Logo
শিরোনাম

করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে   ডিজিটাল ডেস্ক:


ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি। আগের মতো করমুক্ত আয়কর সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা বহাল রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। 


আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশের সময় তিনি এ প্রস্তাব করেন। 


এতে নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।



এছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৪ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং একইসঙ্গে কোনো প্রতিবন্ধীর পিতা-মামা বা আইনানুগ অভিভাবকের ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকার করার কথাও বলা হয়েছে।


প্রস্তাবে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়। তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।



প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকার ওপর কোনো কর দিতে হবে না। পরবর্তী ১ লাখ টাকার ওপর ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার ওপর ২০ শতাংশ ও বাকি আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে।


আরও খবর



ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে আফগানিস্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:


সমীকরণ একদম সহজ। বাংলাদেশকে যেকোনো ব্যবধানে হারালেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে যাবে আফগানিস্তান। 


এবার রোমাঞ্চ জাগানিয়া ম্যাচে ৮ রানের জয়ে শেষ চারে উঠে গেল আফগানরা।


মঙ্গলবার (২৫ জুন) সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান তুলে আফগানিস্তান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭ দশমিক ৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১০৫ রানে থামে বাংলাদেশ।


আফগানদের ছুঁড়ে দেওয়া মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম।


এরপর দলীয় ৫০ পেরোনোর আগেই ৪ উইকেট খুইয়ে বসে লাল-সবুজেরা। অধিনায়ক শান্ত ৫ বলে ৫, সৌম্য ১০ বলে ১০ এবং ডাক মেরে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সাকিব আল হাসান।


সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন লিটন দাস। এরপর দ্রুতই আরও ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সতীর্থদের ব্যর্থতার দিনে ৪১ বলে সান্ত্বনার হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন।


লিটন উইকেট থিতু হলেও তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানকে ফিরিয়ে আফগানদের জয়ের বন্দরে নোঙ্গর করান নাভিন উল হক। শেষ পর্যন্ত ১৭ দশমিক ৫ বলে ১০৫ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ৪৯ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন।


আফগানদের হয়ে ৪টি করে উইকেট নেন নাভিন ও রশিদ খান।


এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে সর্তক শুরু করেন দুই আফগান ওপেনার জাদরান-গুরবাজ। ইনিংসের প্রথম পাওয়ার প্লেতে কোনো দলই ফায়দা লুফে নিতে পারেনি। টাইগার বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ২৭ রান তোলে আফগানরা।


পাওয়ারপ্লের পর আক্রমণে এসেছিলেন সাকিব। তার প্রথম ৫ বল থেকে এসেছিল ৩টি সিঙ্গেল। এরপর ফুললেংথে পেয়ে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে সাইটস্ক্রিন বরাবর ছক্কা মারেন গুরবাজ।


এরপর বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জুটি হিসেবে একই আসরে ৪ বার ৫০ পেরোয় গুরবাজ-ইব্রাহিম। তবে ইনিংসের ১১তম এসে ভাঙে এই জুটি রিশাদ।


রিশাদকে জায়গা বানিয়ে তাকে খেলতে চেয়েছিলেন ইব্রাহিম। তবে ঠিকমত হয়নি। লং অফে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তানজিম হাসান। ২৯ বলে ১৮ রান করলে এই ওপেনার ফিরলে ৫৯ রানে ভাঙে আফগানিস্তানের ওপেনিং জুটি।


এরপর বেশ চাপে পড়ে আফগানিস্তান। ইনিংসের ১৬তম ওভারে এসে কট বিহাইন্ডের ফাঁদে ফেলে আজমতউল্লাহ ওমারজাইকে বিদায় করেন মোস্তাফিজুর রহমান। ফেরার আগে ১২ বলে ১০ রান করেন তিনি।


পরের ওভারে আক্রমণে এসেই জোড়া উইকেট নিজের ঝুলিতে পুড়েন রিশাদ। প্রথমে উইকেটে জমে যাওয়া রহমানউল্লাহ গুরবাজকে বিদায় করেন।


রিশাদকে অফ সাইডে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ কাভারে সৌম্যর হাতে ধরা পড়েন এই ওপেনার। ফেরার আগে ৫৫ বলে করেন ৪৩ রান তিনি।


এরপর গুলবিদনকেও ফেরান রিশাদ। সৌম্যই ফের ক্যাচ নেন। দুর্দান্ত এক ড্রাইভে সেই ক্যাচ নেন সৌম্য।


ইনিংসের ১৮তম ওভারে মোহাম্মদ নবিকে প্যাভিলিয়নে পাঠান তাসকিন আহমেদ। তাসকিনের শর্ট লেংথের সিম-আপ ডেলিভারিতে পুল করতে চেয়েছিলেন নবি। তবে সেভাবে হয়নি। মিড অফে সময় নিয়ে ক্যাচ নেন শান্ত।


