Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

খেলার মাঠের নাফিজা কামাল কুমিল্লার ভোটের মাঠে

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লার লালমাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ও বরুড়ার ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগ। নির্বাচনকে ঘিরে উদ্বেগ উৎকন্ঠায় ভোটারার।আর তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে নির্বাচন এলাকায় প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্ত ব্যবস্থা 

 কাল বৃহস্পতিবার  কুমিল্লার লালমাই উপজেলা পরিষদ সহ বরুড়ার উত্তর ও দক্ষিণ শিলমুড়ি ও দাউদকান্দির বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কুমিল্লার লালই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনসহ ৩টি ইউনিয়নপরিষদে আওয়ামীলীগের প্রতিদ্বন্ধি আওয়ামীলীগ।

 ইভিএম এর মাধ্যমে সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে কোন ধরনের বিরতি ছাড়েই বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দিনবারত পথসভার আর গ্রামের অলিগলিতে ভাইয়ের জন্য ভোট চাইলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ক্রিকেট টিমের চেয়ারপার্সন ও অর্থমন্ত্রীর কণ্যা নাফিসা কামাল। আর নাফিসা কামালকে ঘিরে ছাত্রজনতাসহ নির্বাচনে আমেজে সরগরম লালমাই উপজেলা। 

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ক্রিকেট টিমের চেয়ারপার্সন নাফিসা কামাল, আমি এ এলাকার মানুষকে বলছি নৌকায় ভোট দিয়ে ঠকবেন না। নৌকা মার্কা দেশের উন্নয়নের প্রতীক নৌকা। আমার ভাই নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তাই আমি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট চাইছি। এ এলাকার মানুষ তথা কুমিল্লার মানুষকে আমি আমার পরিবার মনে করি। তাই পরিবারের মানুষদের কাছে ভোট চাইছে। এ এলাকার মানুষের সাথে আমার বাবা লোটাস কামালের আত্নার সম্পর্ক। 

 লালমাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ৩জন। আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্ভন্ধিতা করছেন অর্থ  মন্ত্রীর ভতিজা জেলা যুবলীগের আহবায়ক সাবেক ভিপি শাহিনুল ইসলাম শাহিন। এই উপজেলায় আওয়ামীলীগের বিদ্রেহী স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মমিন মজুমদার (আনারস ), মো: হারুনর রশীদ মজুমদার( কাপ পিরিচ )

 আওয়ামীলীগের প্রার্থী শাহিনুল ইসলাম শাহিন (নৌকা) বলেন- আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।আমি লালমাইবাসীকে আশ্বস্ত করছি । আমার বোন নাফিসা কামাল ভোটের মাঠে আসায় নৌকার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

 আওয়ামীলীগের বিদ্রেহী স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মমিন মজুমদার (আনারস ) বলেন-হুমকি দমকি দিয়ে লাভ নেই। আনারসে যত কাটা তত রস। নির্বাচনে আনারসের কর্মীদের ওপর হামলা হলে কাটা খাবেন বললেন বিদ্রোহী প্রার্থী।

এদিকে কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার উত্তর শিলমুড়ি ইউনিয়নে নির্বাচনকে ঘিরে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামীলীগের সভাপতি বতর্মান চেয়ারম্যান মো: ইসহাক নৌকা ও আওয়ামীলীগের বিদ্যোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো: আবদুল সালাম আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ।

নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ নিয়ে আংশকায় ভোটারা। ভোটাররা বলছেন সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিষ্চিত করতে প্রশাসনে কাযকর পদক্ষেপ।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম বলেন- শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি সাধারণ ভোট কেন্দ্রে ১৪ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৬ জন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‌্যাব, আনসার বাটালিয়ান সহ বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এই নির্বাচনে কোন রকম অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মারুফ আহমেদ  বলেন- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় পুলিশের পাশাপশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি । সড়কগুলোতে বৃদ্ধি করা হয়েছে টহল ব্যবস্থা। নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দিন মোট ৫দিন অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। 

