Logo
শিরোনাম

কী হয়, চোখের পাতা কাঁপলে ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

নারী-পুরুষ উভয়েরই অমূল্য সম্পদ তাদের দুটি চোখ। এই চোখ দিয়েই আমরা দেখি রঙিন এই দুনিয়ার নানা দৃশ্য। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন এই মূল্যবান চোখ হঠাৎই অজানা কারণে কেঁপে ওঠে কেন? আর যদি চোখ কেঁপে বা লাফিয়ে ওঠে তবে এর ফলই বা কী?

চিকিৎসাশাস্ত্রে এ সমস্যাটির নাম ‘মাইয়োকিমিয়া’। দিনে দুবার এ সমস্যাটির সম্মুখীন হলে তা স্বাভাবিক। তবে মাত্রাতিরিক্ত বা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ালে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।

চিকিৎসকরা বলছেন, ৬টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ চোখের পাতা কেঁপে বা লাফিয়ে উঠতে পারে। এগুলো হচ্ছে- মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা, ক্লান্তিবোধ, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল সেবন। আপনি চাইলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

পুষ্টির ভারসাম্যের অভাবে চোখ কাঁপা শুরু করলে চিকিৎসকরা ধরে নেন শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে। যে কারণে সঠিক ডায়েটপ্ল্যান আর ওষুধ এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা একজন চিকিৎসক ছাড়া মোটেও সম্ভব নয়।  তাই এমন সমস্যার সম্মুখীন হলে দেরি না করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করুন আর বিপদমুক্ত থাকুন। 


আরও খবর

ডায়াবেটিসকে জানুন...

মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২

যোগাসনে ব্যায়াম হবে পুরো শরীরের

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২




মহাযজ্ঞ উদ্বোধন আজ

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান :  স্বপ্নের আল বায়াত স্টেডিয়ামে হবে স্বপ্নযাত্রার সূচনা। আজ রাত ৮টা। হয়তো থেমে যাবে সব ব্যস্ততা। চোখ জোড়া লেপ্টে যাবে ওই টিভি সেটের সামনে। কাতার মহাযজ্ঞের শুরুটা হবে যেখানে। কৌতূহলের তুঙ্গে তাই কী থাকবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনীতে।

কাতারের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে থাকবে বিশেষে প্রদর্শনী। উঠে আসবে মরুর বুকে কীভাবে ফুটল ফুল। বিশাল সব ইমারতের পেছনের গল্প। বিশ্বকাপের ইতিহাসও পাবে প্রাধান্য। এরপর সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে যাওয়ার পালা। ২২তম আসরের অফিশিয়াল থিম সং ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ইউরস টু টেক’ গাইবেন লিও বেবি। তার সঙ্গে বিশেষ পারফর্ম করবেন বলিউড হার্ডথ্রুব নোরা ফাতেহি। নোরার সঙ্গে থাকবেন মানাল ও রেহমা।

জোর গুঞ্জন আছে গাইবেন শাকিরা আর কিজ ড্যানিয়েলও। কিন্তু বিষয়টি এখন পর্যন্ত রহস্যই রেখে দিয়েছেন আয়োজকরা। তবে কোরিয়ার বিখ্যাত ব্যান্ড বিটিএসের গান, তৈরি করবে ভিন্ন আবহ। যেখানে চমক বিটিএসের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য জাংকুক। যিনি অংশ হতে যাচ্ছেন এই সাউন্ডট্র্যাকের। এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেখা যেতে পারে পপগায়িকা দুয়া লিপা, ব্ল্যাক আইড পিস, জে বালভিন ও নাইজেরিয়ার সংগীতশিল্পী প্যাট্রিক নায়েমেকা ওকোরিকে। স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনাও পাবে বিশেষ স্থান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রদর্শন করা হবে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল মাসকট লা’ইব। আরবি যার অর্থ অতি দক্ষ খেলোয়াড়। এরপর শুরু হবে আতশবাজির ঝলকানি। আর এরই মধ্যে শেষ হবে জমকালো আয়োজন। স্টেডিয়ামে সরাসরি যা উপভোগ করবেন ৬০ হাজার দর্শক। এরপরই ইকুয়েডর-কাতার ম্যাচের রোমাঞ্চ।

২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২২তম বিশ্ব ফুটবলের আসর। আজ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাতারে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্ব ফুটবলের মহারণ। এই প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশে ও এশিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। এবারই শেষবারের মতো ৩২টি দেশের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত টুর্নামেন্টে ৪৮টি দেশ অংশ নেবে।

