Logo
শিরোনাম

খোলা বাজারে ডলার ১১৯ টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : মতিঝিল এলাকার মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে এখন ডলার নেই। তবে তারা গ্রাহকদের কাছে সময় নিয়ে প্রতি ডলার ১১৯ টাকায় বিক্রি করছেন। আজ খোলা বাজারে ডলার ব্যবসায়ী ও মানি এক্সচেঞ্জের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বেশিরভাগ মানি এক্সচেঞ্জেই এখন নগদ ডলারের সংকট। মানুষ বিক্রির চেয়ে কিনছেন বেশি। এদিকে এতদিন যারা রাস্তায় ডলার কেনাবেচা করতেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের ভয়ে তারাও সরাসরি কেনাবেচা করছেন না।

ডলারের কারসাজি রোধে খোলা বাজার ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহ পর্যন্ত কারসাজির অপরাধে পাঁচটি মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি ৪২টিকে শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করায় ৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলা হয়েছে।

মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার খোলা বাজারে বুধবার নগদ ডলার কিনতে গ্রাহককে গুণতে হচ্ছে ১১৮ থেকে ১১৯ টাকা। সোমবার যা ছিল ১১৪ থেকে ১১৫ টাকা। খোলা বাজারে সাধারণ গ্রাহক বিক্রি করলে প্রতি ডলারে পাচ্ছেন ১১৫ টাকা থেকে ১১৬ টাকা।

ডলারের এই সংকট শুধু খোলা বাজারে নয়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও ১০৮ থেকে ১১০ টাকার ওপরে নগদে ডলার বিক্রি হচ্ছে।

যদিও গত সোমবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হয়েছে ৯৫ টাকা। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক ওইদিন সরকারি আমদানি বিল মেটাতে ৯৫ টাকা দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে। নিয়ম অনুযায়ী এটাই ডলারের আনুষ্ঠানিক দর।



আরও খবর

স্বর্ণের দাম কমেছে

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




পাকিস্তানের প্রশংসা কোহলির মুখে

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : অর্ধশতরান করেছেন বিরাট কোহলি। তবুও এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তানের কাছে হেরে গেছে ভারত। দলের এ হারের জন্য কোনো ক্রিকেটারকে দোষ দিতে চাইলেন না কোহলি। ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত বেছে নিয়েছিলেন ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক। রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে দুবাইয়ের মাঠে বাবর আজমদের বিপক্ষে নিজে অর্ধশতরান করেও দলকে জেতাতে পারলেন না কোহলি।

সংবাদ সম্মেলনে কোহলি বলেছেন, ‘মোহাম্মদ নেওয়াজের ইনিংসটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল। ওকে আগে পাঠিয়ে একটা চমক দেখাল পাকিস্তান, যাতে পরের দিকে পরিস্থিতি কঠিন হলে তাদের হাতে উইকেট থাকে। সবাই বাবর বা রিজওয়ানের থেকে বড় ইনিংসের প্রত্যাশা করে। নেওয়াজ যদি ১৫-২০ রানের ইনিংস খেলত, তা হলে কিছু হতো না। কিন্তু তিনি ৪২ রানের ইনিংস খেলেছে। এ রকম একটা ইনিংস ম্যাচে প্রভাব ফেলতে বাধ্য। বিশেষত এ রকম টান টান উত্তেজনার ম্যাচে। ওর ইনিংস থেকেই আমাদের ওপর চাপ শুরু হয়।

ম্যাচের ১৯তম ওভারে লোপ্পা ক্যাচ ফেলায় গোটা দেশের কাছে খলনায়ক হয়ে গিয়েছেন অর্শদীপ সিংহ। নেটমাধ্যমে সমালোচনা চলছে তার। তবে সতীর্থের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোহলি। বলেছেন, ‘চাপের মুখে যেকোনো খেলোয়াড়ই ভুল করে। এ রকম একটা বড় ম্যাচ, এত কঠিন পরিস্থিতি। আমার মনে আছে, একবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলাম। সেই প্রথম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা। শহীদ আফ্রিদির বলে একটা খারাপ শট মেরেছিলাম। ভোর ৫টা পর্যন্ত জেগেছিলাম। 

