Logo
শিরোনাম
অধিকরণ করা অব্যবহৃত জমি

জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানোর দাবী

প্রকাশিত:Friday ১১ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

সরকারী অধিকরণ করা অব্যবহৃত জমি উদ্ধার করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য কাজে লাগানোর দাবীতে সমাবেশ করেছে নারায়ণগঞ্জ ভূমি রক্ষা সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। শুক্রবার বিকেলে, নগরের চাষাড়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

ভূমি রক্ষার সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহবায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রবিউর রাব্বির সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মাহবুবু রহমান মাসুম, ভবানী শঙ্কর রায়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জে নাগরিকদের প্রয়োজনে জমির অভাবে উন্নতমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মেডিকেল কলেজ, বিনোদনের জন্য পার্কসহ কোন কিছুই করা যাচ্ছে না। অথচ নারায়ণগঞ্জে রেলওয়ে, রাজউক, বিআইডব্লিউটিএ, জেলা পরিষদ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি আত্মসাৎ এর জন্য ভূমিধস্যু একটি চক্র তৎপর রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অসাদু কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসে তারা আত্মসাৎ করছে। 

বক্তারা বলেন, রেলওয়ে তাদের অব্যবহৃত জমি স্থানীয় ভূমিদস্যুদের নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গোপনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে আসছে। শহরের এক নং রেলগেইট এলাকায় ৪৭ হাজার দুইশ' বর্গফুট জমি ১০ বছর আগে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট নামক একটি  সংগঠনের নামে বরাদ্দ দিয়ে আত্মসাতের ব্যবস্থা করে। তখন নাগরিক আন্দোলনের মুখে তা বন্ধ করলেও এখন আবার সে জায়গা আত্মসাতের চেষ্টা করছে।

বক্তারা বলেন, রাজউক দেশের বিভিন্ন জায়গায় জরিপ করে টেকসই উন্নয়নের জন্য নদী বন্দর সংলগ্ন ২১ টি জেলায় নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনাল একই জায়গায় তৈরির জন্য ডিটেল এরিয়া প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। সে পরিকল্পনায় নারায়ণগঞ্জের নৌ-বন্দর, রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনালটি রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশন এলাকায় স্কুল, কলেজ, দ্বিগুবাবুর বাজার ও বাস টার্মিনাল রয়েছে এ এলাকায়।

অথচ সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও এ পরিকল্পনা উপেক্ষা করে রেলওয়ে অনৈতিকভাবে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের সাথে নিয়ে এ জায়গাটি আত্মসাতের প্রক্রিয়ায় লিপ্ত হয়েছে।তারা এসব জিমে উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন।


আরও খবর



চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোচালকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার চান্দিনায় সিএনজি অটোরিক্সা ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষে অটোরিক্সা চালকের মৃত্যু ঘটেছে।                                       বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারী) ভোর ৬টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত সিএনজি অটোরিক্সা চালক মো. হাবিবুর রহমান (৪০) চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের কুটুম্বপুর গ্রামের অলিউল্লাহ’র ছেলে। 

স্থানীয় রন‌বীর জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে ইলিয়টগঞ্জ সিএনজি পাম্প থেকে হাবিব তার অটোরিক্সায় গ্যাস নিয়ে কুটুম্বপুরে এসে ‘ইউ ট্রার্ন’ নিতেই ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দেয়। এসময় সিএনজি অটোরিক্সাটি দুমরে মুচরে গে‌লে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ঘটে ‌সিএন‌জিঅ‌টো‌রিক্সার চালকের।

ঘটনার বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির ইন-চার্জ (ইন্সপেক্টর) ওবায়েদুল হক বলেন, দুর্ঘটনার পরপর নিহতের পরিবার মরদেহ নিয়ে যায়। পু‌লিশ প্রাইভেটকারটি আটক করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আরও খবর



