Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্ব-নিয়ন্ত্রিত নয় বলেই অনিয়ম

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

ব্যাংকিং খাতকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি বলা হয়। ব্যাংকের অন্যতম কাজ হলো দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসার চাকা সচল রাখতে ঋণ দেয়া এবং সময়মতো সে ঋণ আদায় করা। ব্যাংকের প্রধান সম্পদই হলো এ ঋণ। যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নিরাপদ, কল্যাণমুখী খাতে বিনিয়োগসহ শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থা অপরিহার্য। ব্যাংকের সঙ্গে যাদের লেনদেনের সম্পর্ক তারা বেশিরভাগই শিক্ষিত, সচেতন; সবারই চোখ-কান খোলা। সবাই জানে ও বুঝে, প্রশিক্ষিত ও সৎ কর্মকর্তার সমন্বয়ের সঙ্গে জনস্বার্থ, আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ ছাড়া কোনো ব্যাংক সাফল্য অর্জন করতে পারে না। অতীত ও বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল স্পষ্ট। দেশের ব্যাংকিং খাতে সমস্যার শেষ নেই।

ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম, ঋণ বিতরণে রাজনৈতিক প্রভাব এবং সরকারি ব্যাংকগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ যথেষ্ট না থাকায় মূলত খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে পরিচালকরা নিজেদের মধ্যে ঋণ ভাগাভাগিসহ আমানত ‘খেয়ে ফেলা’য় সেখানেও খেলাপির সংখ্যা ভয়াবহ। মোটকথা, ঋণখেলাপিদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ব্যাংকিং খাত। বাংলাদেশে টাকার তুলনায় ব্যাংক বেশি। বিশ্বের অনেক বড় বড় অর্থনীতির দেশেও এত ব্যাংক নেই, যতটা বাংলাদেশে রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ৬১টি অনুমোদিত ব্যাংক রয়েছে। কিন্তু দেশের জিডিপির (GDP) আকারের দিকে লক্ষ্য করলে অর্থনীতি ও ব্যাংকের সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায় না। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের বর্তমান জিডিপি ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অথচ দেশটিতে ব্যাংকের সংখ্যা মাত্র ১৮টি। এর মধ্যে ৬টি সরকারি ও ১২টি বেসরকারি ব্যাংক। অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে আরেক উন্নত দেশ সিঙ্গাপুর। দেশটির ৩৪০ বিলিয়ন জিডিপির বিপরীতে ব্যাংক রয়েছে মাত্র ৫টি।

অন্যদিকে পাকিস্তানে ২৬২ বিলিয়ন জিডিপির বিপরীতে ব্যাংকের সংখ্যা ২২টি, ফিলিপাইনে ৩৬১ বিলিয়নের বিপরীতে ১৭টি, নাইজেরিয়ায় ৪৩২ বিলিয়নের বিপরীতে ২০টি ও মিশরে ৩৬৫ বিলিয়নের বিপরীতে ব্যাংকের সংখ্যা ৩৯টি। মূলত একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হলে, সেখানে বিদেশি ব্যাংকের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে গত কয়েক দশকেও এমনটা ঘটেনি। বাংলাদেশে বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও কমেছে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা।

বাংলাদেশে ব্যাংক করার ব্যাপারে ধনাঢ্যরা এত আগ্রহী কেন? কী তাদের উদ্দেশ্য? এসব নিয়ে সাধারণ মানুষ নানা প্রশ্ন করলেও তাদের কথা পাত্তা দেয়ার গরজ মনে করেনি কোনো সরকারই। কিছু দিন আগে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, এখন অনেকেই ব্যাংক করেন জনগণের টাকা লুটের জন্য। তা-ও মেঠো বক্তৃতায় নয়। তিনি কথাটা বলেছেন উচ্চ আদালতে শুনানিতে, যেখানে ছিলেন স্বয়ং তৎকালীন প্রধান বিচারপতি। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার এ বক্তব্যকে কথার কথা মনে করে উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ থাকে না। শুধু অ্যাটর্নি জেনারেল নন, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকেও কঠিন পর্যবেক্ষণ এসেছিল ব্যাংকিং খাত নিয়ে।


আরও খবর



আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এডিসি জিসানুল বরখাস্ত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:


ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


এর আগে আছাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে অনলাইনে গেল, সেটি নিয়ে তদন্ত করে পুলিশ। এই কর্মকর্তা ছাড়াও পুলিশের আরও দুজন নন ক্যাডার সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়। তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