ভারতের সাবেক এই অধিনায়কের মতে, ‘এখন আমাদের দলের পরিবেশ অনেক ভালো। আবার যখন সবাই একসঙ্গে হব, হাসাহাসি করব, সেটা দেখে অর্শদীপ নিশ্চয়ই অনেকটা চাপমুক্ত হবে। আমি দল পরিচালন সমিতিকে কৃতিত্ব দেব। ওরা এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছেন, যেখানে কেউই ব্যর্থতায় ডুবে যায় না। নতুন উদ্যমে ফিরে আসে। এ রকম পরিবেশে যেকোনো ক্রিকেটার চাইবে। আবার সুযোগ আসুক। তখন সে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে দেবে।

সূত্র : আনন্দবাজার


আরও খবর

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুকুট নিয়ে আজ ফিরছে বাঘিনীরা

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২




শেখ রেহানার জন্মদিন আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা  ও  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার ৬৮তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৫ সালের এ দিনে (১৩ সেপ্টেম্বর) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের শোকাবহ এই কালোদিবসে সূর্য ওঠার আগে খুব ভোরে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। বর্বর এ হত্যাকাণ্ডের সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে জার্মানিতে থাকায় বেঁচে যান শেখ রেহানা। সেখান থেকে ভারতে চলে যান দুই বোন। পরে শেখ রেহানা পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার পর থেকে সেখানেই বসবাস করছেন তিনি।

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। তবে দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়েও কখনো সক্রিয় রাজনীতিতে জড়াননি শেখ রেহানা।

২০০৭-০৮ সালে ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে জরুরি অবস্থা চলাকালে শেখ হাসিনা কারাবন্দি হয়েছিলেন। সে সময়ও শেখ রেহানা তার বোনের মুক্তি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পর্দার আড়ালে থেকে দলের ঐক্য বজায় রাখতে লন্ডন থেকেই তিনি ব্যাপক তৎপরতা চালান। ওই দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের সাহস জোগান তিনি। রাজনীতিতে না জড়ালেও জনহিতৈষী কাজেও সবসময় ভূমিকা রেখে আসছেন শেখ রেহানা। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শফিক আহমেদ সিদ্দিক ও শেখ রেহানা দম্পতির তিন ছেলেমেয়ে। তাদের মধ্যে বড় মেয়ে রেজওয়ানা সিদ্দিক টিউলিপ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লেবার পার্টির একজন সংসদ সদস্য। ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত। আর ছোট মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক লন্ডনে কন্ট্রোল রিস্কস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের গ্লোবাল রিস্ক অ্যানালাইসিস সম্পাদক।


আরও খবর



রাঙ্গামাটি মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি ঃ

রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নকে বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশনের সদস্য পাওয়া হচ্ছে শুধু সময়ের ব্যাপার বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারী ওয়াজিউল্লাহ ভাই। তিনি বলেন আইনেই আছে তারা ট্রাক শ্রমিক ফেডারেশনের সদস্য হবে শুধু তাদের গঠণতন্ত্রের কয়েকটি ধারা শুধু সংশোধন করা হলেই কিছু দিনের মধ্যে তাদের সদস্য পদ দেয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করা হবে।

আজ রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের বিশেষ সাধারণ সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এই কথা বলেন। 

রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ এ, টি,এম হাসমতউল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম, রাঙ্গামাটি শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক উপদষ্ঠা মোঃ আবুল হাসেম, রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কিশোর চৌধুরী, বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও এ্যাডভোকেট মোঃ জাহিদুল ইসলাম (জাহিদ), সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবু সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। 

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। 

উদ্বোধক আরো বলেন, শ্রমিক সংগঠনের অনেক গুলো নিয়ম রয়েছে যে নিয়ম গুলোর মধ্যে যে কোন সংগঠন তাদের দায়িত্বকতব্য পালন করবে তারই এই সংগঠনের সদস্য পদ পাবে। তিনি বলেন, জেলায় কখনো শাখা সংগঠন থাকতে পারে না। জেলা থাকবে জেলা সংগঠন। উপজেলায় বা ইউনিয়নে শাখা সংগঠন থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শ্রমিকদের উন্নয়নে রাঙ্গামাটি জেলা শ্রমিকলীগ সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। গতো করোনার সময় প্রতিটি শ্রমিকের ঘরে ঘরে দীপংকর তালুকদারের নির্দেশে খাবার পৌছে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারী দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি শ্রমিক সংগঠনের নামে চাঁদা বাজী করে তাহলে শ্রমিকলীগ তা কখনোই মেনে নেবে না। শ্রমিক সংগঠনের আইনে যা আছে তাই দিয়েই একটি শ্রমিক সংগঠন চলবে। রাঙ্গামাটি জেলা মিনিট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়ন যাতে ট্রাক শ্রমিক সংগঠনে রূপান্তর হয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পায় তার জন্য দীপংকর তালুকদারের সুপারিশ লাগলে তাও ব্যবস্থা করে দেয়া হবে বলে তিনি সভায় উল্লেখ করেন।