২০০৯ সালে জানুয়ারিতে ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে আগ্রহীদের বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০১৮ টুর্নামেন্ট আয়োজনের গ্যারান্টি পাওয়ার পর ২০২২ বিশ্বকাপের বিডিং থেকে সব ইউরোপিয়ান দেশ তাদের নাম প্রত্যাহার করে নেয়। শেষ পর্যন্ত ২০২২ বিশ্বকাপের জন্য পাঁচটি বিড টিকে ছিল : অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। ২২ সদস্যের ফিফা কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১০ সালের ২ ডিসেম্বর ভোটের মাধ্যমে উভয় টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ বেছে নেয়।

কাতারের প্রচন্ড গরমের কথা বিবেচনা করে প্রথমবারের মতো জুন-জুলাই থেকে সরিয়ে টুর্নামেন্ট নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে পরিধি কমিয়ে এনে ২৯ দিনে শেষ করা হচ্ছে। আগামী ১৮ ডিসেম্বর কাতারের জাতীয় দিবসে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স।

বিশ্বকাপের স্বত্ব পাওয়ার পর থেকেই পুরো কাতারজুড়ে আটটি নতুন স্টেডিয়াম তারা নির্মাণ করেছে। নির্মাণকৃত স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম। দোহার ১৫ কিলোমিটার উত্তরে ২ লাখ জনসংখ্যার পরিকল্পিত একটি শহর লুসাইল। সেখানেই গড়ে তোলা হয়েছে ৮০ হাজার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন লুসাইল স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামে আগামী ১৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। আজ কাতার বনাম ইকুয়েডরের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আল-খোরের আল-বায়াত স্টেডিয়ামে। এ ছাড়া অন্যান্য ভেন্যু হলো : এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম, আহমাদ বিন আলি স্টেডিয়াম, খালিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম, আল থুমামা স্টেডিয়াম, স্টেডিয়াম ৯৭৪ এবং আল-জানুব স্টেডিয়াম।

কাতার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২ দেশের মধ্যে ২৪টি দেশই চার বছর আগে রাশিয়ায় খেলেছে। ১৯৩৪ সালে ইতালির পর আয়োজক দেশ হিসেবে একমাত্র কাতার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। নেদারল্যান্ডস, ইকুয়েডর, ঘানা ও ক্যামেরুন রাশিয়ায় খেলতে ব্যর্থ হওয়ার পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে। ১৯৮৬ সালে একমাত্র বিশ্বকাপ খেলা কানাডা ৩৬ বছর পর ফিরে এসেছে। অন্যদিকে ইউরোপিয়ান দল হিসেবে ১৯৫৮ সালের ৬৪ বছর পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে ওয়েলস। ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০ দলের মধ্যে একমাত্র বাদ পড়েছে ষষ্ঠ স্থানে থাকা ইতালি। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে ব্যর্থ হলো আজ্জুররিা। সর্বনিম্ন ৬১তম র‌্যাংকে থেকে মাঠে নামবে ঘানা।

৩২ দেশ আটটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রথম পর্বে লড়াই করবে। ২০ নভেম্বর-২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে গ্রুপ পর্বের খেলা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। ৩-৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ ১৬ এবং ৯-১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা। ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। ১৮ ডিসেম্বর হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। প্রখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে ফিফার সম্পর্কটা বেশ পুরোনো। ১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপের প্রতি আসরের জন্য বল প্রস্তুত করে আসছে এই প্রতিষ্ঠান।

এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। গত মার্চে কাতার বিশ্বকাপের জন্য তৈরি বলটি উন্মোচন করে ফিফা। যার নাম ‘আল রিহলা’। আরবি ভাষায় শব্দটির অর্থ ভ্রমণ। কাতারের পতাকা, ঐতিহ্যবাহী নৌকা, স্থাপত্য ও সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তৈরি করা হয়েছে বলটি। যেখানে ২০টি প্যানেলের ডিজাইন ব্যবহার করেছে অ্যাডিডাস। প্যানেলগুলো ত্রিভুজাকৃতির। যা মধ্যপ্রাচ্যের ‘ধো’ নৌকাকে মনে করিয়ে দেয়। প্যানেলের দুই দিক বিভিন্ন রঙে, যা কাতারের পতাকা ও আরবের ঐতিহ্যবাহী সাদা পোশাককে ফুটিয়ে তুলেছে।