শেষ দিকে রশিদের ঝোড়ো ইনিংসে ১১৫ রানের পুঁজি পায় আফগানরা। ১০ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন আফগান অধিনায়ক।


বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন রিশাদ। এ ছাড়া তাসকিন ও মোস্তাফিজের শিকার একটি করে উইকেট।


আরও খবর



নওগাঁয় র‌্যাবের অভিযানে ৬৪ কেজি গাঁজা সহ ৩ জন আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় অভিনব পন্থায় গাঁজা বহনের সময় ৩ জন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব। এসময় ৬৪ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ গাঁজা বহনকৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের বাইপাস এলাকায় তাদের আটক করা হয়। বিকেল ৫টায় র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আটককৃতরা হলেন, কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার বসন্তপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেন (২৮), কুটিশহর গ্রামের আলমগীর হোসেন (৩৮) এবং বড় জ্বলা গ্রামের শাওন(২১)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় অভিনব পদ্ধতিতে উপরের অংশ কাটা মাইক্রোর শীটের নীচে পাটাতনের প্লেন শীটের নীচে লুকায়িত অবস্থায় একটি মাইক্রোতে গাঁজা নিয়ে নওগাঁর ওপর দিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদে র‌্যাব সদস্যরা সকালে নওগাঁ শহরের বাইপাস ঠ্যাংভাঙ্গা মোড়ে অবস্থান নেয়। এসময় একটি মাইক্রো যাওয়ার সময় সন্দেহ হলে সেটি থামিয়ে তল্লাসি চালানো হয়।  মাইক্রোর শীটের নীচে পাটাতনের প্লেন শীটের নীচে লুকায়িত অবস্থায় আলামত হিসেবে ৬৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা সহ সাদ্দাম হোসেন, আলমগীর হোসেন এবং শাওন কে আটক করা হয়। এসময় চালক শহিদুল (২৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরো দুই জন কৌশলে পালিয়ে যায়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয় আটক আসামী সাদ্দাম ও পলাতক আসামী শহিদুল (চালক) চিহ্নিত পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদক সরবরাহ করে আসছে বলে জানা যায়। আটক সাদ্দাম জানায়- অজ্ঞাতনামা পলাতক আরো দুইজন একই অঞ্চলের বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার সীমান্তবর্তী অঞ্চল হতে গাঁজার চালান সংগ্রহ করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাইভেট কারের উপরের অংশ কাটা মাইক্রোতে বহন করে গাঁজা সরবরাহ করে আসছিলো।

গ্রেফতারকৃত ৩ জন আসামীকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নওগাঁ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর নদীশাসন ব্যয় বাড়ল ২৪৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


পদ্মা বহুমুখী সেতুর নদী শাসন ব্যয় আরও এক দফা বাড়ল। এবার ২৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৫২ হাজার ৩৪৯ টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে সরকার। 



এতে পদ্মা সেতুর নদী শাসনের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৯ টাকা।



বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নতুন করে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নদী শাসন কাজের এক্সটেনশন অব টাইমের ক্লেইম জনিত কারণে মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।


নতুন করে ২৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৫২ হাজার ৩৪৯ টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে৷ মূল চুক্তিমূল্য ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৬ টাকা। এরপর প্রথম দফায় ৮৭৭ কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৩ টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়। এতে ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ পদ্মা সেতুর নদী শাসনের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।



 এখন দ্বিতীয় দফায় পদ্মা সেতুর নদীশাসনের ব্যয় ২৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৫২ হাজার ৩৪৯ টাকা বাড়ানো হলো। এতে মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়ালো ৯ হাজার ৮৩৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৯ টাকা। যা মূল চুক্তি থেকে ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি। 



পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নদী শাসন কাজ করছে চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড।



সচিব বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হচ্ছে। নদী শাসনের কাজ করছে চিনের সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন। তাদের কাজ সমাপ্তির তারিখ ছিল গত বছরের ৩০ জুন।



 ডিফেক্ট লাইবিলিটি পিরিয়ড আছে এক বছর। তার মানে এদের কাছে শেষ হবে আগামীকাল।


তিনি বলেন, এই সময়ে ঠিকাদারকে অতিরিক্ত কিছু কাজ করতে হয়েছে। দুটি কারণে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়েছে। একটা হলো প্রকল্পের জাজিরা প্রান্তে নদী শাসন কাজের সীমানায় অবস্থিত কাঠালাবাড়ি ফেরি ঘাট, লঞ্চ ঘাট এবং আশেপাশের প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার জন্য বিআইডব্লিউ থেকে জায়গা পেতে বিলম্ব হওয়া।