রোববার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা শাখা থেকে এডিসি জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।


সচিব মো. জাহাংগীর আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জিসানুল হকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ধারা ৩৯ (১) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ১২ (১) অনুযায়ী চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।


এ ছাড়াও প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ সার্ভিস রুল অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



এর আগে আছাদুজ্জামান মিয়াকে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছাদুজ্জামান মিয়ার ‘ইএসএএফ’ ছড়িয়ে পরে। ইএসএএফ ফরম হলো- ইলেকট্রনিক সাবস্ক্রাইবার অ্যাপলিকেশন ফরম, যা মূলত মোবাইল গ্রাহকেরা পূরণ করে থাকেন। এই ফরমে একজন ফোন গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, আঙুলের ছাপসহ বিস্তারিত তথ্য থাকে।


ফরমটি প্রকাশের পর পুলিশের উচ্চপর্যায় থেকে বিষয়টি তদন্ত করতে বলা হয়। গাজীপুরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাজির আহমদ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। ফরমটিতে থাকা কিউআর কোড পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের বৈধ আড়িপাতা শাখার একজন এএসআই ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার থেকে এটি ডাউনলোড করেছেন। 



তদন্তে বেরিয়ে আসে গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পদের এক কর্মকর্তা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আছাদুজ্জামানের মোবাইল ফোনের তথ্য চেয়ে বৈধ আড়িপাতা শাখার এক এসআইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দেন। 



সেই বার্তারভিত্তিতে তিনি অন্য একজন এএসআইকে সেটা ডাউনলোড করতে বলেন। পরে সেটা কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়। তদন্তে দেখা যায় অনলাইনে প্রকাশিত ফরমটি হুবহু সেই ফরম।


পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এরপর রোববার জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি হয়।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয়

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি::


আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎসাহের সাথে ফলনের জন্যে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার-বীজ কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকেন। কিন্ত লক্ষ্মীপুরের কমলনগর কৃষি অফিস সেই সার-বীজ নিয়ে নয়-ছয় করছে।

জানা যায়, ৭ নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন কৃষি অফিস থেকে মোট ৫৫ জনের একটি তালিকা পেয়েছেন। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই প্রণোদনা পাননি। তালিকাভূক্ত ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ উল্যাহ অভিযোগ করেন তার নাম থাকলেও তিনি কোন সার-বীজ পাননি।পরে তিনি অফিসে গিয়ে তালিকা চেক করলে জানতে পারেন অন্য একজন স্বাক্ষর দিযে তার সার-বীজ নিযে গেছে।

একই এলাকার হেলাল উদ্দিন বলেন, তালিকায় নাম থাকলেও দেয়া হয় না সঠিকভাবে সার-বীজ এবং তিনিও পাননি। ১৪ জুলাই ২০২৪, সকালে অফিসে গেলে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আসিফ রেজা জানান, আপনাদের বরাদ্দকৃত প্রণোদনা শেষ হয়ে গেছে, আবার আসলে পাবেন। 

পরবর্তীতে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে, আরেক উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আরিফ সহ তালিকা চেক করলে দেখা যায়, প্রণোদনার সার-বীজ মজুদ না থাকলেও, স্বাক্ষর দেয়ার জায়গা খালি রয়েছে। নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কিছুদিন আগে আমি এবং স্বপন নামে একজন লাইনে দাড়িয়ে দেখতে স্বপনের নামের পাশে কৃষি অফিসার আসিফ রেজা নিজেই স্বাক্ষর করেছেন। কিছুক্ষণ পরে স্বপন প্রণোদনার সার-বীজ চাইলে তাৎক্ষণিক তিনি বলেন আপনি এইমাত্রই নিয়েছেন। পরে আমি আসিফ রেজাকে বললাম, উনি নেননি, আপনিতো নিজেই এখন তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন।

অভিযুক্ত অফিসার আসিফ রেজার কাছে এসব বিষয় সম্পর্কে চানতে চাইলে, তিনি বলেন- কেউ একজন স্বাক্ষর দিয়ে মোহাম্মদ উল্যাহর প্রণোদনার সার-বীজ উত্তোলন করে নিয়ে গেছে, হেলাল উদ্দিনের বিষয়ে বলেন, অসুবিধা নাই উনাকে সার-বীজ ব্যবস্থা করে দিবো। তালিকার স্বাক্ষর না থাকা, সার-বীজ নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, তিনি এ বিষয়ে কোন যথাযথ কোন উত্তর দেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার শাহীন রানার কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন- যদি কোন কারণে কৃষক সার-বীজ না পেয়ে থাকে দবে পেয়ে যাবে। অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি কোন যথাযথ উত্তর দেননি। 

