Logo
শিরোনাম

কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক

প্রকাশিত:Friday ২৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ভয়ংকর স্বাস্থ্য বিধ্বংসী রূপ নিচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হলেও থামছে না, বরং এর অপব্যবহার বেড়েই চলেছে।অ্যান্টিবায়োটিক, জীবনদায়ী ওষুধ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। মূলত এটি এক ধরনের অণুজীবনাশী পদার্থ; যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। কিন্তু অযৌক্তিক ব্যবহারে ওষুধটি দেশে অকার্যকর হয়ে পড়ছে । চিকিৎসক ও রোগী উভয়ের অসচেতনতা, অবহেলা ও অজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশে ক্রমেই তা কার্যকারিতা হারাচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি এখন শিশুদের শরীরেও এটি অকার্যকর হয়ে পড়ছে। দুটি আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে, শতকরা ৯ ভাগ শিশুর মধ্যে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। ৭০ শতাংশ নিউমোনিয়া রোগীর শরীরে কার্যকারিতা হারিয়েছে চার ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না, এমন রোগীর সংখ্যা ৭ শতাংশ।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সেবনের কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। করোনাকালে এই সমস্যা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। এর আগে গত নভেম্বরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজির যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিরাময়ে কাজে আসছে না, বরং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার এবং এর অকার্যকারিতা উভয়ই রোগীর জন্য অশুভ। বয়স্ক ও শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানোর বিষয়টিকে অশনিসংকেত বলে মনে করেন গবেষকরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে শরীরে সেই ওষুধের প্রতি রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধ তৈরি হয়। তখন সৈই ওষুধ আর কাজ করতে চায় না। কারণ শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া তখন ওষুধের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অথচ ব্যাকটেরিয়াজনিত কিছু রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক অপরিহার্য। কিন্তু আগে থেকে এটি কার্যকারিতা হারালে মৃত্যু ছাড়া তখন কোনো গতি থাকবে না। উল্লেখ্য, দেশে প্রায় আড়াই লাখের মতো ওষুধের দোকান আছে। এর মধ্যে এক লাখ বা তারও বেশি অননুমোদিত। প্রতিদিন জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীর ব্যথা, আমাশয় আক্রান্ত কয়েক লাখ মানুষ ওষুধের দোকানদার, অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তির পরামর্শে অথবা নিজের ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিক কিনে সেবন করেন। বেশির ভাগই ব্যবহারে কোনো নীতিমালা মানেন না। এভাবে অনিরাপদ ব্যবহার অ্যান্টিবায়োটিককে অকার্যকর করে তুলছে। এতে করে ভবিষ্যতে কেউই নিরাপদ থাকবে না। অর্থাৎ রোগী, দোকানদার এবং চিকিৎসক সবাই অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারনোর ক্ষেত্রে সবিশেষ ভূমিকা রাখছে।

আমাদের এখানে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা হারাচ্ছে। অবশ্য অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ার বা জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই সমস্যাটি নিয়ে আলোচন হচ্ছে, গণমাধ্যমে খবর বের হচ্ছে। তবে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধে সরকার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো কর্মসূচি চোখে পড়ে না। এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অ্যান্টিবায়োটিক ঠিকমতো কাজ না করায় রোগীকে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে, রোগীকে হাসপাতালে বেশি দিন থাকতে হচ্ছে। রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে। সংগত কারণে এন্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। আর সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই সচেতনতা দরকার নীতিনির্ধারকদের, স্বাস্থ্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের, হাসপাতাল ব্যবস্থাপকদের, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের, ব্যবস্থাপত্র যারা লেখেন, সেই চিকিৎসকদের, ওষুধের দোকানদারদের, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের।


আরও খবর



নওগাঁয় পরেছিলো মৃতদেহ - উদ্ধার করলো পুলিশ

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :


নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার (পত্নীতলা বাজার) এলাকায় একটি ব্রীজের ধারে পরে থাকা অবস্থায় হাবারু ভূইমালী (৬৫) নামের এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পত্নীতলা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মৃতদেহটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত হাবারু ভূইমালী পত্নীতলা উপজেলার পাশ্ববর্তী মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান (স্কুলপাড়া) গ্রামের মৃত রাজ মোহনের ছেলে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সারে ৮ টারদিকে ব্রীজের পার্শ্বে হাল্কা কাদায় এক বৃদ্ধকে পরে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা। পরবর্তীতে ঘটনাটি পুলিশকে জানান স্থানিয়রা। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই পত্নীতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহর নাম  পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টার পাশাপাশি প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করার পক্রিয়া চলছিলো।

মৃতদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে মৃতদেহ পরে থাকার খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে ওসি আরো জানান, গতকাল রাতে সে তার ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। রাতে সে কিভাবে মারা যায় তা জানা যায়নি। এছাড়া নিহতের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


আরও খবর



ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার এর নেতৃত্বে বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার এর নেতৃত্বে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় দিনব্যাপী বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্পে প্রায় এক হাজার দরিদ্র প্রান্তিক মানুষ এই ক্যাম্পে সেবা নেন দিনভর।

১৫ জন চিকিৎসক এই হেলথ ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন । ক্যাম্পে বিনামূল্যে বিপুল পরিমাণ ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দেয়া হয়।

