Logo
শিরোনাম

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ১০ দফা দাবিতে বিএনপির পদযাত্রা

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ |

Image

ইবাদত হোসেন :

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  বলেন 

সবকিছুর দাম উর্দ্ধমুখী, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে, মানুষ হাহাকার করছে। সারাদেশের মানুষ খাদ্যের অভাবে পড়ে গেছে। 

সরকার আবার নির্বাচনের উদ্যোগ নিচ্ছে 

সরকারের মন্ত্রীরা বলছে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে অথচ মানুষের ভোটের অধিকার নেই। অতীতে দেশের মানুষ কারচুপির নির্বাচনের নমুনা দেখেছে।

সরকার আবার পাতানো, সাজানো নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছে। সরকারের অধীনে, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলে ভোট নিরপেক্ষ হবে না।

বিদ্যুৎ আনতে ভারতের কোম্পানির সাথে অসম চুক্তি করেছে সরকার। সরকারের জনগনের প্রতি দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিতা নেই। সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছে, অর্থনীতি চালাতে ব্যর্থ হয়েছে। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ নয় সরকারের দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক দুরাবস্থা।

সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করলে সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন হবে না। 

সেজন্য বলা হয়েছে সরকারকে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদকে ভারতের আদালত খালাশ দিলেও সরকার তাঁকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়নি সরকার।

খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি।

আওয়ামী লীগ গত নির্বাচনের মতো নির্বাচন করতে চাইলে মানুষ এবার আর হতে দেয়া হবে না। তামাশার নির্বাচন এদেশে হতে দেয়া হবে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এগিয়ে নিতে হবে।

১৫ বছরে মামলা নির্যাতন করে দমিয়ে রাখা যায়নি।

বাঁধা দিলে জনগনের শক্তি দিয়ে অতিক্রম করা হবে।

১০ দফা দাবি আদায়ে আগামী ১১ই মার্চ সকল মহানগর ও জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা।

আমান উল্লাহ আমান:

আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন হবে না। শেখ হাসিনা নিরপেক্ষ না।  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে বিএনপি যাবে। 

নিজেদের প্রতি জনগণের সমর্থন নেই বলে সরকার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে ভয় পায়।

সরকারের পদত্যাগের দাবিতে জনগন রাজপথে নেমে এসেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

খন্দকার মোশারফ :

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে, সারাদেশে পদযাত্রা। কাজিরগা, যাত্রাবাড়ী। যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপি।

বিএনপি যেইদিন ই সমাবেশের ডাক দেয়,  সেইদিন ই আওয়ামীলীগ পাল্টা কর্মসূচি দেয়। তারা বিএনপিকে ভয় পায় বলেই কর্মসূচি দেয়।

এই সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে। জনগণের ভোটে না। 

যে দেশে গনতন্ত্র নেই, সে দেশে মানবাধিকার থাকতে পারে না। মানবাধিকার লংঘন করেছে এই সরকার।

তারা ভয় পায় বলেই মামলা দিয়ে নেতা কর্মীদের দমন করছে।

দ্রব্যমূল্য এমনভাবে বেড়েছে, সব মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। দেশের গরীব মানুষ আরো গরীব হয়েছে। মধ্যবিত্তরা গরীব হয়ে গেছে। লুটেরাদের হতে ওএমএস এর চাল দেয়ার দায়িত্ব পড়েছে।  আওয়ামী সিন্ডিকেটের হাতে পড়েছে ব্যাবসা। কাজেই দ্রব্যমূল্য আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এই সরকারকে বিদায় না করলে, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ হবে না। নির্বাচন ও সুষ্ঠু হবে না। মোশাররফ বলেন, ১০ দফা দাবি মেনে না নিলে, জনগন জানে কিভাবে বিদায় করতে হয়। সব নেতা কর্মীদের আন্দোলন সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:



৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে শোভাযাত্রা করছে আওয়ামী লীগ। 



২৩ জুন দলটির ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলেও যানজট এড়াতে শোভাযাত্রাটি ছুটির দিন শুক্রবার করেছে। এদিন বিকেল ৩টা থেকে রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে অস্থায়ী সমাবেশ মঞ্চে শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়।



এতে অংশ নেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দি, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।


ঢাকা মহানগরীর ১৫টি নির্বাচনী এলাকা, ৪১টি থানা এবং শতাধিক ওয়ার্ড থেকে অজস্র মিছিলের স্রোত এসে মিশেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে। ৫২ বছর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যেস্থানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল ঠিক সেই স্থান থেকেই শোভাযাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ।


দলের প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড এবং মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।



সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের সামনে রাস্তার উপর স্থাপিত মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সুজিত রায় নন্দী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, দক্ষিনের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফি, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।



ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি-জামায়াতসহ দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলের নেতারা।


 আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শোভাযাত্রায় দলীয় নেতাকর্মীসহ নেমেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের ঢল। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে একযোগে বিজয় শোভাযাত্রা করে মিলিত হয় সোহরাওয়ার্দীর সামনে। অজস্র মিছিলের স্রোতে দুপুর ২টার আগেই শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন মোড় পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।



প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ট্রাকে লাগানো মাইকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।


শোভাযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, সজিব ওয়াজেদ জয়ের ছবি সম্বলিত পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে হাজির হয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। 



একইসাথে লাল-সবুজ টি-শার্ট, ক্যাপ, শাড়ি পরে, হাতে নৌকা, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে, নেচে-গেয়ে জনতার স্রোত নামে রাজপথে।



আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতী লীগ, কৃষকলীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনায় অংশগ্রহণ করেন।


শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতাকর্মীরা নানা সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় দেখা মিলেছে দুটি হাতির। যা শোভাযাত্রায় আসা নেতাকর্মীদের বিশেষ দৃষ্টি কেড়েছে। হাতি দুটির ওপর দু’জন করে চারজন মাহুতকে দেখা গেছে।


দলীয় কোনো নেতাকর্মী হাতির পিঠে না চাপলেও হাতির মাথার সামনে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমের ছবি সম্বলিত পোস্টার। 



এছাড়া হাতির পিঠে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা বিশাল ব্যানার বাঁধা হয়েছে। সূত্র: বাসস


আরও খবর



রাজধানীতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র ৩ দিন বাকি। রাজধানীর পশুর হাটগুলো ধীরে ধীরে জমে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরবানির পশু আসতে শুরু করেছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত চলবে পশু বিক্রি।

গত বছর মাঝারি সাইজের গরুর বেচাকেনা বেশি ছিল। তবে এবার ক্রেতা মানেই নজর ছোট গরুতে। তবে খাসি ছোট-বড় সব সাইজেই বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, শুক্রবার থেকে কেনাবেচা ব্যাপক জমবে বলে বিক্রেতারা জানান। তারা বলছেন, এবার প্রতিটি খামারেই অনেক গরু রয়েছে। তাদের ধারণা চাহিদার চেয়ে এবার গরু বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)  ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও  ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার হাটগুলোতে দেখা যায়, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে গরু-ছাগল আসছে। 

তবে বেচাকেনা তেমন শুরু না হলেও ক্রেতাদের আনাগোনা রয়েছে। ক্রেতাদের অনেককে দর কষাকষি করতেও দেখা গেছে।

‘বিক্রেতারা আকাশচুম্বী দাম হাঁকাচ্ছেন। যার যেমন ইচ্ছে দাম চাচ্ছেন। ৮০ হাজার টাকার কমে কোনো গরু মিলছে না।’ ক্রেতারা এমন অভিযোগ করেছেন।

গাবতলী হাটে এসে এক ক্রেতা বলেন, ব্যাপারীরা গরুর দাম বেশি চাচ্ছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে আছি। বাধ্য হয়ে দেড় লাখ টাকার গরু এক লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হলো।

ব্যাপারীরা বলছেন, গরুর খাবারের দাম সম্প্রতি বেশ বেড়েছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে একটা গরু  ঢাকায় আনতে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচও হয়। তাই গরুর দাম একটু বেশি। গরুর দামের বিষয়ে ক্রেতাদের কোনো ধারণা নেই।

তারা বলেন, শুরু থেকেই ক্রেতার আগ্রহ দেখছি ছোট গরুতে। আজ অনেকে দেখে দাম-দর করে যাচ্ছেন। কাল তারাই কিনে নিয়ে যাবেন। কয়েকজন তো আগাম অর্ডার দিয়ে গেলেন।

গাবতলী হাটের ছাগলের শেডে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার ছাগলে ভরে গেছে হাট। দাম-দরে হরহামেশা বিক্রি হচ্ছে খাসি। বিশ্বাস স্থাপনের জন্য খাসির দাঁত বের করেও দেখাচ্ছে বিক্রেতারা। এবার ৬ হাজার টাকায়ও খাসি মিলছে।

এদিকে, এ বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বিশাল চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত সংখ্যক গবাদিপশু রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যানুযায়ী, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে এক কোটি ১০ লাখ কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে। 

এই চাহিদার তুলনায় দেশে এখন বাড়তি প্রায় আট লাখ পশু অর্থাৎ দেশে এখন প্রায় এক কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি পশু প্রস্তুত আছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