দল গুলো কাড়ি কাড়ি ডলার খরচ করা কাতার নেমেছে হিসেব কষেই। আট স্টেডিয়ামে ফুটবল তারকাদের পায়ের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকবেন সমর্থকরা। ফিফা জানিয়েছে, মোট তিন মিলিয়ন টিকিট বিক্রি করেছে। শুধু টিকিট বিক্রি থেকেই ফিফা রেকর্ড রেভেনিউ পেতে পারে। রাশিয়া বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রি থেকে ফিফার আয় ছিল ৫.৪ বিলিয়ন ডলার। এবার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলেই রিপোর্টে এসেছে। এর পেছনে কারণ, ম্যাচ টিকিটের দাম বৃদ্ধি। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে চোখ রাখবে বিশ্বের প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ।



আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২




মোরেলগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সুলতান (৭২) নামে এক ভবঘুরে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার বেলা ২টার দিকে সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের পল্লীমঙ্গল বাজারের হাওলাদার মার্কেটের সামনে থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ব্যক্তির নাম সুলতান বলে সকলে জানতেন। তবে তার বিস্তারিত কোন ঠিকানা কারো জানা নেই।

এ বিষয়ে থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান বলেন, ভবঘুরে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম সুলতান বলে জানা গেছে। কথিত সুলতানের মৃত্যুর কারণ জানতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পোস্ট মর্টেম করাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। 


আরও খবর



৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব !

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : আপনি যখন কার্ড রিডার স্লটে কার্ড ঢোকান তখন ডাটা স্কিমিং ডিভাইস দিয়ে আপনার কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা। পাশাপাশি কাছাকাছি কোথাও তারা ক্যামেরা বসায় আপনার পিন চুরি করার জন্য। এরকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে যখন আপনি কার্ড ঢোকালেন কিন্তু বের হতে সময় নিল, বা আঁটকে গেল। বুথে ঢুকে কোন সমস্যায় পড়লেন, হতে পারে আপনার কার্ড আঁটকে গেল, বুথের ভিতরে বা বাইরের কেউ স্বত:স্ফুর্তভাবে এসে আপনার ঘাড়ের উপর দিয়ে উঁকি দিল, আপনাকে সাহায্য করবে বলে। সতর্ক হোন, তিনি আপনার পিন চুরি করতে পারে।


আপনি যদি কার্ডের উপর পিন নাম্বার লিখে রাখেন, আর যদি সেটা বুথে আঁটকে যায়, বা হারিয়ে যায়, আপনি কিন্তু চোরকে আমন্ত্রণ দিলেন। ই-শপিং বা অনলাইনে বিল পেমেন্টের মাধ্যমে প্রতারণা হতে পারে। আপনি সেখানে কেনাকাটা বা লেনদেন করলেই আপনার কার্ডের তথ্য প্রতারকরা নিয়ে নিবে। অনেক সময় নিজের অজান্তেই কোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ফেলেন। এতে প্রতারকরা আপনার কার্ডের তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংকিং তথ্য পেয়ে যেতে পারে। যদি আপনি আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে লেনদেন করেন, হ্যাকারদের জন্য চুরি করার এটা একটা দারুণ সুযোগ।

 প্রতারণার এটা সবচেয়ে কার্যকরী উপায় যখন আপনি আপনার কার্ডটি সেলসপার্সনকে দিলেন সোয়্যাপ করার জন্য। কার্ডের তথ্য কপি করে পরবর্তীতে খারাপ উদ্দেশে ব্যবহার করা হতে পারে। আপনার ইমেইলের স্প্যাম মেইলের মাধ্যমে আপনার কার্ডের পাসওয়ার্ড বা অ্যাকাউন্ট নাম্বার চুরি হতে পারে। প্রতারকরা আপনার মোবাইল অপারেটরের কাছে ফোন করে ভুয়া পরিচয়ে ডুপ্লিকেট সিম তুলতে পারে।

অপারেটররা আপনার অরিজিনাল সিম নিস্ক্রিয় করে দেয়। চোরেরা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) তৈরি করে আপনার অনলাইন লেনদেন চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠিত অ্যাপ কোম্পানির বাইরে অনেক কোম্পানি আছে যেগুলো থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করলে আপনার ফোনে তারা ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। চুরি যাওয়া কার্ড দিয়েও প্রতারণা হতে পারে। আবেদনপত্র বা বাতিল নথি থেকে তথ্য চুরি করে প্রতারকরা নতুন কার্ড তৈরি করেও প্রতারণা করে।
মাত্র ৬ সেকেন্ডে ক্রেডিট কার্ড হ্যাক করা সম্ভব ! মাত্র ৬ সেকেন্ডেই অপরাধীরা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিতে পারেন বলে দাবি করেছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

