Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

কি ভাবে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে ?

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নাকে ও মুখে ব্ল্যাকহেডস নিয়ে অনেকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল, ক্লিনিং, স্ক্র্যাবিং অনেক কিছুই হয়তো করে থাকেন আপনি, তবুও এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলছে না। অন্য ত্বকের চেয়ে তৈলাক্ত ত্বকে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এখানে অ্যাকনে, পিম্পল, হোয়াইটহেড ও ব্ল্যাকহেডের সমস্যা থাকে।

তবে মাত্র ৩টি উপাদান (কলা, ওটসের গুঁড়ো ও মধু) দিয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন স্ক্রাব, যা ব্ল্যাকহেডস দূর করতে খুবই কার্যকর। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

জেনে নিন কীভাবে স্ক্র্যাব তৈরি করবেন:

প্রথমে একটা কলা ভালো করে চটকে (পেস্ট) নিতে হবে। এরপর এর মধ্যে ২ চামচ ওটসের গুঁড়ো মিশিয়ে তার সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে ভালো করে মিশ্রণটি তৈরি করে নিন। ওটস আমাদের মুখের মৃত কোষ দূর করতে এবং মুখের ময়লা দূর করতে সাহায্য করে।

মিশ্রণটি তৈরি হয়ে গেলে ভালো করে মুখে মাখুন। মিনিট দশেক ধরে হালকা হাতে স্ক্র্যাবিং করুন। স্ক্র্যাবিং হয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ব্ল্যাকহেডসের এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন।


আরও খবর

বালুচরে শীতের পাঞ্জাবি-কটি

বুধবার ২০ ডিসেম্বর ২০23




তুরাগ তীরে ছুটছেন লাখো মুসল্লি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গাজীপুরে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে চলছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। আজ শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। এখানেই একটু পর অনুষ্ঠিত হবে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ।

দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লির উপস্থিতিতে ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আসকার আর আল্লাহু আকবর ধ্বনিতে এখন মুখর টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরের বিশ্ব ইজতেমা ময়দান।

দুপুর দেড়টায় কাকরাইলের মুরুব্বি মাওলানা জোবায়ের দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজে ইমামতি করেন।

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান জানিয়েছেন, সকালে পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলারের আমবয়ানের মধ্য দিয়ে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত ইজতেমা শুরু হয়েছে।  তালিম শুরু করেছেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। এরপরই জুমার নামাজের প্রস্তুতি শুরু করা হবে। শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ান মাওলানা জুবায়ের।

জুমার নামাজের পর বয়ান করবেন জর্ডানের মাওলানা, আছরের নামাজের পর বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা জুবায়ের ও মাগরিবের পর ভারতের মাওলানা আহমদ লাট বয়ান করবেন বলেও জানিয়েছেন হাবিবুল্লাহ রায়হান।

এদিকে বৃহত্তম জুমার নামাজে অংশ নিতে তাবলীগের মুসল্লি ছাড়াও গাজীপুর ও আশপাশের জেলা থেকে বৃহস্পতিবার রাতেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিরা এসেছেন। আজ (শুক্রবার) ভোর থেকে মুসল্লিদের দল আসছেন ইজতেমা ময়দানের দিকে।

ইতোমধ্যে ১৬০ একরের পুরো ইজতেমা ময়দান ভরে গেছে। মুসল্লিরা কামারপাড়া, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ আশপাশের অলি-গলিতে অবস্থান নিয়েছেন।

তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিরোধী পক্ষ মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি। চারদিন বিরতির পর সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি। শুক্রবার ফজর নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে।

বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মাহবুব আলম জানিয়েছেন, ইজতেমায় গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের ছয় হাজার সদস্যের পাশাপাশি র‌্যাব, ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ এবং পোশাকে ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

এবারের ইজতেমায় এ পর্যন্ত তিনজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার দুজন ও বৃহস্পতিবার একজন মুসল্লির মৃত্যু হয়। তারা হলেন- ইউনুছ মিয়া (৬০), জামান (৪০) ও আব্দুস সাত্তার (৭০) । এদের মধ্যে ইউনুছ মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানায়, জামানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এবং আব্দুস সাত্তারের বাড়ি নেত্রকোণা জেলায়। তিনজনই বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




