Logo
শিরোনাম

কাগজের দাম বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অভাবে কাগজ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে কম-বেশি কাগজ নিয়ে সমস্যা থাকলেও এখন তা জটিল আকার ধারণ করছে। আগামী দুই মাস চরমপর্যায়ে সংকট থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কাগজশিল্প-সংশ্লিষ্টদের অনেকে বলছেন, ডলার সংকট না মিটলে এবং লেখা ও ছাপার কাগজে শুল্কহার না কমালে এ সমস্যা দীর্ঘায়িত হবে। অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ায় কাগজের দামও বাড়বে।

কাগজকল মালিক পক্ষ বলছে, দেশে কাগজ সংকটের এ সময় পাঠ্যবই ছাপার জন্য প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টন কাগজের চাহিদা রয়েছে সরকারের। এ ছাড়া বছরের শেষ দিকে এসে ডায়েরি, ক্যালেন্ডার ছাপানোর জন্যও বাড়তি কাগজের চাপও আছে। এই পরিস্থিতিতে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি চেয়েছে। তবে সরকার ডলার খরচ করে কাগজ আমদানি করতে দেবে না। দেশের কাগজ কলগুলোকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

এদিকে লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে না পারায় ‘অফসেট’ কাগজ বা উন্নত কাগজের জন্য ভার্জিন পাল্প আমদানি করতে পারছেন না কাগজ কল মালিকরা। তাই চাহিদামতো কাগজ সরবরাহও করতে পারছেন না তারা। ভার্জিন পাল্প ছাড়া রিসাইকেল করে যারা কাগজ (নিউজপ্রিন্ট) উৎপাদন করেন, তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বেড়ে গেছে।

আম্বার পেপার মিল, লিপি পেপার মিল, টিকে পেপার মিল, মেঘনা পেপার মিল ও রশিদ পেপার মিল মালিকরা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, টাকার মূল্যস্ফীতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে তাদের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে বলে সরকারকে জানিয়েছেন। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের কারণে মিলের উৎপাদন ক্ষমতা এক-তৃতীয়াংশে নেমে গেছে বলে তারা উল্লেখ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে কাগজের চাহিদা প্রায় ১০ লাখ টন। ২০১৪ সালের পর থেকে লেখা ও ছাপার কাগজের (আর্ট পেপার ছাড়া) চাহিদা মেটানো হতো দেশি কাগজ কল থেকে। তবে যদি উৎপাদন বাড়ানো না যায় তাহলে দেশব্যাপী কাগজ সংকট চরমে পৌঁছাবে বলে মনে করছেন কাগজ কলের মালিকরা। অন্যদিকে এলসি না পাওয়ায় আর্ট পেপারও আমদানি করা যাচ্ছে না। ফলে সব ধরনের কাগজ সংকট চলছে এখন।

এদিকে সরকারের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে প্রায় ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টন কাগজ লাগবে ডিসেম্বরের মধ্যে। ফলে আগামী দুই মাস কাগজ সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিসেম্বরের পরও সংকট থাকতে পারে। ডলার সংকট না মেটা পর্যন্ত এ সংকট অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



তত্ত্ববধায়কের ভূত ভুলে ঠিকই নির্বাচনে যাবে বিএনপি : সবুর

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কু‌মিল্লার আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামীলীগ ত্রি বা‌র্ষিক স‌ম্মেলন।   

বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা কাজী আবুল বাসার‌কে সভাপ‌তি ও তা‌রিকুল ইসলাম জু‌য়েল‌কে সাথারণ সম্পাদক ক‌রে ৭১সদস‌্য বি‌শিষ্ট ক‌মি‌টি ঘোষণা ।

 আওয়ামীলী‌গের বিজ্ঞান ও প্রযু‌ক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর ব‌লে‌ছেন, খু‌নের রাজনী‌তি জিয়া রহমান শুরু ক‌রে‌ছে ।তা‌দের কা‌ছে বাংলা‌দেশ নিরাপদ নয়।খা‌লেদা‌জিয়ারা বাংলা‌দেশ‌কে পা‌কিস্তান বানা‌তে চায়। বঙ্গবন্ধুর আদ‌র্শের নেতাকর্মীরা বে‌চে থাক‌তে তা হ‌বে না।

রোববার কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কু‌মিল্লা নগ‌রের টাউনহল  মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর  বলেন, ‌বিএন‌পি ২১হাজার নেতাকর্মী‌দের হত‌্যা ক‌রে‌ছে। বার বার দূর্নী‌তি‌তে চ‌্যা‌ম্পিয়ান হ‌য়ে‌ছে। ও‌দের কা‌ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানায় না। বাংলা‌দে‌শে আর তত্ত্বাবধ‌ায়ক সরকার আর আস‌বে না।

এর আগে সকালে কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবুল বাসার এর সভাপতিত্বে  কু‌মিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ,ক,ম বাহা উ‌দ্দিন বাহার সন্মেলন উদ্ধোধন করেন।বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলী‌গের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত,‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি ও জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান ম‌ফিজুল ইসলাম বাবলূ , বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী,মহানগর আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি জ‌হিরুল ইসলাম সে‌লিম,সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান এড আ‌মিনুল ইসলাম টুটুল, সাধারণ সম্পাদক তা‌রিকুর ইসলাম জু‌য়েল,যুগ্ন সম্পাদক আহ‌মেদ নিয়াজ পা‌ভেলসহ আওয়ামীলী‌গের নেতৃবৃন্দরা।