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৫৭ কেন্দ্রে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইউজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১৫৭২১৮ জন। বারপাড়া ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রের ৫১ টি কক্ষে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১৭,০৭৭ জন। বরুড়ার শিমুড়ি উত্তর ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রের ৪৭ টি কক্ষে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১৫,৫৫২ জন। বরুড়ার শিলমুড়ি ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রের ৬৪ টি কক্ষে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ২২,৩২৫ জন।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খোঁজার আহ্বান শেখ হাসিনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (এমএসসি)-২০২৪ এর সাইডলাইনে হোটেল বেইরিশার হফে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলেন, আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে। আজ জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় তিনি বারবার আলোচনা করেছেন যে, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যরা যুদ্ধের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ যুদ্ধে জড়িত দেশগুলোর জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং তাদের জনগণকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশবাসীর দুর্ভোগের কথা এবং তিনি নিজেও তার মুখোমুখি হওয়ার স্মৃতি স্মরণ করেন, জানান হাছান মাহমুদ।

তিনি যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশায় তার অমানবিক কষ্ট এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি-'সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বিদ্বেষ নয়'- প্রধানমন্ত্রী এবং জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় প্রধানত উঠে এসেছে বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভিত্তি পেয়েছিল, তাতে কোনো বাধা আসবে না। রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।

তিনি বলেন, আমরা শুধু আলোচনা করেছি, কীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা যায়।

ব্রিফিংকালে জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নূরেলাহী মিনা উপস্থিত ছিলেন।

দিনভর শেখ হাসিনা একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মিউনিখে পৌঁছান। সফর শেষে শেখ হাসিনা আগামীকাল রোববার ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে মিউনিখ ত্যাগ করবেন এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


আরও খবর



ধামরাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার)

ঢাকার ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নের ৮১ নং নান্নার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটি বিলুপ্ত না করেই নতুন কমিটি প্রকাশ করার চেষ্টা করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। 

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, ২০২১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচিত হয়। সে কমিটি সফল ভাবেই বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিলো। ২০২৪ সালে পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত না করে কোন ধরণের আহ্বায়ক কমিটি তৈরি না করে নতুন কমিটির নাম উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিটি অনুমোদিত হওয়ার পূর্বেই ক্রীড়া প্রতিযোগি তার অনুষ্ঠানের দাওয়াতপত্রে

নতুন কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।

স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, পূর্বের কমিটির ৪ জনের সাথে নতুন ৭ জনকে যুক্ত করে কমিটি করা হয়েছে। পূর্বের কমিটির দু একজনের সন্তান এখন এই স্কুলে পড়ে না তাই তারা সদস্যপদ হারিয়েছেন। 


এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবর নতুন কমিটির প্রস্তাব করা হয়েছে। পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়নি কোন আহ্বায়ক কমিটি করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মধ্যস্থতার মাধ্যমে এ কমিটি সৃষ্টি করা হয়েছে, কমিটি এখনও অনুমোদিত হয়নি।

নতুন কমিটির সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি গতবার সভাপতি ছিলাম এবারও সকলেই আমাকে সভাপতি বানিয়েছেন। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ ছিলো না। কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকার গণ্যমান্য সকলে মিলেই আমাকে সভাপতি বানিয়েছেন।

এবিষয়ে ধামরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাজমুন্নাহার বলেন, এভাবে নিয়মবহির্ভূত ভাবে নতুন কমিটি করা যাবে না। বিদ্যালয়ের কমিটি করতে হলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও অভিভাবক ও পূর্বের কমিটির উপস্থিতি রাখতে হয়। কেন এমন অসামঞ্জস্যতা দেখা দিলো তা বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



নিয়ম-নীতি না মেনে গভীর নলকূপ এলাকায় অ-গভীর নলকূপ স্থাপনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রায় ৩ যুগ আগে স্থাপিত গভীর নলকূপের সেঁচ কমান্ডিং এলাকায় অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ চালিত অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপনের অভিযোগ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ঐ অবৈধ অ-গভীর নলকূপ এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও মাত্র ৩ দিন পরই ফের পূণঃ সংযোগ দেয়া হয়। এনিয়ে গভীর নলকূপ এর সেঁচ এলাকার চাষিদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। 