পাকিস্তানে সরকার গঠন কোন পথে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও ইমরান খান আগামী সরকার গঠনের দাবি করেছেন। তবে বিশৃঙ্খলা ও মেরুকরণ এড়াতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ক্ষমতাধর সেনাপ্রধান। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে পাকিস্তানের সংকট ও অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে।

২৬৫ আসনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ২৫৬ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ইমরান খানের দল পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি ৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছেন। আসনসংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন পেয়েছে ৭৩টি আসন। তৃতীয় স্থানে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। এ ছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৩৩টি আসন। দেশটিতে এবার সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৩৪টি আসনে জয়লাভ।

সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর খান জানিয়েছেন, তারা পিএমএল-এন ও পিপিপির সঙ্গে জোট গড়বেন না। অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরুর কথা জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্র ও প্রাদেশিক সরকার গঠনের লক্ষ্যে এই আলোচনায় ব্যারিস্টার গহর খানের সঙ্গে থাকবেন আসাদ কায়সার, আলি মুহাম্মদ খান প্রমুখ।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, কেন্দ্র ও পাঞ্জাবে সরকার গঠনে সম্মত হয়েছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মোহসিন নাকভির বাড়িতে পিপিপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পিপিপি নেতা আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে ওই বৈঠকে পিএমএল-এন নেতা নওয়াজ শরিফের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ৪৫ মিনিট স্থায়ী ওই বৈঠকে উভয় দল তাদের মতামত পরবর্তী বৈঠকে তুলে ধরতে সম্মত হয়েছে।

তবে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা পিএমএল-এন নেতা শহিদ খাকান আব্বাসি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, নওয়াজ শরিফের পরামর্শ মতো পিটিআইকে বাদ দিয়ে জোট সরকার গঠন করা হলে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা ও অসন্তোষ বাড়বে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাসি বলেন, এসব নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে মারাত্মক সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ফলে মানুষের চোখে তাদের কোনো বিশ্বাস যোগ্যতা থাকবে না। বৈধতা পাওয়ার একমাত্র উপায় হলো ইমরান খানকে যুক্ত করা। ইমরানকে বাদ রেখে যে কোনো সমাধান কাজে আসবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এস্টাবলিশমেন্ট কি সেটা গ্রহণ করবে?

আব্বাসি এস্টাবলিশমেন্ট বলতে সেনাবাহিনীকে বুঝিয়েছেন। অনেকে মনে করেন সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা হারিয়েছিলেন ইমরান খান। এবারের নির্বাচনে তার দল-সমর্থিত প্রার্থীদের ব্যাপক বিজয়ে সামরিক বাহিনীতে অস্বস্তি তৈরির আশঙ্কা করছেন অনেকে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক বিশ্লেষক বলেছেন, পাকিস্তানে কোনো জোট সরকার গঠন হলে তাকে একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হবে। ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের আফগানিস্তান ও পাকিস্তান স্টাডিজের পরিচালক মারভিন ওয়েনবাউম কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, জোট সরকার সম্ভবত অস্থিতিশীল ও দুর্বল হবে এবং সবচেয়ে বেশি পরাজিত হবে সেনাবাহিনী। কারণ এই ভোট করতে দেওয়ার ক্ষমতার ওপর সেনাবাহিনী সত্যিই তার সুনাম বাজি ধরেছে।