এদিকে সম্মেলনে ৬‌টি ইউ‌নিয়‌ন আওয়ামীলী‌গের নেতাকর্মীরা ঢল নামে নগ‌রের টাউনহল  অংশ নেন। টাউনহল মাঠের। প‌্যা‌ন্ডে‌লে দলের কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ মিছিল নিয়ে, উৎসব উ‌দ্দিপনায় ঢাকঢোল বাজিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন।

সম্মেলন স্থল নেতাকর্মী শ্লোগা‌নে মুখ‌রিত হ‌য়ে  উৎসবের আমেজ বিরাজ ক‌রে।


আরও খবর



সরকার মিথ্য বলে জনগণকে ভাউতা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

সরকার মিথ্য বলে জনগণকে ভাউতা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন মানুষ এই সরকারের পরিবর্তন চায়। শুক্রবার বিকেলে নগরীর চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গনতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, দেশের ১৭ কোটি মানুষ। তার মধ্যে ৮ কোটি মানুষই গরিব, ২ কোটি শিক্ষিত যুবক বেকার। এই সরকারের পরিবর্তন চায় বলে  বিএনপির সামাবেশে মানুষ নানা ভাবে ছুটে গেছে। ঢাকায়ও মানুষকে আটকে রাখা যাবে না। 

রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে বাধা, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন, গুলি-হত্যা বন্ধ করার দাবিতে ৭টি দলের রাজনৈতিক জোট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ এ সমাবেশের আয়োজন করে।

সামবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আমরা সরকারের পদত্যাগ চাই। জনগন যদি চায় তাহলে কারো শক্তি নাই অবৈধ ভাবে নির্বাচন করার। সরকারের নানা সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিদেশীরা এখন তাদের সাথে নেই। এ কারনে এখন সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। এখন তারা ভয়ে আছে। কখন ক্ষমতা ছাড়তে হয়।

সমাবেশে আরও বক্ত্য রাখেন  বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহবায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী, হাসনাত কাউয়ুম। 

বক্তারা বলেন , সরকারি দলের নেতারা বলছেন ‘খেলা হবে’।  এই খেলার কথা বলতে- ক্ষমতাশীনরা মনে করে, গায়ের জোর ছারা ক্ষমতায় থাকার আর কোন পথ নাই।

কারণ এই সরকার ভোটে জিততে পারবে না। কেউ আর তাদের ভোট দিবেনা।


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৭জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র সহ সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৭জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাতে মাসদাইর খানকা শরীফ এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতির টের পেয়ে আরো ৭/৮ জন পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা হলঃ কামাল  হোসেন, রাকিব, সাব্বির,শাকিল, হারুন ও ফয়সাল। দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-ক) নাজমুল হাসান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে গাবতলী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃিত একটি খেলনার পিস্তল, দুটি সুইচ গিয়ার, ছুরি ও রশি উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা,ডাকাতি, ছিনতাই, চুরি সহ একাধিক মামলা রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবত সড়কে অটোরিক্সা থামিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যায়।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও রূপগঞ্জে কয়েক ঘন্টার ব্যাবধানে তিন খুন

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিখোঁজের তিনদিন পর ভ্যান চালক  মাসুমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে উপজেলার গণপাড়া এলাকায় একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। সে খুলনা জেলার সিকান্দার মিয়া ছেলে ও বন্দর আনোয়ার মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া।

পরিবারের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে তার সৎ ভাই  আসলামের সাথে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলে আসছিল বৃহস্পতিবার রাতে বাসা থেকে বের হয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়। আজ সকালে

ডোবায় তার লাশ দেখে সনাক্ত করা হয়।

একই উপজেলায়  মা'কে গলাকেটে হত্যা পর মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে সজীব পলাতক রয়েছে। সকালে মুছাপুর ইউনিয়নের জহুরপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা বেগম ওই এলাকার মৃত রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।  নিহতের স্বজনরা জানান, সজীব দীর্ঘদিন মানসিক ভারসাম্যহীন তাকে কয়েক বার চিকিৎসা দেয়া হয়। রাতে তাদের বসতঘরে খাবার খেয়ে মা-ছেলেকে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে কোন সময়ে মাকে ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করে পর সে পালিয়ে যায়।

বন্দর থানার পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নিহত   দুইজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আয়েশা বেগম হত্যায় ধারণা করা হচ্ছে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেই হত্যাকান্ডটি ঘটাতে পারে এবং ভ্যান চালক হত্যার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

অপরদিকে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে রাশেদ নামে এক তেল ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। রাতে উপজেলার আধুরিয়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় এঘটনা ঘটে। সে ভোলা জেলার ধলিগৌর নগর এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে। জানা যায়, আধুরীয়া স্ট্যান্ডের পাশেই তেলের ব্যবসা করে সে। রাতে একদল ছিনতাইকারী তার দোকানে এসে টাকা চাইলে তা দিতে অস্বীকার করায় ছিনতাইকারীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ডিকেএমসি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়ার ঘটনার নিশ্চিত করে জানান, রূপগঞ্জ থেকে রাশেদ নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত অবস্থায় ঢামেকে নিয়ে আসে। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহতের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। 


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২