Logo
শিরোনাম
ভার্জিন পাল্প আমদানি বন্ধ

কাগজ সংকটে বই প্রকাশ অনিশ্চিত

প্রকাশিত:Thursday ০১ December ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কাগজ সংকট থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি ক্রমেই আরো জটিল হচ্ছে। ডলার সংকটে বিদেশ থেকে ভার্জিন পাল্প আমদানি বন্ধ। রিসাইকেল পাল্পে তৈরি কাগজের মাধ্যমে বই মুদ্রণ ও স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখার খাতার প্রয়োজন মেটানোর কথা। কিন্তু পুরোনো কাগজের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে একটি চক্র। এতে থমকে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে শিক্ষাকার্যক্রম। ঘোর অনিশ্চয়তায় পড়েছে প্রকাশনাশিল্প। সৃজনশীল বই প্রকাশের অন্যতম উপলক্ষ একুশে বইমেলাও জৌলুশ হারানোর আশঙ্কায়।

কয়েকটি মিল, পাইকারি কাগজ ব্যবসায়ী এবং নোট-গাইড প্রকাশকরা হাজার হাজার টন কাগজ কিনে মজুদ করে ফেলেছেন বলে অভিযোগ। ফলে বাজারে দেখা দিয়েছে কাগজ সংকট। এ অবস্থায় শুধু পাঠ্যবই নয়, ফেব্রুয়ারিতে একুশে বইমেলায় সৃজনশীল বই, ছোট ছোট প্রকাশনীর গাইড, বই ও লেখার খাতা তৈরি পড়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। এ অবস্থায় সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া কাউকে সংকট থেকে উত্তরণের উপায় নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একুশে বইমেলায় প্রতিটি প্রকাশনী থেকে ২০ থেকে ১৫০টি পর্যন্ত বই প্রকাশ করা হয়। এ ক্ষেত্রে নামি-দামি লেখকের চেয়ে নতুন লেখকদের বই প্রকাশ হয় সংখ্যায় বেশি। নতুন লেখকরা বইমেলার মাধ্যমেই বই প্রকাশের সুযোগ পান।

গত বছর জানুয়ারিতে ৮০-১০০ গ্রাম অপসেট কাজ ১৪৫০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩৩০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। ১০০ গ্রাম অপসেট কাগজ ১৭০০-১৭৫০ টাকার জায়গায় এবার ৪২০০-৪৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। প্রকাশকদের এমনিতে পুঁজির স্বল্পতা, তার ওপর কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় মেলায় বইয়ের দাম দেড় গুণ হয়ে যাবে। বইয়ের দাম বাড়লে পাঠকের ক্রয়ক্ষমতা কমবে। পরিচিত লেখক ছাড়া নতুন লেখকদের বই প্রকাশনা পড়বে ঝুঁকিতে।

জানা যায়, নিউজপ্রিন্ট কাগজের দাম ৪৫-৫০ থেকে বেড়ে ১০৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে বছরের শুরুতে সহায়ক বই ছাপানো থেকেও পিছিয়ে যাচ্ছেন অনেক প্রকাশক। বড় প্রকাশনীগুলো কিছু সহায়ক ছাপালেও তা দ্বিগুণ মূল্যে শিক্ষার্থীদের কিনতে হবে। বাড়তি দামে প্রকাশকরা বই ছাপবেন। মূল্য কতটা বাড়ানো হবে সেটি নিয়ে পুস্তক প্রকাশনা ও বিক্রেতা সমিতির বৈঠক হয়েছে। সেখানে ফর্মাপ্রতি ২৫ শতাংশ মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যে বইয়ের দাম ৬৫০ টাকা ছিল তা এখন ৮০০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হবে।

এখন টাকা থাকলেও প্রয়োজনীয় কাগজ পাওয়া যাচ্ছে না অ্যাকাডেমিক ও সৃজনশীল বই ছাপানোয় প্রকাশকদের ওপর বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে। অনেক প্রকাশক নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। কিছু কাগজ ব্যবসায়ী কারসাজি করে মজুদ করে রেখেছেন। তারা ইচ্ছামতো দাম হাঁকছেন। বিশ্ববাজারে যে পরিমাণে পাল্পের দাম তার দ্বিগুণ দামে কাগজ বিক্রি করছে মিলগুলো। সিন্ডিকেট করে সবাই সুযোগ নিচ্ছে। প্রকাশকদের পক্ষে বলার কেউ নেই।

সংকট মোকাবিলায় এ মুহূর্তে শুল্কমুক্ত কাগজ আমদানির অনুমোদন প্রয়োজন। একই সঙ্গে এই খাতকে নিত্যপ্রয়োজনীয় ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংককে পদক্ষেপ নিতে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাতে হবে ।


আরও খবর



ধাপে ধাপে বাড়বে বিদ্যুতের দাম !