নির্বাচনের আগে পিটিআই নেতাকর্মীদের ওপর যে ধরনের নিপীড়ন চলেছে, তাতে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। কলামিস্ট দানিয়েল আদম খান বলেন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন সম্পূর্ণ নজিরবিহীন নয়, তবে পাকিস্তানে নির্বাচনের আগে যেটা হয়েছে সেটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপহাস। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীপক্ষকে অপমানের সংস্কৃতি প্রসারে পিটিআইয়ের নিজস্ব ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে তাদের সফলতা জনগণের সিদ্ধান্তের বিষয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক বেনজির শাহ পাকিস্তানের নির্বাচনে জালিয়াতির ইতিহাস মেনে নেওয়ার পরও বলেন, এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটাররা তাদের রায় শুনতে বাধ্য করেছেন। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, পাকিস্তানের ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটারের মধ্যে ৪৫ শতাংশের বেশি হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ঐতিহাসিকভাবে নির্বাচনে তারা বিপুল প্রভাব রাখেননি, কিন্তু এবারে ছিল তাদের ঝলক দেখানোর ও মতামত প্রকাশ করার মুহূর্ত।

ইতোমধ্যে নির্বাচনের কোনো স্পষ্ট ফলাফল না থাকার জেরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সব রাজনৈতিক দলকে পরিপক্বতা ও ঐক্য প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ২৫ কোটি জনসংখ্যার কোনো প্রগতিশীল দেশের জন্য রাজনৈতিক মেরুকরণ ভালো কিছু নয়। নির্বাচন কেবল প্রতিযোগিতায় জয় বা পরাজয় নয়, এটা জনগণের রায় নির্ধারণের এক ধরনের চর্চা।

এদিকে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন বলেছে, নতুন সরকার যারাই গঠন করুক তাদের একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। সবচেয়ে আগে যে চ্যালেঞ্জ নতুন সরকারের সামনে রয়েছে তা হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পরিপালন। নতুন করে ঋণ পেতে হলে দেশটিকে বেশ কয়েকটি অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে এসব শর্ত পূরণে মারাত্মক চ্যালেঞ্জে পড়বে সরকার।

গত আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান খান। বিভিন্ন মামলায় প্রায় ২৪ বছরের দণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে। নির্বাচনের ফলে এগিয়ে থাকার পরও সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী জেলে থাকলে নিশ্চিতভাবে ক্ষুব্ধ হবেন সমর্থকরা। তবে গতকাল শনিবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে থাকা নয়টি মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। সহিংসতার এসব মামলায় জামিন পেলেও তার মুক্তি এখনো সম্ভব নয়। নতুন সরকারকে এই রাজনৈতিক চাপও সামাল দিতে হবে।

নির্বাচনী প্রচারের সময়েও পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটতে দেখা গেছে। গত ১৮ মাসে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। তবে পাকিস্তানের দুর্বল আর্থিক অবস্থা নতুন করে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার খরচ জোগানো কষ্টসাধ্য করে তুলবে। এ ছাড়া আফগানিস্তান সীমান্তে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত সামাল দিতেও হিমশিম খেতে হবে।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




মঙ্গলবার থেকে ফের শুরু হচ্ছে বৃষ্টি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) থেকে ফের শুরু হচ্ছে মাঘের বৃষ্টি। পরবর্তী ৪/৫ দিন বৃষ্টি থাকতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিন শীত ক্রমেই কমবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত সপ্তাহেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে শৈত্যপ্রবাহের আওতা কমেছে। রোববার ৪৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিলো। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ৩৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আগামী কয়েকদিনও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শৈত্যপ্রবাহ ক্রমে দূর হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও উত্তরাঞ্চলে এখনও শীতের তীব্রতা রয়েছে। তীব্র শীতে জনজীবনের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে।

সোমবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনাজপুরে। একদিন আগে যা তেঁতুলিয়ায় ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায়ও বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে।

সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, সোমবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন চলাচল অস্থায়ীভাবে ব্যাহত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, বরিশাল এবং ভোলা জেলাসহ ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার ফরিদপুর অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তবে বুধবার খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। ওইদিনও সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

পরবর্তী পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময়ের প্রথম দিকে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

 