স্কুলকে মোবাইল অ্যাপে নিয়ে আসলেন ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিখন ব্যবস্থাপনা অ্যাপ তৈরি করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে উপজেলা প্রশাসন।       নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোহেল রানার উদ্ভাবিত মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে উপজেলা ও জেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের শিখন ব্যবস্থাপনায় এনেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। রুটিন থেকে শুরু করে লেসন প্ল্যান, শিক্ষা সহায়ক ডিজিটাল উপকরণসহ শিখন কার্যক্রমের পুরোটা এখন চলছে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। নতুন বছরের শুরুতে অ্যাপ ভিত্তিক শিখন শেখানো কার্যক্রম হাতের মুঠোয় পেয়ে চরম খুশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নেও এ অ্যাপ হতে পারে দারুণ সহায়ক।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে শিখন কার্যক্রমকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়। তবে, বাংলাদেশের স্কুল কলেজের জন্য এক নতুন ধরণের লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উদ্ভাবন করলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার ইউএনও সোহেল রানা। ‘শিক্ষায়তন’ নামের এই লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি স্যাস ( সফটওয়ার এজ এ সার্ভিস) মডেল অনুসারে তৈরী করা ই-সার্ভিস এপ্লিকেশন যাতে দুইটি ওয়েব বেজড প্ল্যাটফর্ম ও একটি মোবাইল এ্যাপ। পুরো সিস্টেমটির স্পেসিফিকেশন ডিজাইন করেছেন ইউএনও সোহেল রানা। এই ডিজাইনটিকে বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা পরবর্তীতে বিজনেস একসিলারেট বিডি নামে একটি টেকনোলজি পার্টনার নিযুক্ত করে যারা সফলভাবে এই লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেভেলাপ করে। সফল পাইলটিং শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্তমানে কুমিল্লার ৫টি স্কুলে বাস্তবায়নাধীন আছে সফটওয়ারটি। স্কুল ৫টি হলো কুমিল্লার কালেক্টরেট স্কুল, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলাধীন শিদলাই আশরাফ স্কুল, ভগবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ওশান হাই স্কুল এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। 

মূলত এই প্ল্যাটফর্মে স্কুলের সকল কার্যক্রম প্রধান শিক্ষক ওয়েব প্ল্যাটফর্মে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মোবাইল অ্যাপে করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিটি কোর্সে আলাদা আলাদাভাবে সাজানো আছে। কোর্সের ভেতরে সেই কোর্সে সকল ক্লাসের আলাদা ডাইনামিক সেকশন আছে যেখানে শিক্ষকেরা অতিরিক্ত লার্নিং ম্যাটেরিয়াল জমা করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরা তা দেখতে পাবেন। শিক্ষকেরা  অ্যাপে লেকচার নোট আপলোড করতে পারবেন, শিক্ষার্থীদের গ্রুপে ভাগ করতে পারবেন, ক্লাসে নোটিফিকেশন পাঠাতে পারবেন, এসাইনমেন্ট দিতে পারবেন ও জমা নিতে পারবেন, গ্রেড বসাতে পারবেন। ক্লাসে বসে সফটওয়্যার ব্যবহার করে শিক্ষকেরা হাজিরা নিতে পারবেন। অর্থাৎ স্কুলের সকল কার্যক্রম মোবাইল অ্যাপে করতে পারবেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও, প্রত্যেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের রয়েছে নিজস্ব ওয়েব পেইজ। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  ইউএনও সোহেল রানা বলেন, ‘ লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ধারণাটি বেশ পুরনো। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্যানভাস, মুডল, স্কুলজি, ব্ল্যাকবোর্ড ইত্যাদি নানা ধরণের লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আছে। এগুলো স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার থেকে কিছুটা ভিন্ন ধাচের। তবে, নানা ধরণের সফটওয়্যার এর ডিজাইন বিশ্লেষণ করে, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনান্তে স্থানীয় চাহিদা নআমরা কুমিল্লার সকল স্কুলে এটি বাস্তবায়ন করতে চাই ও পরবর্তীতে সরকার বড় পরিসরে পুরো বাংলাদেশে এটি ছড়িয়ে দিতে পারে। শিক্ষার মানোন্নয়নে ও সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে, এটি বাস্তবায়নের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে যেগুলো মোকাবিলা করে সামনে এগুতে হবে।’ 