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :একবারে দাম না বাড়িয়ে ধাপে ধাপে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চিন্তা করছে সরকার। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন একবারেই গ্রাহকপর্যায়ে দাম ১৫ ভাগ বাড়ানোর চিন্তা করছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী আদেশে মূল্যবৃদ্ধির আগে মানুষের ওপর এর কতটা চাপ পড়বে সেই বিবেচনা করার কথা বলা হয়।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম একবারে ১৫ থেকে ২০ ভাগ বাড়লে বাজারে পণ্যের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। এজন্য সরকারের যদি কিছুটা লোকসানও হয় তাহলেও ধাপে ধাপে দাম বাড়ালে মানুষের ওপর পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব খুব একটা পড়ে না ।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, আগামী দুই মাসে আবার পাঁচ ভাগ হারে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হবে। গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পরে বিষয়টি সমন্বয় করে দেখা হবে। যদি মনে করা হয় পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো প্রয়োজন, তাহলেই তা বাড়ানো হবে। যদিও পিডিবি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হবে উল্লেখ করে। এরই মধ্যেই ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা করে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, পিডিবি হয়তো শুধু নিজেদের কথা চিন্তা করছে। কিন্তু সরকার সামগ্রিক ভর্তুকির কথা চিন্তা করছে।

গত বছর বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পিডিবিকে ২৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। চলতি বছর এর পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা পিডিবির জন্য ভর্তুকি প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এত বেশি পরিমাণ ভর্তুকি দেওয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় সরকার বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করছে।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমরা প্রতি মাসে অল্প অল্প করে বিদ্যুতের দাম বাড়াব। এতে মানুষের ওপর চাপ কম পড়বে। সরকার ১২ জানুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ ভাগ দাম বাড়ায়। এর আগে ১৯ ভাগ পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় বিইআরসি।

এদিকে, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ইনপুট খরচ বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আর্থিক ক্ষতি ৫৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে সংস্থাটির লোকসান ছিল ২৯ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা।

পিডিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পর গ্যাস বিল পরিশোধ করতে আমাদের ১০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত গুনতে হবে।

সরকার গত ১৮ জানুয়ারি সরকারি, বেসরকারি ও ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্ট এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের জন্য খুচরা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। নতুন এই দাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। তবে বাসাবাড়ি, সিএনজিচালিত মোটরযান ও চা-বাগানের ব্যবহারের জন্য এই দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

পিডিবির সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে তাদের লোকসান ২৯ হাজার ৯১৫ কোটি এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৮ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করার কথা ছিল। কিন্তু পাইকারি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পর লোকসান প্রায় ৪ হাজার টাকা কমে ৪৪ হাজার কোটি টাকায় নেমে আসে। এখন ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে এখন লোকসান ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়ে যাবে।


আরও খবর



ধামরাইয়ে এক ভবনেই ২২টি মৌচাক

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন, স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া বাস টার্মিনালের পাশে বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ে বসেছে প্রায় প্রায় ১০ বছর যাবৎ প্রায় দুই ডজন মৌচাক। এ থেকে প্রতি বছর দেড়-দুই মণ খাঁটি মধু আহরণ করে বিক্রির মাধ্যমে ভালো টাকা আয় হচ্ছে তার। ওই মৌচাকগুলো দেখতে স্থানীয়রা ভিড় করছেন।

উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের বাবুল হোসেনের বসতবাড়ির বিল্ডিংয়ের চারদিকে বসেছে মৌমাছির মেলা। গত ১০ বছর যাবৎ মৌমাছিরা ওই বিল্ডিংয়ে মৌচাক তৈরি করে মধু আহরণ করে। প্রায় পুরো বছর ধরেই ওই বাড়িতে কম-বেশি মৌমাছি থাকে।

জানা গেছে, সারাদিন আশপাশে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত থাকে । সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চারদিকে ম-ম গন্ধ ছড়িয়ে উড়ছে মৌমাছির দল।

বাড়ির মালিক মোঃ বাবুল হোসেন বলেন, ২০১০ সাল থেকে আমাদের বাড়ির এই বিল্ডিংয়ে ২৫-৩০টি মৌচাক বসে। এবারও ২২ টি মৌচাক তৈরি হয়েছে। এসব মৌমাছি আমাদের কোনো ক্ষতি করে না।

তিনি আরও জানান, সারা বছরই মৌচাক থাকে। কিন্তু শীত এলে ঝাঁকে-ঝাঁকে মৌমাছি এসে তার বাড়িতে মৌচাক তৈরি করে। মাস দুয়েক পর আবার চলে যায়। গত বছর ২৫টি মৌচাক ছিল। এবার ২২টি মৌচাক বসেছে।

প্রতিবেশী স্থানীয় রহমান বলেন, আমার জানামতে, ৮-১০ বছর যাবত সাড়া বছর জুরে ওই বাড়িতে মৌচাক বসে। খবর শুনে এলাকার এবং দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন দেখতে আসেন ওই মৌচাক । মৌচাক কাটার দিন খাঁটি মধু নেয়ার জন্য মানুষ লাইন ধরে অপেক্ষা করেন।