সভায় বক্তারা রাঙ্গামাটি জেলা মিনি ট্রাক ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন ধারা ও জারি কৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ইউনিয়নের নামের পরিবর্তন ও সংবিধানের ৩০ ধারা মোতাবেক ইউনিয়নকে বাংলাদেশ  ট্রাক চালক শ্রমিক ফেডারেশন এর সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত  করার দাবি জানায়।


আরও খবর



মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা বাস মালিক সমিতির প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

 এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক :  

 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা ও মোংলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের  প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা করেছেন বাস মালিকেরা।

বুধবার দুপুরে কেয়ার বাজার সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সভায় মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা ও মোংলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শামীম আহসান পলাশ বলেন, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা রুটে বাস চলাচল কখনও বন্ধ ছিলোনা। একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টায় সমিতির ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করেছে। মূলত কিছু বাস মালিকরা দিনদিন লোকসানের ঘানি টেনে হিমসিম খেয়ে ব্যক্তিগত কারনে তাদের বাস আপাতত রুটে বন্ধ রেখেছে। এটিকে ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে একটি স্বার্থনেস্বীমহল সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অপপ্রচার করছেন।  


  এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বাস মালিক সমিতির সদস্য ও মালিকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। এ ঘটনা তারা তীব্র নিন্দা ও জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে এ প্রতিবাদ সভা থেকে তেলের দাম কমানো, যত্রতত্র ইজিবাইক-অটোভ্যান ও নছিমনে দূর-পাল্লার যাত্রী নিয়ে চলাচলের বন্ধেরও দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের প্রতি।  

এ প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তাব্য রাখেন মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা মিনিবাস শ্রমীক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. একরামুল কবির কিছলু, বাস মালিক সমিতির কোষাদক্ষ্য মো. জামাল হোসেন, সাবেক কোষাদক্ষ্য সঞ্জিব পোদ্দার, সদস্য মো. জাহিদ খান, রিয়াজ খান সহ একাধিক বাস মালিকেরা। 


আরও খবর



অনিবন্ধিত ক্লিনিক আর থাকছে না

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

দেশের কোথাও কোনো অনিবন্ধিত ক্লিনিক না রাখার ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির বলেছেন, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সরকারি বলেন আর বেসরকারি বলেন একটি ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা যদি না থাকে, সেই প্রতিষ্ঠান মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করবে সেটা আমরা সহ্য করতে পারব না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) ইউএসএআইডির ‘মামনি’ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় (ইপিআই) এই কর্মশালায় তিনি একথা বলেন ।

অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির বলেন, ‘অনিবন্ধিত ক্লিনিক এবং যারা প্রতারণা করছে স্বাস্থ্যসেবার নামে সেগুলো কিন্তু প্রায় সবই বন্ধ করে দিয়েছি এবং বলেছি যে অনিবন্ধিত কোনো ক্লিনিক বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। এটি একটি খুবই প্রিমেটিভ কাজ, তবে তার মানে এই নয় আমরা খুব ভালো কাজ করে ফেলেছি। যদি কেউ নিবন্ধন নম্বর তাদের প্রতিষ্ঠানে না টাঙিয়ে রাখেন তাহলে অনিবন্ধিত হিসেবেই ধরে নেওয়া হবে।

ডা. আহমেদুল কবির আরো বলেন, আমরা আপনাদের খুব স্ট্রং মেসেজ দিতে চাই। আপনাদের জেলায় কোনো অনিবন্ধিত ক্লিনিক থাকতে পারবে না। এটি একটি পরিষ্কার বার্তা। অনিবন্ধিত ক্লিনিকের অস্তিত্ব বাংলাদেশের মাটিতে থাকতে পারবে না। প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালী হোক। দ্বিতীয়ত নিবন্ধিত ক্লিনিক মানেই মানুষের সেবা করছে, সেটাও বলার সুযোগ নেই। এরই মধ্যে আমি হাসপাতাল শাখার পরিচালককে বলেছি, স্বাস্থ্যসেবার ক্যাটাগরাইজেশন করার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড সেটআপ তৈরি করতে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২