীকে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার ১৬ নভেম্বর ভোর সকালে নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার মঙ্গোলিয়া গ্রাম এলাকায়। নিহত যুবক ধামুরহাট উপজেলার মঙ্গোলিয়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। ঘটনার পর থেকে নিহত যুবকের ৮ মাসের অন্তসত্বা স্ত্রী ও স্বজনদের কান্নায় এলাকার লোকজনের মাঝে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ব্যক্তি একই গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সত্যতা নিশ্চিত করে ধামইরহাট থানার ওসি মোজাম্মেল হক কাজী জানান, এখন পর্যন্ত এঘটনায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



আরও খবর



কালকিনিতে বসতবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব ঝুমকির পরিবার

প্রকাশিত:সোমবার ২১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এইচ এম মিলন, কালকিনি (মাদারীপুর):

মাদারীপুরের কালকিনিতে আড়িয়াল খাঁ নদীর তান্ডবে স্বামীর পৈত্রিক ভিটা হারিয়ে ও শেষ সম্বল সরকার থেকে পাওয়া জমিটুকু প্রভাবশালী কর্তৃক দখল হয়ে যাওয়ায় ঝুমকি বেগম নামে এক অসহায় পরিবার পুরোপুরিভাবে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে মাথার গোজার কোন ঠাই মিলছে না ওই পরিবারের। তবে সরকার থেকে পাওয়া ওই জমি বেদখল মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন এখন অসহায় ঝুমকি বেগম ও তার পরিবার।

সরেজমিন ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার পুর্বএনায়েতনগর এলাকার আলীপুর গ্রামের ঝুমকি বেগমের স্বামী হামিদ আকনের ১৩৪ নং বাশগাড়ি মৌজার ১৬১৮ নং দাগের ৪ একর ৮১ শতাংশ জমির উপর বসতবাড়ি ছিল। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর আঘাতে গত দুই বছর আগে অব্যহত ভাঙ্গনে আড়িয়াল খা নদী গর্ভে সকল জমি ও বসবাড়িটি সম্পুর্নরুপে বিলিন হয়ে যায়। এ নদী ভাঙ্গনে ঝুমকি বেগম ও তার পরিবার পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে যায়। এ ঘটনায় ঝুমকি বেগম নিরুপায় হয়ে নদীর পাড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে। পরে এ বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে মানবিক বিবেচনায় ভুমিহীন হিসেবে ঝুমকি ও তার স্বামী হামিদ আকনের নামে ওই এলাকায় ২৬ শতাংশ জমি কবুলিয়ত দলিল মুলে প্রদান করে সরকার। এ সুত্র মতে হামিদ আকন ওই জমিতে বেশ কিছু গাছ রোপন করেন এবং একটি ঝুপড়ি ঘর তুলে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। কিন্তু সরকারের দেয়া ওই জমি হামিদ আকনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দিতে বিলম্ব করলে তিনি হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। উক্ত রিট অনুযায়ী গত ০৭-০২-২২ তারিখে রুল ইস্যু করা হয়। এ মামলা চলমান অবস্থায় সরকার থেকে পাওয়া হামিদ আকনের ওই জমির বিভিন্ন প্রকার রোপনকৃত গাছ কেটে নিয়ে জমি অবৈধভাবে জোর পুর্বক দখল করে নেয় ফাসিয়াতলা গ্রামের কবির খা, হাবি মালত, নজু মালত,  আরিফ মালত ও ফারুক মালতসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী। অসহায় হামিদ আকন ওই ঘটনার কোন প্রতিবাদ করতে না পেরে প্রভাবশালীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্নস্থানে গিয়েও কোন সঠিক বিচার পাচ্ছে বলে অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে।

অসহায় হামিদ আকন ও তার স্ত্রী ঝুমকি বেগম আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের ভিটামাটি সব চলে গেল রাক্ষুসে আড়িয়াল খার পেটে। এখন আবার সরকারের দেয়া আমাদের শেষ সম্বল জমিটুকু চলে যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে। আমাদের জমি আমাদের ভোগ থেকে বিতারিত করা হচ্ছে। আমরা এখন কোথায় গিয়ে বাচবো। অনেক জায়গায় গিয়েছি সঠিক বিচারের জন্য কিন্তু তা পাচ্ছি না। আমাদের এখন আত্নহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় পাচ্ছি না।