মৌয়াল সিরাজ বলেন, আট -দশ বছর ধরেই ওই বাড়ির বিল্ডিংয়ে মৌমাছির চাকগুলো কেটে আমি মধু নামাই। অন্যান্য বছর ২৫-৩০টি চাক বসলেও এবার বসেছে ২২টি। তাই অন্যবারের তুলনায় এবার মধু কম হবে। আগেরবার প্রতি কাটায় ২৮-৩০ কেজি মধু তুললেও এবার পাওয়া যাচ্ছে ২০-২২ কেজি। বাড়ির মালিককে অর্ধেক দিয়ে বাকিটুকু আমি নিয়ে যাই।

এ ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হাসান বলেন, সম্ভবত ওই বাড়িতে রানী মৌমাছির জন্ম বা উৎপত্তি হয়েছিল, তাই প্রতি বছরই দীর্ঘ সময় ধরে মৌমাছিরা ওই বাড়িতে নিরবে বাসা বেধে থাকে । তিনি আরও বলেন, এই এলাকায় জমিতে অধিক সরিষার আবাদ হওয়ায় ফুলের পরিমাণও বেশি। মধুর একমাত্র উৎস ফুল, তাই মৌমাছিরা এখানেই আসে।


আরও খবর



আসাদুর রহমান এখন মমতাজ আলী

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি :

লালমনিরহাট সিভিল সার্জন অফিসে ৪র্থ শ্রেণীর এক অবসর প্রাপ্ত কর্মচারীর জাতীয় সনদ পত্রে দুই নাম পাওয়ার অভিযোগ উঠছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে দীর্ঘদিন থেকে তার জাতীয় সনদ পত্র অনুযায়ী তার নাম ছিল মোঃ আসাদুর রহমান কিন্তু পরবর্তীতে সংশোধনী   এনআইডি কার্ড পাওয়া গেছে মোঃ মমতাজ আলী।  


সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায় তার চাকরি মমতাজ আলী নামে করে আসছিল তার এনআইডি কার্ডে আগে কি ছিল তা বোধগম্য নয়।  

অপরদিকে মমতাজ আলীর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার মতামত পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সঠিক তদন্ত করা দরকার বলে মনে করেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক অভিযোগকারি।


আরও খবর



গত বছর দেশে ৪৪৬ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

২০২২ সালে দেশে স্কুল ও কলেজের ৪৪৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। দেশের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে এই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আত্মহত্যা করা এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ও সমমান পর্যায়ের ৩৪০ এবং কলেজ পর্যায়ে ১০৬ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৪ জন মাদরাসার শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারী ২৮৫ জন এবং পুরুষ ১৬১ জন। 

এছাড়া ২০২২ সালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৮৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিয়েছেন বলেও জানিয়েছে আঁচল ফাউন্ডেশন।

এদিকে, আত্মহত্যার পেছনের কারণ হিসেবে মান-অভিমানই বেশি। ২৭ দশমিক ০৬ শতাংশ স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। এদের বড় অংশই অভিমান করেছিল পরিবারের সদস্যদের ওপর। 


আরও খবর



৪৭কোটি টাকা আত্মসাৎ! বুড়িচংয়ের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো :

ব্যাংক থেকে ৪৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান  জাকির এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন জাহেরকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রানা বিল্ডার্সের কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে পাওয়া টেন্ডার কার্যাদেশের বিপরীতে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও দুদকের দায়েরকৃত মামলার এজাহারে বলা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আরিফ সাদেক জানান, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পোর্ট কানেকটিং রোডের টেন্ডার কার্যক্রমে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাপ্ত কার্যাদেশের বিপরীতে ঋণ নিয়ে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। কার্যাদেশের শর্ত অনুযায়ী কাজ শেষ না করে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি সাধনের তথ্য পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।

পরে ২০২২ সালের ১০ মে জাকির হোসেনসহ আট জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দুদক দুটি মামলা দায়ের করে। মামলা দুটির তদন্তকালে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে  কুমিল্লা শহরের নিজ বাসভবন থেকে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোর রাতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

দুদক জানায়, গ্রেফতার হওয়া সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রানা বিল্ডার্সের কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে সিটি করপোরেশনের কার্যাদেশ পান। তার বিপরীতে ইউসিবিএল ব্যাংকের কুমিল্লা শাখা থেকে ৪৭ কোটি টাকা ঋণ নেন। কিন্তু কাজের বিপরীতে প্রাপ্ত বিলের চেক নগদায়ন করে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করে সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেন। অন্যদিকে সিটি করপোরেশনের কাজটি অসমাপ্ত রেখে চলে যাওয়ায় জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়। পুনরায় টেন্ডার করে কাজটি সমাপ্ত করতে যেয়ে অতিরিক্ত সাত কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতি হয় 

দুদক আ‌রো জানায়, জা‌কির হো‌সেন ঠিকাদার এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ঢাকা- চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলায় অর্থ আত্মসাৎ, চেক জালিয়াতি সহ বিভিন্ন অপরাধে ২০টির অধিক মামলা রয়েছে।


আরও খবর