অবৈধ অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ মালিকের খুঁটির জোর কোথায় তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চাঁন্দাশ ইউনিয়ন এর পন্ডিতপুর গ্রামের অফেল বর্ম্মণের ছেলে শ্রী কর্ণেক বর্ম্মণ অভিযোগ করেন যে, পন্ডিতপুর মৌজায় ১৯৯০ সালে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ বিস্তর সরকারি টাকা ভর্তুকি দিয়ে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন। গত ৩ যুগ থেকে এই গভীর নলকূপের আওতায় আনুঃ ৩শ একর জমিতে সেঁচ দিয়ে আসছেন। উপকার ভোগী কৃষকদের নিয়ে সমিতি গঠন করে স্বল্প ব্যয়ে সেঁচ দেয়া হয়। কিন্তু সম্প্রতি একই মৌজায় ঐ গ্রামের পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণের স্ত্রী কামনা রাণী একটি বিদ্যুৎ চালিত অ-গভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপন করে গভীর নলকূপের আওতাভূক্ত জমিতে অবৈধ ভাবে সেঁচ দিচ্ছেন। অগভীর নলকূপের আশে পাশের চাষিদের এখান থেকে পানি নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে চাষিদের সেঁচ বাবদ গভীর নলকূপের চেয়ে অতিরিক্ত বেশি টাকা দিতে হচ্ছে কৃষকদের। এছাড়া গভীর নলকূপের সেঁচের আওতায় জমি কমে যাওয়ায় গভীর নলকূপ পরিচালনাকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে গভীর নলকূপ স্থাপন ও পাকা ড্রেন তৈরি করলেও অবৈধ অ-গভীর নলকূপ থেকে একই এলাকায় ফিতা পাইপ ও কাঁচা ড্রেন খনন করে সেঁচ দেয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় হচ্ছে। এভাবে বেশিদিন চললে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে এলাকা মরুকরণের দিকে যাবে। 

তিনি অভিযোগ করেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কামনা রাণীর নামে পন্ডিতপুর মৌজার ৩১৫ দাগে বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ এস'টি'ডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন দেয়। এখান থেকে গভীর নলকূপের দূরত্ব মাত্র ৭' ফুট। অথচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ক্ষুদ্রসেঁচ নীতিমালা ২০১৪ এর ধারা ৫.৩.১ (ঙ) ২ অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপ থেকে অ-গভীর নলকূপের দূরত্ব কমপক্ষে ১৭শ' ফুট হতে হবে। এছাড়া বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ ৩১৫ দাগে অ-গভীর নলকূপটি স্থাপনের অনুমোদন দিলেও এর বোরিং করা হয় এর থেকে বেশ কিছু দূরে ৩১৯ দাগে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়মানুযায়ী কোন বিদ্যুৎ খুঁটি থেকে ১৩০ ফুটের বেশি দূরত্বে সংযোগ দেয়া যায়না। ৩১৫ নং দাগে বোরিং করা হলে তা ২০০ ফুটের বেশি দূরত্বে হতো। তাই ৩১৯ দাগে এটি খনন করা হয়। বিএমডিএ এর নিয়মানুযায়ী অনুমোদিত স্থান স্থানান্তরের কোন বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই অন্য দাগে খনন করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারাও অবৈধ ভাবে ৩১৫ দাগের পরিবর্তে ৩১৯ দাগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। 

শ্রী কর্ণেক বর্ম্মণ গত ১৪ জানুয়ারি এব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কতৃপক্ষ মহাদেবপুর জোনের সহকারি প্রকৌশলী ইমাদাদুল হক ১৬ জানুয়ারি ঐ অবৈধ অ-গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মহাদেবপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বরাবর পত্র দিলে অবৈধ অ-গভীর নলকূপের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিএমডিএ এর সহকারি প্রকৌশলী তার পত্রে উল্লেখ করেন যে, ১৯৯০ সালে স্থাপিত গভীর নলকূপ থেকে মাত্র ১০৫০ ফুট দূরে ওই অ-গভীর নলকূপটি স্থাপন করা হয়েছে যা সমন্বিত ক্ষুদ্র সেঁচ নীতিমালা ২০১৯ এর পরিপন্থি। ঐ অ-গভীর নলকূপের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই ও সঠিক দাগ নম্বরে স্থাপন করা হয়নি। বর্তমান দাগ ও খতিয়ান নং সঠিক নয়। বিধিবহির্ভূতভাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া একই কমান্ডিং এরিয়ায় অযাচিতভাবে দু'টি সেঁচ যন্ত্র স্থাপন করার কোন প্রয়োজন নাই। এতে পানি ব্যবহার নিয়ে কৃষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও অসন্তোষ সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। বিধিবহির্ভূতভাবে অন্য দাগে স্থাপন, সেঁচ নালা স্থাপন ইত্যাদি কর্মকান্ড সেঁচ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম। সার্ভিস ড্রপ তার টেনে অনুমোদিত ভাবে এস'টি'ডব্লিউ স্থাপন ভূগর্ভস্থ পানি নীতিমালার পরিপন্থি। 

নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঐ সংযোগটি সে-সময় বিচ্ছিন্ন করলেও মাত্র ৩ দিন পর ফের পূণঃসংযোগ দেয়।

বিষয়টি জানতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিএমডিএ এর মহাদেবপুর অফিসে গিয়ে জানা যায় সহকারি প্রকৌশলী ছুটিতে আছেন। তার দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারি প্রকৌশলী এবাদুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গত বছরের নতুন সার্কুলার অনুযায়ী একটি গভীর নলকূপ থেকে এস'টি'ডব্লিউ এর দূরত্ব হবে কমপক্ষে ১৫৫০ ফুট হতে হবে। পন্ডিত পুরের এস'টি'ডব্লিউটি এর চেয়ে কম দূরত্বে রয়েছে। বিষয়টি সংশোধন করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। 

এব্যাপারে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কামনা রাণীর স্বামী পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদকর্মীদের কিছু বলতে রাজি হননি। 

জানতে চাইলে, নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মহাদেবপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রবিউল আলম ৩১৯ দাগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, কাগজে কলমে ৩১৫ দাগ থাকলে তার কর্মীরা সে দাগেই বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কিন্তু অগভীর নলকূপটি যে ৩১৯ দাগেই খনন করা হয়েছে তা তিনি মানতে নারাজ।

উপজেলা সেঁচ কমিটির সভাপতি ও মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল হাসান সোহাগ জানান, যে সব জায়গায় অনিয়ম হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পন্ডিতপুরে গভীর নলকূপের কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে অবৈধভাবে অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়ে থাকলে সেটাও সংশোধন করা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে অসংখ্য গভীর নলকূপের কমান্ডিং এরিয়ায় বিদ্যুৎচালিত অগভীর নলকূপ এসটিডব্লিউ স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। এনিয়ে এলাকার চাষিদের মধ্যে চরম বিরোধ চলে আসছে। এনিয়ে দলাদলী, মারামারি সংঘটিত হয়েছে। উদ্ভব হয়েছে অসংখ্য মামলা মোকদ্দমার। সচেতন মানুষ এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে অবৈধ ও অপ্রয়োজনীয় সেঁচযন্ত্র বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।


আরও খবর



রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেমে নেই জান্তা সরকার। রাখাইনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী ও আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে এই জান্তা সরকার। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতীর প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

মিয়ানমার বর্তমানে নজিরবিহীন জাতিগত বৈষম্য ও নিপীড়নে জর্জরিত। দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের তিন বছরের মাথায় সম্প্রতি দেশটির জান্তা সরকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সশস্ত্র প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের যোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে দিশেহারা জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহী জোটের অন্যতম সদস্য আরাকান আর্মি (এএ) এই মুর্হূর্তে রাখাইন রাজ্যের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই অব্যাহত রেখেছে।

এই রাজ্যে আরাকান আর্মির কাছে বিপর্যয়কর পরাজয়ের শিকার হয়েছে জান্তা সেনারা। বিষয়টি সহজে মেনে নিতে পারছে না তারা। আর এই কারণেই তারা জাতিগত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। মিয়ানমারের পুরানো রাজধানী শহর ইয়াঙ্গুন ও অন্যতম বড় শহর মান্দালয়সহ একাধিক শহরে জাতিগত রোহিঙ্গাবিরোধী পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। এসব পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে জাতিগত রোহিঙ্গাদের বয়কটের আহ্বান জানানো হচ্ছে। রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকানপাট, হোটেল-রেস্তোঁরায় না যেতে বলা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এইসব শহরে যেসব জাতিগত রোহিঙ্গা বসবাস করেন তাদেরকে তাদের নিজ রাজ্য রাখাইনে ফিরে যেতে বলা হচ্ছে।