তবে অভিযুক্ত কবির খা ও হাবি মালত ঘটনার অস্বিকার করেন।

পুর্বএনায়েত নগর ইউপি চেয়ারম্যান নেয়ামুল আকন বলেন, আমি বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করবো।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিংকি সাহা জানান, হামিদ আকনের বিষয়টির ব্যাপারে জেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



আরও খবর



মহাযজ্ঞ উদ্বোধন আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান :  স্বপ্নের আল বায়াত স্টেডিয়ামে হবে স্বপ্নযাত্রার সূচনা। আজ রাত ৮টা। হয়তো থেমে যাবে সব ব্যস্ততা। চোখ জোড়া লেপ্টে যাবে ওই টিভি সেটের সামনে। কাতার মহাযজ্ঞের শুরুটা হবে যেখানে। কৌতূহলের তুঙ্গে তাই কী থাকবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনীতে।

কাতারের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে থাকবে বিশেষে প্রদর্শনী। উঠে আসবে মরুর বুকে কীভাবে ফুটল ফুল। বিশাল সব ইমারতের পেছনের গল্প। বিশ্বকাপের ইতিহাসও পাবে প্রাধান্য। এরপর সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে যাওয়ার পালা। ২২তম আসরের অফিশিয়াল থিম সং ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ইউরস টু টেক’ গাইবেন লিও বেবি। তার সঙ্গে বিশেষ পারফর্ম করবেন বলিউড হার্ডথ্রুব নোরা ফাতেহি। নোরার সঙ্গে থাকবেন মানাল ও রেহমা।

জোর গুঞ্জন আছে গাইবেন শাকিরা আর কিজ ড্যানিয়েলও। কিন্তু বিষয়টি এখন পর্যন্ত রহস্যই রেখে দিয়েছেন আয়োজকরা। তবে কোরিয়ার বিখ্যাত ব্যান্ড বিটিএসের গান, তৈরি করবে ভিন্ন আবহ। যেখানে চমক বিটিএসের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জাংকুক। যিনি অংশ হতে যাচ্ছেন এই সাউন্ডট্র্যাকের। এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেখা যেতে পারে পপগায়িকা দুয়া লিপা, ব্ল্যাক আইড পিস, জে বালভিন ও নাইজেরিয়ার সংগীতশিল্পী প্যাট্রিক নায়েমেকা ওকোরিকে। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনাও পাবে বিশেষ স্থান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রদর্শন করা হবে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল মাসকট লা’ইব। আরবি যার অর্থ অতি দক্ষ খেলোয়াড়। এরপর শুরু হবে আতশবাজির ঝলকানি। আর এরই মধ্যে শেষ হবে জমকালো আয়োজন। স্টেডিয়ামে সরাসরি যা উপভোগ করবেন ৬০ হাজার দর্শক। এরপরই ইকুয়েডর-কাতার ম্যাচের রোমাঞ্চ।

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২২তম বিশ্ব ফুটবলের আসর। আজ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাতারে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্ব ফুটবলের মহারণ। এই প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে ও এশিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। এবারই শেষবারের মতো ৩২টি দেশের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত টুর্নামেন্টে ৪৮টি দেশ অংশ নেবে।

২০০৯ সালে জানুয়ারিতে ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে আগ্রহীদের বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০১৮ টুর্নামেন্ট আয়োজনের গ্যারান্টি পাওয়ার পর ২০২২ বিশ্বকাপের বিডিং থেকে সব ইউরোপিয়ান দেশ তাদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। শেষ পর্যন্ত ২০২২ বিশ্বকাপের জন্য পাঁচটি বিড টিকে ছিল : অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। ২২ সদস্যের ফিফা কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১০ সালের ২ ডিসেম্বর ভোটের মাধ্যমে উভয় টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ বেছে নেয়।

কাতারের প্রচন্ড গরমের কথা বিবেচনা করে প্রথমবারের মতো জুন-জুলাই থেকে সরিয়ে টুর্নামেন্ট নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে পরিধি কমিয়ে এনে ২৯ দিনে শেষ করা হচ্ছে। আগামী ১৮ ডিসেম্বর কাতারের জাতীয় দিবসে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স।

