Logo
শিরোনাম

কু‌মিল্লায় বুড়িচংয়ে স্কুল শিক্ষার্থীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশিত:Friday ০৬ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক.কু‌মিল্লা 

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ভারত সীমান্তের ভৈরবপুর (পাহাড়পুর) এলাকায় পিতার কাছে পাওনা সাড়ে ৪শ টাকার জেরে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে সহপাঠীদের সামনে থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। নির্যাতিত স্কুল শিক্ষার্থী সাহেদ হোসেন শান্ত (১৪) পাহাড়পুর এলাকার ইউসুফ মিয়ার ছেলে।

 এবিষয়ে ভুক্তভোগী কিশোরের পিতা ইউসুফ মিয়া বুড়িচং থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জানিয়ে  বলেন, "কিছুদিন আগে পাশের গ্রাম ভৈরবপুর এলাকার দুলু মিয়ার ছেলে নাহিদুলের দোকান থেকে একটি খাট বানিয়েছিলাম। প্রায় সব টাকা দেয়া হয়ে গেছে খাটের। আর ৪৫০ টাকা বকেয়া ছিলো। ঈদের কয়েকদিন আগে নাহিদুল আমার বাড়িতে এসে এই টাকার জন্য গালাগাল করে, এসময় তাকে অনুনয় করে জানাই আমার ছোট ছেলেটা কয়েকদুন আগে পানিতে ডুবে মারা গেছে কাজ করতে পারিনি হাতে টাকা নেই। সপ্তাহ খানেক পরে দিয়ে দেব।  তবুও সে এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করে আমার গায়ে হাত তোলে এ নিয়ে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয় তার সাথে। 

ঈদের দিন আমার ছেলে শান্ত বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বের হলে তাকে তার বন্ধুদের সামনে থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায় নাহিদুলের ভাই এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি নাজমুল , আনোয়ার ও জসিম। নাজমুল তার বাড়িতে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখে মারধর করে। এসময় আমি বাইরে কাজে ছিলাম খবর পেয়ে বাড়িতে এসে থানায় ফোন দেই। পরে স্থানীয় ইউপি সচিব ও গ্রাম পুলিশ সেখান থেকে আমার ছেলে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। ৪হাজার পিস ইয়াবা সহ আটক হয়ে জেল থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় এসে আবারো মাদক ব্যবসা করছে তারা। নাজমুল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আমার ছেলেকে গাছে বেঁধে রেখে মারধর করেছে। আমি গরিব মানুষ, যেই সামান্য লেনদেন সেটা আমার সাথে কিন্তু তারা আমার ছেলেকে নির্যাতন করেছে। আমি এই জঘন্য ঘটনার সঠিক বিচার চাই। এবিষয়ে থানায় লিখত অভিযোগ দিয়েছি। 

 এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নাহিদুল ও নাজমুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। 

বুড়িচং থানা'র এসআই শরিফ রহমান রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, 'ভুক্তভোগীর পিতা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্তাধীন, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।'


আরও খবর



শচিন ছাড়িয়ে উচ্চতায় কোহলি

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গোহাটিতে প্রথম একদিনের ম্যাচে খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলির সামনে সুযোগ ছিল তিনটি নজির গড়ার। তার মধ্যে দু’টি নজির গড়লেন তিনি। একটি ক্ষেত্রে শচিন টেন্ডুলকারকে ছাপিয়ে গেলেন, অপর এক ক্ষেত্রে ধরে ফেললেন ব্যাটিং মাস্টারকে।

ঘরের মাঠে ১৬৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শচিনের শতকের সংখ্যা ২০টি। তার এই বিশ্বরেকর্ড থেকে মাত্র একটি শতক দূরে ছিলেন কোহলি। আজ গোহাটিতে শচিনের সেই নজির স্পর্শ করলেন এই তারকা। দেশের মাটিতে ২০টি শতরান হলো প্রাক্তন অধিনায়কের। তার জন্য শচিনের থেকে ৬২টি ম্যাচ কম, ১০২ ম্যাচ সময় নিয়েছেন তিনি।