আরও খবর



পাকিস্তানে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নির্বাচনের পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক পক্ষগুলো সমীকরণের পর সমীকরণ আর সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দেওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। এমনকি কারারুদ্ধ সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিটিআই দলের প্রধান ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভেতরও টোপের লোভ পেয়ে বসেছে। ফলে প্রায় ডজনখানেক প্রার্থী এরই মধ্যে ইমরানের পক্ষ ছেড়ে নওয়াজ শরিফের পক্ষে চলে গেছেন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) সমঝোতার পথে অনেক দূর এগিয়েছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে। তারা একটি পালাক্রমের সরকার গঠনে প্রায় একমত। অর্থাৎ পাঁচ বছর মেয়াদকালের নতুন সরকারে তারা আড়াই বছর করে একে-অপরে সরকার চালানোর বিষয় নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছার চেষ্টা করছে। সূত্র : জিও নিউজ, ডন, রয়টার্স, আল-জাজিরা, এনডিটিভি

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে দেশটির জন্য জোট সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। জোট সরকার গঠন নিয়ে নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর দল সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে। তারা ক্ষমতার ভাগাভাগিতে সমঝোতার চেষ্টা করছে। তবে কোনো পক্ষই এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলছে না।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী যিনিই হন না কেন, আগামী দিনগুলোয় জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হবে তাকে। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের ফল অনুসারে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন এবারের নির্বাচনে ৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির দল পিপিপি পেয়েছে ৫৪টি আসন। অর্থাৎ এই দুই-এ মিলে আসন সংখ্যা হচ্ছে ১২৯। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৪০ আসন। এ কারণে তারা সুযোগ-সুবিধা ও পদ-পদবির টোপ দিয়ে স্বতন্ত্র এবং অন্য দলগুলোকে সঙ্গে আনার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এরই মধ্যে ধারণা পাওয়া গেছে, নওয়াজ-বিলাওয়াল জোট সরকারে যুক্ত হতে পারে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি), জেইউআইএফসহ আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল। জোট গড়ার ক্ষেত্রে বিলাওয়ালকে সরকারপ্রধানের পদে বসানোর কৌশল বেছে নিয়েছে পিপিপি। এ নিয়েই দলটি পিএমএল-এনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাওয়ার শেয়ারিং ফর্মুলা বা ক্ষমতা ভাগাভাগি সূত্রের অধীনে ক্ষমতায় বসা নিয়ে আলোচনা করছে উভয় দল। এই সূত্রের আওতায় পাঁচ বছরের মেয়াদের অর্ধেক সময়ের জন্য পিপিপি এবং বাকি অর্ধেক সময়ের জন্য পিএমএল-এন তাদের দল থেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেবেন। এই সম্ভাবনা নিয়েই মূলত আলোচনা চলছে। এ আলোচনার সঙ্গে জড়িত একটি সূত্রের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর কেন্দ্র ও প্রদেশে জোট সরকার গঠনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত রবিবার লাহোরে প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসেন পিপিপি ও পিএমএল-এন নেতারা। এ সময়ই অর্ধেক মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ধারণাটি প্রথমবার আলোচনা করা হয়েছিল। বিলাওয়াল হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উভয় পক্ষই সাধারণ নির্বাচনের পর দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়। বৈঠকে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং পিএমএল-এনের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