৬ই জুন বাজেট : শিক্ষায় বাড়ছে বরাদ্দ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

সদরুল আইন:

আগামী ৬ জুন প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ থাকছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ৩৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি বরাদ্দ আসছে।


 তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, বাজেটের আকারের সাথে বরাদ্দ বাড়লেও ইউনেস্কোর হিসেবে এখনও জিডিপির ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ।



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, বরাদ্দর চেয়ে গুণগত বাস্তবায়নে এবার জোর দেয়া হবে। আসছে অর্থবছরে গুরুত্ব পাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষক ও কারিকুলাম বাস্তবায়ন। সেইসাথে গুরুত্বের তালিকায় থাকবে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক খাত।


শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য বলছেন, বরাদ্দ যায় হোক বাস্তবায়নের গুরুত্ব দিতে হবে। এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ নতুন কারিকুলাম গুরুত্ব পাচ্ছে। গবেষণাও থাকবে অগ্রাধিকারে।


তিনি বলেন, বাজেট বাড়ালেই হবে না, সেটা কর্মমুখী করতে হবে। কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট যে সব দক্ষতা আছে, সেগুলো তৈরি করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, কারিকুলামের মান উন্নয়ন, উচ্চ শিক্ষায় জোর দেয়া হচ্ছে।   


প্রশ্ন ছিলো শিক্ষার সাথে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জুড়ে দিয়ে টাকার অঙ্ক বড় করে দেখানো হয়। মন্ত্রীর জবাবও ২২ মন্ত্রণালয় শিক্ষার সাথে কাজ করছে। 


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেগুলো কিন্তু এ হিসেবে দেখানো হয় না। আমাদের সাথে ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত। যেহেতু ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত সেখানে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ হয়ে থাকে। 


করোনাকালীন ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠেনি শিক্ষা খাত। সেই সাথে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ ছিলো সব উৎরে বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন গুরুত্ব পাবে বলছেন শিক্ষামন্ত্রী।


আরও খবর



কিশোর গ্যাংয়ের আশ্রয়দাতাদের তালিকা প্রস্তুত, শিগগিরই অভিযান

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজের প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরাই এসব গ্যাংকে আশ্রয় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।


 রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে কিশোর গ্যাংয়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজি এমনকি খুনের ঘটনার পর তৎপর হয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে শুরু হয় তাদের আশ্রয়দাতাদের সন্ধান।



র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাংয়ের আশ্রয় দাতাদের তালিকা প্রস্তুত হয়েছে। শিগগিরই এসব গ্যাং নির্মূলে অভিযান শুরু হবে।



আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কমিটির আগের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। আজকের বৈঠকে ওই কার্যবিবরণী অনুমোদন দেওয়া হয়।



বৈঠকে র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে, কিশোর গ্যাং সমাজের জন্য অ্যালার্মিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিশোর গ্যাং নির্মূলের জন্য অভিযান পরিচালনা করে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ছাড়া পেয়ে পুনরায় অপরাধকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।’


র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘কোথায় কোন কিশোর গ্যাং আছে, তাদের কারা আশ্রয় দিচ্ছে, তার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। অতি শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।’


এদিকে আজকের বৈঠকে আলোচিত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ‘হত্যা’ ও পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।


রাজধানীতে ছয় গ্যাং গ্রুপের ৫০ জন গ্রেপ্তাররাজধানীতে ছয় গ্যাং গ্রুপের ৫০ জন গ্রেপ্তার

কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সামছুল হক দুদু, ময়েজ উদ্দিন শরীফ, চয়ন ইসলাম, মো. সাদ্দাম হোসেন (পাভেল) এবং হাছিনা বারী চৌধুরী।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনা জাতিসংঘে তুলে ধরলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি বাংলা  ডিজিটাল ডেস্ক:



কক্সবাজার সীমান্তে এ দেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা জাতিসংঘে তুলে ধরল বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের যে কোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে প্রভাবিত না করে।


জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর অনুষ্ঠিত সংলাপে বিষয়টি অবহিত করা হয়। জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 



সংলাপে ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সাত বছর ধরে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান। 


জেনেভায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। 



এ বিষয়ে তিনি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের আত্তীকরণের জন্য তাদের জীবিকার ব্যবস্থা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। 



তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তার আহ্বান জানান। 



সংলাপের শুরুতে মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক কাউন্সিলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর একটি প্রতিবেদন পেশ করেন। তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ এবং রাখাইনে ঘৃণ্য যুদ্ধ-কৌশল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 


জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের এ অধিবেশন ১৮ জুন শুরু হয়েছে এবং আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24

কিম-পুতিন বৈঠক শুরু

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