গবেষকরা বলছেন, সাইবার অপরাধীরা যখন ওয়েবসাইটে কার্ডের কোনো তথ্যের সন্ধান চালিয়ে যান সেটা সিস্টেমে ধরাও পড়ে না। এ গবেষণার বিষয়ে ভিসার বক্তব্য হলো- জালিয়াতি রোধে পেমেন্ট সিস্টেমে যে ব্যবস্থাগুলো রয়েছে গবেষণায় তার সবগুলোর উল্লেখ করা হয়নি।


আরও খবর



জনবল সংকটে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


প্রায় ২৮ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য একমাত্র ভরসাস্থল নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা আধুনিক হাসপাতাল। এ হাসপাতালে প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১ হাজার ৭শ’ জন ও ইনডোরে আরও ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। নওগাঁর ১১ উপজেলা ছাড়াও পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি ও জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকেও লোকজন আসেন এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে। কিন্তু আশানুরুপ সেবা না পাওয়ায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

এ জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় হাসপাতাল টি। তবে আগের ১০০ শয্যা হাসাপাতালের যে জনবল সেটা দিয়েই ২৫০ শয্যার কার্যক্রম চলছে এখনো। এতে করে রোগীদের চাপে হিমশিম খাচ্ছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। আর উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন মানুষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার হাসপাতালে উপ-পরিচালক, শিশু, মেডিসিন, সার্জারি, ফরেনসিক, চক্ষু, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজি ইমেজিং, কার্ডিওলজি, চর্ম ও যৌন, গাইনি এ্যান্ড অবস, নাক-কান-গলা, প্যাথলজি, নিউরোসার্জারি, নেফ্রোলজি, ও মেডিকেল অফিসারসহ মোট ৪৫ চিকিৎসকের মধ্যে আছেন মাত্র ৩২ জন। ৮৬ জনের মধ্যে নার্স রয়েছেন ৭৮ জন। বর্তমানে ১৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে আউটডোর ও ইনডোরে সেবা দেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬/১৭শ’ এবং ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়।

এছাড়াও ১০০ শয্যার জন্য মঞ্জুরি করা পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিকস ও রেডিওলজি ইমেজিং, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি এ্যান্ড অবস, মানসিক, প্যাথলজি ও নেফ্রোলজি, ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অফিসার চক্ষু, রেডিওলজিস্ট এবং ইনডোর মেডিকেল অফিসার কার্ডিওলজি ও মেডিসিন প্রতি পদে একটি করে শূন্য রয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৭৬ মঞ্জুরি পদের বিপরীতে জনবল আছে ১২১ জন।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সেবা প্রত্যাশীরা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে বেড না পেয়ে মেঝে এমনকি বারান্দায় ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন। অন্যদিকে, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের দায়িত্বরতরা। অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতাল থেকে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের পাশাপাশি বাড়তি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়।

ইনডোরে রোগী দেখার পর ডাক্তার আউটডোরে গিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন। এতে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা সেবা নিতে আসাদের দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। আবার চিকিৎসক না থাকায় হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবা নিতে আসা রোগীদেরও।

নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে পায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছেন রমজান আলী। তার সঙ্গে আসা মেয়ে নিলুফা খাতুন বলেন, অর্থোপেডিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে এতই ভিড় বাবাকে যে পাশে কোথাও বসিয়ে রাখবো সেই ব্যবস্থাও নেই। ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাবাকে ডাক্তার দেখাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছি। অন্যকোনো দিন আবার আসবো আর না হয় রাজশাহীতে নিয়ে যাবো।

একই অবস্থা মেডিসিন বিভাগের সামনেও, দীর্ঘ লাইনে প্রায় ৫০-৬০ জনের মত সেবাপ্রত্যাশী দাঁড়িয়ে আছেন। আমেনা বেগম নামে এক সেবা প্রত্যাশী বলেন, দুইদিন হলো ঘুরে গেলাম। সেই সকাল ১০টায় এসেছি এখন ১২টা বেজে গেল। কিন্তু এখনও ডাক্তারের কাছে যেতেই পারলাম না। অনেকে বাধ্য হয়ে ফিরে গেছে। আমি চলে যাবো। আর কিছুক্ষণ এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে আমি আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। একসাথে তিন -চারটি কক্ষে যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা রোগী দেখতেন, তাহলে এতো ভোগান্তি পোহাতে হতো না।

হাসপাতালের নতুন ভবনের সার্জারী ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, অনেকে মেঝেতে ও বাড়ান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কামরুল হোসেন নামে একজন বলেন, আমার ভাইকে ভর্তি করা হয়েছে। বেড সংকট তাই মেঝেতেই চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। কি আর করার, বাধ্য হয়েই এসেছি সরকারি হাসপাতালে।

