Logo
শিরোনাম

করোনার টিকায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

করোনা মহামারি শুরুর পর প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি দিয়েছে কোভিড ভ্যাকসিন বা টিকা। এবার সেই টিকা নিয়ে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ উঠছে। এ অবস্থায় সমালোচনার মুখে বাজার থেকে তাদের টিকা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে তারা বলছে, চাহিদা না থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

জানা গেছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে করোনার যে টিকা উৎপাদন করে, তার ব্র্যান্ড নাম ভ্যাক্সজেভ্রিয়া। এরপর ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট সেই টিকা উৎপাদনের লাইসেন্স পায়। তারা কোভিশিল্ড নামে সেই টিকা বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে বাজারজাত করে। সমালেচানার মুখে ইউরোপ মহাদেশে ভ্যাক্সজেভ্রিয়া টিকার বাজারজাতকরণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা।

বাংলাদেশের মানুষকে সাড়ে ৫ কোটির বেশি ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা দেওয়া হয়েছে। এই টিকা গ্রহণকারীদের দেহে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা খুঁজে দেখতে বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি জোরেশোরে সামনে আসায় উৎকণ্ঠায় আছেন এই টিকা গ্রহীতারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দ্রুত উদ্ভাবিত করোনা টিকা মানবদেহে প্রয়োগ করা হয়। যেসব টিকা ব্যবহার করা হয়েছে তার একটিও যথাযথ নিয়ম হয়নি। তৈরি ও ব্যবহারের অনুমতিও জরুরি ভিত্তিতে হয়েছিল। কারণ মহামারি মোকাবিলাই সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল। কিছু টিকার বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না মর্মে বাজারে ছাড়া হয়েছিল। এসব কারণে দীর্ঘমেয়াদি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা রুটিন ভ্যাকসিনের মতো করোনার টিকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

তাছাড়া টিকা গবেষণায়ও তাড়াহুড়া ছিল। জরুরি অবস্থা বিবেচনায় দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনেক মানুষকে দেওয়ার ফলে পার্শপ্রতিক্রিয়ার বিষয় আমলে নেওয়া হয়নি। করোনা আক্রান্ত এবং আক্রান্ত ছাড়াও টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে বিশ্বব্যাপী অনেক প্রতিবেদন হচ্ছে। তবে করোনার কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না অন্য কারণে হচ্ছে বলা কঠিন। এজন্য সরকারি অর্থায়ন এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে বিশেষজ্ঞ গবেষকদের সমন্বয়ে সঠিক পদ্ধতিতে গবেষণা করতে হবে। তবে যে প্রতিষ্ঠান টিকা দিয়েছে তাদের গবেষণায় রাখা যাবে না।

এদিকে টিকা গ্রহণের ফলে মানবদেহে গুরুতর ক্ষতি এবং মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে । ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকা বিষয়টি স্বীকারও করেছে। 

এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কোভিশিল্ড নামে তাদের কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণের ফলে থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম (টিটিএস) নামে পরিচিত একটি বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। টিটিএস হলো এমন একটি বিরল অবস্থা, যার ফলে শরীরের অস্বাভাবিক কোনো জায়গায় রক্ত জমাট বাঁধে এবং রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। টিটিএসের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে গুরুতর মাথাব্যথা, পেটে ব্যথা, পায়ে ফোলাভাব, শ্বাসকষ্ট এবং খিঁচুনির মতো সমস্যা। যদি কেউ টিকা নেওয়ার পর এই লক্ষণগুলো দেখতে পায় তবে তাদের দ্রুত একজন চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করা উচিত।

বাংলাদেশে করোনার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টিকা গ্রহণ পরবর্তী শারীরিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একাধিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে অনেকের মনে রাখার ক্ষমতা কমে গেছে। অর্থাৎ ভুলে যাওয়া প্রবণতা বাড়ছে। অনেকের সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা, শারীরিক দুর্বলতা, ঘুম কমে যাওয়া, অবসাদগ্রস্ততা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের সমস্যা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা ব্যক্তিদের টিকা নিয়ে পুরোনো ও বিরল রোগব্যাধি ফের মাথাচাড়া দিয়েছে।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে টিকাদান কর্মসূচিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা টিকার বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এমন পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। নিজেদের করোনা টিকা সারা বিশ্ব থেকে প্রত্যাহার করছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা টিকা গ্রহণকারীদের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা খুঁজে দেখতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বৈশ্বিক এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে দেশের প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাবনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না জানব দেশে কতটুকু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। তবে আমরা এটি নিয়ে কনসার্ন (উদ্বিগ্ন)। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণার অংশীদার নিউজিল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা সংস্থা জিভিটিভি জানিয়েছে, করোনার অন্যান্য ব্র্যান্ডের টিকাগুলো হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক ও রক্তে নানা ধরনের জটিলতা বাড়ায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে এ পর্যন্ত ১৩ ধরনের শারীরিক জটিলতার রেকর্ড করেছেন গবেষকরা।

গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডাটা নেওয়ার্কের একদল গবেষক এই গবেষণা করেছেন। মার্চের প্রথম সপ্তাহে গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ভ্যাকসিন। গবেষণায় বিশ্বের ১৩টি দেশে ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে যারা এমআরএন টিকা ফাইজার, এন-বায়োটেক কিংবা মর্ডানা টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন তাদের একাংশ মায়োকার্ডিটি নামক হৃৎপিণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।

 এছাড়া যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৃতীয় ডোজ সম্পন্ন করেছেন তাদের একাংশ পেরি-কার্ডিটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হয় তাদের হৃৎপিণ্ডের কার্ডিয়াক মাংসপেশিতে সমস্যা হয়। এছাড়া ফাইজার মর্ডানার টিকার ডোজে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া জিবিএস এবং মায়োলিটিসির মতো শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায় ২ দশমিক ৫ গুণ। মায়োলিটিসে আক্রান্তরা মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের প্রদাহে ভোগেন। তবে টিকা নেওয়া বেশির ভাগ মানুষই যে এসব সমস্যায় ভোগে বিষয়টা এমনো নয়- বলেছেন গবেষকরা। 

জানতে চাইলে জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ বলেন, ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আমরা দেখেছি করোনা আক্রান্তদের জিবিএস হয়েছে। একইভাবে জিবিএস রোগীরও কোভিড শনাক্ত হয়েছে। করোনা জিবিএসের মতো একটি ভাইরাল ইনফেকশন। যেসব ভাইরাসে জিবিএস হয় সেগুলো আগে থেকেই জানা। তবে দেশে করোনার সঙ্গে জিবিএসের সরাসরি সম্পর্কের নজির নেই। তাই করোনাভাইরাস জিবিএসে আক্রান্ত করতে পারে কিনা সেটি এখনো বোঝা যাচ্ছে না। এটি নিয়েও দেশে-বিদেশে নির্দিষ্ট করে গবেষণা হওয়া দরকার।

জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, করোনা টিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের গবেষণায় যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা উঠে এসেছে সেটি বিরল রোগ টিটিএস। বাংলাদেশে করোনা টিকা গ্রহীতাদের এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি। তাই উদ্বেগের কিছু নেই। তিনি বলেন, মাহামারির ভয়াবহতায় পুরো বিশ্ব উদ্বেগে ছিল। দীর্ঘ হচ্ছিল মৃত্যুর মিছিল। তখন আশার আলো নিয়ে আসে অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মর্ডানা ও জনসনের মতো টিকা। এখন যাদের টিকা নিয়ে জটিলতা হচ্ছে তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নিতে হবে।


আরও খবর



সৌদি পৌঁছেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন হজযাত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডেস্ক:


চলতি বছর পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী।


বুধবার (১২ জুন) হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


হেল্প ডেস্কের তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ২০৯টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৮২ হাজার ৭৭২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০৫টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৭২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ৩২টি ফ্লাইট রয়েছে।


এ বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে গোলাম কুদ্দুস (৫৪) নামে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও একজন নারী। এর মধ্যে মক্কায় ১১ জন এবং মদিনায় চারজন মারা গেছেন।



গত ৯ মে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৪১৫ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মাধ্যমেই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শেষ হচ্ছে আজ বুধবার।


উল্লেখ্য, আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২০ জুন এবং শেষ হবে ২২ জুলাই।



আরও খবর



ঢাকায় কনসার্টের পরেরদিন মাকে হারালেন মোনালি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক :

ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী মোনালি ঠাকুরের মা মারা গেছেন। ১৮ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মৃত্যু হয়েছে মোনালির মা মিনতি ঠাকুরের।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোনালি ঠাকুরের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার বড় বোন মেহুলি ঠাকুর। শুক্রবার (১৭ মে) মেহুলি ফেসবুকে লেখেন, ‘শিকল ছিঁড়ে গেছে...অবশেষে কষ্টের অবসান...। বেলা ২টা বেজে ১০ মিনিটে মা স্থির হয়ে গেছে।’

ইনস্টাগ্রামে মায়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে মোনালি ঠাকুর লিখেছেন, ‘কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে লড়াই করব মা, এই একাকিত্ব এই যন্ত্রণা বড্ড অসহায় লাগছে। কিন্তু এবার সময় এসে গেছে, তাকে লাইফ সাপোর্ট থেকে বের করে নেওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাকে এবং তৈরি হতে হবে।


আমার মাকে শান্তি দাও ঈশ্বর এবং আমাকে সাহায্য করো। এখন মাকে ছাড়া আমার জীবনটাই বা কীভাবে কল্পনা করব। আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারছি না।’

এদিকে মায়ের মৃত্যুর একদিন আগে ঢাকায় কনসার্ট করে গেছেন মোনালি। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কলকাতা থেকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এক গানের অনুষ্ঠান অংশ নেন এই শিল্পী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে গান শোনানোর কথা ছিল তার। আগেই চুক্তি সেরেছিলেন গায়িকা। তাই আর না করতে পারেননি। কথা রেখে ঢাকায় এসে মঞ্চে পারফর্ম করে গেছেন।

তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এক ভিডিওতে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ঢাকার একটি কনসার্টে মোনালি ঠাকুর গান গাইছেন তার মায়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার খবর পাওয়ার পরেও। আর সেখানেই তিনি তার মাকে উদ্দেশ্য করে গেয়েছেন।

বিষন্ন মনে মোনালির কণ্ঠে শোনা যায় রবীন্দ্রসংগীত। যেখানে মাকে উদ্দেশ্য করে এই সংগীতশিল্পী গাইলেন ‘তুমি রবে নীরবে’। গাইতে গাইতে গলা বুজে আসে গায়িকার। কেঁপে যায় গলা। তবুও গান থামান না তিনি।


আরও খবর



রুমা-থানচিতে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বেইলি ব্রিজ দেবে গিয়ে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে ১৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে বান্দরবান সদরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ তথ্য জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে গত রোববার থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত ও হাল্কা থেকে মাঝারি ঝড়ো হাওয়া বইছে। এতে বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনে গাছ ভেঙে পড়ে প্রায় ১৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেলা সদর, থানচি ও রুমায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব এলাকা।

এদিকে বান্দরবান-রুমা-থানচি সড়কের মিলছড়ি পুলিশ ক্যাম্প সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে ব্রিজের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ায় বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

থানচি বাস মালিক সমিতির লাইনম্যান সাহাব উদ্দীন জানান, ব্রিজের একপাশে গাইড ওয়াল ভেঙে গিয়ে দেবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ব্রিজটি। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে রুমা-থানচিতে সকল প্রকার ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

মিলনছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রবিন্দু চাকমা জানান, ভারী বৃষ্টির ফলে মিলনছড়ি ক্যাম্প ও লাইমী পাড়ার মাঝামাঝি বেইলি ব্রিজের দক্ষিণ পাশের একাংশ দেবে যাওয়ার কারণে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তূতি গ্রহণ করা আছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে জেলায় এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



প্রস্তাবিত বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা।

জাতীয় সংসদে আগামী বৃহস্পতিবার (৬ জুন) নতুন অর্থবছরের বাজেটটি প্রস্তাব আকারে উত্থাপন করা হবে।

চলতি অর্থ বছরের তুলনায় বাজেটের আকার ৪.৬২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। বাজেটে বিদেশি ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ঋণ সুদ পরিশোধের ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।


আরও খবর



নরসিংদীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটানোর ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা, দল থেকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীতে এক প্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে 

লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় সেই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে রবিবার রাতে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

 অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান বাবু সদর উপজেলার পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহব্বায়ক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

 রবিবার রাতে মাধবী থানায় উপস্থিত হয়ে মামলাটি দায়ের করেন আহত যুবকের মা রেজি বেগম। 

সেই সাথে একই দিনে মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা বঙ্গ ও অমানবিক কাজ করায় পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক পদ থেকে বাবুকে অব্যাহতি । সেই সাথে পাঁচদোনা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

 আহত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এবং মৃগীরোগে আক্রান্ত সোহেল মিয়া (৪০) সদর উপজেলার চর-মাধবদী এলাকার মৃত সাইদ মিয়ার ছেলে। গত শুক্রবার সকাল ৯ টার দিকে চরমাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত সোহেল মিয়ার মা রেজি বেগম বলেন, আমি আমার পরিবার নিয়ে আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। থানায় মামলা দায়ের করেছি। কখন যানি আবার বাবু হামলা চালায় ‌। সে এলাকার মধ্যে প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা আশ্রয় প্রশ্রয় বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে । সাংবাদিকরা পাশে থাকলে  আমি একটু বিচার পাবো । আমার ছেলেকে চিকিৎসা করার পর্যন্ত টাকা আমার কাছে নেই। আমি বাবুকে গ্রেফতার চাই এবং সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি। তাকে যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদেরও বিচার চাই।


 স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় জাকির হোসেনের মুদী দোকানে যায় সোহেল। এসময় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা বাবুর বাবা প্রতিবেশী মোখলেছুর রহমানের সাথে বিস্কুট খাওয়া নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় সোহেলের। পরবর্তীতে স্থানীয় এলাকাবাসীর সমন্বয়ে বিষয়টি  নিরসন করা হয়। এর আবার সোহেলের মামা বাবুল মোল্লাকেও মারধোর করে বাবু। শুক্রবার সোহেল একা বাজারে গেলে সাধারণ মানুষ এর সামনে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করে কলা বাগানে তাকে ফেলে চলে যান ছাত্রীলীগ নেতা বাবু। 


বাবুকে অব্যাহতির  বিষয়ে জানতে চাইলে মাধবদী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম হাফিজুর রহমান সৈকত বলেন, কোন অপরাধীর দায় ছাত্রলীগ নিবে না। ছাত্রলীগের পদ নিয়ে কেউ অপরাজনীতি করবে সেটা আর সম্ভব না। বাবু অমানবিক কাজ করেছে তাই সংগঠন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য এটা একটি শিক্ষা। 

এদিকে মাধবদী থানার ওসি মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনাটি দুঃখজনক। সোহেল এর মা আমাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। সাথে সাথে আমরা মামলা নিয়েছি। আসামিকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছি। সে এখন পলাতক রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হবে। 


আরও খবর