বিশ্বকাপের স্বত্ব পাওয়ার পর থেকেই পুরো কাতারজুড়ে আটটি নতুন স্টেডিয়াম তারা নির্মাণ করেছে। নির্মাণকৃত স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম। দোহার ১৫ কিলোমিটার উত্তরে ২ লাখ জনসংখ্যার পরিকল্পিত একটি শহর লুসাইল। সেখানেই গড়ে তোলা হয়েছে ৮০ হাজার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন লুসাইল স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামে আগামী ১৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। আজ কাতার বনাম ইকুয়েডরের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আল-খোরের আল-বায়াত স্টেডিয়ামে। এ ছাড়া অন্যান্য ভেন্যু হলো : এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম, আহমাদ বিন আলি স্টেডিয়াম, খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম, আল থুমামা স্টেডিয়াম, স্টেডিয়াম ৯৭৪ এবং আল-জানুব স্টেডিয়াম।

কাতার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২ দেশের মধ্যে ২৪টি দেশই চার বছর আগে রাশিয়ায় খেলেছে। ১৯৩৪ সালে ইতালির পর আয়োজক দেশ হিসেবে একমাত্র কাতার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। নেদারল্যান্ডস, ইকুয়েডর, ঘানা ও ক্যামেরুন রাশিয়ায় খেলতে ব্যর্থ হওয়ার পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে। ১৯৮৬ সালে একমাত্র বিশ্বকাপ খেলা কানাডা ৩৬ বছর পর ফিরে এসেছে। অন্যদিকে ইউরোপিয়ান দল হিসেবে ১৯৫৮ সালের ৬৪ বছর পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে ওয়েলস। ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০ দলের মধ্যে একমাত্র বাদ পড়েছে ষষ্ঠ স্থানে থাকা ইতালি। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে ব্যর্থ হলো আজ্জুররিা। সর্বনিম্ন ৬১তম র‌্যাংকে থেকে মাঠে নামবে ঘানা।

৩২ দেশ আটটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রথম পর্বে লড়াই করবে। ২০ নভেম্বর-২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্বের খেলা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। ৩-৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ ১৬ এবং ৯-১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা। ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ১৮ ডিসেম্বর হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। প্রখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে ফিফার সম্পর্কটা বেশ পুরোনো। ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপের প্রতি আসরের জন্য বল প্রস্তুত করে আসছে এই প্রতিষ্ঠান।

এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। গত মার্চে কাতার বিশ্বকাপের জন্য তৈরি বলটি উন্মোচন করে ফিফা। যার নাম ‘আল রিহলা’। আরবি ভাষায় শব্দটির অর্থ ভ্রমণ। কাতারের পতাকা, ঐতিহ্যবাহী নৌকা, স্থাপত্য ও সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তৈরি করা হয়েছে বলটি। যেখানে ২০টি প্যানেলের ডিজাইন ব্যবহার করেছে অ্যাডিডাস। প্যানেলগুলো ত্রিভুজাকৃতির। যা মধ্যপ্রাচ্যের ‘ধো’ নৌকাকে মনে করিয়ে দেয়। প্যানেলের দুই দিক বিভিন্ন রঙে, যা কাতারের পতাকা ও আরবের ঐতিহ্যবাহী সাদা পোশাককে ফুটিয়ে তুলেছে।

দল গুলো কাড়ি কাড়ি ডলার খরচ করা কাতার নেমেছে হিসেব কষেই। আট স্টেডিয়ামে ফুটবল তারকাদের পায়ের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকবেন সমর্থকরা। ফিফা জানিয়েছে, মোট তিন মিলিয়ন টিকিট বিক্রি করেছে। শুধু টিকিট বিক্রি থেকেই ফিফা রেকর্ড রেভেনিউ পেতে পারে। রাশিয়া বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রি থেকে ফিফার আয় ছিল ৫.৪ বিলিয়ন ডলার। এবার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলেই রিপোর্টে এসেছে। এর পেছনে কারণ, ম্যাচ টিকিটের দাম বৃদ্ধি। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে চোখ রাখবে বিশ্বের প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ।



আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২




এন্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনবে, খুচরা বিক্রি করা যাবেনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ


এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য খুচরা বিক্রি একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এবিএম খুরশিদ আলম বলেছেন, জ্বর হলেই সাধারণ ওষুধের সাথে দেখা যায় এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট ২ -৩ টা নিয়ে যাচ্ছে। এটা সাধারণ মানুষের মাঝে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য বড় কারন। এজন্য নিয়ম করা প্রয়োজন কেউ এন্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনতে হবে, নাহয় কিনবেনা।