গোহাটিতে এদিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজের নবম শতরান তুলে নিলেন কোহলি। আর এ জন্য তিনি সময় নিয়েছেন মাত্র ৪৮টি ম্যাচ। যেখানে শচিনকে খেলতে হয় ৮৪টি ম্যাচ।

আরও একটি নজিরের কাছাকাছি রয়েছেন বিরাট কোহলি। একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় প্রথম পাঁচে আসতে গেলে কোহলির দরকার ছিল ১৮০ রান। তার মধ্যে গোহাটিতে এদিন ১১৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

অর্থাৎ আর মাত্র ৬৭ রান করলেই লঙ্কান গ্রেট মাহেলা জয়াবর্ধনেকে টপকে তালিকায় পাঁচ নম্বরে চলে আসবেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। এই তালিকার শীর্ষে যথারীতি শচিনই। তিনি ৪৬৩টি ম্যাচ খেলে করেন ১৮,৪২৬ রান। কোহলির রান এখন ১২,৫৮৪।

চট্টগ্রামের পর গোহাটি, পর পর দুটি এক দিনের ম্যাচে শতরান করলেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭৩তম শতরান করে ফেললেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এদিন ৮০ বলে শতরান করলেন বিরাট।

যদিও এই ইনিংসে দুবার তার সহজ ক্যাচ ফেলে দেয় শ্রীলঙ্কা। বিরাটের ক্যাচ ফেলা যে কত ভয়ঙ্কর হতে পারে, তা দেখলেন দাসুন শনাকারা। বিরাটের ইনিংস শেষ হয় ৮৭ বলে ১১৩ রান করে। যাতে ভর করে এদিন ৭ উইকেটে ৩৭৩ রানের স্কোর গড়ে ভারত।

দলের পক্ষে এদিন কোহলি ছাড়া অন্যদের মধ্যে রোহিত ৮৩, শুভমন গিল ৭০ ও লোকেশ রাহুল ৩৯ রান করেন।


আরও খবর



পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ

মোবাইল সাংবাদিকতা গণমাধ্যম কর্মীদের আরো সমৃদ্ধশালী করবে

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

গজারিয়া প্রতিনিধিঃ 

সাংবাদিকরাই জনগণের বিবেক বলে মন্তব্য করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর আলহাজ মো মহিউদ্দিন। মুন্সিগঞ্জে ২ দিনব্যাপী " মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, একমাত্র গণমাধ্যম কর্মীরাই পারে দেশ থেকে সকল ধরনের দূর্নীতি, অন্যায় দুর করতে। দেশকে স্বচ্ছতার রুপ দিতে। দেশকে আরো উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে গণমাধ্যম কর্মীদের ভুমিকা অপরিসীম। 

গতকাল মঙ্গলবার সার্কিট হাউস মিলনায়তনে ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ” র সমাপণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপন অনুষ্ঠানে সভাপ্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ ( পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। সভাপ্রদানের বক্তব্যে তিনি বলেন, মোবাইল সাংবাদিকতা গণমাধ্যম কর্মীদের আরো সমৃদ্ধশালী করবে। মোবাইল সাংবাদিকতা যেখানে ঘটনা সেখান থেকেই প্রতিবেদন লিখে পাঠানো যায়। সাংবাদিকদের আরো সচেতন ও কর্মঠ করতে মোবাইল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। 

প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ ( পিআইবি) প্রশিক্ষক পারভিন সুলতানা রাব্বির সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড সোহানা তাহমিনা, ডেফোডিল ইউনির্ভারসিটি সহযোগী অধ্যাপক ( জার্নালিজম মিডিয়া কমিউনিকেশন বিভাগ) ড. জামিল খান, জেলা তথ্য অফিসার দ্বীপক চন্দ্র দাস। 

দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে জেলার ৩৫ জন সাংবাদিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতে অংশ নেয়। প্রশিক্ষণে ভিডিও রেকডিং, ভিডিও সম্পাদনা ও স্টোরি, মোবাইল সেটিংস তৈরিসহ নীতিমালার উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। 

সমাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। পরে সকল সাংবাদিকদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন অতিথিরা।