স্থানীয় অধিবাসীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) থেকে ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ের মতো শহরগুলোতে জাতিগত রোহিঙ্গা মালিকানাধীন দোকান ও রেস্তোঁরার সাইনবোর্ডে বা রাস্তার ল্যাম্পপোস্ট ও বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার দেখা যায়। ইয়াঙ্গুনে একটি ল্যাম্পপোস্টে লাগানো একটি পোস্টারে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী আরাকান আর্মিকে (এএ) নিন্দা জানাতে রাখাইনের রোহিঙ্গা মালিকানাধীন যেকোনো ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান এড়িয়ে চলুন।

বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ মিয়ানমার। দেশটিতে কমবেশি ১৩৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বা জাতির বসবাস। এরমধ্যে প্রধান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী বামার। অন্য জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান, কারেন, মন, ওয়া ও রাখাইন বা রোহিঙ্গা উল্লেখযোগ্য। বামাররা বার্মান বা বর্মী নামেও পরিচিত।

আদমশুমারিতে বর্মীদের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ৬৮ শতাংশ বলে দেখানো হয়। অন্যান্য জনগোষ্ঠী আরও ৩২ ভাগ। শাসকদল আর সেনাবাহিনীতেও বর্মীদের সংখ্যা ও প্রভাব সবচেয়ে বেশি। সেই প্রভাব ধরে রাখার লক্ষ্যেই অন্যান্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন ও নিধন চালানো হয়। আর এ দমনপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো থেকেই শুরু জাতিগত সংঘাত।

অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে প্রায়ই জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর কৌশল বেছে নেয় সংখ্যাগুরু শাসকগোষ্ঠী। মিয়ানমারে গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কমায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিগত বিদ্বেষ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। যার প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংঘটিত হয় এবং ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। দেশটিতে জাতিগত বিদ্বেষকে রীতিমতো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হয়েছে। শুধু সেনাশাসকরাই নয়, বেসামরিক গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও জাতিগত বিদ্বেষ সব মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। যা বিভিন্ন সময় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে ভয়াবহ উদ্বেগ হিসেবে উঠে এসেছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকে বর্ণবাদী ও জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। এর জন্য গণতন্ত্রকামী নেত্রী ও শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নেত্রী অং সান সুচিকেও দায়ী করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সু চির সরকারকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করে রাষ্ট্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের নির্মমভাবে দমন করা হয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ভয়াবহ বলপ্রয়োগ ও দমন-নিপীড়নের ঘটনায় হাতে অস্ত্র তুলে নেন গণতন্ত্রকামীরা। গড়ে তোলেন সশস্ত্র প্রতিরোধ।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলো ভারত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশেও সরকারিভাবে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। সোমবার দেশটির ইংরেজি দৈনিক ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।


পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতির এই বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় এক কর্মকর্তা বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক উদ্দেশে সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি নয়াদিল্লি।

দেশটির সরকার কী পরিমাণ পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য ওই কর্মকর্তা জানাতে পারেননি বলে জানিয়েছে ইকোনমিক টাইমস।

বাংলাদেশ ছাড়াও অন্য যেসব দেশে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত, সেসব দেশ হলো নেপাল, ভুটান, বাহরাইন এবং মৌরিশাস।

এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে দেশের বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দিষ্ট পরিমাণে পেঁয়াজ ও চিনি রপ্তানি করতে ভারতের সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি লেখে বাংলাদেশ সরকার।

বিশ্ব বাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঁয়াজ রপ্তানিকারক ভারত। গত বছরের ডিসেম্বরে স্থানীয় বাজার স্থিতিশীল রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটির সরকার। জাতীয় নির্বাচনের আগে ভারতের বাজারে ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দফায় আগামী মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ায় দেশটি।

রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে দেশটির সরকার প্রথমে পেঁয়াজের ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। তারপরও আশানুরূপ ফল না মেলায় পেঁয়াজের রপ্তানি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে ভারত।

রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বলবৎ রাখার বিষয়ে সুপারিশ করার আগে ভারতের সরকারি কর্মকর্তাদের একটি দল চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন করেন।

সূত্র: ইকোনমিক টাইমস।


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