রোববার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সমস্যা প্রতিরোধ গড় সবাই মিলে শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি মাইক্রোবিয়াল সমস্যাসহ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

 অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম জানান, রোগীদের পকেটের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর সাথে যেই স্ট্যান্ডার্ড মেনে হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে তা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় ইস্যু। আমরা যদি আন্তর্জাতিক মানের সাথে তুলনা করি প্রধানত আমাদের অপারেশন থিয়েটার কিংবা বেড থেকে সংক্রমন হওয়ার ই কথা না, এটি আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। কিন্তু সেটা আমাদের এখানে হচ্ছে। আমাদের লোকজন বেশি আমাদের সুযোগ-সুবিধা কম। প্রতিদিন আমাদের অপারেশন থিয়েটার গুলো থেকে জীবানুর সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আমরা থিয়েটারের নিয়ম-কানুন আমরা মানছিনা। আমাদের ওয়ার্ড বয়, সিস্টার, লোকজন, রোগী এমনকি চিকিৎসকরাও মানছেন না। লোকজন সরাসরি ডুকে যাচ্ছে গাউন পরছেনা, বাহিরের কাপড় নিয়ে ডুকে যায়। এই বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ।  

তিনি বলেন, এছাড়া রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহারিত যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছেনা। অপারেশনের যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্জীবানু মুক্ত না করে বার বার ব্যবহার করা হচ্ছে এতে সংক্রমন হয়ে থাকে। রোগীদের গ্যাস নয়ার পাইপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা একই জিনিস থেকে ব্যবহার করছে অনেকে। এতে এক জনের মুখের জীবানু ছড়াচ্ছে আরেকজনের কাছে। অনেক জীবানু আছে যেটা গরম পান দিয়ে বয়েল করার পরও মারা যায়না। এ জীবানু ও যাতে না থাকে সেটার জন্য ও ব্যবস্থা নিতে হবে। 

ভর্তি রোগীদের মাঝে সংক্রমণ রোধে প্রতিকার তুলে ধরে তিনি বলেন,  যখন কোনো একটি মেডিকেলে কোনো সংক্রমণ হচ্ছে তখন সেখান থেকে স্যাম্পল নিলাম, যেমন, হাসপাতালের বেড থেকে, অপারেশন থিয়েটার থেকে, সেখান কার টয়লেট থেকে এবং প্রয়োজনীয় জায়গা থেকে স্যাম্পল নিয়ে আমাদের বের করা উচিৎ কোন ধরনের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তখন  আমরা বুঝতে পারবো এই হাসপাতালে রোগী আসলে আমরা প্রথমে কোন এন্টিবায়োটিকটা দিবো। এটি সব হাসপাতালের জন্য এক ধরনের হবেনা। এটি হবে এক হাসপাতালের জন্য এক ধরনের পলিসি। 

আমাদের হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,  আমরা ময়লা পেলার জন্য আলাদা আলাদা বিন করে দিয়েছি, যে এখানে নরমাল বর্জ্য এখানে সংক্রামক ধরনের ময়লা ফেলা হবে। কিন্তু দেখা যায় সব হাসপাতালের এই বিন গুলোর ময়লাকে নিয়ে সব একই জায়গায় পেলে দেয়া হয়। এতে সেখান থেকে পরিবেশ, মাটি, পানি এবং শস্য খেতেও জায়গায় জীবানু সংক্রমিত হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা একই বিচানায় ৩ জন ও থাকছে। এই রোগীরা যে টয়লেট ব্যবহার করছে কিংবা যেখানে থাকছে সেখান থেকে জীবানুর সংক্রমিত হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় বিষয়। এই বিষয়গুলো আমাদের চিন্তা করতে হবে। 

এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে আইন প্রয়োজন, সাথে আইন প্রয়োগকারী ও প্রয়োজন।  এছাড়া দেখা যায় ফার্মাসিস্ট কোম্পানিরা ইনসেনটিভ তো ডাক্তারকে দিচ্ছে সাথে কোয়াকদের ও দেয়া হচ্ছে। আমরা ডাক্তারকে বন্ধ করলেও কোয়াককে তো আইনে আনা যাবেনা। ওজন্য শুধু আইন দিয়েও ব্যবস্থা হবেনা।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২