কু‌মিল্লার সাবেক জেলা প্রশাসক  ও বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান,“ আমি জেলা প্রশাসনে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে আসছি। কাজ করতে গিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগি করে তোলার কথা মাথায় আসে। ব্রাহ্মণপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল রানা শিক্ষাক্ষেত্রে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আধুনিকায়নের কথা বললে আমরা সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরী করার উদ্যোগ গ্রহণ করি এবং পরবর্তীতে তা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেই। সেখান থেকেই মূলত শিক্ষায়তনের যাত্রা শুরু।”

শিক্ষায়তনের টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন বিজনেস একসিলারেটের সিইও কামরুল হাসান সুমন। তিনি বলেন এ ধরণের সফটওয়্যারের ব্যবহার দেশে নেই। “ দেশে প্রচলিত সফটওয়্যারগুলোতে  ক্লাসরুমে কি পড়ানো হচ্ছে সে বিষয়টি সংযোগ করার অপশন কম। শিক্ষায়তনের মাধ্যমে অভিভাবক, শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন তার বাচ্চারা কি পড়ছে। যেগুলো আছে (যেমন টেন মিনিট স্কুল) তাদের অধিকাংশ কনটেন্ট নির্ভর সেবা দেয়। আমাদের এই সফটওয়্যার কনটেন্ট নির্ভর নেই। জেলা প্রশাসনের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম সফটওয়্যার এর ডিজাইন অভাবনীয়। আমরা এই উদ্যোগের অংশীদার হতে পেরে গর্বিত এবং ভবিষ্যতে এটিকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে ইচ্ছুক।” 

ভগবান সরকারি স্কুলে শিক্ষায়তন বাস্তবায়ন করছেন বিজ্ঞান শিক্ষক মহিউদ্দিন পলাশ। তিনি  জানান শিক্ষায়তন এমন একটি সফটওয়্যার যেখানে এক কথায় শ্রেণি কার্যক্রমের সবকিছু রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মোবাইলের মাধ্যমে উন্নত মানের শিক্ষা সেবা গ্রহণ করতে পারবে। অ্যাপের  মাধ্যমে শিক্ষকদের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। বিশেষ করে তদের টিচিং প্ল্যান সাজানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।    

বর্তমানে www.sikkhayton.gov.bd   ইউআরএলের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা যাবে ও গুগল প্লে স্টোরে এপের নাম ‘শিক্ষায়তন’ অথবা ‘sikkhayton’ নামে এন্ড্রয়েড অ্যাপটি পাওয়া যাবে। শিক্ষায়তন নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে চাইলে আগ্রহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা অথবা উপজেলা প্রশাসন, ব্রাহ্মণপাড়ার সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জে মৎস্য ঘের দখলে মরিয়া একটি মহল

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জিউধরায় একটি মৎস্য ঘের দখলের পায়তারা জোরপূর্বক মাটি কেটে ভেরিবাঁধ দেওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভূক্তভোগী কৃষক পরিবার।

 অভিযোগে জানাগেছে, মঙ্গলবার সকালে জিউধরা ইউনিয়নের ঠাকুরান তলা গ্রামে কৃষক জাকির হোসেন খানের পৈত্রিক সম্পত্তি দুই একর ৬৯ শতক জমির মৎস্য ঘেরের মধ্যে একটি অংশে জোরপূর্বক মাটি কেটে ভেরিবাঁধ দিয়ে ঘেরটি দখলে নেওয়ার জন্য হামলা করে একই গ্রামের শাহাদৎ শরীফের নের্তৃত্বে মনির শরীফসহ ৮/১ জনের একটি সংর্ঘবদ্ধ হয়ে মাটি কাটে ভেরিবাঁধ দেয়। এ সময় তাদের বাঁধা দিলে কৃষক জাকিরকে জমি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জাকির হোসেন খান বাদি হয়ে শাহাদৎ শরীফসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। কৃষক জাকির খান ও তার স্ত্রী পলি বেগম বলেন, জমিতে হামলাকারিরা এলাকার প্রভাবশালী। ৩০/৪০ বছর ধরে পৈত্রিক জমিতে মৎস্য ঘের করে আসছি। হঠাৎ করে লোকজন নিয়ে ঘেরটি দখলের চেষ্টা করেছে। আমরা ন্যায় বিচার দাবি করছি প্রশাসনের প্রতি।