 এতে তিন বছরের বেশি সময় বিলম্ব হয়েছে। দ্বিতীয় কারণ হলো, কাজ করতে যাওয়ার সময় ডিজাইন চূড়ান্ত হওয়ার পর মাওয়া প্রান্তে মূল সেতুর ওজনে নদী শাসন কাজের সীমানা বরাবর ২০১২ সালে নদীর প্রচণ্ড স্রোতে নদী ভাঙন হয়, ঠিকাদারের কাজের কিছু অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। 



ফলে ডিজাইন পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে ডিজাইন তৈরিতে বিলম্ব হয়। এ কারণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।


আরও খবর



পরীমণি কান্ডের পর পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েনের বিরুদ্ধে পিয়া জান্নাতুলের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডিজিটাল ডেস্ক:


ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) গুলশানে বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) গোলাম সাকলায়েনকে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে। 



তাকে ‘বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানের’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এবার এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল। 


আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে পিয়া জান্নাতুল লিখেছেন, ‘এই সেই ব্যক্তি (গোলাম সাকলায়েন), আব্বার এফআর টাওয়ার মামলায় যিনি ডিবি থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। 



প্রায় ৬-৭ দিন আমি আর আম্মা প্রতিদিনই আব্বাকে দেখতে ডিবি অফিসে যেতাম। এই সেই ব্যক্তি যিনি প্রতারণামূলকভাবে এবং জোরপূর্বক সিআরপিসি এর ১৬৪ ধারার অধীনে জবানবন্দির জন্য জোরপূর্বক আব্বার সম্মতি নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।’


এরপর অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমি আব্বাকে সম্মতি না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম, কারণ তিনি এ ঘটনায় মোটেও জড়িত ছিলেন না। কিন্তু আমি ডিবি অফিসে পৌঁছার আগেই তিনি (সাকলায়েন) আব্বার কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য নিয়ে পরের দিন আদালতে জমা দেন। 


এসব বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন এবং আব্বাকে আর আমাকে চুপ থাকতে বলেন। অথচ তার জানা ছিল না, আমি চুপ থাকার জন্য জন্মগ্রহণ করিনি।’


বিস্তারিত তুলে ধরে পিয়া লেখেন, ‘যেদিন তিনি এফআর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডের জন্য জমির মালিক হিসেবে আব্বাকে গ্রেফতার করেছিলেন, আব্বা তখন এতটাই অসুস্থ ছিলেন যে তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। তখন আব্বার বয়স ছিল ৭৭ বছরের বেশি!’


সবশেষে সাকলায়েনকে ধূর্ত উল্লেখ করে পিয়া লেখেন, ‘আমার দেখা মতে, এই জনাব সাকলায়েন লোকটি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ, প্রতিভাবান এবং ধূর্ত। কিন্তু একটা ভুল তার সবকিছু তছনছ করে দিল! 


যদিও আমরা মানুষের অপকর্মের জন্য তাদের ক্ষমা করে দিই, কিন্তু প্রকৃতি এবং সর্বশক্তিমান সব সময় রয়েছেন সঠিক বিচার করার জন্য।’



এদিকে সাকলায়েনকে চাকরিচুত্য করার খবরে সয়লাব ফেসবুক। সেইসঙ্গে ফের ভাইরাল হয়েছে পরীমণির সঙ্গে তার আনন্দঘন ও অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি। 






আরও খবর



চলেই গেলো বিদ্যুতে দগ্ধ ফাহিমা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি :

রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটের আইসিইউতে টানা ৮ দিন চিকিৎসা শেষে পরপারে পাড়ি জমালেন কিশোরী ফাহিমা(১২)। এর আগে  গত ২৪ জুন সোমবার দুপুরে নিজ ভাড়া বাসায় বিদ্যুতাযিত হযে দগ্ধ হন ফাহিমা। ঘটনাটি  চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন প্রফেসর পাড়ার সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলায়। এতে ফাহিমার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতে ফাহিমাকে  দাফন করা হয়।  সে ঐ ভবনের ভাড়াটিয়া আবুল কালামের ছেলে। 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সানা ডাক্তারের বাসার তৃতীয় তলার একটি ফ্লাটে ফাহিমা তার বাবা মাযের সাথে বসবাস করতো। এ দিন দুপুরে ঐ বাড়িতে বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়রা দৌড়ে তৃতীয় তলার বারান্ধায় ছুটে যান। এ সময় দেখা যায় ফাহিমার শরীর থেকে বিদ্যুতে দগ্ধ হওয়ার কারনে ধোঁয়া উঠছে।তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে সেথান থেকে তাকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে রেফার করা হয়। স্থানীয়রা আরো জানান, বাসার সাথে হাই ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। সেখান থেকেই দুর্ঘটনাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফাহিমা হয়ে কিশোরী দগ্ধ হন।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি আমরা শুনেছি।


আরও খবর