আরও খবর



মানবতার আরেক নাম, ডা. ফেরদৌস খন্দকার

প্রকাশিত:Monday ৩০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফেরদৌস খন্দকার।নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করলে অনেক চিকিৎসক চেম্বার বন্ধ রাখেন। কিন্তু সেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন ডা. ফেরদৌস। দুঃসময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ডা. ফেরদৌস। চেম্বার খোলা রেখে করোনা আক্রান্ত মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন। মনস্থির করলেন নিজের মাতৃভূমিতে এসে নিজেকে বিলিয়ে দিবেন দেশের মানুষের স্বার্থে।

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন (ইউএসএ) ইনক'র সভাপতি মানবিক মানুষ ডা. ফেরদৌস খন্দকার , তার মুল লক্ষ্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেলকে বিশ্ব বাসির কাছে পরিচিত করে দেওয়া এবং স্কুল কলেজ এর ছাত্র, ছাত্রীদের মাঝে তার মূল্যায়ন গড়ে তোলা তিনি বলেন দেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত- একটি পক্ষ স্বাধীনতার পক্ষে আর একটি স্বাধীনতা বিরোধী, তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ, জন্মভূমি এবং স্বাধীনতার পক্ষে থাকবে নাকি ভুল সিদ্ধান্ত নিবে। 

শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ শাখার নামে তিনি দেশে বিদেশে নানা রকম মানব কল্যাণ মূলক কাজ করে থাকেন ডাঃ ফেরদৌস খন্দকার ।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ডা. ফেরদৌস খন্দকার। জন্মগ্রহণ করেছেন কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে। বাবা ফয়েজ আহমেদ খন্দকার বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। মা আনোয়ারা বেগম খন্দকার গৃহিনী। তিন ভাইবোনের মধ্যে ডা. ফেরদৌস বড়।
ডাক্তার ফেরদৌসের মায়ের পরিবার দেবিদ্বারের পাশের মুরাদনগরের কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার নানা সামরিক বাহিনীতে অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টে কাজ করতেন। সহজ-সরল মানুষ। উনার ছয় ছেলে, এক মেয়ে। তার প্রথম ছেলে খুরশিদ আনোয়ার সাহেব, উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ওই সময় সেই এলাকার মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার ছিলেন তিনি। পরে ফার্মাসিস্ট হয়ে বিদেশে চলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় জনও মুক্তিযোদ্ধা, অ্যাকাউন্টেন্ট।
ছোটবেলা থেকেই স্বেচ্ছাসেবী কাজ করতে পছন্দ করতেন ডাক্তার ফেরদৌস। গ্রামে এবং নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা স্বেচ্ছাসেবী কাজের সাথে জড়িত ছিলেন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।  তিনি ১৯৯৮ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে ইন্টার্নিশিপসহ মেডিসিনে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তারপর পরিবার সহ পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানকার নিউইয়র্ক মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশিক্ষণসহ চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ডাক্তার ফেরদৌস। পাশাপাশি জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। 

 ডাক্তার ফেরদৌস কোন কাজকেই ছোট মনে করেননি। একসময় আমেরিকায় ট্যাক্সি ক্যাব চালিয়েছেন।   এমনও অনেক দিন গেছে টানা ১৯ ঘন্টা তিনি ট্যাক্সি চালিয়েছেন।  দশজন সাধারণ অভিবাসীর মতই তিনি ঘুরেছিলেন এই শহরে ভাগ্যের অন্বষনে। যুক্তরাষ্ট্রে ডাক্তারী পেশার জন্য প্রাকটিস সনদ পরিক্ষার খরচ যুগিয়েছিলেন এবং শেষ দিকে এসে যখন এই ডাক্তারী অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলেন, সেটার ভাড়া আর কর্মচারীদের বেতন তুলে চলতেন।


লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়কে বেছে নিয়েছেন ডাক্তার ফেরদৌস। নিজের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ডাক্তার ফেরদৌস হয়ে উঠলেন সফলদের একজন। 
তিনি জ্যাকসন হাইটসের ব্যস্ততম ৩৭ স্ট্রিটে ওয়েস্টার্ন কেয়ার মেডিকেল কেয়ার পিসি নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন সমমনাদের নিয়ে। সেখানে দেশি বিদেশি ৭ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বসেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের মূর্তমান বিশ্বস্ততার প্রতিক হয়ে উঠলেন ডাক্তার ফেরদৌস।