 এ বিষয়ে থানার ডিউটিরত অফিসার এএসআই মিঠুন বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করে মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ সর্ম্পকে মো. শাহাদৎ শরীফ বলেন, আমাদের জমির মাটি আমরা কেটেছি। জাকির খান জাল দলিল করেছে। সে বিষয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে। #


আরও খবর



পাকিস্তানজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

পাকিস্তান জুড়ে সোমবার সকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতোটাই ব্যাপক যে, রাজধানী ইসলামাবাদের পাশাপাশি লাহোর ও করাচির মতো বড় শহরসহ দেশের বিশাল অংশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে।

দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি সিস্টেম সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে ডাউন হয়ে গেলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক বিভ্রাট দেখা দেয়। ‘সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে বলেও জানানো হয়। এদিকে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের জ্বালানি মন্ত্রী খুররম দস্তগীর বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে ‘বড় ধরনের কিছু নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদ, করাচি, কোয়েটা, পেশোয়ার এবং লাহোরসহ পাকিস্তানের বিশাল অংশ বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে।


আরও খবর



দূষণে ধুঁকছে গাজীপুর

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

সদরুল আইন, বিশেষ প্রতিবেদক :অনিয়ন্ত্রিত শিল্পকারখানা আর মেগা প্রকল্পের দূষণে ধুঁকছে গাজীপুর নগরী। গবেষণা বলছে, অত্যাধিক ধোঁয়া আর ধুলার কারণে, এখানকার বাতাসে মিলছে স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ দূষিত পদার্থ। যা বায়ু দূষণের দিক থেকে গাজীপুরকে রেখেছে ৬৪ জেলার শীর্ষে। ফলে হাসপাতালগুলোতে দিনকে দিন বাড়ছে ফুসফুজনিত রোগীর সংখ্যা

গাজীপুর পরিচয় শিল্প নগরী হলেও, এখন যেনো ধোঁয়া আর ধুলোর জনপদ। কী সকাল, কী রাত...। গোটা শহরের যেখানেই যাওয়া যায়, ধুলোর অত্যাচার থেকে মেলে না রেহাই। বছরের পর বছর ধরে চলা মেগা প্রকল্প আর এলোপাতাড়ি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ধুলো ছড়াচ্ছে চারপাশে। শুষ্ক এই মৌসুমে নগরীর কোথাও যেনো এতটুকু প্রাণ নেই। নাকমুখ চেপে মাইলের পর মাইল পাড় হতে হয় এই পথে চলাচলকারী মানুষনজকে। বিশেষ করে ভোগান্তিতে, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য শিল্পকারখানার কালো ধোঁয়া বিষিয়ে তুলছে বাতাস। সম্প্রতি গাজীপুরের বায়ুমান পর্যবেক্ষণ করেছে বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। যাতে দেখা যায়… টঙ্গীর স্টেশন রোড, কলেজ গেইট, মেইল গেইট, টঙ্গী বাজারসহ বেশ কিছু এলাকার বায়ুতে, প্রতি ঘনমিটারে গড়ে ধূলিকণা ও দূষিত পদার্থের পরিমাণ দুশো থেকে সাড়ে ৫শো মাইক্রোগ্রামে।

গাজীপুর সদরের মির্জাপুরের ব্যবসায়ী আতিক হাসান। শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যাথা নিয়ে কাতরাচ্ছেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসক জানান, অত্যধিক বায়ু দূষণের ফলে হাসানের মতো রোগির সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুন।

গাজীপুরের পরিবেশ অধিকার কর্মীদের অভিযোগ… শিল্প কলকারখানা ও নির্মাণকাজে পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। নগরীর বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে একরকম অসহায়ত্ব ফুটে উঠলো জেলা পরিবেশ কর্মকর্তার কথায়। বলছেন, সীমিত জনবলের কারণে সবসময় অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিগগিরি শক্ত পদক্ষেপ না নিলে, আরো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে গাজীপুর মহানগরবাসী।


আরও খবর