এর মধ্যে ১০জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসার দায়িত্ব নেন ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার। গান্ধী আশ্রম এর সৌজন্যে শীত বস্ত্র উপহার দেয়া হয় রোগীদের

হেলথ ক্যাম্প আয়োজন করে শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ ও অগ্রগামী কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এবং গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট

ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে আমেরিকা থেকে অনুষ্ঠান উদ্ভোধন করেন অগ্রগামী কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্বাস্থ্য সেবা পরিচালক রুখসানা পারভীন ঝুমু ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি রেজোয়ান আহমদ তৌফিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন আশ্রম ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান অব: মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাস, ছিলেন অষ্টগ্রামের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ হারুন-অর-রশিদ । সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন অব: মেজর এহসান আহমেদ ।


আরও খবর



তরুণ তরুণীকে দেখে ফেলায় স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লায় তরুণ তরুণীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলায় রায়হান খান নামে এক স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১ টায় জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার বেলা ১১ টার দিকে  বিষয়টি নিশ্চিত করেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান।

রায়হান খান (১৫) শংকুচাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে শংকুচাইল গ্রামের হাফিজ মেম্বারের বাড়ির সৌদি প্রবাসী গিয়াস খানের ছেলে।

 ওসি মারুফ বলেন, রোববার দুপুরে রায়হান খান সহপাঠীদের সাথে পূর্ণমতি সড়ক এলাকায় সেচ পাম্পে গোসল করছিলো। এ সময় দুইটি মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত ছেলেরা দুই মেয়েকে নিয়ে ওই সড়কে ঘুরতে আসে। এ সময় সড়কের পাশে বাইক আরোহী ছেলেগুলো তাদের সাথে থাকা মেয়েদের সাথে অন্তরঙ্গ হয়। এ দৃশ্য দেখে রায়হান ও তার সহপাঠীরা  হাসাহাসি করে। বাইকে থাকা ছেলেরা এসে হাসাহাসি কেন করলো তা জিজ্ঞেস করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরে বাইক আরোহীরা মোবাইল ফোনে খবর দিয়ে অন্যদের ঘটনাস্থলে আসতে বলে। খবর পেয়ে বাইক আরোহীরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রায়হানকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। অতর্কিত হামলায় রায়হানের মাথায় প্রচন্ড আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে পাশের ঘুংগুর নদীতে ফেলে দেয়।

 স্থানীয়রা আহত রায়হানকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ঢাকা যাওয়ার পথে যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছলে রায়হান মারা যায়।

নিহত রায়হানের  মা রোজিনা আক্তার বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় আমার ছেলেকে খুন করেছে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান ।

ওসি মারুফ রহমান জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন মামলা দায়ের প্রক্রিয়ার্ধীন রয়েছে।। অভিযুক্তদের আটকে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।


আরও খবর



ইরানে আরও ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

ইরানে পুলিশের হেফাজতে মাশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যুর পর দেশটিতে হিজাববিরোধী বিক্ষোভের কারণে আরও তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে । সোমবার ইরানের বিচার বিভাগ এই তথ্য জানায়।

খবর এনডিটিভির।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনা উপেক্ষা করে ইরানের বিচার বিভাগ ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার’ অভিযোগে ওই তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিলো।

এর আগে গত শনিবার ইরান মোহাম্মদ মাহদি কারামি এবং সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেইনি নামের দুই বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দেয়।

বিক্ষোভের সময় ইরানের আধাসামরিক বাহিনীর এক সদস্যকে হত্যার অভিযোগে তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত ক‍রা হয়েছিল। এবার মৃত্যুদণ্ড পাওয়া তিনজন হলেন সালেহ মিরহাশেমি, মাজিদ কাজেমি এবং সাইদ ইয়াগৌবি।

ইসফাহান নগরীতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে স্বেচ্ছাসেবী বাসিজ মিলিশিয়ার সদস্যদেরকে হত্যার অভিযোগে ওই তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

ইরানের অভিজাত রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী সংশ্লিষ্ট বাসিজ মিলিশিয়া দেশে বিক্ষোভ দমনের অগ্রভাগে রয়েছে। বিক্ষোভকারীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে বিক্ষোভ দমনের জন্য সোমবার পোপ ফ্রান্সিস ইরানের নিন্দা করেছেন।

গত মাসে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ কমপক্ষে ২৬ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা চাইছে। দেশ কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া প্রতিবাদকারীদের ভয় দেখানোর জন্য প্রহসনমূলক বিচারের নীলনকশা করা হয়েছে বলে নিন্দা জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা।


আরও খবর



ত্রিশালে ৬ যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের ত্রিশালের মোখলেসুর রহমান মুকুলসহ পলাতক ছয় আসামিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামসহ তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

আটক, অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ ছয়টি অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় দেয়া হয়। রায়ে পলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।তিনজনকে হত্যার অভিযোগে তাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। বাকি তিন অভিযোগে ৭ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বিচার শুরুতে এ মামলায় মোট নয় আসামি ছিলো। কারাগারে তিন আসামি মারা যায়। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর তদন্ত সংস্থা অনুসন্ধান কাজ শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়।পরের বছর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।  


আরও খবর