 

একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশী, ভারতীয় এবং পাকিস্থানী নাগরিকদের মধ্যে যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়েছেন । নিউইয়র্কের অলাভজনক সংস্থা দি অপটিমিস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তিনি। রোগিদের আস্থা আর তাদের প্রতি সেবাকে আরো বিস্তৃত করতে নতুন একটি মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন ফেরদৌস খন্দকার। জ্যাকসান হাইটস এর ৭০-৩৮ ব্রডওয়েতে এই চিকিৎসা কেন্দ্রটি অবস্থিত। মানুষজন বিক্ষিপ্তভাবে এদিক সেদিক না গিয়ে যাতে এক ছাদের নিছে সেবা পায় সেজন্যই তার এই প্রচেষ্টা। 

 

ডাক্তার ফেরদৌস খন্দকার চেম্বারে নিয়মিত রোগী দেখার পাশাপাশি, ফেসবুক এবং ইউটিউবে নিয়মিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি চান মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞানের পরিধি বিস্তার হোক।
বিদেশে থাকলেও স্বদেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার কথা অকপটে স্বীকার করলেন। মেডিকেলের শিক্ষার্থী হিসেবে সেনাবাহিনীর বৃত্তি পেয়েছিলেন। অর্থ-বিত্তে সাফল্যে পৌঁছার শুরুতেই তিনি সেই বৃত্তি ফেরত দিয়েছেন। নানাভাবে তাঁর দায় পরিশোধের উদ্যোগের কথা জানালেন। নিজের অর্থ ব্যয়ে গ্রামে হাসপাতাল ও বৃদ্ধাশ্রম করছেন। এসব কাজ করতে গিয়ে নানা বাধাবিপত্তির মোকাবিলা করেছেন।

বছরে অন্তত চারবার দেশে আসেন ডা. ফেরদৌস খন্দকার। নিজের এলাকার জন্য, দেশের মানুষের জন্য কিছু করার তাড়না থেকেই আসেন তিনি। অর্থনৈতিকভাবে বেশ সফল হলেও ভ্রমণের সময় বাড়তি ব্যয় করেন না। বেঁচে যাওয়া সেই অর্থ বরং মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন। 


আরও খবর



সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত:Sunday ০৫ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:  মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ফাল্গুনী টেলিভিশন এর প্রতিনিধি ও গজারিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোলায়মান শিকদার (৩৫) কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন একই এলাকার আরশাদ আলী বেপারীর ছেলে মোঃ বাবু (২৮)।

সাংবাদিক সোলাইমান সিকদার বলেন আমি ফাল্গুনী টিভি এর গজারিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছি। বিবাদীদের সহিত আমার বিভিন্ন বিষয়াদিসহ একটি সংবাদ প্রচার করাকে কেন্দ্র করিয়া পূর্ব বিরোধ চলছিল। উক্ত বিরোধ সংক্রান্তে বিবাদীগন আমার বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

গত ০২ই ফেব্রুয়ারী রাত আনুঃ ০৮.৩০ আমার বসত বাড়ীর পাশে জনৈক তাফসার এর মুদি দোকান এর সামনে পাকা রাস্তার উপর উল্লেখিত বিবাদীগন আমাকে দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদীগন আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও ভবিষ্যতে প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে। যেকোন সময় আমার বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে বিধায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।

গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা সোহেব আলী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



গজারিয়ায় শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মো: আবুল হোসেন :

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ (জানুয়ারি) সোমবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ এ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সহযোগিতায় ও উপজেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় সংসদ সদস্য, মুন্সীগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা এডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিএম রাসেদুল ইসলাম, গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শফিউল্লাহ, বাউশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের জনবান্ধব চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রধান, ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খান জিতু, টেঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কামরুল হাসান ফরাজী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তৌফিক এলাহি নূর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ তাজুল ইসলাম, প্রমুখ। 


আরও খবর