রেনুকা বেগম নামে এক রোগী বলেন, বেড নাই তাই বারান্দা থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসা পাওয়াতো আমাদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু চিকিৎসাটাও ভালো ভাবে পাই না আমরা। বারান্দায় এভাবে থাকা যে কতটা কষ্টের, তা বুঝাবো কি করে? টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। তাই বাধ্য হয়েই এখানে থেকেই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মিলাদুল ইসলাম এসে ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হয়েছে। আর বেশি ভাগ ওষুধ বাইরে থেকেই কিনতে হয়েছে।

নওগাঁ নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট এ.কে.এম ফজলে রাব্বী বকু জানান, ২৮ লাখ মানুষের ভরসা নওগাঁ সদর হাসপাতাল। চিকিৎসক সংকটের কারণে যদি কেউ সময়মত সেবা না নিতে পারে তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক কি আর হতে পারে। হাসপাতালে যদি সেবার মান ভালো না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে সেবা নিতে? চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের সার্বিক সমস্যা দূর করে যেন সেবার মান বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানান তিনি।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যা বলা হলেও ১০০ শয্যার হাসপাতাল চালাতে যে পরিমাণ জনবল দরকার তাও এখানে নেই। এতে করে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আউটডোরে প্রায় ১৬শ' জন ও ইনডোরে প্রায় ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেবার মান বৃদ্ধির জন্য চাহিদা পত্রের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। আশা করছি চাহিদা গুলোর অনুমোদন পেলে ডাক্তার, সেবিকা, ওষুধ ও অবকাঠামো সহ সার্বিকভাবে সেবার মান আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : আধুনিক গণপরিবহন সেবার একটি অংশ ই-টিকেটিং। সম্প্রতি ঢাকা শহরে এই সেবা চালু করা হয়েছে। ই-টিকেটিংয়ের কারণে বন্ধ হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়। তবে মালিকরা কমিয়ে দিয়েছেন বাস। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এমনটি দাবি করছেন।

শুরুতেই ই-টিকেটিং নিয়ে যাত্রী ও বাস মালিক-শ্রমিকের মধ্যে নানা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ই-টিকেটিং চালুর পর বিভিন্ন রুটে বাসের সংখ্যা কমিয়ে দেন মালিকরা। এছাড়া বাসে দূরত্বের ব্যবধানে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন নগরীর যাত্রীরা।

তবে ই-টিকেটিং ব্যবস্থাকে স্বাগত জানিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির নেতারা বলছেন, পরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি এই খাতের আমূল সংস্কার করা না গেলে ই-টিকেটিং সিস্টেমে সিটিবাস সার্ভিস ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

তারা বলছেন, ই-টিকিটে দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া আদায় নিশ্চিত করায় যাত্রী ভাড়া কমে আসছে, ফলে বাসমালিকের আয়ও কমে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় গণপরিবহনে অদৃশ্য খরচ বন্ধ করা না গেলে অনেক পরিবহন মালিককে লোকসান দিয়ে বাস চালাতে হবে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব বলেন, দীর্ঘদিন পর নগরীর সিটি সার্ভিসের বাসে ই-টিকেটিং সেবা চালু করায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের ধন্যবাদ। প্রতিটি টিকিটে বাসের নাম, বাসের নিবন্ধন নম্বর, যাত্রা ও গন্তব্যের নাম, দূরত্ব, ভাড়ার অঙ্ক, ভ্রমণ তারিখ ও অভিযোগ কেন্দ্রের নম্বর থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ই-টিকেটিং ব্যবস্থায় এসব পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই। কোনো কোনো টিকিটে শুধু ভাড়ার অঙ্ক লেখা রয়েছে। ফলে এসব টিকিট দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হলে যাত্রীদের প্রতিকার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, ই-টিকেটিং উন্নত বিশ্বে আগে চালু হলেও গত চার বছর আগে বাংলাদেশে চালু হয়। রাজধানীর বাসভাড়া নৈরাজ্য দূরীকরণে এটা চালু করা হয়েছে। ফলে ওয়েবিলের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধের পাশাপাশি বাসে বাসে অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ হবে। রাজধানীতে ৩০ নভেম্বরের পর থেকে লক্কড়-ঝক্কড় বাস বন্ধ হয়ে যাবে। সব বাস সার্ভিস দৃষ্টিনন্দন করা হবে।



আরও খবর