আরও খবর



জয়পুরহাটে ভুয়া র‍্যাব সেজে প্রতারণা, গ্রেপ্তার-২

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া এলাকায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয় দেওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– তরিকুল নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং নাইম হোসেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার চকবিলা গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে।

আজ রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, তরিকুল ইসলাম সোহাগ এসআই পদে থেকে র‌্যাব বাহিনীতে আছেন, আর তার সহযোগী নাইম হোসেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অফিস সহায়ক পদে চাকরি করেন এসব কথা বলে বিভিন্নজনকে চাকরির প্রলোভন দিতেন তারা। এমনভাবে মাস্টারপাড়া এলাকার এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সিভিল গাড়িচালক পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। ওই ব্যক্তির সাথে তরিকুল ও নাইমের মৌখিকভাবে ১২ লাখ টাকা চুক্তি হয়। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে তারা দুজন মাস্টারপাড়া এলাকায় আসেন। এরপর ওই পদের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে অগ্রিম ২৬ হাজার ৩শ টাকা দাবি করেন। বিষয়টি চাকরী প্রত্যাশী ব্যক্তির সন্দেহ হলে ঘটনাটি র‌্যাবকে জানায়। র‌্যাব ওই চাকরী প্রত্যাশীর সঙ্গে পরিকল্পনা করে তরিকুল ও নাইমকে গ্রেপ্তার করে।

জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরুল হুদা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুজন প্রতারক চক্রের সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে তরিকুলের কাছে র‌্যাবের জ্যাকেট পাওয়া গেছে। তারা র‌্যাব সদস্য পরিচয়ে এসব অপরাধমূলক কাজ করতেন। গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে তাদেরকে আক্কেলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ চেম্বার আদালতের রায় বহাল রাখেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রইলো।



এসময় পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর কোটা নিয়ে নিয়মিত আপিল করার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। একইসঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করে সুপ্রিমকোর্টের রায় পরিবর্তন করা যায় কি না- সেটিও জানতে চান প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। 


এর আগে সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ অন্য কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র গত ৫ জুন অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেড) ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে। 



মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। 


এই রায়ের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা হয়। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ হয়। এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিলও করে রাষ্ট্রপক্ষ।


আরও খবর



ভরা মৌসুমে বাড়ছে চালের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

আমনের ভরা মৌসুমে মোকাম, পাইকারি খুচরা বাজার- সবখানে চালের দাম বেড়েছে গত -১০ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন পর্যায়ে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে থেকে টাকা পর্যন্ত

বাজারে এখন সরু (মিনিকেট) চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়, যা ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা ছিল মাঝারি (বিআর-২৮, পায়জাম) চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ তিন টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা দুই টাকা বেড়ে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়

চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মালিবাগে কুমিল্লা রাইস এজেন্সির ফরিদ হোসেন বলেন, ভোটের কারণে গাড়ি কম এসেছে। তাই সরবরাহ ঘাটতির কারণে চালের দাম বেড়েছে

তিনি জানিয়েছেন, মানভেদে প্রতি বস্তা চালের দাম দেড়শ থেকে আড়াইশ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

মোকামমালিক, আড়তদার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমে পর্যাপ্ত ধান উৎপাদন হয়েছে। কোথাও চালের সংকট নেই। কিন্তু বিভিন্ন পর্যায়ে আমন ধানের মজুত গড়ে তোলা হয়েছে। মজুতের কারণে বাজারে চালের দাম বাড়ছে

রামপুরা বাজারে খুচরা চাল বিক্রেতা ইউনুস হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম কেজিতে সর্বোচ্চ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি মিনিকেটের দাম ছিল ৬৬ টাকা, বর্তমানে তা ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৪৬ টাকার পায়জাম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়

তবে রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে সরু চালের দাম বেড়েছে দশমিক ৮০ শতাংশ মাঝারি চালের দাম বেড়েছে দশমিক ৬৫ শতাংশ

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ, টিসিবির হিসাবেও সরু চালের দাম এক মাসের ব্যবধানে টাকা পর্যন্ত বেড়েছে


আরও খবর