 বৈঠকে উভয় দলের নেতারাই দেশটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং উন্নতির জন্য সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। জানা গেছে, এ সময় পিএমএল-এন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর আকর্ষণীয় পদের দাবি জানালে পিপিপির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বলেন, তাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি (সিইসি) এরই মধ্যে বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করেছে। দেশটির তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের শীর্ষ এক সহযোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ডিপিএকে বলেছেন, আমরা ক্ষমতা ভাগাভাগির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছি। এ সপ্তাহটি গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এর বিপরীতে ইমরান খানের পক্ষে নির্বাচন করা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী আসন ১০১টি। পার্লামেন্টে এখন যদি তারা একক ব্লকে বা ছোট কোনো দলে যুক্ত হন, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে জোর পদক্ষেপ নিতে পারেন। সংরক্ষিত আসন বরাদ্দ পেতে পারেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী পদেও প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেন। এ ছাড়া জোট গড়ার জন্য অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারে স্বতন্ত্রদের দল বা জোট। এর ফলে প্রকারান্তরে ইমরান-সমর্থিতদের পাকিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে আবারও দেখা যাবে। এই পরিস্থিতি ইমরানের মুক্তির পথ খুলে যাবে। যদিও আইনি বাধা থাকায় ইমরান নিজে সরকারপ্রধান হওয়ার লড়াইয়ে আপাতত শামিল হতে পারবেন না।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, কারাবন্দি ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী, যারা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাদের অন্য দলে যোগ দিতে আইনি কোনো বাধা নেই। ফলে প্রতিপক্ষের নানা টোপের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অনেকেরই পিটিআই থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ডজনখানেক বিজয়ী প্রার্থী এ পথে হেঁটেছেনও। যদিও দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার পর্যন্ত অন্তত ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন। তাদের মধ্যে পিটিআইয়ের সমর্থন নিয়ে লাহোরের একটি আসন থেকে জয়ী শহরটির সাবেক ডেপুটি মেয়র ওয়াসিম কাদির প্রথম এদিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নওয়াজের দলে যোগ দেন। এরপর স্বতন্ত্র হিসেবে পিএমএল-এনে যোগ দিয়েছেন নির্বাচনে জয়ী রাজা খুররাম নওয়াজ, ব্যারিস্টার আকেল, পীর জহুর হুসেইন কুরেশি, সরদার শমসের মাজারি ও ব্যারিস্টার মিয়া খান বুগতি। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, জোট সরকার গঠন করা নিয়ে পিএমএল-এন ও পিপিপির মাঝে এখনো সমঝোতা না হওয়ায় পিটিআই-সমর্থিত অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দলে ভেড়ানোর জন্য যোগাযোগ করে যাচ্ছে পিএমএল-এন।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কোটি টাকা নিয়ে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, ৬ জন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় গ্রাহকদের সঞ্চয়কৃত ২০ কোটি টাকা নিয়ে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার সময় ডলফিন নামে এক এনজিওর মালিক আব্দুর রাজ্জাক সহ নারী-পুরুষ মোট ৬ জন কে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় জব্দ করা হয় বিভিন্ন মালামাল। রবিবার দুপুরে নওগাঁ সার্কিট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিব ফেরদৌস। আটককৃত ৬ জন হলেন, নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের নাছির উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে ডলফিন এনজিও (সংস্থার) পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক (৪৪), তার বোন শিল্পী বেগম (৩৫), স্ত্রী সুমি বেগম (৩০), সংস্থার সভাপতি পিয়ার আলী (৪২), ম্যানেজার আতোয়ার রহমান  (৫৫) এবং ক্যাশিয়ার রিপন (২০)।

র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিব ফেরদৌস আরো জানায়, নওগাঁ সদর উপজেলার ফতেপুর বাজারে ২০১৩ সালে সমবায় থেকে নিবন্ধন নিয়ে ডলফিন সেভিং এন্ড ক্রেডিট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামে একটি বে-সরকারি সংস্থা গড়ে তোলেন নাসির উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। যেখানে বিভিন্ন গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে স্থায়ী আমানত ও ক্ষুদ্র সঞ্চয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। গ্রাহকদের প্রতি লাখে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মুনাফা দিতেন। গত কয়েক মাস থেকে গ্রাহকদের মুনাফা না দিয়ে আজ দিবো কাল বলে বলে তালবাহানা করতে থাকেন। হঠাৎ করেই গত ২০ জানুয়ারি সংস্থার সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় প্রায় ৩শ' এর বেশি গ্রাহকের ২০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় আব্দুর রাজ্জাক। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর গোয়েন্দা দল তাদের কে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় নেওয়ার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেন। তিনি আরো বলেন, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি আব্দুর রাজ্জাক এর দুবাই পালিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। এরিমাঝে রবিবার ভোরে নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানার তারাবো বাসস্ট্যান্ড থেকে র‌্যাব-১১ এর সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। এরপর নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাকের বোন, স্ত্রী, এনজিওর সভাপতি, ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার কে আটক করা হয়। আটককৃতদের নওগাঁ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর